Full transcript
— PROLOGUE: THE POLYMATH MIND
0:00পট
0:02সফল
0:07[মিউজিক]
0:19স্পেশালাই
0:21[মিউজিক]
0:35আপনার কি কখনো একসাথে অনেকগুলো সাবজেক্ট,
0:38স্কিল কিংবা মাল্টিপল টপিকের প্রতি
0:39ইন্টারেস্ট তৈরি হয়েছে? যেমন
0:41সিনেমাটোগ্রাফি, হিস্ট্রি, গ্রাফিক
0:43ডিজাইন, পলিটিক্স, সাইন্স, সাইকোলজি। কখনো
0:46কি মনে হয়েছে আমার এই ইন্টারেস্টিং
0:48টপিকগুলো এক্সপ্লোর করা দরকার?
0:55আর এসব চিন্তা মাথায় আসার সাথে সাথেই যেন
0:57আরেক ধরনের চিন্তা ঘুরতে থাকে। কারণ আপনি
0:59ছোটবেলা থেকেই এই আইডিয়াটা বিশ্বাস করেই
1:02বড় হয়েছেন যে আপনাকে স্পেশালাইজড হতে
1:04হবে। যেকোন কিছু শিখতে চাইলে আপনাকে
1:06সবকিছুতে স্পেশালাইজ হতে হবে। রাইট? না।
1:09এমনটা মোটেই না। একটা সময় পর আপনি বুঝতে
1:12শিখবেন। এভিথিং
1:18[মিউজিক]
1:24ছোটবেলা থেকেই ফ্যামিলি [মিউজিক] স্কুল
1:27কিংবা সোসাইটি আমাদের একটা জিনিস
1:29শিখিয়েছে নলেজকে আলাদা আলাদা ক্যাটাগরি
1:31বা বক্স আকারে দেখতে
1:36[মিউজিক]
1:41[মিউজিক]
1:42>> কিন্তু যদি আমি আপনাকে বলি বাস্তবে এমনটা
1:44একদমই না নলেজ কোন কালেকশন অফ সেপারেট
1:47সাবজেক্ট না আসলে
1:49টন্ট
2:07everyথিং
2:10from
2:28মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কিছু ব্রেক
2:30ইনভেশন সবচেয়ে পাওয়ারফুল কিছু আইডিয়া
2:32আর সবচেয়ে জিনিয়াস ক্যারেক্টার সবাই
2:35এসেছে এই ইন্টারকানেক্টেড ওয়েব থেকে। আর
2:37এই ওয়েবের নাম পলিম্যাথ।
2:45[মিউজিক]
2:48পলিম্যাথের ক্লাসিক উদাহরণ হল।
2:52[মিউজিক]
2:55>> হয়তো তিনি ইতিহাসের সবচেয়ে আইকনিক
2:57পলিম্যাথ। তিনি শুধু একজন আর্টিস্ট ছিলেন
2:59[মিউজিক] না, তিনি এনাটমি, ইঞ্জিনিয়ারিং,
3:01আর্কিটেকচার, ম্যাথমেটিক্স এমনকি মিউজিক
3:03নিয়েও সমানভাবে হাইলি নলেজেবল ছিলেন।
3:07আলবার্ট আইনস্টাইনও ছিলেন এমনই একজন
3:09মানুষ। ফিজিক্সের জগতের বাইরে তার গভীর
3:12আগ্রহ ছিল ফিলোসফি, মিউজিক এবং বিভিন্ন
3:14ধরনের ক্রিয়েটিভ চিন্তার প্রতি। আর যদি
3:16ইসলামিক গোল্ডেন এইচ এর দিকে তাকাই তাহলে
3:19দেখা যাবে ইবনে সিনা যাকে ইতিহাসের অন্যতম
3:22শ্রেষ্ঠ স্কলার বলা হয়। আর এই প্যাটার্ন
3:24শুধু অতীতেই সীমাবদ্ধ নয়। মর্ডান
3:26ওয়ার্ল্ডেও আমরা একই জিনিস দেখি। ইলন
3:29মাস্কো একাধিক ফিল্ডের নলেজ একসাথে কাজে
3:31লাগিয়েছেন। সফটওয়্যার, ফিজিক্স, রকেট
3:34ইঞ্জিনিয়ারিং, এআই, এনার্জি থেকে শুরু
3:36করে ম্যানুফ্যাকচারিং পর্যন্ত। স্টিভ
3:38চপসের স্ট্রেন্থ ছিল টেকনোলজি, ডিজাইন,
3:40টাইপোগ্রাফি, সাইকোলজি, মার্কেটিং আর
3:43স্টোরি টেলিং এর মধ্যে কানেকশন তৈরি করা।
3:45এই ভিন্ন ভিন্ন ফিল্ডের নলেজ একসাথে কাজে
3:47লাগিয়ে তিনি তৈরি করেছেন এমন প্রোডাক্টস
3:49যার টেকনোলজিকে মানুষের কাছে আরো ইনটুটিভ
3:52ও এট্রাক্টিভ করে তুলেছে। ঠিক একইভাবে
3:54ইতিহাসের প্রায় সব আইকনিক ফিগারের জীবন
3:57বিশ্লেষণ করলে একটা কমন প্যাটার্ন দেখা
3:59যায়। তারা সবাই পলিমেথ আর্কিটাইপের
4:01ছিলেন। রোড টু থিংকার সিরিজের এই এপিসোডে
4:04আমরা শুধু পলিমেথ হওয়া নিয়ে কথা বলবো
4:06না। আমরা কথা বলব এর যুগে পলিমেথ আসলেই
4:09কেন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি
4:10গুরুত্বপূর্ণ। কেন এই স্কিল আপনার জন্য
4:13একটা কম্পারেটিভ এডভান্টেজ হতে পারে।
4:15কিভাবে যেকোনো স্কিল 10 গুণ দ্রুত শেখা
4:18যায় আর কিভাবে স্টেপ বাই স্টেপ একজন
4:20মর্ডার্ন পলিম্যাথ হয়ে ওঠা যায় সেটার
4:22একটা কমপ্লিট রোডম্যাপ নিয়েই আজকের
4:24ভিডিও।
— CHAPTER ONE: WHY IT MATTERS
4:33প্রথমেই প্রশ্ন আসে পলিমেথ আসলে কি? আর
4:36আপনি কেনইবা একজন পলিমেথ হওয়ার চেষ্টা
4:38করবেন? এর উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের ফিরে
4:40যেতে হবে ইতিহাসে। একেবারে এনসিন গ্রিসে।
4:43কারণ পলিমে শব্দটির জন্ম সেখানেই। পলিমে
4:46শব্দটি এসেছে দুটি গ্রিক শব্দ থেকে। পলি
4:49যার অর্থ মেনি বা মাচ। আর মেথেস যার অর্থ
4:53লার্ন।ড। মজার বিষয় হলো ম্যাথমেটিক
4:55শব্দটি মূলত মূল শব্দ থেকে এসেছে। এই দুটি
4:58শব্দ একত্রিত হয়ে তৈরি হয়েছে পলিমেথেস।
5:01অর্থাৎ সামওয়ান হু হ্যাজ লার্ন মাচ। আবার
5:04এভাবে বলা যায় এান ইন্ডিভিজুয়াল হুস
5:06নলেজ স্পন্স মেনি ডিফারেন্ট সাবজেক্টস।
5:08অর্থাৎ এমন একজন ব্যক্তি যার নলেজ শুধু
5:10একটি সাবজেক্টে সীমাবদ্ধ নয় বরং বিভিন্ন
5:12সাবজেক্ট জুড়ে বিস্তৃত। সহজভাবে বললে
5:15একজন পলিমেথ হলো এমন একজন মানুষ যিনি
5:17মাল্টিপল ফিল্ডে শিখেছেন দক্ষতা অর্জন
5:20করেছেন এবং সেই নলেজগুলোকে একসাথে কানেক্ট
5:23করতে পারেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো হোয়াইশুড
5:25এনিওয়ান বিকাম পলিম্যাথ? আমাদের ছোটবেলা
5:28থেকেই বলা হয় একটা ক্যারিয়ার বেছে নাও।
5:30একটা নিশ বেছে নাও। একটা স্কিলে মাস্টার
5:32করো। তারপর সারাজীবন সেটাই করে যাও। তারপর
5:35সেটা হয়ে যায় আপনার ক্যারিয়ার। শুধু
5:37ক্যারিয়ার নয় আমাদের পুরো ইকোনমিটাই এই
5:39স্পেশালাইজেশনের ধারণার উপর দাঁড়িয়ে
5:41আছে। এই কারণে গত 100 বছর ধরে আমরা আরো
5:45বেশি স্পেশালাইজড হয়েছি। মডার্ন সোসাইটি
5:47মূলত স্পেশালাইজেশন এর উপরেই ভিত্তি করে
5:49চলে। কারণটা সিম্পল। স্পেশালাইজেশন
5:52ইনক্রিসেস এফিশিয়েন্সি। একজন মানুষ যদি
5:54বছরের পর বছর শুধু একটি কাজই করেন তাহলে
5:57তিনি সেই কাজটিতে আরো ফাস্ট আরো স্কিলড
6:00এবং আরো ভ্যালুয়েবল হয়ে ওঠেন। আর সেই
6:02কারণে আজকের এডুকেশন সিস্টেম থেকে শুরু
6:04করে জব মার্কেট প্রায় সবকিছুই আমাদের
6:07একজন স্পেশালিস্ট হওয়ার দিকেই পুশ করে।
6:09অবশ্যই বিং এ স্পেশালিস্ট ইজেন্ট রং বরং
6:12অনেক ক্ষেত্রেই স্পেশালিস্টরাই বেশি সফল
6:14হন। বেশি অর্থ উপার্জন করেন। কারণ তার
6:17একটা ছোট নিশের মধ্যেই সবার থেকে এগিয়ে
6:19যান। [মিউজিক] কিন্তু একজন পলিমেথ হওয়া
6:21আপনাকে এক নতুন পারসপেক্টিভ দেয়। নট জাস্ট
6:24মানি বাট এ ডিফারেন্ট ওয়ে অফ সিং দা
6:26ওয়ার্ল্ড। পলিম্যাথ আপনাকে পৃথিবীকে নতুন
6:28পারস্পেক্টিভ থেকে দেখতে শেখায়। এমন একটা
6:30মাইন্ডসেট তৈরি করে যেখানে আপনি বিভিন্ন
6:32সাবজেক্টের আইডিয়াগুলোকে কানেক্ট করে
6:34সম্পূর্ণ নতুন ইনসাইট নতুন আইডিওলজি কিংবা
6:37নতুন ওয়েব থিংকিং তৈরি করতে পারেন।
6:45অনেকেই মনে করেন পলিম্যাথ বলতে এমন একজন
6:48মানুষকে বোঝায় যিনি অনেক সাবজেক্ট
6:50সম্পর্কে একটু একটু জানেন। কিন্তু বাস্তবে
6:56your deep এন্ড এক্সপ্টentই
7:08যুগে পলিমেথের অসংখ্য এডভান্টেজেস আছে।
7:11কিন্তু আমার মনে হয় বিশেষ করে আমাদের
7:13জেনারেশনের জন্য চারটি কারণ যেগুলো পলিমেথ
7:16হওয়াকে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি
7:18রেলিভ্যান্ট করে তুলেছে। এডভান্টেজ
7:20নাম্বার ওয়ান মোর ইন্টেলিজেন্ট। এখানে
7:22ইন্টেলিজেন্ট বলতে আমি বেশি আই কিউ
7:25বোঝাচ্ছি না বরং পলিমে হওয়ার সবচেয়ে বড়
7:27শক্তিগুলোর একটি হলেও এটা আপনার থিংকিং
7:29এবিলিটিকে আরো সফিস্টিকেটেড করে তোলে। এর
7:31সঙ্গে একটা গুরুত্বপূর্ণ কনসেপ্ট জড়িত।
7:34মেটা কগনিশন অর্থাৎ থিকিং এবাউট ইউর ওন
7:36থিংকিং। আপনি কিভাবে চিন্তা করছেন, কেন
7:39একটা কনক্লুশনে পৌঁছাচ্ছেন? আপনার এজামশনস
7:41কোথায় ভুল হতে পারে এসব নিয়ে নিজের
7:43চিন্তাকেই অবজার্ভ এবং কোশ্চেন করার
7:45ক্ষমতা। আর এই মেটা কগনিশনকেই
7:47ইন্টেলিজেন্সের সর্বোচ্চ পর্যায়গুলোর
7:49একটি ধরা হয়। একজন পলিম্যাথ, সাইকোলজি,
7:51হিস্ট্রি, বিজনেস, সাইন্স বিভিন্ন ফিল্ড
7:54থেকে নলেজ নিয়ে এমন প্যাটার্ন খুঁজে পান
7:56যা অন্যরা দেখতে পায় না। এর ফলে ধীরে
7:59ধীরে আপনি পৃথিবীকে একটা বিশাল নলেজ ওয়েব
8:01হিসেবে দেখতে শুরু করবেন। যেখানে প্রতিটা
8:03আইডিয়া অন্য কোন আইডিয়ার সাথে
8:05কানেক্টেড। রিয়েল সুপার পাওয়ার অফ
8:07পলিম্যাথ। নাম্বার টু মোর ফুলফিলিং। একটা
8:10সাবজেক্ট বা স্কিল নিয়ে বছরের পর বছর কাজ
8:13করলে অনেক সময় কিউরিয়াসিটি হারিয়ে
8:14যায়। বার্নউট চলে আসে। আর যেটা একসময়
8:17প্যাশন ছিল সেটাই ধীরে ধীরে
8:19রেস্পন্সিবিলিটি হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু
8:21একজন পলিম্যাথ নিজেকে কখনো একটা ফিল্ডের
8:23মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেন না। আজ হয়তো তিনি
8:25ফিলোসফি শিখছেন। কাল নিউরোসাইন্স, পরশু
8:28ডিজাইন আবার অন্যদিন ইকোনমিক্স। বাইরে
8:31থেকে এগুলো কমপ্লিটলি আনরিলেটেড মনে হলেও
8:33যতই আপনি এক্সপ্লোর করবেন ততই বুঝতে
8:35পারবেন সবকিছুই একে অপরের সাথে কানেক্টেড।
8:38লার্নিং তখন আর একটা ডেস্টিনেশন থাকে না।
8:41এটা হয়ে যায় লাইফলং এক্সপ্লোরেশন।
8:47নাম্বার থ্রি মেক লার্নিং ইজিয়ার পলিমেথের
8:50সবচেয়ে আন্ডারটেড এডভান্টেজ হলেও এটি নতুন
8:53কিছু শেখাকে অবিশ্বাস্য রকম সহজ করে দেয়
8:56কারণ কগনিটিভ সাইকোলজি অনুযায়ী আমাদের
8:58ব্রেন নতুন ইনফরমেশনকে কখনো একা স্টোর করে
9:01না বরং আগের নলেজের সাথে কম্পেয়ার করে
9:04কানেক্ট করে এবং নতুন মেন্টাল মডেল তৈরি
9:07করে এই কারণে প্রিমিয়ার প্রো জানলে আফটার
9:09ইফেক্ট শেখা সহজ লাগে গ্রাফিক ডিজাইন
9:11জানলে মোশন ডিজাইন দ্রুত শেখা যায়
9:13ম্যাথমেটিক্স জানলে ফিজিক্স বেশি লজিক্যাল
9:16মনে হয়। আর সাইকোলজি জানলে মার্কেটিং
9:18সম্পূর্ণ নতুন অর্থ পায়। একসময় আপনি আর
9:21আলাদা আলাদা স্কিল শিখছেন না বরং একটা
9:23বিশাল নলেজ নেটওয়ার্ক তৈরি করছেন। যেখানে
9:25প্রতিটা নতুন আইডিয়া আগের কোন আইডিয়ার
9:27উপর বিল্ড হয়। আর সেই নেটওয়ার্ক যত বড়
9:29হতে থাকে নতুন কিছু শেখাও তত ফাস্টার,
9:32ইজিয়ার এবং মোর ইনটুটিভ হয়ে যায়।
9:34নাম্বার ফোর মোর ফান। সবশেষে পলিমে হওয়ার
9:38সবচেয়ে সিম্পল কিন্তু পাওয়ারফুল কারণ
9:39হলো ইটস সিম্পলি মোর ফান। একই ধরনের কাজ
9:42বছরের পর বছর করলে একসময় এক্সাইটমেন্ট
9:44হারিয়ে যায়। কিন্তু যখন আপনি প্রতিনিয়ত
9:46নতুন সাবজেক্ট, নতুন স্কিল আর নতুন
9:48আইডিয়া এক্সপ্লোর করেন, তখন লার্নিং কখনো
9:50বোরিং লাগে না। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো এক
9:53ফিল্ড থেকে শেখা একটি কনসেপ্ট অনেক সময়
9:55সম্পূর্ণ অন্য একটা প্রজেক্টে গিয়ে কাজে
9:57লাগে। এই ক্রস পলিনেশন অফ আইডিয়াস শুধু
10:00আপনার ক্রিয়েটিভিটি বাড়ায় না বরং পুরো
10:02লার্নিং প্রসেসটাকে অনেক বেশি এনজয়েবল,
10:05মিনিংফুল এবং ডিপলি স্যাটিসফাইং করে তোলে।
10:11>> [মিউজিক]
10:14>> সপন্নিং
10:19[মিউজিক]
10:28[মিউজিক]
10:37[মিউজিক]
10:39এন্ড এন্ড everyথিং endন্ডি
— CHAPTER TWO: LEARN HOW TO LEARN
10:49এতক্ষণে আমরা বুঝলাম কেন একজন পলিমে হওয়া
10:52গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু আরো গুরুত্বপূর্ণ
10:54একটি প্রশ্ন রয়ে যায় এতকিছু শিখবেন
10:56কিভাবে এত [মিউজিক] ভিন্ন স্কিল আর নলেজ
10:59আয়ত্ত করবেন কিভাবে সেই উত্তর লুকিয়ে
11:01আছে একটা স্কিলের মধ্যে কগনিটিভ
11:03সাইকোলজিতে যাকে বলা হয় দ্যা স্কিল অফ
11:05লার্নিং
11:13পট
11:16সচিং
11:25allবাস
11:35কম্বাইন দিস দিস দিস দিস এন্ড দিস
11:41সকথই
11:54সফি
11:59স্পেসিফিক সলা
12:02কম্পিউটার কোড ইস
12:06হা
12:08সফ
12:23আরেকটা স্কিল আমি সবাইকে রিকমেন্ড করব
12:25সেটা হলার হাউ টু লার্ন আমি নিজেও এখন এই
12:28বিষয়টা শিখছি আর অনেস্টলি এটা আমার শেখার
12:32পুরো এপ্রোচটাই বদলে দিয়েছে যদি এই টপিকে
12:34ইন্টারেস্টেড থাকেন তাহলে জাস্টিন সাং আর
12:37ন্ড্রো হুবারম্যানের কন্টেন্ট দিয়ে শুরু
12:39করতে পারেন। পার্সোনালি লার্নিং সাইন্স
12:41নিয়ে এদের কন্টেন্ট আমার দেখা সেরা গুলোর
12:44মধ্যে অন্যতম। আমরা যখন লার্নিং বা থিংকিং
12:46এবিলিটি নিয়ে কথা বলি তখন একটা
12:48গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আসে একজন মানুষ আসলে
12:50কতটা গভীরভাবে চিন্তা করতে পারে? সেটা
12:53কিভাবে বোঝা যায়? এই বিষয়টাকে বোঝার
12:55জন্য এডুকেশন এবং কগনেটিভ সাইন্সে বহুল
12:58ব্যবহৃত একটা ফ্রেমওয়ার্ক হলো ব্লুমস
13:00ট্যাক্সোনমি। ব্লুমস ট্যাক্সোনমি অনুযায়ী
13:02সাধারণভাবে লার্নিং কে এই দুইটি বড় ধাপে
13:05ব্যাখ্যা করা যায়। লো লেভেল লার্নিং এন্ড
13:07হাই লেভেল লার্নিং। লো লেভেল লার্নিং। এটি
13:10লার্নিং এর প্রাথমিক স্তর। এখানে মূল
13:12লক্ষ্য হলো রিমেম্বার আন্ডারস্ট্যান্ড
13:14এন্ড এপ্লাই। অর্থাৎ আপনি ইনফরমেশন মনে
13:17রাখেন। বিষয়টি বুঝতে শুরু করেন এবং সাধারণ
13:19পরিস্থিতিতে তা ব্যবহার করতে পারেন।
13:22কিন্তু এই স্তরে এখনো ডিপ
13:23আন্ডারস্ট্যান্ডিং বা মাস্টারি তৈরি হয়
13:26না। হাই লেভেল লার্নিং। এটি লার্নিং এর
13:28এডভান্স স্টেজ। যেখানে আপনি শুধু নলেজ মনে
13:31রাখেন না বরং এনালাইজ, ইভ্যালুয়েট এন্ড
13:33ক্রিয়েট করতে পারেন। অর্থাৎ আপনি নতুন
13:35পরিস্থিতিতে নলেজ ব্যবহার করেন। বিভিন্ন
13:38আইডিয়ার মধ্যে কানেকশন তৈরি করেন এবং নতুন
13:40সলিউশন বা আইডিয়া তৈরি করতে সক্ষম হন।
13:43মাস্টারি এবং এক্সপার্টিজ শুরু হয় এই স্তর
13:46থেকেই। যদি আরেকটু ক্লিয়ার করে বলি তাহলে
13:48শেখার পুরো প্রসেসটাকে তিনটা ধাপে ভাগ করা
13:51যায়। প্রথম ধাপে আপনি শুধু ইনফরমেশন
13:53সংগ্রহ করেন। দ্বিতীয় ধাপে সেই ইনফরমেশন
13:56বুঝতে শুরু করেন। নিজের ভাষায় এক্সপ্লেইন
13:58করতে পারেন এবং বিভিন্ন আইডিয়ার মধ্যে
14:00কানেকশন খুঁজে পান। আর তৃতীয় ধাপে আপনি
14:02সেই নলেজ ব্যবহার করে প্রবলেম সলভ করেন।
14:05নতুন কিছু তৈরি করেন এবং অন্যদের শেখানোর
14:08মত দক্ষ হয়ে ওঠেন। আর এই লার্নিং এর পুরো
14:11বিষয়টা আমরা তিনটি স্টেপের একটা সিম্পল
14:13প্রসেসের মাধ্যমে শিখবো। প্রথম প্যাটার্ন
14:15হলো গেট আর্লি উইন্স। বেশিরভাগ মানুষ ভাবে
14:18মোটিভেশন আগে আসে তারপর অ্যাকশন। কিন্তু
14:21আমাদের ব্রেইন অনেক সময় ঠিক উল্টোভাবে
14:23কাজ করে। আপনি যখন ছোট ছোট প্রোগ্রেস
14:25দেখতে শুরু করেন তখনই ব্রেইন সেই কাজটা
14:27চালিয়ে যাওয়ার জন্য আরো মোটিভেশন তৈরি
14:29করে। একটা ছোট সাকসেস, একটা ছোট
14:32ইমপ্রুভমেন্ট কিংবা একটা পজিটিভ ফিডব্যাক
14:34এসবই ডোপামিন রিলিজ করে এবং সেই কাজের
14:37প্রতি আমাদের মোটিভেশন আরো বাড়িয়ে দেয়।
14:40এই কারণে অনেক সাকসেসফুল মানুষের জার্নিতে
14:43শুরুতেই একটা ছোট ব্রেকথ্রু দেখা যায়। আর
14:45এই আর্লি উইন্সটাই তাদের লাইফের একটা
14:47টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়। মিস্টার
14:48বিস্টার প্রথম দিকের একটা ভিডিও অনেক
14:50ভাইরাল হয়েছিল। সেটা তাকে ওভারনাইট
14:52সেলিব্রিটি বানায়নি। কিন্তু সেই ছোট
14:54ব্রেকথ্রো তাকে বুঝতে সাহায্য করেছিল যে
14:56তার কাজের মধ্যে সত্যিই পটেনশিয়াল আছে।
14:59ধরুন জিম শুরু করার এক মাস পর আপনি নিজের
15:01শরীরে দুই থেকে তিন কেজি চেঞ্জ দেখতে
15:03পেলেন অথবা প্রোগ্রামিং শেখার মাত্র এক
15:06সপ্তাহ পর নিজের হাতে একটা ছোট প্রজেক্ট
15:08তৈরি করলেন। এই ছোট প্রোগ্রেসগুলোই
15:10কনফিডেন্স তৈরি করে। আর কনফিডেন্স থেকেই
15:13আসে দীর্ঘদিন কাজ চালিয়ে যাওয়ার
15:15মোমেন্টাম। দ্বিতীয় প্যাটার্ন হলো ফাইন্ড
15:18লেভারেজ পয়েন্টস। সব ইনফরমেশনের ভ্যালু
15:20সমান নয়। একটা স্কিলের এমন কিছু
15:22ফাউন্ডেশনাল কনসেপ্ট থাকে যেগুলো শিখে
15:25ফেললে বাকি শেখাটা অনেক সহজ হয়ে যায়।
15:28এটি মূলত প্যারেটর প্রিন্সিপাল বা 80-20
15:30রুল এর প্র্যাকটিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন।
15:32ফাস্ট লার্নারসরা আসলে নলেজ একুমুলেট করেন
15:35না। তারা লেভেজ একিমুলেট করেন। তারা
15:37সবকিছু শেখার চেষ্টা করেন না। বরং সেই
15:40জিনিসগুলো খুঁজে বের করেন যেগুলো বাকি
15:42লার্নিংকে এক্সিলারেট করে। ল্যাঙ্গুয়েজ
15:45শেখার ক্ষেত্রে হাজার হাজার ভোকাবুলারি
15:46মুখস্ত করার আগে সবচেয়ে ফ্রিকোয়েন্ট
15:48কয়েকশো শব্দ শিখে ফেলাই বেশি ইফেক্টিভ।
15:51একইভাবে প্রোগ্রামিং শেখার সময় প্রতিটা
15:53ল্যাঙ্গুয়েজ আলাদা আলাদা মুখস্ত করার চেয়ে
15:55প্রবলেম সলভিং আর ডেটা স্ট্রাকচার শিখে
15:57ফেললে নতুন ল্যাঙ্গুয়েজ শেখাও অনেক সহজ
16:00হয়ে যায়। তৃতীয় প্যাটার্নটা হলো বিলড টাইট
16:03ফিডব্যাক লুপ। ফার্স্ট লার্নারসরা শুধু
16:05ইনফরমেশন কনজিউম করেন না। তারা খুব দ্রুত
16:08কাজ করেন, ফলাফল দেখেন, ভুল ধরেন এবং আবার
16:11ইমপ্রুভ করেন। অর্থাৎ লার্নিংকে তারা একটা
16:14কন্টিনিউয়াস ফিডব্যাক লুপে পরিণত করেন।
16:16আপনি যদি রাইটিং শিখতে চান শুধু রাইটিং
16:18সম্পর্কে বই পড়ে গেলে হবে না। লিখতে হবে।
16:20তারপর নিজের লেখা এনালাইজ করতে হবে।
16:23ফিডব্যাক নিতে হবে। কোথায় দুর্বলতা আছে
16:25সেটা আইডেন্টিফাই করে আবার লিখতে হবে। যত
16:28দ্রুত এই অকশন, ফিডব্যাক, কারেকশন,
16:30অ্যাকশন সাইকেল রিপিট হবে তত দ্রুত আপনার
16:33লার্নিং এক্সিলারেট [মিউজিক] করবে। কিন্তু
16:35এই জার্নির সবচেয়ে কঠিন অংশ হলো ক্লাট।
16:38এমন একটা সময় যখন আপনি প্রতিদিন
16:40প্র্যাকটিস করছেন কিন্তু কোন ভিজিবল
16:42প্রোগ্রেস দেখতে পাচ্ছেন না। এখানেই
16:44বেশিরভাগ মানুষ হাল ছেড়ে দেয়। কেউ নতুন
16:46স্কিল খুঁজতে শুরু করে। কেউ অতি দ্রুত
16:48রেজাল্ট পাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে বার্ন
16:49আউট হয়ে যায়। অথচ সত্যিকারের মাস্টাররা
16:52জানেন প্লাটু মানে আপনি [মিউজিক] আটকে
16:54যাননি বরং আপনার ব্রেইন নীরবে নতুন
16:56কানেকশন তৈরি করছে।
— CHAPTER THREE: THE PROCESS
17:11কিন্তু এখনো একটা প্রশ্ন থেকেই যায়
17:13এতগুলো বিষয় একসাথে শিখবেন কিভাবে? একজন
17:16পলিমেথ হওয়ার মানে তো একসাথে সবকিছু শেখা
17:19নয় বরং কোন সাবজেক্টটাকে এখন প্রায়োরিটি
17:22দেবেন আর কোনটা পরে শিখবেন সেটা জানা আরো
17:25গুরুত্বপূর্ণ আর সেই কারণে আমি একটা
17:27ফ্রেমওয়ার্ক ফলো করি যার নাম দ্যা
17:29পলিম্যাথ অরবিট এখানে প্রতিটা সাবজেক্ট
17:32তার প্রায়োরিটি অনুযায়ী আলাদা আলাদা
17:34অরবিটে থাকে লেভেল ওয়ান অরবিট হলো ডেইলি
17:37লার্নিং লেভেল ওয়ান অরবিটে থাকবে সেই
17:39সাবজেক্ট বা স্কিলগুলো যেগুলো আপনি
17:41প্রতিদিন শিখছেন বা শিখবেন কারণ নতুন কোন
17:43স্কিল শেখার শুরুতে সবচেয়ে বেশি টাইম
17:46এনার্জি আর ফোকাস লাগে। তাই এখানে একসাথে
17:49এক বা দুইটার বেশি বিষয় রাখা উচিত নয়।
17:51উদাহরণ হিসেবে যদি আপনার লক্ষ্য একজন ভালো
17:53ফিল্মমেকার হওয়া তাহলে সিনেমাটোগ্রাফি
17:56এবং স্টোরি টেলিং লেভেল ওয়ানে থাকতে
17:58পারে। আবার যদি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার
18:00হতে চান তাহলে ডেটা স্ট্রাকচারস এন্ড
18:01অ্যালগরিদমস এবং সিস্টেম ডিজাইন আপনার
18:04ডেইলি অরবিট হতে পারে। এখানে লক্ষ্য একটাই
18:07একটা স্কিলে গভীরে যাওয়া। লেভেল টু অরবিট
18:10হলো উইকলি লার্নিং। দ্বিতীয় অরবিটে থাকবে
18:13সেই বিষয়গুলো যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
18:15কিন্তু প্রতিদিন প্র্যাকটিস করার দরকার
18:16নেই। এগুলো সপ্তাহে এক বা দুইদিন শিখলেই
18:19যথেষ্ট। উদাহরণ হিসেবে একজন কনটেন্ট
18:21ক্রিয়েটর সপ্তাহে কয়েক ঘন্টা এআই টুলস বা
18:23মার্কেটিং শিখতে পারেন। আবার একজন
18:25প্রোগ্রামার সপ্তাহে একদিন ইউআই ইউএ
18:27ডিজাইন বা সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পড়তে
18:29পারেন। এগুলো আপনার মেইন ফোকাস নয়। কিন্তু
18:31ভবিষ্যতে এগুলো আপনার মূল স্কিলকে আরো
18:33শক্তিশালী করবে। লেভেল থ্রি অরবিট হলো
18:36মান্থলি লার্নিং। তৃতীয় অরবিটে থাকবে সেই
18:38সাবজেক্টগুলো যেগুলো নিয়ে আপনার কিউরিসিটি
18:41আছে। কিন্তু এখন প্রায়রিটি নয়। মাসে একবার
18:43সময় দিলেও যথেষ্ট। উদাহরণ হিসেবে আপনি
18:46মাসে একদিন ফিলোসফির একটা বই পড়তে পারেন
18:48অথবা হিস্টরি নিয়ে একটা ডকুমেন্টারি
18:50দেখতে পারেন। আবার ফ্যাশন, আর্কিটেকচার বা
18:52ইকোনমিক্স নিয়ে মাসে কয়েক ঘন্টা রিসার্চ
18:54করতে পারেন। উদ্দেশ্য এক্সপার্ট হওয়া নয়
18:57বরং নিজের পার্সপেক্টিভকে এক্সপ্যান্ড
18:59করা। আর আরেকটা থাকবে প্যাসিভ অরবিট।
19:01প্যাসিভ অরবিটে থাকবে আপনার সব
19:03ইন্টারেস্ট। যেগুলো নিয়ে এখন এক্টিভলি
19:05কাজ করছেন না কিন্তু ভবিষ্যতে করতে চান।