Full transcript
0:00এইচএসসি তে ভালো করা মানেই কিন্তু
0:01একচুয়ালি এইচএসসি তে ভালো করা নয়। তুমি এই
0:03ভিডিওর পার্ট ওয়ানে অলরেডি তিনটা অস্ত্র
0:06সম্বন্ধে জেনেছো। যেটা এই এডুকেশন সিস্টেম
0:07স্পেশালি এইটেক ইউজ করে তোমাদের [মিউজিক]
0:09তাদের খেলার দর্শক বানিয়ে রেখেছে। দর্শক
0:11কেন বললাম কল্পনা করো 2022 সালের
0:13বিশ্বকাপের ফাইনাল। আর্জেন্টিনা বনাম
0:15ফ্রান্স। ধরো তুমি একটি টিকিট কিনছো। তুমি
0:16গ্যালারিতে বসে আছো। আর পুরো ম্যাচটাতে
0:18তুমি দুই দলের খেলা দেখলে স্পেশালি মেসির
0:20খেলা দেখলে। তার প্রতিটা টাস। প্রতিটা
0:22ড্রিবলিং থেকে তুমি লাফাচ্ছ। চেয়ার আপ
0:23করছো। সে যখন গোল করল তোমার তো মানে
0:25গুসবামস হয়ে অবস্থা টাইট। শেষে পেনাল্টি
0:27শুটআউটে তো তোমার ভেতর থেকে জান বের হয়ে
0:29যায় অবস্থা। সবকিছুর শেষে আর্জেন্টিনা
0:31ফাইনালি জেতার পরে তোমার বুক এমনভাবে
0:34কাঁপছে যেন তুমি নিজেই মাঠে খেলছো। নাও
0:36লেটস ওয়েক আপ টু রিয়ালিটি। পরের দিন
0:38তুমি যদি হাজার বারও ট্রাই করো তুমি কি
0:40কোনভাবেই মেসির মত খেলতে পারবা? মেসি তো
0:42বাদ দাও। তুমি কি কোন দলের কারো মত খেলতে
0:44পারবা? এই ভিডিও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা
0:46এইটাই। পুরো এটেক তোমাকে তোমার জীবনের
0:49ময়দানের স্টেফ একজন দর্শক বানিয়ে
0:51রেখেছে। তুমি গ্যালারিতে বসে থাকো। তুমি
0:53তোমার প্রিয় শিক্ষকের খেলা দেখো। সেই
0:54ওয়ান শার্ট ম্যারাথন আর ফুল একাডেমিক
0:56প্লেলিস্টও দেখো। আর তোমার মস্তিষ্ক
0:57তোমাকে বুঝিয়ে দেয় যে তুমিই খেলছো। তোমার
0:59মনে হয় তুমি শিখছো। ক্লাস দেখলে মনে হয়
1:01সবকিছুই পারি। তারপর আসে পরীক্ষার দিন।
1:03যখন নিজে নিজে কোন কিছু করতে চাও তুমি তখন
1:05প্রথমবারের মতো মাঠে নামো। প্রশ্ন পর্যন্ত
1:07উল্টানো হয় আর সাথে সাথে তুমি মনে হয় যে
1:08তুমি কিছুই পারো না। তোমার মাথা পুরা
1:10ব্ল্যাংক। নট নেসারি তুমি খারাপ
1:11স্টুডেন্ট। বাট বিকজ তুমি কখনো আগে মাঠে
1:13খেলোই নাই। এই ভিডিওর পার্ট ওয়ানে তোমরা
1:15অলরেডি সেই রাফির সাথে নিজের তুলনা করেছো।
1:17সেই রাফির সাথে নিজের মিল খুঁজে পেয়েছো।
1:19এবং শত শত মানুষ কমেন্ট বক্সে জানিয়েছো
1:21তোমাদের সমস্যাগুলো। এটাই হলো সেই প্লেয়ার
1:23না হয়ে দর্শক বা স্পেক্টেটর হওয়ার ট্র্যাপ
1:26যার ফলে বর্তমান সব শিক্ষার্থীদের আজ এই
1:29অবস্থা। এখন কথা হলো তুমি কিভাবে দর্শক
1:32থেকে প্লেয়ার হবে? বিষয়টা সহজভাবে বোঝার
1:34জন্য আমরা মেসির কথা ভাবতে পারি। 15
1:36বছরেরও বেশি সময় ধরে মেসি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ
1:38খেলোয়াড়দের একজন ছিল। তারপরও সে বিশ্বকাপ
1:40জিততে পারছিল না। তার যে প্রতিভার অভাব
1:42ছিল তা কিন্তু নয়। তার অভাব ছিল একটা সঠিক
1:44টিম। সঠিক এক্সিকিউশন আর একজন সঠিক কোচ।
1:46যে জানে কিভাবে জিততে হয়। তাই দেখা
1:49যাচ্ছিল আর্জেন্টিনার টিমের হয়তো ডিফেন্স
1:50ভালো হলে অ্যাটাক ভালো হচ্ছিল না অ্যাটাক
1:52ভালো হলে ডিফেন্সের কোন খবর নাই কোন সময়
1:54গোলকিপার ঠিক নাই কোন সময় টিম
1:55কোঅর্ডিনেশন ঠিক নাই তবে মেসি যেদিন এই
1:57সবকিছু একসাথে পেল অর্থাৎ ফুটবল খেলার ফুল
2:00সিস্টেম একসাথে পেল সে সর্বকালের সেরা হলো
2:03হি কমপ্লিটেড ফুটবল এন্ড হি ফাইনালি
2:05ওয়ার্ল্ড কাপ প্রতিভা নিয়ে মেসির কোনদিন
2:07কোন সমস্যা ছিল না তোমার সামর্থ্য নিয়েও
2:09কোন সমস্যা নেই তোমার যেটার অভাব ছিল বা
2:11আছে সেটা হলো একটা ফুল সিস্টেমের তবে তার
2:14আগে একটা কথা বিশেষ করে সেই ছাত্রটার জন্য
2:16যে ভাবছে ভাই আজকের ভিডিও ফলো করে কি
2:18আসলেই এক মাসের মধ্যে এই চেসিতে ভালো
2:20ফলাফল করতে পারবো। ফুটবলের সবাই মেসি না।
2:22মেসি হওয়ার দরকারও নেই। তোমার লাইফে
2:23বিশ্বকাপ জিততে হলে তোমাকে মেসি হতে হবে
2:25না। সর্বকালের সেরাও হতে হবে না। তুমি
2:26চাইলে ডিমারিয়া হতে পারো। হতে পারো এনজো
2:28ফারনান্দে। বেসিক্যালি এমন একজন প্লেয়ার
2:30তোমাকে হতে হবে যে নিজ নিজ জায়গা থেকে
2:32নিজের বেস্টটা দিতে পারবে। তোমার লাইফের
2:33ওয়ার্ল্ড কাপ হচ্ছে তোমার বাবা মায়ের যে
2:35আত্মত্যাগ সেটার মূল্য দেওয়া এবং নিজেকে
2:37এমন একটা জায়গায় নিয়ে যাওয়া যেখানে
2:39যেয়ে তুমি নিজেকে নিয়ে প্রাউড ফিল করতে
2:41পারো। এন্ড অনেস্টলি এইচএসসি জাস্ট টিপ অফ
2:44আইসবার্গ। একাডেমিক নিয়ে যারা জীবনে কিছু
2:46করতে চাচ্ছো তারা অলরেডি জানো যে 12 লাখ
2:48এইচএসসি শিক্ষার্থীদের 55,000 এর মত একজন
2:50না হলে তোমার এইচএসসি রেজাল্টের তেমন একটা
2:52কোন ভ্যালু কিন্তু নেই। আর যারা
2:53একাডেমিক্স এর বাইরে কোন কিছু করতে চাচ্ছো
2:55তারা জানো যে এইচএসসি টাইমটাই হবে তোমার
2:58লাইফের ট্রেনিং পিরিয়ডের মুখ্যম একটা
2:59সময়। যেটা আসলে ডিসাইড করবে তুমি তোমার
3:01বাকি লাইফটা কিভাবে দেখবে। কজ মিথ্যা আশা
3:03দিয়ে লাভ নেই যে তুমি চান্স পেয়ে গেলে
3:05কোন জায়গায় তোমার লাইফের সাথে চিল আর
3:07চিল হবে। বরং তোমার লাইফ তখন আরো বেশি
3:09কঠিন হবে এবং সেখানে তোমার অনেক অনেক বেশি
3:11সেলফ ডিপেন্ডেন্ট হতে হবে। আর তুমি যে
3:13ম্যাট্রিক্সের বাইরে অর্থাৎ এই এডুকেশন
3:15সিস্টেমের বাইরে যদি কিছু করতে চাও তোমার
3:17জন্য তো ভাই আত্মনির্ভরশীল হওয়া ফরজ কারণ
3:19তখন তুমি যখন সামনে আগায়ে কিছু করতে যাবা
3:22পড়ালেখার বাইরে তোমাকে পিছনে টানার জন্য
3:23এটলিস্ট 10 জন মানুষ তৈরি থাকবে আর
3:26বাংলাদেশ হলো এমন একটি দেশ যেখানে তোমাকে
3:28নামাজের কাতারের বাইরে আর কেউ তোমাকে
3:30সামনে আগাতে দিবে না কারণ তুমি নিজেও জানো
3:32এই এইচএসসির এ প্লাস বা গোল্ডেন এ প্লাস
3:34বা চান্স এগুলো তোমার মুখ্যম বিষয় না।
3:36মুখ্যম বিষয় হচ্ছে তোমার জন্য যারা কষ্ট
3:37করেছে সেই কষ্টের অর্থ দেওয়া তাদেরকে
3:40নিয়ে একসাথে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা এবং
3:42সবশেষ একজন আত্মনির্ভরশীল মানুষ হয়ে ওঠা।
3:44তবে নাউজুবিল্লাহ তুমি অলরেডি পার্ট
3:45ওয়ানে জেনে গেছো যে কিভাবে তোমাকে এই
3:47এডুকেশন সিস্টেম এবং এডটেক তাদের উপর
3:50ডিপেন্ডেন্ট বানিয়ে রেখেছে। যার ফলে তুমি
3:51কখনো শিখতেই পারছো না যে কিভাবে নিজে নিজে
3:53ভাবতে হয় বা শিখতে হয়। ফলস্বরূপ তুমি এড
3:56টেকের কোর্সের পেছনে টাকা বড় কথা না যে
3:58টাইম দিচ্ছ ঠিকই কিন্তু এখনো নিজের পড়া
4:00নিজে গুছিয়ে আনতে পারছো না ইউটিউবে
4:02ফ্রিতে ক্লাস করছো ঠিকই কিন্তু এখনো তোমার
4:04পড়া মাথায় ঢুকছে না তোমার রোল ছিল আগে
4:07এক থেকে 20 এর মধ্যে আর এখন চলে গেছে 40
4:0960 বা 100রও বাইরে তুমি বুঝছো যে সামথিং
4:12ইজ রংবাট ইউ ডোন্ট নো হোয়াট ইট ইজ তাই
4:15আজকের ভিডিওতে তোমার কাছে আমার একটা
4:17সিম্পল প্রমিস রয়েছে যেটা হলো এক মাসের
4:19মধ্যেই এইচএসসিতে ভালো করানো এখানে ভালো
4:23করানো একেকজনের কাছে একেক রকম কেউ হয়তোবা
4:25ফেল করতে করতে অবস্থা খারাপ তারা চাচ্ছ
4:27কোন রকমে জাস্ট পাঁচটা করতে কেউ হয়তোবা 60
4:2970 পাচ্ছ 100 তে তারা চাচ্ছ 80 প্লাস পেতে
4:32কেউবা 80 পাচ্ছ ঠিকই কিন্তু চাচ্ছ টপ করতে
4:35এখানে একেকজনের এম একেক রকম বাট ফর্মুলা
4:38সবার ক্ষেত্রে সেমই হবে সো ইয়েস আজকে এই
4:41ভিডিওর বাকি সময় জুড়ে আমি যা রিভিল করতে
4:43যাচ্ছি তুমি তা এক্সিকিউট করার মাধ্যমে
4:45তুমি তোমার আজকের অবস্থান থেকে চার গুণ 10
4:47গুণ এমনকি 40 গুণ পর্যন্ত ইমপ্রুভ করতে
4:50পারো না ভাই কোন ক্লাসমেটের সাথে তুলনা না
4:53কোন টপারের সাথেও তুলনা না ইটস ইউ ভারসেস
4:55ইউ তোমার সাথেই তোমার প্রতিযোগিতা দিস ইস
4:57এসমসন এক্সডেড এক্স অফিসার ক্যাডেড এবং
4:59বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের একজন
5:01শিক্ষার্থী এবং ফিউর পার্ট ওয়ানে অলরেডি
5:02আমরা এইচএসসি লাইফের সমস্যা সম্বন্ধে
5:04জেনেছি এবং আজকের ভিডিওতে আমরা সেটির
5:06সলিউশন করবো তুমি যদি রেডি থাকো এখনই
5:08কমেন্ট বক্সে লিখো রেডি আমি আমার সিক্রেট
5:11রিভিল শুরু করছি এন্ড এখানেই আসছে আমাদের
5:13ফার্স্ট সিক্রেট রিভিল টপাররা কিন্তু
5:15তোমার চেয়ে ভালো কোন দর্শক না তারা কোন
5:17তোমার চেয়ে বেশি ক্লাস করে না ইনফ্যাক্ট
5:19তোমাদের চেয়ে অনেক কম ক্লাস করে এখন
5:21প্রশ্ন আসতে পারে তারা আসলে সারাদিন করেটা
5:23কি এবং এর উত্তর খোঁজার জন্য তুমি যদি কোন
5:25টপারকে জিজ্ঞেসও করো যে ভাই তুই কি
5:26সারাদিন পড়ছস জীবনেও বলবে না ও সারাদিন
5:28পরে। ইনফ্যাক্ট এটা তুমি দেখবা যে
5:30বেশিরভাগ টাইম ওরা চিল থাকে এবং মেইন
5:32পরীক্ষা বা মেইন জায়গায় গিয়ে কাপাই
5:33দিয়ে আসে। সো তারা সারাদিন কি করে? এই
5:36কথাটি আজকের এই ভিডিওতে আমি ডিটেইলসে বলবো
5:37এবং শোনার পরে তুমি বলবা যে ভাই এই কথা
5:40আপনি আমাকে আগে কেন বলেন নাই। এবার চলো
5:42তোমাকে দেখাই যে কিভাবে একজন দর্শক থেকে
5:44প্লেয়ার হতে হয়। একজন প্লেয়ারের খেলার
5:46জন্য কিন্তু তিনটা জিনিস লাগে
5:47প্রাইমারিলি। এক হইলো ফুটবল যেটা খেলবা
5:49তুমি। দ্বিতীয়ত হলো খেলার মাঠ এবং
5:51তৃতীয়ত হলো সঠিক সিস্টেম। এখানে ফুটবল
5:53হচ্ছে তোমার পড়ালেখার মেটেরিয়ালস মাঠ
5:55হচ্ছে তোমার চারে বাসা এনভায়রনমেন্ট
5:57তোমার লাইফ স্টাইল তোমার ডেইলি রুটিন এবং
5:59থার্ড অফ অল সিস্টেম হচ্ছে সঠিক পথে সঠিক
6:02স্ট্র্যাটেজিতে স্মার্টলি হার্ডওয়ার্ক
6:04করা প্রথমে আমরা কথা বলব ফুটবল নিয়ে কজ
6:06ম্যাক্সিমাম তোমাদের ফুটবলে বাতাস নেই
6:09বিষয়টা আমি ক্লিয়ার করে বলছি অনলাইনে
6:11তোমরা যাদের ক্লাস করো হোক সেটা ফ্রি হোক
6:13সেটা পেইড তোমরা যাদের ক্লাস করো স্পেশালি
6:15যারা বুয়েট বলো বা যে কোন ইঞ্জিনিয়ারিং
6:17বা যে কোন মেডিকেল বা ভার্সিটি তোমরা যদি
6:19তাদেরকে জাস্ট একজন বুয়েটের টিচারও যদি
6:21তোমরা বাসায় রেখে পড়তে চাও কামস কাম
6:23তোমার 12 থেকে 15 হাজার টাকা গুনতে হবে
6:25মেডিকেলের বেলাও সেম তাদের ক্লাসে কিন্তু
6:27তোমরা ইউটিউ এ ফ্রিতে পাচ্ছ বাট কোন কিছুই
6:30ফ্রি না তুমি তাদের ক্লাস দেখছো তোমারও
6:31যেরকম লাভ হচ্ছে তাদেরও কিন্তু একটা
6:33পরিমাণ লাভ হচ্ছে আল্টিমেটলি সবার ক্লাস
6:36না হলেও একটা ডেফিনেট অংশের ক্লাস কিন্তু
6:38অনেক বেশি ভালো এন্ড বিগেস্ট এডভান্টেজ
6:40হচ্ছে তুমি চাইলে সেইসব ক্লাসগুলো যতবার
6:42ইচ্ছা ততবার দেখতে পারো আমি যদি আমার
6:44নিজের এইচএসসি লাইফের কথা বলি আমার কাছে
6:46বাসায় টিচার ছিল জাস্ট ফাস্ট চার মাস
6:48এরপরের পুরা বাকি টাইমটাই কিন্তু আমি
6:51অনলাইনে ফ্রি YouTube ক্লাস দিয়েই শেষ
6:53করি। না কোন কোর্স করেছি না কোন ব্যাচে
6:55এনরোল করেছি। অ্যান্ড আলহামদুলিল্লাহ আমার
6:57বেসিক্যালি এত সুন্দরভাবে আমি সাজিয়ে
6:58ফেলি যে মাত্র 22 দিনে আর্মি থেকে বের
7:00হয়েও ইয়েস এক্সাক্টলি 22 দিনে মানে এর
7:03আগে কিন্তু আমার পড়ালেখার সাথে কোন
7:04কানেকশন ছিলই না। মানে এইচএসসির পর 52 দিন
7:06পর্যন্ত আমার পড়ালেখার সাথে কোনো
7:08কানেকশনই ছিল না। সেখান থেকেই
7:10আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে 22
7:12দিনে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ক্র্যাক করি।
7:13সত্যি কথা বলতে অনলাইনে ক্লাস করা এই
7:15মুহূর্তে হাতে আগুন নিয়ে খেলার মতো।
7:17খেলতে জানলে অনেক কিছু না খেলতে জানলে
7:19কিন্তু নিজের হাত নিজেই পুড়ায় ফেলবা। তো
7:21তোমাদের ফুটবলে আসলেই যে বাতাস নেই সেটা
7:22আসলে একটু ক্লিয়ার করে বুঝি। আমরা যদি
7:24জাস্ট বাংলা ইংলিশ দিয়েই স্টার্ট করি
7:26তুমি দেখবা ইংলিশের YouTube এ শত শত ভিডিও
7:28আমি বলছি শত শত হাজারো হইতে পারে এমন
7:30ভিডিও দিয়ে ভরা যে একটি ডায়লগ শিখে 100
7:32টা ডায়লগ শেখানোর টেকনিক দেখানো হচ্ছে
7:34একটি প্যারাগ্রাফ শিখে 100 টা প্যারাগ্রাফ
7:36লেখার টেকনিক দেখানো হচ্ছে এবং এটা প্রায়
7:38সব চ্যানেলেই দেখা যাচ্ছে। ভিডিওগুলো
7:39খুললে কি দেখবা? বাচ্চাদের মত ফিল ইন দা
7:41ব্্যাকটা টেমপলেট দেয়া হচ্ছে এবং মুখস্ত
7:43করে জাস্ট ফিল ইন দা ব্্যাংক টপিক
7:45অনুযায়ী নাম বসায় বসায় সেইসব
7:47প্যারাগ্রাফ লিখতে বলা হচ্ছে। কি একটা
7:49ভয়ানক অবস্থা। ক্রিয়েটিভ রাইটিং এর
7:51যেখানে উদ্দেশ্যই ছিল তোমাকে সৃজনশীল করে
7:53তোমাকে ভাবতে শেখানো তোমাকে নিজ থেকে
7:55লিখতে শেখানো সেখানে তারাই কিন্তু
7:57পপুলারিটির জন্য সেফ পপুলারিটির জন্য নিজ
8:00হাতে তোমাদের বেসিক ধ্বংস করছে তোমাদের
8:02ক্রিয়েটিভ থিংকিং এবিলিটি ধ্বংস করছে
8:05তুমি আমার কথা বাদই দাও তুমি জাস্ট এই
8:07ভিডিওগুলি তোমার কোন ক্লোজ বড় ভাই যে
8:09কিনা ইংলিশে ভালো তুমি তাকে জাস্ট পাঠাবা
8:11এবং সাথে সাথে তুমি সেই তোমার বড় ভাই বা
8:13আপুর থেকে দুইটা গালি শুনবা ফার্স্ট গালি
8:15হচ্ছে এজন্যই যে তুমি কেন এসব বস্তা বসা
8:18কন্টেন্ট দেখছো এবং দ্বিতীয় গালি হবে সে
8:20প্রথম গালির বোনাস হিসেবে। দিনশেষে এসব
8:22টেকনিক ফলো করার মাধ্যমে না পাওয়া
8:23পরীক্ষায় মার্কস না হয় তোমার সেটা নিচ
8:25থেকে কোন কিছু। দিনশেষে এমন একজন হয়ে বের
8:27হও যে নিচ থেকে কোন কথা বলতে পারে না বা
8:29নিশ্চেয়ে কোন কিছু লিখতে পারে না। এই
8:31কথাটা কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রেও সেইম।
8:32তোমাদের ম্যাক্সিমাম ইনফ্যাক্ট তোমাদের
8:34সমান থাকতে আমিও কিন্তু যেকোন টপিক বোঝার
8:36জন্য YouTube এ ফ্রি ক্লাস করতাম।
8:38ইনফ্যাক্ট বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্ডিয়ান লাইক
8:40ফিজিক্স ওয়ালার ক্লাসও করতাম ফিজিক্স
8:42কেমিস্ট্রি নিয়ে। কিন্তু আমি যেটা
8:43বর্তমানে খেয়াল করছি সেটা হল তোমরা যেইসব
8:45ক্লাস করতেছো তোমরা সেইসব ভিডিও খুলেও হোক
8:47সেটা ওয়ান শর্ট বা যেকোন একাডেমিক
8:49প্লেলিস্ট ক্লাসে যেটা দেখানো হচ্ছে জাস্ট
8:51সেটাই মানে হুবহু নোট করে ফেলো হুবহু নোট
8:53না করলেও জাস্ট দেখা যাচ্ছে ইম্পরটেন্ট
8:54কথাগুলো বলতে তোমরা ক্লাস করতে করতে মানে
8:56নোট করতে করতে ব্যস্ত নোট আমরা কেন বানাই
8:58যাতে করে নেক্সট টাইম সেটা রিভাইজ দিতে কম
9:00টাইম লাগে এবং কম সময় আমরা যাতে
9:02পড়ালেখাটা গুছিয়ে আনতে পারি কিন্তু
9:04তোমাদের নোট দেখলে মনে হবে যে সেই পুরা
9:06ক্লাসটাই এখানে তুলে আনা হইছে এবং দেখবা
9:08তোমাদের নিজের নোট নিজেই পড়তে ইচ্ছা করে
9:09অনেক ক্ষেত্রে এবং এগুলার নোট করার কোন
9:11সিস্টেমই না তোমরা ক্লাস মেন উদ্দেশ্যটা
9:13কি যে টপিকটা ঠিকমত বোঝা বাট তুমি যখন
9:16ক্লাস করতে করতে নোট করাতেই ব্যস্ত থাকো
9:18তোমার না হয় ঠিকমত ক্লাসটা বোঝা না হয়
9:20তোমার নোটটা একচুয়ালি নোটের মত করে করা
9:22নোট করার জন্য আমি মেন্টশিপ স্টুডেন্টদের
9:23হাইব্রিড কর্নেল মেথড সাজেস্ট করি এবং চল
9:25বিষয়টা ক্লিয়ার করে বোঝার জন্য
9:27কেমিস্ট্রির একটা চ্যাপ্টার ধর মৌলের পর
9:30ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন চ্যাপ্টারটা
9:32দিয়েই শুরু করি ধর তুমি এই চ্যাপ্টারের
9:34একটা ইউটিব ক্লাস করা শুরু করবা ক্লাসটা
9:37আমি বলব একাডেমিক প্লেলিস্ট হলেই ভালো হয়
9:38ওয়ানশ থেকে যতবারও দূরে থাকবা সেই
9:40একাডেমিক প্লেলিস্টের একটা ক্লাস তুমি
9:42নিলা এখন তুমি কি করবা সেই ক্লাসের লিংকটা
9:44নিয়ে আমার ভালো একটি জেমিনি জেম যেটা
9:47সম্পূর্ণ ফ্রিতে আমি তোমাকে এই ভিডিওতে
9:48দিয়ে দিব সেটাতে দিয়ে দিবা এবং দেওয়ার
9:50পরে নিচে লিখবা যে তুমি বাংলা ভার্সনের
9:52স্টুডেন্ট এবং সাথে সাথে তোমাকে সে একটি
9:55হাইব্রিড কর্নেল মেথডের নোট বানিয়ে দিবে
9:57তোমার নোট কিন্তু অলরেডি ডান বলতে গেলে
9:59প্রায় 50 টু 60% ডান বাকি 40% কেন নয়
10:02সেটা আমি বুঝিয়ে বলছি এই নোটার মধ্যে
10:04তুমি খেয়াল করলে দেখবা যে তিন ভাগে
10:06মেইনলি ভাগ করা হয়েছে হুচ ইজ কিউ মেইন
10:08নোট এবং সামারি হাইব্রিড কর্নেল মেড বাইন
10:11কর্নেল মেথড অনুযায়ী তুমি তোমার খাতাটাকে
10:14তিন ভাগে ভাগ করবা। জাস্ট মার্জিনের মত
10:16যদি আমরা হিসাব করি বাম পাশে থাকবে কিউ,
10:18মাঝখানে থাকবে নোটেরিয়া এবং নিচে থাকবে
10:20সামারি। আমার হাইব্রিড কর্নেল নোট মেথডের
10:22উদ্দেশ্য হচ্ছে তোমার নোটটা এমনভাবে
10:24বানানো যাতে করে নোট দেখার সাথে সাথেই
10:26তোমার পুরো ক্লাসটা মনে পড়ে যায়। বিষয়টা
10:28আমি ক্লিয়ার করে বলছি। তো সেই জেম তুমি
10:31খেয়াল করে দেখবা যে তোমাকে কিউ বা কিছু
10:33কিওয়ার্ড দিয়ে দিয়েছে যেগুলো সেই ক্লাস
10:35সম্বন্ধে সবচেয়ে বেশি ইম্পর্টেন্ট কিছু
10:37ওয়ার্ড যেগুলো দেখার সাথে সাথে তোমার মেইন
10:38পড়াটা মনে পড়ে যাবে। যদি তুমি ফার্স্ট
10:40টাইম সেই সাবজেক্টের ক্লাসগুলো করে থাকো
10:42জাস্ট কিউ ওয়ার্ড গুলা তোমার সেই নোট
10:44খাতার তিন ভাগের প্রথম ভাগ অর্থাৎ কিউতে
10:46লিখে ফেলবা। লিখে ফেলার পরে দেখবা যে নোট
10:48অংশে কি কি আছে। নোট অংশে দেখবা যে অনেক
10:49কথা লিখছে সেই ক্লাস সম্পর্কিত। তুমি এখন
10:51সেগুলা খাতায় লিখবা না। সামারি অংশ কিছু
10:53লেখার দরকার নেই। এখন তুমি সেই নোটটা
10:55একবার নিচ থেকে পড়ে নিবা। বুঝার আহামরি
10:57এখন কোন দরকার নেই। জাস্ট নোটটা একবার
10:58পড়ে নিবা। পড়ার পরে এখন ক্লাসটা করা
11:00শুরু করবা। এখন ক্লাস করার সময় তোমার
11:02হাইয়েস্ট মনোযোগ থাকবে যে ক্লাসে কি
11:04দেখানো হচ্ছে সেটা বোঝার ট্রাই করা। তোমরা
11:07অনেকেই টাইম বাঁচানোর জন্য টু এক্স স্পিড
11:08ব্যবহার করো। বাট তোমরা টু এক্স স্পিডে
11:10দেখলে আসলে সেটা কোন কাজের কাজ দেয় না।
11:12যদি সেটা রিভিশনের বেলা হয় তাহলে সেটা
11:13অন্য বিষয়। বাট তুমি যে ফার্স্ট টাইম
11:15একটা কোন ক্লাস করার চেষ্টা করবা টিচার
11:17যদি সবচেয়ে মানে অনেক বেশি স্লো কথা বলে
11:18সেক্ষেত্রে 1.5 এর উপরে না যাওয়ার এবং
11:20সেই ক্লাসটা মনোযোগ দিয়ে করার সময়
11:22খেয়াল করবা যে তোমার সেই জেমিনি জেম
11:25দিয়ে বানানো যে নোট সেই নোটের বাইরে
11:27টিচার আর কি এক্সট্রা কথা বলছে যেগুলা সেই
11:29নোটের মধ্যে উঠে আসেনি। জাস্ট শুধুমাত্র
11:31সেই কথাগুলোই তুমি তোমার নোটের মধ্যে তুলে
11:33ফেলবা। এবং লাস্টলি পুরো ক্লাসটা শেষে
11:35তোমার জেম জেম দ্বারা বানানো কথাগুলো
11:37তোমার নোটের মধ্যে তুলে ফেলবা এবং লাস্টলি
11:39তুমি সামারি অংশে পুরো ক্লাসের বিষয়টাকে
11:42একটা ডায়াগ্রাম বা যেকোন ছবি বা যেকোনো
11:44ফ্লোচার্ট দিয়ে প্রেজেন্ট করার ট্রাই
11:46করবা। ফলস্বরূপ তোমার কাছে কিন্তু এমন
11:48একটা নোট এখন তৈরি হয়ে গিয়েছে যেটা
11:50যেকোন লেকচারশিট যেকোন পিডিএফ থেকে হাজার
11:52হাজার গুণ ইফেক্টিভ এবং এই হাইব্রিড
11:54কর্নেল মেথড ওয়েট আমি কিন্তু আমার এডমিশন
11:56টাইমের নোট নিয়ে আসছি। ওয়েট।
12:02আমি আমার এডমিশন টাইমে এই হাইব্রিড কনলাইন
12:04মেথড ইউজ করে আমি কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ
12:0622 দিন একটা ভালো প্রিপারেশন নেই এবং এটা
12:09কিন্তু সেই 2023 সালের ডকুমেন্ট বা দলিল
12:12যেটা আমি তোমাদের দেখানোর জন্য আমি রেখে
12:13দিয়েছি। এন্ড মার্ক মাই ওয়ার্ড হয়েন আই
12:15সেভাবে পড়লে তোমার পড়ালেখার সিস্টেমই
12:18পাল্টে যাবে। এই সেম টেকনিক তুমি অন্যান্য
12:20সাবজেক্টের ক্ষেত্রেও ইউজ করতে পারো। এখন
12:21আসো তোমাদের সবচেয়ে আত্মঘাতী বোমা সাজেশন
12:24নিয়ে কথা বলি। এবং এখানে যে যত যাই বলুক
12:26যে সাজেশন অনেক রিসার্চ করে বানাইছে অনেক
12:28আরএনডি টিম রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট করে
12:30টরে মানে খুব টাইম নিয়ে বানাইছে সাজেশন
12:32যেকোনো সাজেশনের পিছনে জাস্ট দুইটা সত্য
12:34লুকাই আছে। প্রথমত আমি যদি আমার জাস্ট
12:36এইচএসসি লাইফের কথা বলি। আমাদের সেদিন ছিল
12:38ফিজিক্স পরীক্ষা। তো ফিজিক্স মোস্ট
12:40প্রবাবলি সেকেন্ড পেপার ছিল। তো সেই
12:42সেকেন্ড পেপারের পরীক্ষার আগে আমি আমার
12:45বন্ধুরের সাথে মশকারি করতে করতে বলছিলাম
12:46যে মামা দেখ এই জিনিসটা পরীক্ষাতে চলে
12:48আসছে। চলে আসছে। এবং পরে দেখা গেছে ওই
12:50জিনিসটা কিন্তু পরীক্ষায় চলে আসছে। এখন
12:52কি আমি ভাই অনেক বড় হ্যাকার হয়ে গেলাম।
12:53আর এমন না যে আমি তখন YouTube এ কোন পীরের
12:55ক্লাস করতাম বা কোন সাজেশনের ভিডিও দেখতাম
12:57এবং এখানে আসছে সেই রেভলেশন যেকোন সাজেশন
12:59বানানোর রেভলেশন তুমি যদি কোন তুমি যদি
13:02জাস্ট যেকোন টেস্ট পেপার নিয়ে বসো টেস্ট
13:04পেপার খুললে দেখবা যে টেস্ট পেপারের
13:06প্রথমেই একটা এনালাইসিস দেওয়া থাকে আচ্ছা
13:08এনালিসিস আমরা পরে আসবো দেখবা যে তোমার
13:10যেই চ্যাপ্টার তুমি কমপ্লিট করতে চাচ্ছ
13:12সেখানে যেসব বোর্ড কোশ্চেন আছে সেগুলো
13:15তুমি যদি কমপ্রেস বা যদি টাইপ ওয়াইজ ভাগ
13:17করো দেখবা হায়েস্ট 10 থেকে 15 টাইপের অংক
13:20বা যেকন 15 টাইপের সিকিউ আছে এর চেয়ে
13:22বেশি না আমি জাস্ট বোর্ড কোশ্চেনের কথা
13:24বলি এবং এই 15 ধরনের কোশ্চেন থেকেই তুমি
13:27কিন্তু প্রায় 60% কমন পাবা তোমার মেইন
13:30বোর্ড এক্সামে। বাকি 40% তুমি দেখবা যে
13:32যেকোনো চ্যাপ্টার কম্বাইন করে দেওয়া।
13:33অর্থাৎ তুমি হয়তোবা সেই চ্যাপ্টার থেকে
13:35একদম ফুললি সিকিউ পাবা না বাট দেখবা মিক্স
13:37করে দেখা যাচ্ছে চ্যাপ্টার ওয়ান আর থ্রি
13:39মিলায় একটা সিকিউ বানায় দিচ্ছে। সেরকম
13:40মিক্স টাইপের কিছু সিকিউ পাবা। বাট তাও
13:42কিন্তু সেই বোর্ড কোশ্চেনের টাইপ থেকেই
13:43কমন পাচ্ছ। এরপরে একটা ডেফিনেট কোশ্চেন
13:45থাকে যেগুলা দেখা যাবে বোর্ড কোশ্চেন থেকে
13:47হুবহু কমন পড়ে নাই বা টাইপ থেকেও কমন পড়ে
13:50নাই। সেগুলো কোত্থেকে আসছে? সেগুলাও ভাই
13:52এই ধরনের যেকোনো টেস্ট পেপার থেকেই আসছে।
13:54ইয়েস এক্সাক্টলি তুমি খেয়াল করলে দেখবা যে
13:56সেখানে টপ কলেজ যেমন হলি ক্রস এরপরে
13:58রেসিডেনশিয়াল রাজক উত্তরা ক্যারেট কলেজ নট
14:00ড্যাম নট ড্যাম একটু বেশি কঠিন কোশ্চেন
14:01করে এটা আমি নিজেও জানি এইসব কলেজের
14:03কোশ্চেন তুমি যদি এনালাইসিস করে দেখবা
14:05দেখবা যে ওখানের মধ্যে খুব যে আহামরি
14:06কোশ্চেন কোশ্চেন করে এমন না বাট গতানুগতিক
14:08কোশ্চেনের বাইরে টাইপ কোশ্চেন করে এবং
14:10সেগুলো যদি তুমি বোর্ড কোশ্চেনের পরে পড়ে
14:12যাও দেখবা তুমি 90% কমন পাচ্ছ 90% ভাই 10%
14:18কোথায় 10% কমনের মধ্যে বলে না
14:21একটা সিক্রেটের মধ্যে পড়ে এবং সেই
14:22সিক্রেটটা আমি তোমাদেরকে বলছি। দেখবা যে
14:24প্রত্যেকটা চ্যাপ্টারের প্রথমে যে
14:26এনালিসিসটা দেওয়া থাকে দেখবা অনেক অনেক
14:28ক্ষেত্রে কিছু কোশ্চেন এ বছর আসে তো পরের
14:30বছর আসে না। পরের বছর না আসলে পরের বছর
14:32আবার চলে আসে। অর্থাৎ গ্যাপ দিয়ে দিয়ে
14:33এক বছর গ্যাপ দিয়ে দিয়ে কোশ্চেনগুলো
14:34আসে। এবং আমি যে বললাম যে আমার ফিজিক্স
14:36কোশ্চেনে একদম হুবহু কমন ফেলাইছি। এটা
14:39কিন্তু সে অল্টারনেট গ্যাপের কোশ্চেন আমি
14:41কমন ফেলাইছি। অর্থাৎ এটা অনেকবার আসছে বাট
14:43এর আগের বছর আসে নাই এবং আমি এটা
14:44প্রেডিক্ট করছিলাম যে এর পরের বছর আসবে।
14:46অর্থাৎ আমাদের বছরের সময় চলে এসেছিল। তো
14:48তোমরা এই অল্টারনেট গ্যাপের কোশ্চেনগুলা
14:50হাইলি ইম্পরটেন্স দিবা। কারণ দেখা যাচ্ছে
14:51এগুলা অল্টারনেট গ্যাপে রিপিট করতেছে মানে
14:53কি এগুলা আরো অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট।
14:55তোমার কিন্তু প্রায় 100% কমন সাজেশন নিজে
14:57নিজেই বানানো শেষ। এখন তোমার কিন্তু এর
14:59জন্য কোন YouTube এর কোন ক্লাস করে টাইম
15:01ওয়েস্ট করতে হয় নাই। এবং তুমি যে নিজের
15:03সাজেশন নিজে বানাইছো এতে করে কিন্তু তোমার
15:05ক্রিটিক্যাল থিংকিং এবিলিটি বা প্রবলেম
15:07সলভিং স্কিল নিজেরই ডেভেলপ হয়েছে। যেখানে
15:09তুমি যদি YouTube এর পিছনে হাজারো টাইম
15:10ওয়েস্ট করো তো এখানে কিন্তু তোমার কোন
15:12নিজের প্রবলেম সলভিং স্কিল বাড়ছে না।
15:13খুদায় গুরুত্বপূর্ণ টাইমগুলো তাদের পিছনে
15:15খরচ করছো। আর সাজেশন জিনিসটা আছে কতটা
15:17ভয়ঙ্কর। এটা আশা করি তোমরা পার্ট ওয়ানের
15:18মাধ্যমে অলরেডি বুঝে গিয়েছো। তো নিজের
15:20সাজেশন নিজে বানাও এবং অলরেডি তোমাদেরকে
15:22ফুল প্রসেস আমি রিভিল করে দিয়েছি। এখন আমি
15:24তোমাকে যা দেখাবো সেটা একজন ম্যাজিশিয়ানের
15:26সিক্রেট রিভিলের মত। তুমি যেকোনো ম্যাজিক
15:28দেখার প্রথমে মনে করবা ভাই কেমনে সম্ভব?
15:31এই জিনিস কেমনে কি? বাট তুমি যখন একচুয়ালি
15:32এটার পিছনে সিক্রেটটা জানো তখন তুমি ভাবা
15:35যে আরে এই জিনিস তো আমিও পারবো। এন্ড
15:37এক্সাক্টলি তুমিও পারবা। আমি আমার গত
15:39সিজনের মেন্টরশিপে কথা দিয়েছিলাম যে 22
15:41দিনের মাথায় স্টুডেন্টের ইমপ্রুভমেন্ট করে
15:43দেখাবো। 22 দিন তো এমনে অনেক কম যেখানে
15:45বছরের পর বছর বা মাসের পর মাস তোমরা এইসব
15:47ইউটিউবের ক্লাস বা কোর্সের বিষয়ে টাইম
15:49ওয়েস্ট করেও ইমপ্রুভ করতে পারছ না। বাট
15:51আমার স্টুডেন্টরা মেন্টরশিপে জয়েন করার
15:5310 দিনের মাথায় তিন দিনের মাথায় বা এর
15:55পরের দিনই নিজেদের ইমপ্রুভমেন্ট দেখতে
15:58পেয়েছে। মনে আছে ভিডিওর শুরুতে আমি
15:59বলেছিলাম যে টপাররা যদি সারাদিন না পড়ে
16:01তাহলে তারা আসলে করেটা কি? বিশ্বাস করো এই
16:04টপারদের সিক্রেট নিউ তুমিইউ এ তন্ন তন্ন
16:06করে খুঁজে ফেললেও পাবা না। এন্ড তাদের
16:08সিক্রেট কিন্তু একটা দুইটা জিনিস না।
16:09তাদের সিক্রেট পুরো একটা সিস্টেম। এই
16:11ভিডিওর প্রথম অংশে কিন্তু আমি বর্তমান
16:13যুগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দটার সঙ্গে
16:15তোমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছি। হুইচ ইজ
16:16এক্সেস, এক্সেস টু দ্যা রাইট নলেজ, পিপল
16:19এবং অপরচুনিটি এবং আজকের এই ভিডিওতে তিনটা
16:22এক্সেস তোমাদেরকে আমি দিচ্ছি। আই গিভ ইউ
16:24মিশন বাইপাস এইচএসসি। মিশন বাইপাস এইচএসসি
16:27হচ্ছে সারা বাংলাদেশের সকল এইচএসসি
16:28স্টুডেন্টদের জন্য বানানো আমার পার্সোনাল
16:30মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম। এবং এই মেন্টরশিপ
16:32প্রোগ্রামের মাধ্যমে তোমার ইমপ্রুভমেন্ট
16:34হবে কি হবে না সেটা তুমি নিজেই বুঝবা। তবে
16:36তার আগে চলো আমার গত সিজনের মেন্টরশিপের
16:38রেজাল্ট তোমাদেরকে দেখাই। এবং তারপরে তুমি
16:40বলবা যে ভাই এই জিনিস আগে কেন আনেন নাই।
16:43ভিডিওতে আমি অলরেডি বললাম যে তুমি আমার
16:45সিস্টের মাথায় মাত্র এক মাসেরও কম সময়ে
16:47তুমি তোমার এইচএসসি লাইফটা চেঞ্জ করে
16:48ফেলতে পারবা এবং আলহামদুলিল্লাহ এটা আমি
16:50আমার স্টুডেন্টদের ক্ষেত্রে করেও
16:52দেখিয়েছি। স্টুডেন্টরা আমার ট্রেনিং
16:54প্রোগ্রামে প্রকৃতি হওয়ার আগে জানতো না
16:56কিভাবে নিজের ভুল আইডেন্টিফাই করতে হয়।
16:57জানতো না কিভাবে নিজে পড়ালেখা করতে হয়
16:59এবং ট্রেনিং শেষে তারা বুঝতে পেরেছে তাদের
17:01ভুলগুলা কি তারা বুঝতে পেরেছে নিজে নিজে
17:03কিভাবে পড়তে হবে। তারা জানতো না কিভাবে
17:05ফোকাস করতে হয়, কিভাবে পড়া মনে রাখতে
17:06হয়। তারা কোশ্চেন দেখলে ভয় পাইতো এবং
17:09সবশেষে ট্রেনিং করার পরে তারা ফোকাস করা
17:11শিখলো। পড়া মনে রাখা শিখলো এবং সবশেষে
17:13ভয়কে জয় করলো। স্টুডেন্টরা আমার কাছে
17:15অন্য মেন্টরশিপ প্রোগ্রামে স্ক্যামড হয়ে
17:18অন্য এটেক প্লাটফর্মে স্ক্যামড হয়ে
17:20কান্না করতে করতে ভর্তি হইছে এবং দিনশেষে
17:23ট্রেনিং এর পর একটা ফ্রেশ মাইন্ডসেট নিয়ে
17:25কনফিডেন্টলি নিজের পড়ালেখা শুরু করতে
17:27পারছে দিনশেষে ঢাকা মেডিকেল চিটাগাং
17:29মেডিকেল ময়মনসিং মেডিকেল সলিমুল্লাহ
17:31সিলেট এমএ ওসমানী সহ এমন কোন মেডিকেল বাকি
17:34নেই যে যেখানে আমার মেন্টরশিপের
17:36স্টুডেন্টরা চান্স পায় নাই ইনফ্যাক্ট
17:37যাদের মেডিকেল হয় নাই তারা পরিশুত
17:39ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি এবং বিভিন্ন
17:40পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের জায়গা
17:42করে নিয়েছে আমার কথা হচ্ছে ভাই ট্রেনিং
17:44প্রোগ্রামটা ছিল শুধুমাত্র মেডিকেল এডমিশন
17:46নিয়ে। বাট প্রোগ্রাম শেষে পোলাপাইন
17:47ভার্সিটি, ইঞ্জিনিয়ারিং সহ বিভিন্ন
17:49জায়গায় চান্স পেয়ে আমাকে নিজ থেকে
17:50জানিয়েছে। যারা ভাবছিল তাদেরকে দিয়ে
17:52কিচ্ছু হবে না। নিজেদের অসুস্থতা,
17:54ফ্যামিলির সমস্যা তারা পর্যন্ত টপ টপ
17:56জায়গায় নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে।
17:57আমার প্রোগ্রাম থেকে যারা ডিএমসিতে চান্স
17:59পাইছে হাইয়েস্ট একজন যে 60 হইছে সে
18:02পর্যন্ত ভর্তি হওয়ার সময় নিজের রেজাল্টে
18:04প্রচুর আপডাউন হইতো। পড়ালেখা অনেক গ্যাপ
18:06ছিল এবং সে ফুল টাইম কানেক্টেড থেকে
18:08ডিএমসির মত টপ কলেজে নিজের জায়গা করে
18:10নিয়েছে। এরা কিন্তু সবাই তোমাদের মতই
18:12স্টুডেন্ট যারা নিজেদেরকে নিয়ে ডাউটে ছিল
18:14কনফিউশনে ছিল পড়ালেখা করতে পারতো না। মনে
18:16হচ্ছে না ফুল সিনেমা। এন্ড এক্সাক্টলি
18:18রিয়েল লাইফ ইজ মোর এক্সাইটিং সিনেমা।
18:20এন্ড ওরা যেমনে করে আমাকে চান্স পাওয়ার
18:22পর মাথায় তুলে ফেলতে চাচ্ছিল। আমি কিন্তু
18:24ওরকম কিছুই না। আমি জাস্ট তোমার একাডেমিক
18:26লাইফে সাকসেসফুল হওয়ার জন্য যেটা দরকার
18:29সিম্পলি সেই সিস্টেমটা তোমাদেরকে
18:31হ্যান্ডওভার করে দিয়েছিলাম। এন্ড
18:32আলহামদুলিল্লাহ আইম মোর দান হ্যাপি। আর
18:34তোমরা যে পড়ালেখাকে ভালো করার জন্য
18:36YouTube এ মোটিভেশনাল ভিডিও দেখো এসব
18:37মোটিভেশনাল ভিডিওর দৌড় হচ্ছে হাইয়েস্ট
18:39দুই দিন। এরপর যেই লাউ সেই কদু।
18:41মোটিভেশনাল ভিডিও তুমি যেকোনো এডটেক
18:43প্ল্যাটফর্মে ঢুকলে পাবা ইনফ্যাক্ট
18:44গাইডলাইন ভিডিও পাবা কি লাভ? এসব দুমুখ
18:47সাবজেক্ট থেকে গাইডলাইন ফলো করে যদি আসলেই
18:48কাজ হতো তাহলে তো বাংলাদেশের এত কিছু
18:51স্টুডেন্টদের আজকে এই বাজে দশা হইতো না।
18:54সো ইয়েস মিশন বাইপাস এইচএসসিতে জয়েন হতে
18:56তোমার কত টাকা ইনভেস্ট করতে হবে? তুমি
18:58চাইলে আমার এই ট্রেনিং প্রোগ্রামের দুই
19:00উপায়ে জয়েন হতে পারো। প্লেয়ার এডিশন,
19:02প্লেয়ার প্রো এডিশন। প্রথমে প্লেয়ার এডিশন
19:03নিয়ে কথা বলি। তোমাদের দুই বছরের এইচএসসি
19:05লাইভ যদি আমি এভারেজে হিসাব করি অর্থাৎ
19:07বাসায় টিচার রাখো না রাখো কোর্স কিনো না
19:10কিনো ফ্রি ক্লাস করো না পেইড ক্লাস করো
19:12আমি যদি সর্বনিম্ন হিসাব করি তোমাদের
19:14প্রত্যেক মাসে পড়ালেখার পেছনে সর্বনিম্ন
19:16প্রত্যেকের ক্ষেত্রে প্রায় 3000 টাকা খরচ
19:18হয়। এখন 3000 ই 24 মাস হিসাব করো প্রায়
19:2272000 টাকা। এই 72000 টাকা বড় কথা না। এই
19:25৳72,000 টাকার সাথে তোমার যে টাইমটা
19:27ইনভেস্ট করছো এ সবকিছু খরচ করার পরেও
19:29কিন্তু তুমি তাদের উপর ডিপেন্ডেন্ট। এখন
19:31এই 72,000 টাকার 36 ভাগের এক ভাগের টাকা
19:34দিয়ে তুমি যদি এমন কিছু পাও যেটা দিয়ে
19:37তোমার তুমি কমপ্লিটলি একাডেমিক লাইফে
19:39আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবা আমার স্টুডেন্টের
19:41মতো। তাহলে কেমন হয়? ইয়েস। আর এক্সাক্টলি
19:442000 টাকায় তুমি লাইফটাইম এক্সেস পাচ্ছ
19:46এমন একটি সিস্টেমের যেটা ট্রেনিং শেষে
19:48তুমি আর আগের তুমি থাকবা না। মিশন বাইপাস
19:51এইচএসসি ট্রেনিং প্রোগ্রাম শেষে আমি কথা
19:53দিচ্ছি তোমার আর কখনোই আই রিপিট কখনোই কোন
19:56গাইডলাইন ভিডিও দেখতে হবে না। কখনোই শামস
19:58ভাই কেন কারোই একাডেমিক রিলেটেড ভিডিও
20:00দেখতে হবে না। কখনোই সাইকেল বা কোষের
20:03চক্করে পড়ে টাইম ওয়েস্ট করতে হবে না। তুমি
20:04কখনোই কনফিউশনে থাকবা না যে কিভাবে তোমার
20:06পড়তে হবে কি তোমার পড়তে হবে এবং তুমি
20:08ফাইনালি বুঝবা কিভাবে নিজে নিজে পড়ালেখা
20:10করতে হয় এবং এই কথাগুলো তুমি আমার নামে
20:12খাতায় তুমি লিখে রাখতে পারো বাট তার মানে
20:13এই না যে জয়েন করবা আর এর পরের দিন
20:15রাতারাতি তুমি জিরো থেকে হিরো হয়ে যাবা
20:18এফোর্ট তোমাকে দিতে হবে আমার কথা তোমার
20:20শুনতে হবে এক্সিকিউট করতে হবে এই ট্রেনিং
20:22প্রোগ্রামে তোমার সাথে আমি এমন সব টুলস
20:25এমন সব মেটেরিয়ালস এবং এমন সব ভিডিও এবং
20:28সিস্টেমের শেয়ার করেছি যেটা তুমি YouTube
20:30এ তন্ন তন্ন করে খুঁজে ফেললেও পাবা না
20:32যেকোনো বাংলাদেশের মেন্টারশিপ প্রোগ্রামেও
20:33পাবা না ইনফ্যাক্ট আমার স্টুডেন্টরা এটাই
20:35বলেছে যে তারা প্রথমে ট্রাই করেছিল
20:36টপারদের সিক্রেট জানতে বা YouTube ঘেটে
20:38ঘেটে ভিডিও বের করতে। বাট বিশেষ সত্য এটাই
20:40যে কোন টারপার এটলিস্ট YouTube এ তাদের
20:42সিক্রেট শেয়ার করবে না। আর এটেক
20:43প্ল্যাটফর্মের গাইডলাইন ভিডিওর কথা তো আমি
20:45বাদে দিলাম। তাদের ফুল মিশনই হচ্ছে
20:47তোমাদেরকে তাদের উপর নির্ভরশীল করে রাখা।
20:49এটার ফুল এক্সপ্লেনেশন কিন্তু আমি পার্ট
20:50ওয়ানে অলরেডি দিয়ে দিয়েছি। সেখানে আমার
20:52প্রাইম মিশন হচ্ছে তোমাকে আত্মনির্ভরশীল
20:54বানানো। এখানে ইউ এন্ড মি আর অন দা সেইম
20:56টিম। তুমি জিতলেই আমি জিতবো। জাস্ট এক
20:58সপ্তাহ বাইরে আজেবাজে না খেয়ে ৳2000
21:00টাকায় তুমি তোমার একাডেমিক লাইফ ফুললি
21:02চেঞ্জ করার ফুল সিস্টেম পেয়ে যাচ্ছো। এর
21:05চেয়ে বড় এক্সেস লাইফে আর কি হতে পারে?
21:07আর যারা আরো আগে থাকতে চাও অর্থাৎ আমার
21:09লাইভ মেন্টরশিপ প্রোগ্রামে জয়েন হতে চাও
21:11তাদের জন্য থাকছে প্লেয়ার প্রো এডিশন
21:13যেটার রেগুলার মান্থলি প্রাইস হচ্ছে
21:14৳8000। বাট এবার তুমি সে এক্সেস পেয়ে
21:17যাচ্ছ মাত্র 5000 টাকায় এবং এটার মাধ্যমে
21:19তুমি তো রেকর্ডেড মেন্টরশিপ প্রোগ্রামের
21:20লাইফটাইম এক্সেস পাচ্ছ। সাথে পাচ্ছ 12 টি
21:22মেগা লাইভ সেশন। ইয়েস এটা জেনারেন কোন
21:25লাইভ সেশন না। আমি মেডিকেল এডমিশন ট্রেনিং
21:27নিয়ে চারটা লাইভ আইএসএসপি বা আর্মি
21:29পরীক্ষা নিয়ে চারটা লাইভ এবং ডিজিটাল
21:31ওয়ার্ল্ডে ডমিনেট করার জন্য চারটা লাইভ
21:33মোট 12 টা মেগা লাইভ সেশন নিব এবারের লাইভ
21:36মেন্টরশিপ প্রোগ্রামে। মেডিকেল এবং
21:37বায়ার্জিনের চান্সের হিস্ট্রি আশা করি
21:38তোমরা এখন সবাই জানো যেটা বাংলাদেশের
21:40ফার্স্ট। কারণ এইচএসসির পর আর্মিতে থাকার
21:42কারণে পড়ালেখার সাথে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন
21:44থাকার পরও আল্লাহর অশেষ রহমত। ভাইদের
21:46গাইডলাইন এবং আমার সিস্টেমের কারণে আমি 22
21:48দিনের মাথায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা
21:50ক্র্যাক করি। স্টোরি না জানলে YouTube
21:52এখনো আছে ভিডিওটা দেখে আসতে পারো।
21:53বাংলাদেশ আর্মিতে আমি আমার ফুল কোর্সে
21:55ফোর্থ হই এবং আমাকে ফরেন কোর্স চায়না
21:58অর্থাৎ ইনফ্যান্টারি এলিমেন্টারি কমান্ডিং
21:59কোর্স চায়নাতে নমিনেট করা হয় এবং এটাই হলো
22:02সেই ফরেন কোর্স যেগুলা শুধুমাত্র কোর্সে
22:04থাকা প্রথম শ্রেণীর অফিসার
22:05ক্যান্ডিডেটদেরকেই দেওয়া হয় এবং ডিজিটাল
22:07ওয়ার্ল্ডে আমার প্রফেশনাল পথ চলা সেই 2020
22:09সাল থেকে। আমি ভিডিও এডিটিং, ওয়েব
22:10ডেভেলপমেন্ট, অনলাইন মার্কেটিং, ডিজিটাল
22:12স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বিভিন্ন ন্যাশনাল এবং
22:14ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির সাথে কাজ করেছি
22:15এবং আলহামদুলিল্লাহ সেখানে ডমিনেটও করেছি।
22:18আর আমার এই চ্যানেলের প্রত্যেকটা ভিডিও
22:19এডিট, প্রত্যেকটা ভিডিওর থাম্বনেইল,
22:21প্রত্যেকটা ভিডিওর ডিজাইন আমি নিজ হাতে
22:23করি এবং তোমরা যে ওয়েবসাইটের যেখানে
22:25ট্রেনিং করবা সেই ওয়েবসাইটের ফুল ফ্রন্ট
22:27এন্ড এবং ব্যাক এন্ড আমি নিজেই সাজিয়েছি।
22:29সো এরকম একই সাথে তিনটা ফিল্ডের
22:30এক্সপার্টের থেকে তুমি লাইভ মেন্টরশিপ
22:32পাবা। যেটার এক্সেস থাকবে তোমার কাছে
22:35আগামী 15 আগস্ট পর্যন্ত। মেন্টারশিপ
22:38প্রোগ্রামের লাইফটাইম এক্সেস 12 টা মেগা
22:40লাইভ সেশন ছাড়াও তুমি 15 আগস্ট পর্যন্ত
22:43রবিবার এবং মঙ্গলবার ছাড়া প্রতিদিন দুপুর
22:463:00টা থেকে বিকাল পাচটা পর্যন্ত তুমি
22:48হয়া এ আমার সাথে তোমার যেকোনো প্রবলেম
22:50শেয়ার করতে পারবা ওয়ান টু ওয়ান
22:51পার্সোনালি কথাও বলতে পারবা যেহেতু এটা
22:53লাইফ মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম এখানে আমি
22:55চাইলেও আনলিমিটেড স্টুডেন্ট নিয়ে ডিল
22:56করতে পারবো না। এবারে লাইফ মেন্টরশিপ
22:58প্রোগ্রামে আমি শুধুমাত্র 2000 স্টুডেন্ট
22:59নিয়ে ডিল করবো। কারণ লিমিট না দিলে দেখা
23:01যায় এক্সামের এক সপ্তাহ আগে এনরোলমেন্টের
23:03ডেট শেষ হওয়ার পরও মানুষ আমাকে ইমোশনালি
23:04ব্ল্যাকমেল পর্যন্ত করে। মেন্টারশিপ
23:06প্রোগ্রামে লাইভ মেন্টারশিপ প্রোগ্রামে
23:08জয়েন হওয়ার জন্য। আর এটা ফেসবুক YouTube এ
23:10ভন্ডামি লাইভ না যে যেখানে আমি যতখুশিত
23:12স্টুডেন্ট ডিল করবো। ভন্ডামি কথাটা এজন্যই
23:14উল্লেখ করলাম যে ভাই সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে
23:16একটা এন্টারটেইনমেন্টের জায়গা। এই
23:17এন্টারটেইনমেন্টের জায়গায় দেখা যাচ্ছে
23:18অনেকে ক্লাস নেয়। এখন এইসব দেখা যাচ্ছে
23:21লাইভে ক্লাস করাচ্ছে মানুষ কমেন্ট বক্সে
23:23নিজেদের মধ্যে মশকারি করাতে বেশি বিজি
23:24থাকে। আমার লাইফ মেন্টরশিপ প্রোগ্রামে
23:26তুমি মিটিং এ সরাসরি আমার সাথে কানেক্টেড
23:28থাকবা বাকিদের সাথে এবং চাইলে ক্যামেরা অন
23:30করে আমার সাথে সরাসরি কথাও বলতে পারবা।
23:32মিশন বাইপাস এইচএসসির প্লেয়ার এডিশনের
23:34প্রমিস হচ্ছে এক মাসের মধ্যেই তোমার
23:36এইচএসসির একাডেমিক লাইফ চেঞ্জ করানো এবং
23:38প্লেয়ার প্রো এডিশনের প্রমিস হচ্ছে
23:40একাডেমিক লাইফ একমাসে চেঞ্জ করার পাশাপাশি
23:43মেডিকেল এডমিশন আইএসএসবি এবং ডিজিটাল
23:46ওয়ার্ল্ডে ডমিনেট করার জন্য যা যা
23:47ইনফরমেশন এবং ডাউট আছে তোমাদের মধ্যে
23:49সেগুলা সলভ করার সো এই মিশন বাইপ অফ
23:51এইচএসসি কাদের জন্য সারা বাংলাদেশের সকল
23:54এইচএসসি অর্থাৎ ফার্স্ট ইয়ার সেকেন্ড ইয়ার
23:56যেকোনো রানিং এইচএসসি স্টুডেন্টদের জন্যই
23:58এই প্রোগ্রামটি স্পেশালি ডিজাইন করা হয়েছে
24:00আর এই সিজনের এইচএসসি 26 ব্যাচের জন্য এই
24:02ট্রেনিং প্রোগ্রামটি হবে গেম চেঞ্জার আর
24:0427 এবং 28 এর জন্য হবে লাইফ চেঞ্জার গেম
24:06চেঞ্জার বললাম কারণ এইচএসসি 26 ব্যাচের
24:08জন্য তোমার এইচএসসি শেষেই শুরু হয়ে যাবে
24:10এডমিশন প্রোগ্রাম এবং এই ট্রেনিং
24:11প্রোগ্রামের মাধ্যমে তোমার ফুল আইডিয়া
24:12হয়ে যাবে যে তুমি এডমিশনস টাইমেও কিভাবে
24:15পড়ালেখা করবা আর আমার মেন্টরশিপ ট্রেনিং
24:17প্রোগ্রামে জয়েন হওয়ার পর 10 দিনের
24:19মাথায় তিন দিনের মাথায় যদি স্টুডেন্টরা
24:20ইমপ্রুভমেন্ট পাই এইচএসসি 27 28 ব্যাস আশা
24:23করি বুঝতেছো যে তোমার কত পরিমাণ চেঞ্জ
24:25আসলে সম্ভব। মেন্টরশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রামে
24:27জয়েনিং বা এনরোলমেন্ট শুরু হচ্ছে এখন
24:29থেকেই। আর প্লেয়ার এডিশনের জয়েনিং এর
24:31অফারের লাস্ট ডেট হচ্ছে জুনের 22 তারিখ।
24:33অর্থাৎ 22 তারিখের পরে এই প্লেয়ার এডিশনের
24:35লাইফটাইম এক্সেস এর প্রাইস রেগুলার প্রাইস
24:37অর্থাৎ 3000 টাকা হয়ে যাবে। আর প্লেয়ার
24:39প্রো এডিশনে জয়েনিং এর লাস্ট ডেট হচ্ছে 8ই
24:42জুন। অর্থাৎ টাইম খুবই কম। কারণ যেহেতু
24:44এইচএসসি 27 28 ব্যাচের সাথে 26 ব্যাচেও
24:47জয়েন হবে। তাদের যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা
24:48জুলাই দুই তারিখ থেকে শুরু হয়েছে। তাদের
24:50পরীক্ষার 10 দিন আগে আমি আমার 12 টি লাইভ
24:52সেশন শেষ করতে চাচ্ছি। লাইভ মেন্টারশিপ
24:54প্রোগ্রামের ফুল রুটিন, ট্রেনিং
24:56প্রোগ্রামের ফুল কারিকুলাম সবকিছু
24:57ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবা। টেনশন নাই। আর লাইভ
24:59ট্রেনিং প্রোগ্রামে যে 2000 স্টুডেন্ট
25:00বললাম এটা বললেও ভুল হবে কারণ ইতিমধ্যে
25:02একা এমন স্টুডেন্ট প্রিবুক করে রাখছে তো
25:04যারা প্রিব করে রেখেছো অবশ্যই
25:05হোয়াটসঅ্যাপ চেক করো তোমাদেরকে
25:06এনরোলমেন্টের লিংক দিয়ে দেওয়া হয়েছে
25:07এখন বলবা যে ভাই জয়েন কিভাবে হবো জয়েন
25:09হওয়ার জন্য তুমি ডেসক্রিপশন বক্সের
25:11ফার্স্ট লিংক অথবা এস আর
25:14অথবা সkeট যেকোন ব্রাউজারে লিখে এন্টার
25:17করবা এবং সাথে সাথে তুমি আমাদের
25:18ওয়েবসাইটে চলে আসবা ওয়েবসাইটে আসার পরে
25:20নিচে থেকে গেট এক্সেস এ ক্লিক করবা এবং
25:22গেট এক্সেসে ক্লিক করার পর সেখান থেকে
25:23তুমি তোমার পছন্দের প্লেয়ার এডিশন নাকি
25:25প্লেয়ার প্রো এডিশন সেখান থেকে তোমার
25:27যেটাতে দরকার সেখান থেকে এক্সেস নাউ এ
25:29ক্লিক করবা এবং সাথে সাথে তোমাদেরকে ইমেইল
25:31নিজস্ব একটা ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড সেট
25:34করতে বলা হবে অবশ্যই এগুলা মনে রাখবা এবং
25:35এরপরে তুমি তোমাদের ফুল নেম এবং ফোন
25:37নাম্বার দিয়ে প্লেস অর্ডারে ক্লিক করবা
25:39এরপরে তোমাদেরকে পেমেন্টের জন্য নিয়ে
25:40যাওয়া হবে পেমেন্ট তুমি তোমার যেকোনো
25:42মাধ্যম হতে পারে সেটা কার্ড বা মোবাইল
25:44ব্যাংকিং বা নেট ব্যাংকিং যেকোনো উপায়ে
25:45পেমেন্ট করতে পারবা যেহেতু বেশিরভাগ মানুষ
25:47বিকাশ দিয়ে পেমেন্ট করে আমি বিকাশটাই
25:48দেখাচ্ছি তো মোবাইল ব্যাংকিং থেকে বিকাশ এ
25:50ক্লিক করবা এরপরে তুমি তোমার নাম্বার দিবা
25:51নাম্বার দেওয়ার পর ওটিপি আসবে ওটিপি দিবা
25:53ওটিপি দেওয়ার পর পিন দিয়ে পেমেন্ট করে
25:54ফেলবা এবং পেমেন্ট করার পর পরই তুমি
25:56ইনস্ট্যান্ট এক্সেস পেয়ে যাবা কিশন
25:57বাইপাস এইচ এই পিএচএসসি ট্রেনিং
25:58প্রোগ্রামের এবং বাকি সব টুলস, অ্যাপস,
26:00পিডিএফ, রুটিন সব ধরনের মেটেরিয়ালস
26:03ভিডিওর সাথে সবকিছুই ওয়েবসাইটে পেয়ে
26:04যাবা। কত তাড়াতাড়ি জয়েন হবা সেটা
26:06সম্পূর্ণ তোমার উপর। কারণ দিনশেষে যত আগে
26:09শুরু করবা ট্রেনিং তত তাড়াতাড়ি নিজের
26:10মধ্যে চেঞ্জ লক্ষ্য করবা। আর দিনশেষে
26:12জয়নিং এর চয়েসটা সরাসরি তোমার উপর।
26:14চোখের সামনে তোমাকে আমি আঙ্গুল দিয়ে
26:16দেখিয়ে দিলাম এইচএসসি লাইফে সাকসেসফুল
26:18হওয়ার ফুল সিস্টেম। কোশ্চেন এটা না যে
26:202000 টাকা বা 5000 টাকা। কোশ্চেন টাকা
26:22নিয়ে কখনোই ছিল না। কোশ্চেন হচ্ছে
26:24অন্যান্য জায়গায় নিজের টাইম, নিজের অর্থ,
26:27নিজের শ্রম দিয়েও অন্যের উপর তুমি
26:29নির্ভরশীল হয়ে থাকতে চাও কিনা, নিজের
26:31একাডেমিক লাইফ নিয়ে কনফিউশনে থাকতে চাও
26:32কিনা? কারণ তোমরা নিজেরাই দেখছো যে পার্ট
26:34ওয়ানে শুধুমাত্র এর থেকে সত্য রিভিল করার
26:36কারণে তারা আমার ভিডিও রিপোর্ট করে উড়ায়
26:39ফেলতে পর্যন্ত চাইছে। শিক্ষা যদি তাদের
26:40মেইন উদ্দেশ্য হতো, তাহলে কখনোই তারা আমার
26:42সাথে এই জঘন্য কাজটা করতে পারতো না। এবার
26:44তাহলে বুঝো যে তোমাকে আমি কি পরিমাণ নলেজ
26:47শেয়ার করছি আমার মেন্টরশিপ ট্রেনিং
26:49প্রোগ্রামে। জয়েন কখন হবা এটা তোমার
26:50সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়। তবে এতটুকু বলবো
26:52ভাই নিজের ভালো নিজে বুঝতে শিখো। তোমার
26:55অ্যাটেনশন ফোকাস যে ভালো তুমি ভিডিও এ
26:57পর্যন্ত যে আসছো এটাই তার সবচেয়ে বড়
26:58প্রমাণ। কারণ বেশিরভাগ স্টুডেন্ট নিজের
27:00লাইফ নিয়ে নিজেরাই সিরিয়াস না। আর আমি চাই
27:03সিরিয়াস স্টুডেন্টদেরকে নিয়েই কাজ করতে।
27:04ভিডিও এতটুক দেখার জন্য তোমার জন্য গিফট
27:06হিসেবে থাকছে আমার মিলিটারি গ্রেড স্টাডি
27:08রুটিন 2.0 এবং এর সাথে প্লেয়ার কেমিস্ট্রি
27:11এর ফ্রি এক্সেস। WhatsApp এ জাস্ট এই
27:13ভিডিওর লিংক স্পেস এল আইএন কে লিংক লিখে
27:16সেন্ড করে দিলেই হবে। তোমাকে সাথে সাথে
27:17সেই দুইটার ফ্রি গিফট দিয়ে দেওয়া হবে।
27:19সবশেষে পার্ট ওয়ানের রাফিকে দিয়ে গল্পটা
27:21শেষ করতে যাচ্ছি। রাফি এখন অনেক বেশি
27:23ডিসিপ্লিন। তার রুডিনের চেঞ্জ দেখে ওর
27:24বাবা মাও অবাক। ও এখন নিজের পরে নিজেই
27:26গুছায়ে আনতে পারে। পরীক্ষার আগে ওর আর
27:28প্যানিক করতে দেখা যায় না। চিল করতে করতে
27:29পরীক্ষায় কাঁপায় দিয়ে আসতে পারে।
27:31সবচেয়ে বড় কথা রাফি এখন একজন স্পেক্টেটর
27:34বা দর্শক না বরং প্লেয়ার। যে কিনা আগের
27:36সে নিজের লাইফ নিয়ে অনেক বেশি কনফিডেন্ট,
27:38অনেক বেশি ফোকাসড এবং নিজেকে নিয়ে আসলে
27:40প্রাউড। বিকজ অফ ফাইনালি বাংলাদেশের
27:42এডুকেশন সিস্টেম বাইপাস করা শিখে ফেলেছে।
27:44আর আগের রাফির কথা আশা করি মনে আছে যে
27:46কিনা বাংলাদেশের এডুকেশন সিস্টেম এবং
27:48এরটেকের চক্করে পড়ে নিজের লাইফ নিজের
27:51অজান্তে নিজেই শেষ করে ফেলছে। এখন তুমি
27:53কোন রাফি হতে চাও এটা সম্পূর্ণ তোমার উপর।
27:56তোমার সাথে ইনশাল্লাহ আমার দেখা হবে
27:57বাংলাদেশের সবচেয়ে হাইব্রিড মেন্টরশিপ
27:59ট্রেনিং প্রোগ্রাম ভিশন বাইপাস এইচএসসি
28:01তে। ডেসক্রিপশন বক্সের ফার্স্ট লিংক অথবা
28:03এসআরএ আইকে.com এ ক্লিক করো। দেখা হচ্ছে
28:06সেখানে। এন্ড আন্টিল দেন স্টে ফাইন স্টে
28:08ব্লেস্ড প্লিজ বি আপন ইউ।