Free YouTube Transcribe

Video transcript

সমুদ্রের দেবির অভিশাপে ধ্বংস হচ্ছে পৃথিবী 😢 Movie Explained In Bangla.

Rupali Pordar Golpo · 4,392 words · 20 min read

Want to search this transcript, jump the video from any line, or download it as TXT, SRT, or VTT?

Open in the transcript tool

Full transcript

0:00আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আজকের গল্পের

0:02শুরুটা হয় কয়েক হাজার বছর আগে যখন

0:05পৃথিবীতে চারিদিকে শুধুমাত্র সমুদ্র আর

0:08সমুদ্র ছড়িয়ে ছিল সেই সময় পৃথিবীতে

0:11প্রকৃতির দেবী তেফিতি জন্মগ্রহণ করে এবং

0:14পৃথিবীতে প্রথম দ্বীপের জন্ম দেন তার

0:17হৃদয়ের ভেতরে জীবন সৃষ্টি করার এক

0:19জাদুকরী শক্তি ছিল যার সাহায্যে তিনি একের

0:22পর এক দ্বীপকে সবুজ করে পৃথিবীতে জীবনের

0:25জন্ম দিতে থাকেন কিন্তু খুবই দ্রুত

0:27সমুদ্রের বিভিন্ন দানবের নজর সেই দেবীর

0:30হৃদয়ের উপরে পড়ে। সবাই সেই শক্তিটাকে

0:32নিজের করে নিতে চাইছিল। কারণ ওই হৃদয়টা

0:35পাওয়া গেলে সে হবে পৃথিবীর সবথেকে

0:37শক্তিশালী এন্টিটি। তো যাই হোক এদের মধ্যে

0:40একজন ছিল বাতাস আর সমুদ্রের ডেমি গড মাওই।

0:44তার জাদুর ফিসুকের সাহায্যে সে যে কোন

0:46প্রাণীর রূপ নিতে পারতো। তো একদিন মাওই

0:49নিজেই তেফিতি দেবীর দ্বীপে গিয়ে সুযোগ

0:52বুঝে তার হৃদয়টা চুরিও করে নেয়। কিন্তু

0:54হৃদয়টা আলাদা হবার সঙ্গে সঙ্গে দ্বীপটা

0:56পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতে থাকে। গাছপালা

0:59সব শুকিয়ে যায় আর চারিদিকে অন্ধকার

1:02ছড়িয়ে পড়ে মাও এখান থেকে পালাতে

1:04যাচ্ছিল ঠিক তখনই সমুদ্র থেকে আগুন আর

1:07লাভার দানব তেকা উঠে আসে [মিউজিক]

1:10তেকা মাওয়ের উপরে এত ভয়ানক আক্রমণ করে

1:13যে মাও অনেক দূরে সমুদ্রে পড়ে হারিয়ে

1:16যায় আর সেই আঘাতে তার জাদুর হুক আর

1:18তেফিতির হৃদয় দুটোই সমুদ্রের গভীরে

1:21তলিয়ে যায় এরপর শত শত বছর কেটে গেলেও সে

1:25অন্ধকার আর কোনভাবেই থামে না বরং ধীরে

1:28ধীরে এক দ্বীপ থেকে আরেক দ্বীপে ছড়িয়ে

1:30সেই দ্বীপগুলোর জীবন ধ্বংস করে দিতে থাকে।

1:32তো এরপর হাজার হাজার বছর পরে আমরা মটুই

1:36নামের সুন্দর একটা দ্বীপ দেখতে পাই।

1:37যেখানে নানী তালা গ্রামের ছোট ছোট

1:40বাচ্চাদেরকে সেই পুরনো গল্পটাই শোনাচ্ছিল।

1:43সেখানে তার ছোট্ট নাতনী মোহানাও খুবই

1:45মনোযোগ দিয়ে গল্পটা শুনছিল। নানী তালা

1:48সবাইকে বলে যে একদিন আমাদের মধ্যে থেকে

1:51কেউ একজন এই রিফের বাইরে চলে যাবে। সে

1:53মাওইকে খুঁজে বের করবে এবং তাকে সঙ্গে

1:56নিয়ে তেফিতির হৃদয়টা তাকে ফিরিয়ে দেবে

1:59আর পুরো পৃথিবীকে এই অন্ধকারের হাত থেকে

2:01বাঁচাবে ঠিক তখনই মোয়ানার বাবা অর্থাৎ এই

2:04গ্রামের প্রধান চিফ টুই সেখানে এসে পড়ে

2:07তিনি নানি তালার এসব গল্প বলা মোটেও পছন্দ

2:10করতেন না তাই বিরক্ত হয়ে তিনি বলেন যে

2:13বাচ্চাদের এসব ভয়ঙ্কর গল্প শোনানোর কি

2:15দরকার এরপর সবাইকে কড়া করে জানিয়ে দেন

2:18যে কেউ যেন এই রিফের বাইরে কখনোই না যায়

2:21কারণ সমুদ্রের ওই পাশে শুধুমাত্র ঝড় বিপদ

2:24আর মৃত্যু রয়েছে তো যাইহোক সবাই চলে

2:27যাওয়ার পরে ছোট্ট মোয়ানা একা একা

2:29সমুদ্রের তীরে চলে যায় অনেকদিন ধরে তার

2:32মনে হচ্ছিল যে সমুদ্র যেন তাকে নিজের কাছে

2:35ডাকছে তো সমুদ্রের তীরে গিয়ে সে দেখতে

2:37পায় যে একটা সুন্দর ঢেউ একটা ঝিনুক তার

2:40সামনে এনে দিয়েছে মোহানা সেই ঝিনুকটা

2:42তুলতেই যাচ্ছিল কিন্তু ঠিক তখনই তার চোখ

2:44পড়ে ছোট্ট একটা কচ্ছপের উপরে কয়েকটা

2:47ক্ষুধার্ত পাখি কচ্ছপটাকে ধরার চেষ্টা

2:49করছিল আর মোনার সঙ্গে সঙ্গে ওই ঝিনুকটা

2:52রেখে একটা বড় পাতা তুলে নেয় এবং সেটা

2:55দিয়ে কচ্ছপটাকে রোদ আর পাখিদের হাত থেকে

2:58বাঁচিয়ে নিরাপদে সমুদ্র পর্যন্ত পৌঁছে

3:00দেয়। তার এই ভালো কাজ দেখে সমুদ্র খুশি

3:03হয়ে সেই ঝিনুকটা আবারও তার পায়ের কাছে

3:06এনে দেয়। মোনা সেটা তুলতেই পানি দুই পাশে

3:09সরে গিয়ে তার জন্য একটা রাস্তা তৈরি হয়ে

3:11যায়। ঠিক তখনই পানির ভেতরে এসে জ্বলজ্বল

3:14করতে থাকা সবুজ একটা পাথর দেখতে পায়।

3:16সেটা আসলে তেফিতির হারিয়ে যাওয়া হৃদয়

3:19ছিল। মোয়ানা সেটা হাতে নিতে যায়। কিন্তু

3:22পেছন থেকে গ্রামের চিফ টুই মোয়ানাকে ডাক

3:24দিতেই পানি আবারো আগের জায়গাতে ফিরে যায়।

3:27আর দেবীর হৃদয়টা আবারো মোয়ানার হাত থেকে

3:30নিচে পড়ে যায়। চিফ টুই তাকে কোলে তুলে

3:32বাড়িতে নিয়ে এসে বলে যে সমুদ্রের ওপারে

3:34যাওয়ার কোন দরকার নেই। আমাদের যা কিছু

3:37প্রয়োজন সবই এই দ্বীপে রয়েছে। এভাবেই সময়

3:40কাটতে থাকে। আর মোয়ানা ভবিষ্যৎ গ্রামের

3:42প্রধান হিসেবে নিজের দায়িত্ব শিখতে শুরু

3:45করে। কিন্তু তার মন সবসময় সমুদ্রের দিকেই

3:48পড়ে থাকে সুযোগ পেলে সে সমুদ্রের তীরে

3:51চলে যেত আর তার বাবা-মা তাকে বুঝিয়ে

3:53শুনিয়ে আবারো ঘরে ফিরিয়ে আনত এভাবে

3:56একদিন সে নানী তালাকে সমুদ্রের ঢেবের

3:58সঙ্গে নাচতে দেখতে পায় মোহানা নিজেও

4:01দৌড়ে গিয়ে তার সঙ্গে নাচতে শুরু করে

4:04ছোটবেলা থেকে নানানি তালাই ছিল একমাত্র

4:06মানুষ যে কিনা মোনার সমুদ্রের প্রতি এই

4:09অদ্ভুত টানকে কখনো ভুল বলে মনে করেনি তো

4:12যাইহোক কয়েক বছর পরে মোয়ানা ধীরে ধীরে

4:14বড় হয়ে যায় আর চিফ টুই তাকে পাহাড়ার

4:17চুড়ায় নিয়ে যায়। সেখানে অনেকগুলো

4:19পাথরের বিশাল স্তুপ ছিল। আর গ্রামের

4:22প্রত্যেক প্রধান দায়িত্ব নেওয়ার সময়

4:24এখানে নিজের জন্য একটা পাথর রেখে যায়। আর

4:27খুব শীঘ্রই মোয়ানাকে গ্রামের নতুন প্রধান

4:30হয়ে নিজের পাথর সেখানে রাখতে হবে। চিফ

4:33টুই তাকে বলে যে এই গ্রামের সকল মানুষের

4:35আশা আর দায়িত্ব এখন তোমার কাঁধে। তো

4:38বাবার কথা মেনে নিয়ে মোহানা নিজের ইচ্ছে

4:40চেপে গ্রামের কাজে মনোযোগ দেয়। কিন্তু

4:43খুবই দ্রুত এই দ্বীপে সমস্যা হতে শুরু করে

4:45কারণ নারকেল গাছে অদ্ভুত সব রোগ দেখা দেয়

4:49আর সেই নারকেলের ফল ভেতর থেকে কালো হয়ে

4:52পচে যেতে থাকে মোয়ানা সবাইকে বলে যে

4:54আক্রান্ত গাছগুলোকে কেটে ফেলে নতুন গাছ

4:57লাগাতে হবে যাতে করে রোগ কোনভাবেই ছড়িয়ে

5:00না পড়ে কিন্তু কিছুদিন পরে জেলেরা এসে

5:03জানায় যে সমুদ্রের কাছাকাছি আর কোন মাছই

5:05পাওয়া যাচ্ছে না মোহানা তাদেরকে দ্বীপের

5:08অন্যপাশে মাছ ধরতে বলে কিন্তু তারা জানায়

5:10যে পুরো লেগুন খুঁজেও তারা একটা মাছও

5:13পায়নি। পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে দেখে চিফ

5:16টুই গ্রামের সবাইকে ডেকে একটা সভা আয়োজন

5:18করে এবং জানায় যে মাছ ফিরে না আসা

5:21পর্যন্ত সবাইকে কম করে খাবার খেয়ে চলতে

5:24হবে। তো এখানে ভরা সভায় নানি তালা নিজের

5:27লাঠি দিয়ে মোহানাকে ইশারা করে তার নিজের

5:29মনের কথা বলতে বলে। তো এখানে নানির সাহস

5:32পেয়ে মোহানা সামনে এসে বলে যে লেগুনে যদি

5:35মাছ না থাকে তাহলে আমাদের রিফের বাইরে

5:37গিয়ে সমুদ্রের গভীরের মাছগুলোকে ধরতে

5:40হবে। রিফের বাইরে যাওয়ার কথা শুনে চিফ

5:42টুই রেগে যায় এবং সবার সামনে মোহানাকে

5:45থামিয়ে দেয় তো এখন সবার শেষ হবার পরে

5:47মোহনার মা সিনা এসে বলে যে তোমার বাবা

5:50ছোটবেলায় তোমার মতই সমুদ্রকে অনেক

5:52ভালোবাসতো একদিন টুই বন্ধুকে নিয়ে রিফের

5:55বাইরে চলে যায় কিন্তু ভয়ঙ্কর ঝড় তাদের

5:58নৌকাটা একেবারে উল্টে ফেলে টুই প্রাণে

6:01বেঁচে ফিরতে পারলেও তার বন্ধুকে সে

6:03বাঁচাতে পারেনি আর সেই ঘটনার পর থেকে

6:05সমুদ্র নিয়ে তার মনে প্রচন্ড ভয় তৈরি

6:08হয় তো এখানে মায়ের কথা শুনে মোয়ানা তার

6:10বাবার ভয়টা বুঝতে পারে কিন্তু দ্বীপের

6:12অবস্থা আর সমুদ্রের ডাক তাকে কোনভাবে

6:15শান্ত থাকতে দেয় না তো শেষ পর্যন্ত সে

6:18সিদ্ধান্ত নেয় যে একবার অন্তত রিফের

6:20বাইরে গিয়ে সে দেখবে তাই নিজের পোষা

6:23ছোট্ট শুকর পুয়াকে সঙ্গে করে নিয়ে ছোট্ট

6:26একটা নৌকা [মিউজিক]

6:27মোয়ানা সমুদ্রে নামিয়ে দেয় আর প্রথম

6:29কয়েকটা ঢেউ সামলাতে পারলেও রিফের কাছে

6:31পৌঁছানোর পরে বিশাল একটা ঢেউ নৌকাতে আঘাত

6:34করে আর সে ধাক্কায় পোয়া পানিতে পড়ে

6:37যায় আর পোয়াকে বাঁচাতে গিয়ে নৌকার

6:39ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। আর আরো একটা বড়

6:42ঢেউ পুরো নৌকাটাকেই উল্টে দেয়। মোহানা

6:45পানিতে পড়ে গেলেও পুয়াকে ধরে ফেলে।

6:47কিন্তু নৌকাটা পাথরে আঘাত পেয়ে একেবারে

6:50ভেঙে যায়। এরই মধ্যে আবার তার পা দড়িতে

6:52আটকে পানির নিচের পাথরের মধ্যে ফেঁসে

6:55যায়। অনেক কষ্টে দড়ি খুলে পা ছাড়িয়ে

6:58সে উপরে উঠে আসে। আর ঠিক তখনই আরো একটা

7:01ঢেউ তাকে তীরে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। চোখ খুলে

7:04মোয়ানা দেখতে পায় যে নানির তালা তার সামনে

7:06দাঁড়িয়ে আছে আর এখানে নিজের ব্যর্থতায়

7:09ভেঙে পড়ে সে বলে ওঠে বাবাই ঠিক ছিল নানি

7:12রিফের বাইরে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়

7:14আমি গ্রামেই থেকে গ্রামের প্রধানের

7:16দায়িত্ব নেব নানি তাকে বকাঝকা না করে

7:19শুধু আস্তে আস্তে বলে গুডলাক তো গুডলাক

7:22বলার পরে নানি পানিতে নেমে একটা মানটার রে

7:24মাছের সঙ্গে সাঁতার কাটতে কাটতে বলে যে

7:26আমার এই জীবনটা শেষ হলে আমি এমন একটা

7:29মানটার রে হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসতে চাই।

7:32তো এখানে নানীর আচরণ দেখে মোয়ানার মনে হয়

7:34যে তিনি নিশ্চয়ই কিছু একটা লুকিয়ে

7:36রাখছে। তো বারবার জিজ্ঞাসা করার পরে নানী

7:39তাকে পাহাড়ের ভেতরে লুকানো একটা গোপন

7:41গুহাতে নিয়ে যায়। বড় বড় পাথর সরিয়ে

7:43পথ বের করার পরে নানি বলে ভেতরে যাও।

7:46সেখানে একটা ড্রাম রয়েছে। সেটা বাজালেই

7:49তুমি সত্যিটা বুঝতে পারবে। তোমো আনা গুহার

7:51ভেতরে গিয়ে বিশাল একটা জায়গাতে পৌঁছে

7:54যায়। সেখানে ঝর্ণার নিচে অনেকগুলো বড়

7:57নৌকা রাখা ছিল। সবথেকে বড় নৌকাতে উঠে

8:00ড্রামে আঘাত করতেই চারিদিকে মশাল জ্বলে

8:02ওঠে। নৌকার পাল গুলোতে একা ছবি দেখে মোহনা

8:05বুঝতে পারে যে তাদের পূর্বপুরুষেরা ছিল

8:07অসাধারণ নাবিক এবং অভিযাত্রী দল। তারা

8:10আকাশের তারা বাতাস আর সমুদ্রের ঢেউ দেখে

8:13এক দ্বীপ থেকে আরেক দ্বীপে পাড়ি জমাতো।

8:16তো এই সত্যটা জানতে পেরে মোহানা দৌড়ে তার

8:18নানীর কাছে এসে বলে যে আমাদের

8:20পূর্বপুরুষেরা যদি এত বড় বড় নাবিক হয়ে

8:22থাকে তাহলে আমরা সমুদ্রে যাওয়া বন্ধ কেন

8:25করে দিলাম? [মিউজিক] নানী বলে যে, যেদিন

8:27মাও তেফিতির হৃদয় চুরি করেছিল সেদিন

8:30থেকেই সমুদ্রে অন্ধকার আর দানবদের রাজত্ব

8:33ছড়িয়ে পড়ে। রিফের বাইরে যেসব নৌকা

8:36গিয়েছিল তাদের অনেকেই আর কখনো ফিরে

8:38আসেনি। তো এভাবে নিজেদের মানুষদেরকে

8:41বাঁচাতেই আমাদের পূর্বপুরুষেরা নৌকাগুলো

8:43লুকিয়ে সমুদ্রযাত্রা চিরদিনের জন্য বন্ধ

8:46করে দেয়। এরপর নানী তাকে দ্বীপের এমন

8:49একটা জায়গাতে নিয়ে যায় যেখানে সবুজ

8:51গাছপালা গুলো ধীরে ধীরে শুকিয়ে কালো হয়ে

8:53যাচ্ছিল। তিনি বলে যে সেই পুরনো অন্ধকার

8:56এখন আমাদের দ্বীপেও এসে পৌঁছে গেছে। এই

8:59কারণেই মাছ চলে যাচ্ছে আর গাছগুলো মারা

9:02যাচ্ছে। তারপর নানী নিজের কাছে লুকিয়ে

9:05রাখা তেফিতির হৃদয়টা বের করে মোনার হাতে

9:07দিয়ে বলে তুমি যখন ছোটবেলায় কচ্ছপটাকে

9:10বাঁচিয়েছিলে তখন সমুদ্র নিজেই তোমাকে

9:13বেছে নিয়েছে। নানি আরও বলে যে এখন তোমাকে

9:16রিফের বাইরে যেতে হবে। মাওকে খুঁজে বের

9:19করতে হবে। আর তাকে সঙ্গে নিয়ে তেফিতি

9:21দেবীর হৃদয়টা ফিরিয়ে দিতে হবে। তো এরপর

9:24নানী আকাশে হুকের মত দেখতে তারাগুলোর দিকে

9:27তাকিয়ে বলে যে ওই তারার দিকে এগোলেই তুমি

9:29মাউইকে খুঁজে পাবে। তো এসব কিছু জানার পরে

9:32মোহানা তার বাবার কাছে গিয়ে সবাইকে বলে

9:34যে বাবা আমরা তো নাবিকদের পরবর্তী প্রজন্ম

9:38আমাদের পূর্বপুরুষেরা সমুদ্র পাড়ি দিত।

9:40তেফিতির হৃদয় ফিরিয়ে দিতে পারলেই আমাদের

9:43দ্বীপটা বেঁচে যাবে। কিন্তু চিফ টুই

9:45এইসবকে পুরনো গল্প বলে উড়িয়ে দেয়। ঠিক

9:48তখনই সেখানে গ্রামের একজন মানুষ দৌড়ে এসে

9:51জানায় যে নানির তালা খুবই অসুস্থ হয়ে

9:54পড়েছে। মোহানা দৌড়ে গিয়ে দেখতে পায় যে

9:56নানি মৃত্যু শয্যায় শুয়ে আছে। আর নানি

9:58খুবই কষ্টে তার হাতে হাত ধরে বলে যে এই

10:01গ্রামটাকে বাঁচাতে হলে তোমাকে এখনই বের

10:04হতে হবে। বেশি দেরি করো না। মোহানা কাঁদতে

10:07কাঁদতে বলে যে আমি তোমাকে এই অবস্থায়

10:08রেখে কোথাও যেতে পারবো না নানি। নানি তাকে

10:11বলে যে আমি সবসময় তোমার [মিউজিক] সঙ্গেই

10:14থাকবো। আর ফাইনালি মারা যাবার আগে নানি

10:17নিজের গলার লকেটটা খুলে মোয়ানাকে দিয়ে

10:20দেয় যাতে করে তেফিতির হৃদয় নিরাপদে

10:22এখানে রাখা যায় [মিউজিক] তো নানীর কাছ

10:24থেকে বিদায় নিয়ে মোহানা এক বিশাল

10:26যাত্রার প্রস্তুতি শুরু করে দেয় সে কিছু

10:29ফল আর প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো গোছাচ্ছিল

10:31ঠিক তখনই তার মা সিনা সেখানে এসে পড়ে

10:34মোনা ভাবে যে তার মা হয়তো তাকে থামিয়ে

10:37দেবে কিন্তু সিনা কোন কথা না বলে তার

10:39মেয়েকে জড়িয়ে ধরে এবং নিজে তার

10:41জিনিসপত্রগুলো গুছিয়ে দিতে সাহায্য করে

10:44তো এরপর পর মোয়ানা গোপন ওই গুহাতে গিয়ে

10:46হৃদয়ের চিহ্ন আঁকা একটা নৌকা বেছে নেয় এবং

10:49সমুদ্রে বেরিয়ে আসে। রাতের অন্ধকারে পানির

10:52গভীরে বিশাল এক নীল আলো জলা মনটার রে তার

10:55পাশে ভেসে আসে। মোয়ানা [মিউজিক] বুঝতে

10:57পারে যে তার নানি হয়তো আর এই পৃথিবীতে নেই

11:00এবং তার আত্মা হয়তো এখন মনটা রে রূপে তাকে

11:03শেষবারের মতো পথ দেখাতে এসেছে। তো নানির

11:06সেই পথের আলো অনুসরণ করে মোয়ানা এবার

11:09সাহসের সঙ্গে নৌকা চালিয়ে সফলভাবে রিফ পার

11:13হয়ে যায়। আর এখন পরদিন সকালে নৌকার নিচ

11:16থেকে শব্দ শুনে মোয়ানা ঢাকনা খুলে দেখতে

11:18পায় যে গ্রামের সেই বোকা মোরগ হেই হেই ভুল

11:21করে তার নৌকাতে চলে এসেছে। চারিদিকে শুধু

11:24পানি দেখে হেই হেই পাগলের মত চিৎকার শুরু

11:27করে দেয়। কখনো কখনো সে নৌকা থেকে নিচে পড়ে

11:30যায়। আবার মোয়ানাকে তাকে বাঁচাতেও হয়। আর

11:33শেষ পর্যন্ত বিরক্ত হয়ে মোয়ানা তাকে নৌকার

11:35ভেতরে আটকে রাখে। তো যাই হোক সেদিন রাতে

11:38মোয়ানা ঘুমিয়ে পড়ার কারণে নৌকা হুকের মত

11:41তারাগুলোর সঠিক দিক থেকে সরে যায়। আর

11:44একটা ঢেউ তাকে জাগিয়ে দিলে সে দেখতে পায়

11:46যে তার নৌকা ভয়ঙ্কর একটা ঝড়ের মধ্যে

11:48পড়ে গেছে। মোহানা নৌকার নিয়ন্ত্রণ

11:51নেয়ার চেষ্টা করে কিন্তু বিশাল ঢেউ

11:53সামলানোর মত অভিজ্ঞতা তার তখনো হয়নি। তো

11:56শেষমেষ একটা বড় ঢেউ এসে তার এই পুরো

11:58নৌকাটাই উল্টে ফেলে। আর এখন পরদিন সকালে

12:01মোয়ানা নিজেকে অচেনা একটা দ্বীপের তীরে

12:04দেখতে পায়। তেফিতির হৃদয় আর হেই হেই

12:07দুজনেই এখন নিরাপদে ছিল। কিন্তু নৌকাটা

12:10প্রচন্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিল।

12:12মোয়ানা সমুদ্রের উপরে ডেকে বলে যে তুমি

12:15আমাকে বেছে নিয়েছো অথচ ঝড়ের সময় আমাকে

12:17সাহায্য করলে না [মিউজিক] সে পানিতে লাথি

12:20মারলে সমুদ্র মজা করে পানি সরিয়ে নেয়

12:22এবং তার বইঠাটাও ঢেউ দিয়ে ফিরিয়ে দেয়

12:25ঠিক তখনই তার সামনে একটা পাথরের উপরে

12:27বিশাল বড় হুকের চিহ্ন দেখে মোয়ানা বুঝতে

12:30পারে যে সমুদ্র আসলে তাকে ভুল জায়গাতে

12:32নেয়নি বরং এটাই হলো মাওয়ের দ্বীপ তো এখন

12:35মাও তার সামনে এলে সে কিভাবে কথা বলবে

12:38সেটা নৌকার পেছনে দাঁড়িয়ে মোয়ানা

12:40অনুশীলন করছিল কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগে

12:42বিশাল দেহী একজন এসে তার হাতে পুরো নৌকাটা

12:45তুলে নেয় সে আর কেউ নয় সে ছিল ডেমি গড

12:48মাও তো মোহানা কথা শুরু করতে চাইলেও মাও

12:52তাকে সুযোগই দেয় না সে নিজের প্রশংসা

12:54করতে করতে বলে যে আমি বাতাস আর সমুদ্রের

12:57ডেমি গড মানুষের [মিউজিক] হিরো রূপ

12:59বদলানোর মাস্টার মাও মনে করে যে মোয়ানা

13:02হয়তো তার অনেক বড় ভক্ত তাই সে নিজের

13:04দাঁত দিয়ে মোনার বইঠার উপরেও একটা

13:06অটোগ্রাফ দিয়ে দেয় এতে করে মোনার ধৈর্য

13:09একেবারে শেষ হয়ে যায় সে বইঠা দিয়ে মাওর

13:12মাথায় আঘাত করে আর তার কান ধরে তেফিতির

13:15হৃদয়ের সামনে এনে বলে তুমি কোন হিরো নও

13:18এই হৃদয়টা চুরি করে পুরো পৃথিবীকে তুমি

13:20বিপদে ফেলেছো এখন নিজের ভুল ঠিক করতে

13:23তোমাকে আমার সঙ্গে যেতেই হবে কিন্তু মাও

13:26তখনো নিজের অহংকারে ডুবেছিল সে গান গেয়ে

13:28গেয়ে মানুষকে আজ পর্যন্ত সে কি কি

13:30দিয়েছে সেগুলো বলতে শুরু করে আর তার

13:33শরীরের জাদুকরী সে ট্যাটু গুলো তার গানের

13:36সঙ্গে সঙ্গে নড়াচড়া করতে থাকে মোয়ানা

13:39সেগুলো দেখতে ব্যস্ত হয়ে পড় করতেই মাও

13:41সুযোগ নিয়ে তাকে একটা অন্ধকার গুহার

13:43ভেতরে আটকে ফেলে এরপর মাও নৌকা ঠিক করে হে

13:46হেকে সঙ্গে নিয়ে এখান থেকে পালানোর

13:49প্রস্তুতি নেয় অন্যদিকে মোহানা গুহার

13:51ভেতরে মাওয়ের বানানো বিশাল একটা মূর্তির

13:54উপরে উঠে ছাদের ছোট্ট গর্ত দিয়ে বাইরে

13:57বেরিয়ে আসে মাও তখন অনেক দূরে চলে গেছে

13:59তাই মোহানা পাহাড়ের উপর থেকে সরাসরি

14:02সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়ে মাওই মোয়ানাকে

14:05পানিতে রেখেও নৌকা চালিয়ে যেতে থাকে

14:07কিন্তু সমুদ্র ঢেউ দিয়ে মোহানাকে তুলে

14:09আবারো নৌকাতে এনে ফেলে। মাও যতবার

14:12মোয়ানাকে পানিতে ফেলে দেয়, সমুদ্র ততবার

14:14তাকে ফিরিয়ে দেয়। এমনকি তেফিতির হৃদয়

14:17পানিতে ছুড়ে দিলেও ঢেউ সেটা তুলে মাওয়ের

14:20কপালে ছুড়ে মারে। তো শেষমেষ মাওই নিজেই

14:22পানিতে ঝাঁপ দিলে সমুদ্র আবারো তাকে

14:25নৌকায় তুলে ফেলে। তো এইসব কিছু দেখে

14:27মোহানা বুঝতে পারে যে মাও আসলে তেফিতির

14:30হৃদয়টা স্পর্শ করতে ভয় পাচ্ছে। ঠিক তখনই

14:33একটা বিষাক্ত তীর এসে তাদের নৌকাতে লাগে।

14:36আর দুজন সামনে তাকিয়ে দেখে যে কাকা

14:38মোড়াদের পুরো দল তাদের দিকে এগিয়ে আসছে।

14:41আসলে ছোট ছোট নারকেলের খোলস পড়া এই

14:43জলদস্যুদের প্রথমে খেলনার মতো মনে হলেও

14:46আসলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কুয়াশার ভেতর

14:49থেকে তাদের বিশাল জাহাজ বেরিয়ে আসে। মাওই

14:52মোয়ানাকে নাবিকদের ভাষায় নৌকা ঘোড়াতে

14:54বলে কিন্তু মোহানা তার একটা কথাও বুঝতে

14:57পারে না। তখন মাওই বুঝতে পারে যে মোহানা

15:00আসলে ঠিকমতো নৌকা চালাতেই জানে না।

15:02অন্যদিকে নিজের জাদুর হুক ছাড়া মাও কোন

15:05প্রাণীর রূপও নিতে পারছিল না। এদিকে কাকা

15:08মোরারা দড়ি বাঁধা তীর ছুড়ে তাদের

15:10নৌকাটাকে নিজেদের জাহাজের দিকে টেনে নিতে

15:12শুরু করে। আর হাতাহাতির মধ্যে তেফিতির

15:15হৃদয় মোহানার হাত থেকে পড়ে যায় এবং

15:17বোকা হে হে সেটাকে খাবার ভেবে গিলেও ফেলে

15:21তো এখানে এক কাকা মোরা হে হেকে ধরে গলা

15:24চেপে ওই হৃদয়টা বের করে নেয় এবং সেটা

15:26নিয়ে নিজের জাহাজের দিকে পালিয়ে যায়

15:29মাও শুধুমাত্র এখান থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে

15:31চলে যেতে চাচ্ছিল কিন্তু মোহানা কোন

15:33অবস্থাতেই তেফিতি দেবীর হৃদয়টা হারাতে

15:36রাজি ছিল না [মিউজিক] সে বইঠা হাতে নিয়ে

15:38এক লাফে কাকা মোরাদের জাহাজে উঠে যায় আর

15:41আকারে মোয়ানা তাদের থেকে অনেক বড় হওয়ার

15:44কারণে বইঠা দিয়ে একের পর এক কাকা দেরকে

15:46সরিয়ে সে ওই হৃদয়টাকে ফিরিয়ে নেয় এবং

15:49ঝুলন্ত একটা দড়ি ধরে আবারো নিজের নৌকাতে

15:52ফিরে আসে কিন্তু কাকামোড়ারা এত সহজে হার

15:54মানে না তাদের বিশাল জাহাজ দুই ভাগ হয়ে

15:57মোয়ানাদের দুই পাশ থেকে ঘিরে ফেলে আর ঠিক

16:00তখনই মাওই নৌকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়

16:02এবং নিজের পুরনো নাবিকের দক্ষতা ব্যবহার

16:05করে দুই জাহাজের মাঝের সরু রাস্তা দিয়ে

16:07তাদের নৌকাটাকে বের করে আনে ফলে কাকা

16:10মুরাদের দুই জাহাজ নিজেদের মধ্যে আঘাত

16:13খেয়ে একেবারে ধ্বংস হয়ে যায়। তো যাই

16:15হোক বিপদ কেটে যাবার পরেও মাওই দেবী

16:18তেফিতির কাছে যেতে রাজি হয় না। কারণ

16:20সেখানে দানব দেখার ভয় এখনো তার মনে ছিল।

16:24মোহানা তাকে বলে যে তুমি যদি তেফিতির

16:26হৃদয় ফিরিয়ে দিয়ে নিজের ভুল ঠিক করে

16:28ফেলো তাহলে সবাই আবার তোমাকে হিরো হিসেবে

16:32মনে রাখবে। মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার

16:34ইচ্ছা থেকে মাওই শেষ পর্যন্ত মোয়ানাকে

16:37সাহায্য করতে রাজি হয়ে যায়। তবে মাওই

16:40জানায় যে তেফিতি দেবীর দ্বীপে যাওয়ার

16:42আগে তাদের লালতাই নামের দানবদের জগতে যেতে

16:45হবে কারণ তার জাদুর হুকটা সেখানেই রয়েছে

16:48আর সেই হুক ছাড়া সে তেকার সঙ্গে লড়াই

16:50করতে কোনভাবেই পারবে না তো যাত্রাপথে

16:53মোয়ানা তাকে বলে যে আমাকে নৌকা চালানো আর

16:56বাতাস আর তারা দেখে দিক চিনতে শিখিয়ে দাও

16:59মাওই অহংকার করে বলে যে এটাকে ওয়ে

17:02ফাইন্ডিং বলে এটা তোমার মত নতুন কারো কাজ

17:04নয় তো মাউইর এ অহংকার দেখে সমুদ্র

17:07কাকামোড়াদের ফেলে যাওয়া একটা বিষাক্ত

17:09তীর তুলে সরাসরি তার পেছনে ঢুকিয়ে দেয়।

17:12ব্যথায় সে নড়াচড়াও করতে পারছিল না। তাই

17:15বাধ্য হয়ে মোয়ানাকে পাল নিয়ন্ত্রণ করা,

17:18বাতাসের দিক বোঝা আর ঢেউ দেখে নৌকার

17:21অবস্থান চিনতে শেখাতে শুরু করে সে। তো এখন

17:24ক্লান্ত হয়ে মোনা ঘুমিয়ে পড়ে এবং সে

17:26স্বপ্নে দেখতে পায় যে পুরো মটনুই দ্বীপ

17:28অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে। তার বাবা আর

17:32গ্রামের মানুষ সাহায্যের জন্য ডাকাডাকি

17:34করছে। আর প্রচন্ড ভয়ে ঘুম ভাঙতেই মাওই

17:36তাকে জানায় যে তারা লালতাইদের ঠিক উপরে

17:39পৌঁছে গেছে। তো দুজন এখন উঁচু একটা

17:42পাহাড়ে উঠে বিশেষ একটা জায়গাতে চলে

17:44যায়। মাওই সেখানে অদ্ভুত একটা নাচ করতেই

17:48পাথরের মধ্যেকার গোপন দরজা খুলে যায়। সে

17:51কোন ভয় না পেয়ে নিজের বিশাল গর্তে

17:53ঝাপিয়ে পড়ে। আর মোহানা প্রথমে ভয় পেলেও

17:56নিজেকে সামলে নিয়ে তার পেছনে লাফিয়ে

17:58পড়ে। মাও প্রথমে চেয়েছিল মোহানা বাইরে

18:01তার জন্য অপেক্ষা করুক আর সে একাই তার

18:04হুকটা নিয়ে ফিরে আসবে কিন্তু মোহানা তার

18:06সঙ্গে যাওয়ার জন্য জেদ করলে সে নতুন একটা

18:09পরিকল্পনা আটে এবং মোহানাকে টোপ হিসেবে

18:11ব্যবহার করে আর মোনার শরীরে চকচকে ঝিনুক

18:15লাগিয়ে বিশাল একটা ধনসম্পদের স্তুপের

18:18সামনে হাঁটাতে থাকে কিছুক্ষণের মধ্যে সেই

18:20স্তুপটা নড়তে শুরু করে এবং নিচ থেকে

18:23বেরিয়ে আসে বিশাল বড় একটা কাকড়া

18:25টামাটোয়া টামাটোয়ার পিঠের খোলস ছিল সোনা

18:29রত্ন আর চকচকে জিনিসে ভর্তি। আর সেখানেই

18:32মাউর জাদুর হুকটাও ছিল। টামাটোয়া মোয়ানাকে

18:35ধরে খেয়ে ফেলতে যাচ্ছিল। কিন্তু মোয়ানা

18:38তাকে বলে যে তোমার সৌন্দর্য অনেক অসাধারণ।

18:41আর ধনসম্পদের কথা আমি তো আগে থেকেই শুনে

18:44এখানে এসেছি। তো এখানে নিজের প্রশংসা শুনে

18:46টামাটোয়া গান গেয়ে নিজের বড়াই করতে শুরু

18:49করে। আর সেই সুযোগে মাওই তার পিঠে উঠে

18:52জাদুর হুকটা নিয়ে নেয়। কিন্তু বহু বছর

18:55হুকটা ব্যবহার না করার কারণে তার নিজেরই

18:58শক্তির উপরে তার নিয়ন্ত্রণ ছিল না। সে

19:00শক্তিশালী প্রাণী হওয়ার চেষ্টা করলেও

19:02কখনো মাছ, কখনো পাখি, কখনো অন্য কিছু হয়ে

19:05নিজেই বিপদে পড়ে যায়। তো টামাটোয়া এই

19:08সুযোগে মাওইকে ধরে মাটিতে ফেলে দেয় এবং

19:11তাকে অপমান করতে থাকে। তখন মোয়ানা সঙ্গে

19:14সঙ্গে একটা বুদ্ধি বের করে ফেলে। এসে

19:16চকচকে একটা জিনিস হাতে তুলে নিয়ে চিৎকার

19:18করে বলে যে তেফিতির আসল হৃদয় আমার কাছে

19:21আছে। তো এখানে চকচকে জিনিসটা দেখে

19:23টামাটোয়া মাউইকে ছেড়ে মোয়ানার দিকে

19:26ছুটে চলে আসে। মোহানা সে চকচকে জিনিসটাকে

19:29দূরে ছুড়ে দিয়ে মাউর হুকটা তুলে নিয়ে

19:32আসে। আর তারপর জানায় যে আসল হৃদয় আসলে

19:34তার কাছে আছে। টামাটোয়ার দিকে সে

19:37শুধুমাত্র হৃদয়ের মত রং করা একটা চকচকে

19:40সামুদ্রিক প্রাণী ছুড়ে দিয়েছিল।

19:42টামাটোয়া প্রচন্ড রেগে তাদেরকে ধরতে এলে

19:44দুজন গরম পানির একটা ঝর্ণার উপরে ঝাঁপিয়ে

19:47পড়ে আর পানির প্রচন্ড চাপ তাদের সরাসরি

19:50সমুদ্রের উপরে ছুড়ে ফেলে। তো এখানে হুকটা

19:53ফিরে পেলেও মাওই নিজের শক্তি তখনো ঠিকভাবে

19:56ব্যবহার করতে পারছিল না। এখন রাতের বেলা

19:59তাকে চুপচাপ বসে থাকতে দেখে মোয়ানা তার

20:02একটা বিশেষ ট্যাটু নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা

20:04করে। আর অনেকবার জিজ্ঞাসা করার পরে মাওই

20:06নিজের আসল গল্প বলতে শুরু করে। মাওই বলে

20:10যে আমি জন্ম থেকেই ডেমিগড ছিলাম না।

20:12সাধারণ মানুষ হিসেবে আমার জন্ম হয়েছিল।

20:15কিন্তু আমার বাবা-মা আমাকে সমুদ্রে ফেলে

20:17দিয়েছিল। আর পরবর্তীতে দেবতারা আমাকে

20:20বাঁচায় আর জাদুর ফিসুক দেয় এবং ডেমিগডে

20:23পরিণত করে। এরপর মা ওই মানুষের ভালোবাসা

20:26পাওয়ার জন্য তাদের একের পর এক উপহার দিতে

20:29থাকে। কিন্তু তার মনে সবসময় ভয় ছিল যে

20:31মানুষ যদি আবারও তাকে ছেড়ে দেয়। শেষ

20:34পর্যন্ত মানুষদের আরো খুশি করার জন্য সে

20:36তেফে হৃদয় চুরি করে। আর সেখান থেকেই

20:39মানুষদের ধ্বংসে শুরু হয়ে যায়। মোহানা

20:42তাকে বলে যে দেবতারা তোমাকে হুকের জন্য

20:44বাঁচায়নি। তারা তোমাকে বাঁচিয়েছে কারণ

20:46তুমি বাঁচার যোগ্য ছিলে। তুমি কে সেটা

20:49তোমার হুক ঠিক করে না। মোহানার এই কথায়

20:51মাওই ধীরে ধীরে নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে

20:54পায়। সে আবারো চেষ্টা শুরু করে দেয় এবং

20:56শেষ পর্যন্ত সফলভাবে বিশাল একটা বাজ পাখির

20:59রূপ নিতে সক্ষম হয়। তো নিজের শক্তি ফিরে

21:02পেয়ে মাও এবার সত্যি সত্যি মোহানাককে

21:05ওয়ে ফাইন্ডিংস শেখাতে শুরু করে। আর তারা

21:07দেখতে পারে যে কিভাবে তারা বাতাস সূর্য আর

21:10ঢেউয়ের দিক বুঝে নৌকার জন্য পথ খুঁজতে

21:13হয়। তো ফাইনালি দীর্ঘ আর কঠিন যাত্রার

21:16পরে শেষ পর্যন্ত তারা তেফিতির দ্বীপের

21:18কাছে পৌঁছে যায়। সেখানে চারিদিকে শুধু

21:21কালো ধোয়া, ছাই আর আগুন দেখা যাচ্ছিল।

21:24মাও তেফিতির হৃদয় নিয়ে বাজপাখি হয়ে

21:27সামনে এগিয়ে যায়। কিন্তু ঠিক তখনই

21:29সমুদ্র থেকে আগুন আর লাভার ভয়ঙ্কর একটা

21:32দানব তেকা উঠে আসে। তেকা মাওয়ের দিকে

21:35একের পর এক লাভার গোলা ছুড়তে থাকে আর

21:37মাওই সেগুলোকে এড়িয়ে সামনে যাওয়ার

21:40চেষ্টা করে কিন্তু তেকার বিশাল হাত তাকে

21:43ধরে সরাসরি সমুদ্রে ফেলে দেয় মাও আবারো

21:46নৌকাতে ফিরে আসে মোহানা তখন পাথরের মাঝখান

21:49দিয়ে সরু একটা পথ দেখতে পায় এবং বলে যে

21:52এই পথ দিয়ে গেলে আমরা সরাসরি তেফিতির

21:54কাছে পৌঁছে যেতে পারব মাওই বলে যে ওটা

21:57খুবই বিপদজনক রাস্তা আর অন্যদিক দিয়ে

21:59যাওয়ার আগে তেকা তাদেরকে দেখে ফেলে এবং

22:01বিশাল একটা আগুনের গোলা নৌকার ার দিকে

22:04ছুড়ে মারে। মোহানাকে বাঁচাতে মাওই সামনে

22:07গিয়ে নিজের জাদুর হুকটা দিয়ে ওই

22:08আঘাতটাকে আটকে দেয়। আর ভয়ঙ্কর একটা

22:11বিস্ফোরণ হয় এবং আঘাতের পরে দেখা যায় যে

22:13তার হুকে বড় বড় ফাটল ধরে গেছে। মুয়ানা

22:16বলে যে আমরা আবারো চেষ্টা করি। কিন্তু মাও

22:19রেগে গিয়ে বলে যে আর একটা আঘাত পড়লে

22:21আমার হুকটা চিরদিনের জন্য ভেঙে যাবে। এই

22:24লড়াই তাহলে আমরা আর কখনোই জিততে পারবো

22:26না। মোয়ানা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও মাও

22:29আর কোন কথা শুনতে চায় না। সে বাজপাখির

22:31রূপ নিয়ে মোয়ানাকে সমুদ্রের মাঝে একা

22:34রেখে উড়ে চলে যায়। আর এতদূরে এসে মাও

22:37তাকে ছেড়ে যাওয়াতে মোহানা পুরোপুরি ভেঙে

22:39পড়ে। কাঁদতে কাঁদতে সে সমুদ্রকে বলে যে

22:41তুমি ভুল মানুষকে বেছে নিয়েছো। আমি কোন

22:44মহান নাবিক নই। আমি কোন হিরো নই। এরপর সে

22:47তেফিতির হৃদয় পানিতে ফেলে দেয়। আর জলজল

22:50করা ওই হৃদয়টা ধীরে ধীরে সমুদ্রের গভীরে

22:52চলে যায়। ঠিক তখনই পানির নিচে নীল আলো

22:55দেখা যায়। আর সেই নীল আলো থেকে নানি

22:58তালার মানটা রে বেরিয়ে আসে এবং ধীরে ধীরে

23:01নানির আত্মায় পরিণত হয়ে যায়। নানি

23:04মোহানাকে জড়িয়ে ধরে আর বলে যে তুমি

23:06চাইলে বাড়িতে ফিরে যেতে পারো। আমি তোমার

23:08উপরে কোন রাগ করবো না। কিন্তু নানি তাকে

23:11মনে করিয়ে দেয় যে মোহানা আসলে কে?

23:13চারপাশে তার পূর্বপুরুষ নাবিকদের আত্মা

23:16দেখা দিতে থাকে এবং মোয়ানা বুঝতে পারে যে

23:18সে শুধুমাত্র একজন চিফের মেয়ে নয় বরং

23:21একজন নাবিক এবং ওয়ে ফাইন্ডার মোহানা

23:24সঙ্গে সঙ্গে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তেফিতির

23:26হৃদয় আবার তুলে নেয় তারপর একাই নৌকা

23:29ঘুরিয়ে তেফিতির দ্বীপের দিকে এগিয়ে যায়

23:31মাও তার সঙ্গে ছিল না কিন্তু তার সেখানে

23:34সবকিছু ব্যবহার করে মোহানা নিজেই ওই

23:36নৌকাটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে টেকা

23:39আবারো আক্রমণ করতে এলে মোয়ানা বিশাল

23:41ঢেবের সাহায্যে দ্রুত নৌকা ঘুরিয়ে আঘাত

23:44এড়িয়ে যায়। তেকার জ্বলন্ত হাত পানিতে

23:47পড়লে সে ব্যথায় পিছিয়ে যায়। আর মোহানা

23:50অন্যপাশ দিয়ে দ্বীপে যেতে চাইলে তেকা

23:52পাথরের উপরে উঠে রাস্তা বন্ধ করে লাভার

23:55গোলা ছুড়তে শুরু করে। ঠিক যখন মনে হচ্ছিল

23:58যে মোহানা আর বাঁচতে পারবে না তখনই আকাশ

24:01থেকে বিশাল একটা বাজপাখি নেমে আসে। আসলে

24:04মাও ফিরে এসেছিল। সে মোয়ানাকে বলে যে যাও

24:07তুমি তেফিতির কাছে চলে যাও। এটাকে আমি

24:10সামলাচ্ছি। এরপর মাও কখনো বিশাল তিমি কখনো

24:13পাখি কখনো অন্য প্রাণীতে পরিণত হয়ে তেকার

24:17মনোযোগ নিজের দিকে নিয়ে যায় মাও তেকার

24:20সঙ্গে লড়াই করতে থাকে আর মোয়ানা নৌকা

24:22নিয়ে দ্বীপের দিকে এগিয়ে যায় আর একসময়

24:24তেকা আবারো ভয়ঙ্কর আঘাত করলে মাও নিজের

24:27হুক দিয়ে সেটাকে আটকায় আর এক ভয়ঙ্কর

24:30বিস্ফোরণের সঙ্গে তার ওই জাদুকরী হুকটা

24:33পুরোপুরি ভেঙে যায় অন্যদিকে মোহানা

24:35অবশেষে তেফিতির দ্বীপের কেন্দ্রে পৌঁছে

24:38যায় কিন্তু সেখানে গিয়ে সে অবাক হয়ে

24:40দেখতে পায় যে তেফিতি কোথাও নেই। শুধু

24:43বিশাল বড় একটা খালি জায়গা পড়ে আছে। মোয়ানা

24:46বুঝতে পারছিল না যে দেবী কোথায় গেল। ঠিক

24:48তখনই দূরে দাঁড়িয়ে থাকা তেকার বুকের উপরে

24:51তার [মিউজিক] চোখ পড়ে। সেখানে তেফিতির

24:54হৃদয়ের মতো একই গোল চিহ্ন ছিল। মোয়ানার

24:57মাথায় তখন পুরো বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যায়।

25:00আসলে তেকা কোন আলাদা দানব ছিল না। নিজের

25:03হৃদয়টাকে হারানোর কষ্ট আর রাগে দেবী

25:06তেফিতি এই আগুনের দানবে পরিণত হয়েছিল।

25:09সত্যটা বুঝতে পেরে মোয়ানা তেফিতির হৃদয়টা

25:12হাতে তুলে সমুদ্রকে বলে যে পথটা খুলে দাও

25:15আর সমুদ্রের পানি দুই পাশে সরে গিয়ে টেকা

25:18আর মোনার মাঝখানে একটা শুকনো রাস্তা তৈরি

25:21করে দেয় আর এখন মোহানা ধীরে ধীরে সামনে

25:23এগিয়ে যায় আর অন্যদিকে টেকা আগুন ছড়াতে

25:26ছড়াতে তার দিকে এগিয়ে আসে তেকা তার

25:29সামনে এসে দাঁড়ালে মোহানা শান্তভাবে বলে

25:32যে আমি জানি তুমি কে তোমার হৃদয় তোমার

25:35কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছিল তোমার সঙ্গে

25:37অনেক অন্যায় হয়েছে দেবী কিন্তু তুমি যে

25:39আসলে কে সেটা কিন্তু ভুলে যেও না। তো

25:42মোয়ানার এই কথা শুনে তেকার ভয়ঙ্কর রাগ

25:44ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। আর শেষ পর্যন্ত

25:47সে মাথা নিচু করে মোহানার সামনে চলে আসে।

25:50মোহানা নিজের কপাল আর তার কপাল স্পর্শ

25:52করায় এবং খুবই যত্ন করে তেফিতির হৃদয়

25:55তার বুকের জায়গাতে ফিরিয়ে দেয়। আর

25:58হৃদয়টা ফিরে আসার সাথে সাথে তেকার শরীরের

26:00আগুন, লাভা আর কালো ছাই একে একে ভেঙে

26:03পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ভয়ঙ্কর দানব

26:06আবারো সুন্দর সবুজ দেবী তেফিতির রূপে ফিরে

26:09আসে। চারিদিকে গাছ জন্মাতে শুরু করে।

26:12শুকিয়ে যাওয়া জমি আবারো সবুজ হয়ে ওঠে

26:14এবং সমুদ্রের চারপাশের দ্বীপগুলো আবারো

26:17জীবন্ত হতে থাকে। মাও তেফিতির সামনে এসে

26:20বলে যে আমি যা করেছি তার জন্য আমাকে ক্ষমা

26:22করে দাও দেবী। তেফিতি তাকে ক্ষমা করে দেয়

26:25এবং তার ভেঙে যাওয়া জাদুর হুকটা আবারো

26:28আগের মত নতুন করে দেয়। আর একই সময় মাওর

26:30শরীরে একটা নতুন ট্যাটু তৈরি হয়ে যায়।

26:33সেখানে মোনার সঙ্গে তার এই যাত্রার সকল

26:36স্মৃতি ফুটে ওঠে। মোহানা মাওইকে জড়িয়ে

26:39ধরে বিদায় জানায়। আর মাও এবার তাকে

26:41সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে এবং

26:43বাজ পাখিতে পরিণত হয়ে খোলা আকাশে উড়ে

26:46চলে যায়। এরপর মোহানা মটনুইতে ফিরে চলে

26:49আসে। আর এখন দ্বীপটা আগের মতই সবুজ আর

26:52সুন্দর হয়ে গেছে। সমুদ্রে মাছ ফিরে

26:55এসেছে। আর তাকে দেখে তার বাবা মা দৌড়ে

26:57এসে তাকে জুড়িয়ে ধরে। চিফ টুই বুঝতে

27:00পারে যে যাকে সে এতদিন বিপদ থেকে বাঁচাতে

27:02চেয়েছিল সেই মেয়ে আজকে পুরো গ্রামকে

27:05বিপদ থেকে বাঁচিয়েছে। সমুদ্র মোহানাকে

27:08খুবই সুন্দর একটা ঝিনুক উপহার দেয়। আর

27:10মোহানা সেই ঝিনুকটা নিয়ে পাহাড়ের

27:12চুড়ায় চলে যায়। সেখানে তাদের পুরনো সকল

27:15প্রধানের পাথর রাখা ছিল। কিন্তু নিজের

27:18জন্য সে আর একটা সাধারণ পাথর না রেখে সেই

27:21ঝিনুকটা সবার উপরে রেখে দেয় আর এরই

27:23মাধ্যমে সবাই বুঝতে পারে যে মটুনই দ্বীপ

27:26নতুন একজন যোগ্য প্রধান পেয়েছে এরপর

27:29গ্রামের মানুষ পাহাড়ের ভেতরে লুকিয়ে

27:31রাখা পুরনো নৌকাগুলো আবারো বের করে আনে

27:33মোনার নেতৃত্বে তারা আকাশের তারা বাতাস আর

27:36ঢেউ দেখে আবারো সমুদ্রের যাত্রা শুরু করে

27:39দেয় এবং পূর্বপুরুষদের হারিয়ে যাওয়া

27:41ওয়ে ফাইন্ডিংস এর ঐতিহ্য আবারো ফিরে আনে

27:44এবার মটুনুয়ের মানুষ আর সমুদ্রকে ভয়

27:46পায় কারণ তারা বুঝে গেছে যে এই সমুদ্রই

27:49তাদের ইতিহাস, তাদের পরিচয় এবং সামনে

27:51এগিয়ে যাওয়ার রাস্তা। [মিউজিক] আর এই

27:54ঘটনার সাথে সাথে মোয়ানার এই গল্পটা শেষ

27:56হয়ে যায়। যদিও আমি এর আগে মোয়ানার

27:59অ্যানিমেশন মুভিটা আমার সেকেন্ড চ্যানেলে

28:01এক্সপ্লেইন করেছিলাম। কিন্তু তারপরেও

28:03জাস্ট লাইভ অ্যাকশন মুভি দেখার জন্য আর

28:06আপনাদেরকে দেখানোর জন্য এক্সপ্লেইনটা করা।

28:08আশা করি ভালোই লেগেছে। তো আজকের মত আমি

28:12এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আর হ্যাঁ গলার

28:14স্বরের জন্য আমাকে ক্ষমা করবেন। কারণ

28:16সর্দি [গলা পরিষ্কার করা] কাশিতে অবস্থা

28:18খুব খারাপ ভাই। আমার জন্য দোয়া করবেন।

28:19আমি আজকের মত বিদায় নিচ্ছি। ভালো থাকবেন।

28:21আল্লাহ হাফেজ।

Recently added transcripts

Browse the whole transcript library

This transcript was generated from the captions YouTube publishes for this video. Get the transcript of any YouTube video atfreeyoutubetranscribe.com, free, unlimited, no sign-up.