Full transcript
0:00ভাবুন তো, সমুদ্রের হাজার হাজার মিটার
0:02নিচে থাকা একটা ইন্টারনেট কেবল হঠাৎ
0:04ছিঁড়ে গেল। তাহলে কি মুহূর্তের মধ্যে
0:07পুরো পৃথিবীর ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাবে?
0:09শুনতে ভয়ঙ্কর লাগলেও ব্যাপারটা আসলে এতটা
0:11সরল নয়। বিশ্বের প্রায় 99 শতাংশ
0:13আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ডেটা সমুদ্রের
0:16তলদেশে বিছানো ফাইবার অপটিক কেবলের
0:18মাধ্যমে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যায়। আর
0:21এই বিশাল নেটওয়ার্ক যতটা গুরুত্বপূর্ণ
0:23ততটাই ঝুঁকিপূর্ণ। সমুদ্রের নিচে
0:25ভূমিকম্প, ভূমিধ্বস, জাহাজের নোংর কিংবা
0:29মাছ ধরার ভারী জালের কারণে এসব কেবল
0:32মাঝেমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত বা বিচ্ছিন্ন হয়ে
0:34যায়। কিন্তু আসল প্রশ্নটা হলো,
0:37সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 4,000 কিংবা 8,000 মিটার
0:40নিচে কেবল ছিড়ে গেলে মানুষ সেটা খুঁজে
0:43বের করে কিভাবে? প্রথমে প্রকোশোরীরা বিশেষ
0:46যন্ত্রপাতির সাহায্যে কেবলটির ঠিক কোন
0:48অংশে সমস্যা হয়েছে সেটা নিখুতভাবে
0:51নির্ধারণ করেন। তারপর সেখানে পাঠানো হয়
0:53বিশেষ কেবল রিপেয়ারশিপ। এই জাহাজে থাকে
0:57বিশাল উইঞ্চ। নতুন ফাইবার অপটিক কেবল আর
1:01গভীর সমুদ্রে কাজ করতে পারে এমন বিশেষ
1:04আরোভি রোবট। রোবটটি ক্যামেরা ও শক্তিশালী
1:07আলো নিয়ে নেমে যায় সমুদ্রের নিকশ
1:09অন্ধকার গভীরে। তারপর রোবটিক হাত বা বিশেষ
1:13হুক দিয়ে ছেেরা কেবলটিকে ধরে ধীরে ধীরে
1:16উপরে তুলে আনা হয়। জাহাজে আনার পর নষ্ট
1:19অংশটি কেটে বাদ দেওয়া হয়। এরপর নতুন
1:22কেবল বসিয়ে ফিউশন স্লাইসিং প্রযুক্তিতে
1:25অত্যন্ত নিখুতভাবে দুই প্রান্ত জোড়া
1:28লাগানো হয়। সংযোগের জায়গাটিতে দেওয়া
1:30হয় শক্তিশালী ওয়াটারপ্রুফ সুরক্ষা।
1:33সবশেষে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া হয় যে
1:35ডেটা ঠিকভাবে চলাচল করছে।