Free YouTube Transcribe

Video transcript

ডেমনদের হাত থেকে রাজ্য বাঁচানোর লড়াই | গারো: দ্য অ্যানিমেশন !! Explained In Bangla

Random Animation · 11,234 words · 52 min read

Want to search this transcript, jump the video from any line, or download it as TXT, SRT, or VTT?

Open in the transcript tool

Full transcript

0:00কি অবস্থা সবার? রেনডম অ্যানিমেশনের আরও

0:02একটা নতুন ভিডিওতে তোমাদের সকলকেই

0:04জানাচ্ছি স্বাগতম। আজকে আমরা 2014 সালে

0:06রিলিজ হওয়া মাপ্পা স্টুডিওর অসাধারণ একটা

0:09অ্যানিমের কাহিনী সম্পর্কে জানবো। আর এই

0:11এ্যানিমেটার নাম হচ্ছে গারো দ্যা

0:14অ্যানিমেশন। তোমাদের মধ্যে অনেকেই মাপ্পা

0:16স্টুডিওকে চেনো বিশেষ করে ভিনল্যান্ডসাগা

0:18আর অটাকন টাইটানের ফাইনাল সিজনের জন্য। তো

0:21এই স্টুডিওরই এ্যানিমে হচ্ছে এই গারোদা

0:23এ্যানিমেশন। সো তোমরা বুঝতেই পারতেছো এই

0:25এ্যানিমেটার কাহিনী একচুয়ালি কতটা বেশি

0:27জোস। এমেটা খুবই আন্ডাররেটেড। বাট আমি

0:29তোমাদেরকে এনসিওর করে বলতে পারি

0:30এ্যানিমেটা তোমাদের ভালো লাগবে। আমি আর

0:32বেশি কথা না বলে সরাসরি মূল ভিডিও শুরু

0:34করছি। কাহিনীর শুরুতেই আমাদেরকে একটা

0:36দেশের রাজাকে দেখানো হয়। এই রাজাটার নাম

0:38হচ্ছে ফারনান্দো আর তার সামনে তার প্রজারা

0:41উপস্থিত ছিল। তারা সবাই তখন এই রাজার নামে

0:43অনেক বেশি প্রশংসা করছিল। আমাদের এখানে

0:45জানানো হয় যে রাজার শরীর আসলে অনেক বেশি

0:48খারাপ। তার হেলথ এর কন্ডিশন এতটাই খারাপ

0:50হয়ে গেছে যে, সে এখন ঠিকমতো দাঁড়াতেও

0:52পারে না। এখানে আমরা তার ওয়াইফ আর তার

0:53বাচ্চাদেরকেও দেখতে পাই। এখন এইখানে এই

0:55রাজার একজন লোক ছিল। আর এই লোকটার নাম ছিল

0:58মেন্ডোজা। সে জানায় যে যদি এই উইচ বা এই

1:00ডাইনিটিকে মেরে ফেলা হয় তাহলে এই রাজার

1:03শরীর ঠিকঠাক হয়ে যাবে। আর এইটুকু বলার

1:05পরেই মেন্ডোজা এখানে তার লোককে বলে যে এই

1:07উইচ বা ডাইনিটাকে পুড়িয়ে মেরে ফেলো। আর

1:10এখানে এখন সবার সামনে এই উইচটাকে পুড়িয়ে

1:12মেরে ফেলা হয়। উইচকে আগুনে জ্বলতে দেখে

1:15এখানে থাকা সবাই অনেক বেশি খুশি ছিল। কারণ

1:17এখানে থাকা পাবলিকদের একটা বিশ্বাস ছিল যে

1:19এই উইচ বা ডাইনির কারণেই হয়তো পুরা সিটিতে

1:22বা পুরা শহরে রোগ ছড়িয়ে আছে। আর সবাই

1:24অসুস্থ হচ্ছে। এই ডাইনিটা মারা গেলে

1:26হয়তোবা সব রোগ ঠিক হয়ে যাবে। সবাই সুস্থ

1:28হয়ে যাবে। কিন্তু তখনই আগুনের মাঝখান

1:30থেকে অর্থাৎ ওই উইশ যেখানে জ্বলছিল সেখান

1:33থেকে একটা বাচ্চার কান্নার শব্দ শোনা

1:35যায়। এবার সবাই জানতে পারে যে এই উইচ বা

1:37ডাইনিটা একচুয়ালি প্রেগনেন্ট ছিল। আর

1:39মারা যাওয়ার আগে সে তার বাচ্চাকে জন্ম

1:41দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু এখানে কেউ কিছু

1:43করার আগেই আমরা দেখি যে রাজার পেছনে একটা

1:46নাইট চলে আসে। সে তখন সাথে সাথে আগুনের

1:48ভেতরে চলে যায়। আর ওই বাচ্চাটাকে সেভ করে

1:50সেখান থেকে পালাতে শুরু করে। আর এখানে

1:52মেন্ডোজাও সাথে সাথে তার সোলজারদেরকে বলে

1:55তার পিছনে ধাওয়া করো আর তাকে পেলেই মেরে

1:57ফেলো। এখানে মেন্ডোজা রাজাকে তখন বলতে

1:59থাকে রাজামশাই আপনার হেলথ যখন ঠিক হয়ে

2:01যাবে তখন আমরা এই শহরে থাকা বাকি উইশদেরও

2:04খুঁজে বের করবো আর তাদের সবাইকেই মেরে

2:06ফেলবো। যাই হোক এখানে আমরা জানতে পারি

2:08মেন্ডোজা ওই বাচ্চাটাকে অনেক খোঁজে। মানে

2:10ওই ডাইনির বাচ্চাটাকে অনেক খোঁজে। কিন্তু

2:12সেই বাচ্চাটাকে সে পায় না। কিন্তু যেহেতু

2:14এখন কিং বা রাজার হেলথ ঠিক হয়ে গেছে তাই

2:16রাজা এবার মেন্ডেজাকে বলে যে আমাদের এই

2:18শহরের ভেতরে যতগুলো উইচ বা ডাইনি আছে

2:20তাদের সবাইকেই যেন মেরে ফেলা হয়। এরপরে

2:22আমরা দেখতে পাই তারা শহরের প্রত্যেকটা

2:24ডাইনিকে খুঁজে বের করে এবং তাদের সবাইকে

2:26মেরে ফেলতে থাকে। এক বছরের মধ্যে মোটামুটি

2:29100 জনেরও বেশি উইচকে মেরে ফেলা হয়েছিল।

2:31কিন্তু এই প্রসেস কিন্তু এখানেই থামে না।

2:33বাস্তব দুনিয়ার মতো এই এ্যানিমের মধ্যেও

2:35আমরা দেখতে পাই যে এই উইচ মেরে ফেলার

2:37চক্করে তারা একচুয়ালি অনেক নির্দোষ

2:39মানুষকেও মেরে ফেলছিল। আর ওই সমস্ত

2:41নির্দোষ মানুষকে উইচ বা ডাইনির অপবাদ

2:43দেওয়া হচ্ছিল। এখন আমরা একটা লোককে দেখতে

2:45পাই। সেই মূলত এতক্ষণে হওয়া এই সব

2:47স্টোরিটা একটা মেয়েকে বলছিল। আর এই

2:49মেয়েটা তখন বলে এই স্টোরিটা তো 17 বছরের

2:52পুরনো। কিন্তু আমি জানতে চাই যে ওই উইচের

2:54বাচ্চাটার কি হলো। তো এখানে সে বলতে থাকে

2:56এই ব্যাপারে কেউই জানে না যে উইচের ছেলের

2:58কি হয়েছে। তবে যতটুকু আমি জানি উইচ বা

3:01ডাইনিদের কাজ হলো ডেমনদেরকে বা

3:03মনস্টারদেরকে সিল করে রাখা। কিন্তু কেউ

3:05এমন তো অবশ্যই আছে যারা চায় না যে

3:07ডেমনদেরকে সিল করে রাখা হোক। আর এটাই

3:09হচ্ছে কারণ যে কারণে সমস্ত উইশদেরকে মেরে

3:12ফেলা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর এই লোকটার

3:14ছেলে তাকে ডাকতে আসে। তো এইখানে এই লোকটা

3:16নিজের ছেলের কাছেই টাকা চাইতে থাকে এই

3:18মেয়েটিকে দেওয়ার জন্য। এটা শোনার পর এই

3:20ছেলের অনেক বেশি রাগ হয়। আর সে তার বাবার

3:22উপরে একটা পাথর ছুরি মারে। আর সেখান থেকে

3:25চলে যায়। তারপরে আমরা দেখি যে সে যখন চলে

3:27যাচ্ছিল তখন এই মেয়েটি তাকে দেখে ফেলে

3:29এবং বলতে থাকে যে আজ যদি ওই উইচের

3:31বাচ্চাটা বা ছেলেটা বেঁচে থাকতো সেও হয়তো

3:33তোমার বাচ্চার মতই হতো। মানে বয়সে আর কি।

3:36এরপরে আমাদের একটা ছোট্ট সিন দেখানো হয়।

3:38সেখানে একটা বয়স্ক ড্রাইভার একটা স্বপ্ন

3:40দেখে জেগে ওঠে। তারপরে সে অন্য একটা রুমের

3:42দিকে যায়। অন্য রুমে আমরা দেখি সেখানে

3:44তার মেয়ে তার জন্য ওয়েট করছিল। ওই বৃদ্ধ

3:46লোকটা যখনই সেই ঘরটাতে যায় মেয়েটি তখনই

3:48তার ডেমন ফর্মে চলে আসে আর তাকে মেরে

3:51ফেলে। যাই হোক এখন আমরা দেখি যে মেনডোজা

3:53একটা খবর পায় যে শহরের বাইরে একটা বাসা

3:55আছে। আর এই বাসাটার মধ্যে একটা লোক একটা

3:57ছেলের সাথে থাকে। তো মেন্ডেজার সন্দেহ হয়

3:59যে ওই লোকটাই হয়তোবা সেই নাইট যে 17 বছর

4:02আগে ওই উইচের বাচ্চাটাকে নিয়ে পালিয়ে

4:04গিয়েছিল। তাই এখানে মেন্ডোজা অর্ডার দেয়

4:06যে ওদের দুজনকে অর্থাৎ ওই লোকটাকে আর ওই

4:08ছেলেটাকে যেন মেরে ফেলা হয়। এদিকে আমরা

4:10দেখতে পাই এই লোকটা রাতের বেলা অনেক বেশি

4:12ইনজয় করছিল। আর সে এখন যে মেয়েটার সাথে

4:15মজা করছিল মেয়েটা তাকে জিজ্ঞাসা করতে থাকে

4:17যে তুমি আমাকে অনেক ডেমনদের ব্যাপারে

4:19বলেছ। কিন্তু তুমি কি নিজে কখনো ডেমনদেরকে

4:21ধরেছো? আর তারপরে এই লোকটা জানায় যে হ্যাঁ

4:23আমি অনেক ডেমনদেরকে দেখেছি। আর আমি অনেক

4:25ডেমনদেরকে মেরেও ফেলেছি। ডেমনরা মূলত জংলি

4:28জানোয়ারের মতো হয়। তারা মানুষদেরকে মেরে

4:30খেয়ে ফেলে। কিন্তু ডেমনদের একটা স্পেশাল

4:32ব্যাপার হলো তারা মানুষদের রূপ নিতে পারে।

4:34এদিকে আমরা দেখতে পাই মেনডোজার সোলজাররা

4:36ওই বাসাটাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে। আর

4:38এরপরে বাইরে থেকে এই বাসায় আগুন লাগিয়ে

4:40দেওয়া হয়। এখন এদিকে ওই লোকটি যখন এখান

4:42থেকে চলে যাচ্ছিল তখনই আমরা দেখি যে এই

4:44মেয়েটাই তখন ডেমোনে কনভার্ট হয়। আর সে

4:46তখন দ্রুত এই লোকটার উপরে অটাক করে।

4:48কিন্তু এই লোকটা খুবই সহজে এই ডেমনটাকে

4:51মেরে ফেলে। আর মারার আগে সে জানায় আমার

4:53নাম লুইস। আর আমি সেই নাইট যে 17 বছর আগে

4:56ওই বাচ্চাটাকে সেভ করেছিলাম। আর এছাড়াও

4:58আমার কাজ হলো ডেমুনদেরকে সিল করে রাখা। আর

5:01এদিকে আমরা দেখি যখন ওই বাসাটা জ্বলছিল

5:03তখন মেনোজার একটা সোলজার বাসার ভেতরে চলে

5:05যায়। সে তখন ভেতরে গিয়ে চেক করতে থাকে

5:07সবাই মারা গেছে কিনা। কিন্তু সেখানে লন

5:10ছিল না। আর এই লনের সাথে তো তোমাদের

5:12পরিচয় করিয়ে দেওয়াই হয়নি। এই লনই হলো

5:14সেই উইচ বা ডাইনিটার ছেলে। এখানে আমরা

5:16দেখতে পাই লন এখনো বেঁচে আছে। সে সেখান

5:18থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। সেই সাথে সে

5:20গোল্ডেন নাইটের আর্মারও পড়ে নেয়। এরপরে

5:22সে চলে যায় মেনোজার সোলজারের সাথে ফাইট

5:24করতে। কিন্তু আমরা জানতে পারি যে মেনোজার

5:26ওই সোলজার নিজেও আসলে একটা ডেমন। আর এই

5:28কারণেই মূলত সে একটা না লনের সাথে ফাইট

5:31করতে পারছিল। কিন্তু তারপরে আমরা দেখি যে

5:33সে যখন লনের কাছে হাঁটতে শুরু করে তখনই সে

5:35ডেমন ফর্মে চলে আসে। আর তাদের দুজনকে

5:38এভাবে ফাইট করতে দেখে এখানে থাকা বাকি

5:40সোলজাররা অনেক বেশি ভয় পেয়ে যায়। তারা

5:42তখন সাথে সাথে সেখান থেকে পালাতে শুরু

5:44করে। আর এদিকে আমরা দেখি যে লন খুবই সহজে

5:46এই ডেমনটাকে হারিয়ে দিয়েছে। তারপরে

5:48সকালবেলা লুইসও সেখানে চলে আসে। আর লুইস

5:50এটা দেখার পর বলে যে ভালো হয়েছে যে তুমি

5:53এই ডেমনটাকে মেরে ফেলেছো। আর তাছাড়া আমি

5:55তোমাকে একা এই জন্যই ছেড়েছিলাম যাতে তুমি

5:57নিজেও একটু ফাইট করা শেখো। একদিক থেকে এটা

6:00তোমার আসলে একটা ট্রেনিং। এগুলো বলার পর

6:02লুইস বলে যে আমরা আবারও ওই কিংডমেই ফিরে

6:04যাচ্ছি। মানে লুইস এখন লনকে নিয়ে আবারো

6:06সেই রাজ্যে ব্যাক করবে যে রাজ্যে লনের

6:09মাকে মেরে ফেলা হয়েছিল। এখন প্যালেসের

6:11ভেতরে আমরা দেখি রাজার ছেলেকে। রাজার

6:13ছেলের নাম হচ্ছে আলফানসো। সে এখন বড় হয়ে

6:16গেছে। তাই এখন রাজা সিদ্ধান্ত নেয় যে

6:18পরবর্তী রাজা তাকেই বানানো হবে। আর এই

6:20নিউজটাতে খুশি হয়ে তার মা তাকে একটা

6:22নেকলেস গিফট করে। কিন্তু এই জিনিসটা দেখার

6:24পর একটা মেয়ে শক্ট হয়ে যায়। আর সে

6:26সেখান থেকে চলে যায়। এরপরে আমরা দেখি

6:28একজন প্রিস্টকে যে একটা মেয়েকে চেয়ারে

6:30বেঁধে রেখেছে এবং সে এই মেয়েটাকে দোষ

6:32দিচ্ছিল যে সে আসলে একটা উইশ বা ডাইনি।

6:34এখানে মেয়েটি জানায় যে না এমন কিছু না।

6:36আমি কোন ডাইনি না। আমি সাধারণ মানুষ।

6:38আমাকে প্লিজ যেতে দিন। কিন্তু এখানে

6:40প্রিস্ট তার কোন কথাই শোনে না। সে তখন

6:42একটা ছুরি বের করে আর এই মেয়েটাকে মেরে

6:44ফেলে। এরপরে সে এই মেয়েটার পুরো বডি খেয়ে

6:46ফেলে। এরপরে আমরা জানতে পারি যে এই

6:48প্রিস্ট নিজেই একচুয়ালি আসলে একটা ডেমন্ড।

6:50আর এদিকে এখন আমরা লুইসকে দেখি। সে একটা

6:53জায়গায় আসে যার নাম ওয়াচ ডগ। আর এটাকে উইচ

6:56ডগও বলা হয়। এখানে আসার পর সে একটা মেয়ের

6:58সাথে মিট করে। তোমার কারণে অনেক উইচকে

7:00মেরে ফেলা হয়েছে। তখন এই মেয়েটা বলতে থাকে

7:02দেখো উইচ ডগকে আগেই ক্লোজ করে দেওয়া

7:04হয়েছে। তাই আমার মনে হচ্ছে কেউ ফেক অর্ডার

7:07দিচ্ছে উইশদেরকে কিল করার জন্য। আর এখানে

7:09লুইস বুঝে যায় যে সব কাজ করছে মেন্ডোজা।

7:12কারণ মেন্ডোজা নিজেও একজন প্রিস। এটাই

7:14রিজন যে প্যালেসে থাকা প্রত্যেকটা পার্সন

7:16মেন্ডোজার কথা মেনে চলে। আর মেন্ডোজার

7:18যেটাই বলে সবাই সেটাই করে। আর এদিকে এখন

7:21আমরা এই মেয়েটিকে দেখতে পাই। সে আসার পর

7:23এখানে মেন্ডোজার সাথে মিট করে। আর তাকে সব

7:25কথা বলে দেয় যে কুইন তার নেকলেসটা

7:27আলফান্সোকে দিয়ে দিয়েছে। এটা শোনার পর

7:29মেন্ডোজা অনেক বেশি রেগে যায়। আর সে বলে

7:31ওই নেকলেস আমার এত ক্লোজ ছিল। কিন্তু এখন

7:33সেটা আমার চেয়ে অনেক বেশি দূরে। যাই হয়ে

7:35যাক না কেন আমি ওইটা পেয়েই ছাড়বো। এটার

7:38জন্য যদি আমাকে সবাইকে মেরেও ফেলতে হয়

7:40তাহলে আমি সবাইকে মেরে ফেলবো। কিন্তু ওই

7:42নেকলেসটা আমার লাগবেই। এখন আমরা দেখতে পাই

7:44লুইস এই মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করে যে মেনোজা

7:46উইশদের বা ডাইনিদেরকে এত বেশি ঘৃণা কেন

7:49করে? তুমি কি এই ব্যাপারে কিছু জানো?

7:50মেয়েটা তখন কোন রিপ্লাই দেয় না। এরপরে

7:52যখন লুইস এখান থেকে চলে যেতে নেয় তখন

7:54মেয়েটি লুইসকে আস্ক করে যে তোমার ছেলে

7:56লনকে এখনো পুরোপুরি গোল্ডেন নাইট হওয়ার

7:58জন্য রেডি হয়েছে। তবে লুইস এখানে তার কোন

8:00কথার উত্তর না দিয়ে এখান থেকে চলে যায়।

8:03তারপরে যখন লুইস লনের কাছে আসে সে দেখে

8:05লনের বডিতে অনেকগুলো মার্কস তৈরি হয়ে

8:07গেছে। সে তখন সাথে সাথে তাকে পানির ভেতরে

8:10ফেলে দেয়। এখানে লনের যখন জ্ঞান ফিরে আসে

8:12তখন দেখা যায় তার বডি থেকে সমস্ত মার্কস

8:14গায়েব হয়ে গেছে। আর এদিকে আমরা

8:16আলফান্সোকে দেখি। সে এখন ট্রেনিং করছিল।

8:18এখন যত মানুষ তার সাথে ট্রেনিং করছিল তারা

8:21আলফান্সোকে বলে তুমি আগের চেয়ে অনেক বেশি

8:23স্ট্রং হয়ে গেছো। এছাড়াও আলফান্সো মন

8:25থেকে খুবই ভালো ছিল। আর তার এরকম ভালো

8:27মানসিকতাটাই মূলত তার মায়ের এত বেশি

8:29পছন্দের ছিল। তাই এখানে তার মা তার বাবাকে

8:32অর্থাৎ কিংকে এই কথাটা বলতে চায় যে তাদের

8:34ছেলে আসলে কতটা ভালো একটা মানুষ। রানী তখন

8:37রাজার কাছে যায় তার ছেলের নামে প্রশংসা

8:39করতে। কিন্তু সে তখন দেখতে পায় রাজার

8:41হেলথ আগের চেয়ে অনেক বেশি খারাপ হয়ে

8:43গেছে। সে সাথে সাথে তখন চাকরানী বা

8:44মেয়েটদেরকে বলে মেডিসিন নিয়ে আসার জন্য।

8:47এরপরে মেয়েট যখন রানীকে মেডিসিন দিয়ে

8:49দেয় তখন আমরা দেখি মেন্ডোজা সেখানে চলে

8:51আসে। মেন্ডোজা তখন রানীর উপরে ব্লেম দেয়

8:53যে আপনার দেওয়া মেডিসিনের কারণেই রাজার

8:55হেলথ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তাই আমার সন্দেহ

8:57হচ্ছে আপনি রাজার লাইফ নিয়ে নিতে চাইছেন।

9:00আর এই রিজনটা দিয়েই মূলত মেন্ডোজা এসেছিল

9:02রানীকে অারেস্ট করতে। এখানে তখন রানী

9:04নিজেকে ডিফেন্স করে বলে এমন কিছুই না। আমি

9:06কেন আমার স্বামীর জীবন নিতে চাইব? কিন্তু

9:08তার এই কথা কেউই শোনে না। মেন্ডোজার জাস্ট

9:10একটা সিগনালে কুইনকে বন্দি করে ফেলা হয়।

9:13আর এদিকে এখন আমরা লনকে দেখি। সে এখন

9:15জানতে পারে যে সে এই মুহূর্তে যে শহরটাতে

9:17আসে এই শহরে অনেকগুলো মেয়ে মিসিং হয়ে

9:20গেছে। আর এই শহরে থাকা প্রত্যেকটা মানুষের

9:22মনে হয় এই মেয়েদেরকে হয়তো উইচ কিডন্যাপ

9:24করেছে। এখানে যে ডেমন প্রিস্ট ছিল সে একটা

9:26মেয়েকে ক্যাপচার করে রেখেছিল। সে একটা না

9:29এই মেয়েটাকে টর্চার করে। আর বলতে থাকে

9:31আমাদের অফারের কি হলো। কিন্তু এই মেয়েটা

9:33সবকিছুই রিফিউজ করে দেয়। প্রিস্ট তখন

9:35বলতে থাকে যে আমি তোমাকে আরেকটা চান্স

9:37অবশ্যই দিব। এতটুকু বলেই সে সেখান থেকে

9:39চলে যায়। এখন এদিকে রাত হয়ে যাওয়ার পর

9:41লুইস জানতে পারে যে প্রিস্টের ক্যাপচারে

9:43বা প্রিস্ট একটা মেয়েকে বন্দি করে

9:45রেখেছে। সে লনকে বলে যে দেখো লন। সে যে

9:47মেয়েটিকে বন্দি করে রেখেছে সে একটা মাকাই

9:50প্রিস্ট। আর সে আমাদের কাজে আসতে পারে।

9:52তাই আমাদের যেভাবেই হোক না কেন তার

9:53জীবনটাকে বাঁচাতেই হবে। এখানে ডেমন

9:55প্রিস্ট ওই মেয়েটাকে টর্চার করে যাচ্ছিল।

9:57কিন্তু আমরা দেখি ওই মেয়েটার পায়ে একটা

9:59ঘন্টি লাগানো ছিল। এরপরে মেয়েটি তার পা

10:02নাড়ায়। আর এই বেলের সাউন্ড শোনার পরই

10:04প্রিস্ট তার ডেমোনিক ফর্মে চলে আসে। সে

10:06সাথে সাথেই ওই মেয়েটির উপরে এটাক করতে

10:08যাচ্ছিল। কিন্তু তখনই আমরা দেখি লুইস আর

10:10লন দুজনই সেখানে চলে আসে। লন ওই ডেমনটাকে

10:12বাইরে নিয়ে চলে যায়। আর লুইস মেয়েটির কাছে

10:14আসে তাকে ফ্রি করার জন্য। কিন্তু মেয়েটা

10:17বলে এটার কোন দরকার নেই। তারপরে মেয়েটি

10:19তার ম্যাজিক ইউজ করে নিজেই ফ্রি হয়ে যায়

10:21আর বাইরে চলে আসে। বাইরে আসার পর সে নিজেও

10:23একটা না ডেমনের উপরে অ্যাটাক করছিল।

10:25কিন্তু আমরা দেখি যে ডেমন লনের উপরে খুবই

10:27পাওয়ারফুল একটা অটাক করে। যে কারণে লন

10:30অনেক দূরে গিয়ে পড়ে। লন যেখানে গিয়ে পড়ে

10:32সেখানে অনেক বড় একটা ক্রস ছিল। আর এটা

10:34দেখার পর লনের ওই দিনের কথা মনে পড়ে

10:36যেদিন তার মাকে পুড়িয়ে মেরে ফেলা

10:38হয়েছিল। তারপরে আমরা দেখি তার বডিতে

10:40আবারও ওই মার্কসগুলো চলে আসে। আর সে তখন

10:43তার গোল্ডেন আর্মরটা পড়ে নেয়। এরপরে সে

10:45ডিরেক্ট ওই মেয়েটার উপরে অ্যাটাক করতে

10:47চলে যায়। কারণ এখানে লন তার কন্ট্রোলে

10:49নেই। যেই এখন লনের সামনে আসবে লন তাকেই

10:51মেরে ফেলবে। এখন মেয়েটা তাকে আটকানোর

10:53চেষ্টা করছিল। কিন্তু লন থামে না। লন তখন

10:56চারপাশে আগুন লাগিয়ে দেয়। এখানে আমরা

10:58লুইসকে দেখি। সে বুঝে যায় লনকে যেভাবেই

11:00হোক না কেন থামাতে হবে। সে সাথে সাথে তার

11:02আর্মার পরে লনের সাথে ফাইট করতে থাকে।

11:04তারপরে আমরা দেখি যে ডেমন এই সবকিছুরই

11:06এডভান্টেজ নিয়ে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা

11:08করে। কিন্তু এই মেয়েটি রাস্তায় তাকে ব্লক

11:10করে দেয় আর তাকে টুকরো টুকরো করে ফেলে।

11:12এখানে লুইস লনকে বোঝাচ্ছিল যে দেখো নিজেকে

11:15কন্ট্রোল করো। কারণ তুমি যদি আউট অফ

11:17কন্ট্রোল হয়ে যাও তবে এখানে যত ইনোসেন্ট

11:19মানুষ আছে তারা সবাই মারা যাবে। এটা শোনার

11:21পর লন তার রাগ কিছুটা কন্ট্রোলে আনে। আর

11:23কিছুক্ষণ পর সে স্বাভাবিক হয়ে যায়। তবে

11:25স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথেই সে সেখানেই

11:27অজ্ঞান হয়ে যায়। আর এদিকে আমরা আলফান্সোকে

11:30দেখি যে এই নিউজটা পায় যে তার মাকে বন্দি

11:32করে ফেলা হয়েছে। আর এখান থেকে তাকে অন্য

11:34কোন একটা জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

11:36এরপরে আমরা দেখি আলফান্সো নিজেও তখন তার

11:38মায়ের পেছনে পেছনে যেতে থাকে। সে তখন তার

11:40মাকে জিজ্ঞাসা করে যে এইসব কেন হলো? তখন

11:43তার মা জানায় যে মেন্ডোজা আমাদেরকে ধোঁকা

11:45দিয়েছে। আর আমি চাই না যে তুমি আমার লাইফ

11:47সেভ করো। কারণ তুমি যদি এমনটা করো তাহলে

11:49মেন্ডোজা তোমাকেও বিশ্বাসঘাতক বলে তোমাকেও

11:51বন্দি করে নিবে। তাই তোমাকে এখন এখান থেকে

11:53পালাতে হবে। এখন আলফান্সো তার মাকে ছেড়ে

11:56যেতে তো চায়নি। কিন্তু যেহেতু এখন

11:57সিচুয়েশনটাই এমন ছিল তাই বাধ্য হয়ে তাকে

12:00যেতে হয়। আর এদিকে আমরা লুইসকে দেখি। সে

12:02লনকে জানায় যে দেখো ওয়াচ ডগের থেকে একটা

12:04মেসেজ এসেছে। এই মেসেজের ভেতরে লেখা ছিল

12:07যে জরু বা রিং এর উপরে যে ওয়ার্ক চলছিল

12:09সেটা এখন কমপ্লিট হয়ে গেছে। আর যে পার্সন

12:12ওইটার উপর কাজ করছিল সেও এখন মরতে বসেছে।

12:14তাই আমাদের দ্রুত ওই রিংটা পেতে হবে। ওই

12:17লোকটা মারা যাওয়ার আগেই আমাদের ওই রিংটা

12:19নিতেই হবে। আর তখনই সেখানে ওই রেসকিউ

12:21হওয়া মেয়েটাও চলে আসে। এই মেয়েটার নাম

12:23হচ্ছে এমা। এমা এখানে আসার পর ফার্স্টেই

12:25লুইসকে আস্ক করে লন এমন কোন ওয়ে খুঁজে

12:28পেয়েছে নাকি যাতে তার ফ্লেম সে কন্ট্রোল

12:30করতে পারবে। এখানে লুইস জানায় দেখো আমি

12:32প্রিস্ট গেলকে তার রিংটা দিয়ে রেখেছি।

12:34অর্থাৎ লনের যে রিং সেটা প্রিস্ট গেলের

12:36কাছে আছে। আর আমি তাকে বলেছি যাতে এই

12:39রিংটা তিনি এমনভাবে মডিফাই করে দেন যাতে

12:41লন তার ফ্লেম বা আগুন কন্ট্রোল করতে পারে।

12:43এখানে প্রিস্ট গেলের নাম শোনার পর এমা

12:45শক্ট হয়ে যায়। কারণ প্রিস্ট গেল এই পুরা

12:48এরিয়ার সবচেয়ে ওয়াইজ আর হাই র্যাংক

12:50প্রিস্ট হিসেবে বিভচিত হয়। এখন এখানে এই

12:52তিনজন নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল। তখনই এমার

12:55চোখ পড়ে লনের হাতের দিকে। সেখানে কিছু

12:57একটা মার্কস তৈরি হয়েছিল। এখন এমা ওই

12:59মার্কসগুলো টাচ করতে যাচ্ছিল। কিন্তু লন

13:01বলে এগুলোকে টাচ করো না। আর এতটুকু বলার

13:04পরেই লন সেখান থেকে চলে যায়। এরপরে আমরা

13:06দেখি প্রিস্ট গেলকে যে একটা গুহার ভিতরে

13:08ছিল। আর ওই রিংটাকে রিপেয়ার করছিল।

13:10কিন্তু এমনটা করতে করতে সে অনেক বেশি

13:12ক্লান্ত হয়ে যায়। তাই সে তার

13:13সার্ভেন্টকে বলে তুমি কিছুক্ষণ এখানে

13:15থাকো। আমি এখনই ঘুরে আসছি। এখন এখানে তার

13:17যে সার্ভেন্ট ছিল ওই রিংটা দেখার পর সে ওই

13:20রিংটার দিকে অনেক বেশি এট্রাক্ট হচ্ছিল।

13:22মানে তার মধ্যে লোভ কাজ করছিল আর কি। সে

13:24যখনই ওই রিংটাকে টাচ করার চেষ্টা করে তখনই

13:26তার একটা শক লাগে। আর সে তখন ভয়ে সেখান

13:28থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এখন এদিকে আমরা

13:31লুইস আর লনকে দেখি এরা দুইজনই লনের ওই

13:33রিংটা ব্যাক নিয়ে আসার জন্য যাচ্ছিল।

13:35কিন্তু পথেই তাদের উপরে কেউ একজন অ্যাটাক

13:37করে। আর বেসিক্যালি এই অ্যাটাকটা করেছিল

13:39ওই সার্ভেন্ট। অর্থাৎ গেলের সার্ভেন্ট।

13:41গেলের সার্ভেন্ট তাদের উপরে অটাক করেছিল।

13:43কারণ তারা এই গুহাটার অনেক কাছাকাছি চলে

13:45এসেছিল। কিন্তু তারপরে এখানে লুইস জানায়

13:47যে দেখো আমরা দুজন নাইট আমরা কোন ডিমন না।

13:49যাই হোক এটা শোনার পর এই সার্ভেন্টটা

13:51থামে। যখনই এখানে ঝামেলা একটু শান্ত হয়

13:53তখনই গিল বাইরে বেরিয়ে আসে। সে তার

13:55সার্ভেন্টকে বকা দিয়ে বলে তুমি এত বেশি

13:57গাথা কেন? তুমি কি এটাও জানো না নাইট আর

13:59ডেমনদের মধ্যে কি পার্থক্য আছে। তুমি কি

14:01নাইট আর ডেমনদের মধ্যে পার্থক্য জানো না?

14:03এখন এত বকা খাওয়ার পর সার্ভেন্ট তখন কেভের

14:05ভেতরে চলে যায়। এখন এদিকে আমাদের 16 বছর

14:07আগের একটা স্টোরি দেখানো হয়। এখানে লুইস

14:10এসেছিল গেলের কাছে। আর তাকে বলেছিল একটা

14:12রিং রিপেয়ার করে দেওয়ার জন্য। এই রিংটার

14:14নাম ছিল জেরুবা রিং। আর এখন গেল বলে ঠিক

14:16আছে আমি এই রিংটা রিপেয়ার তো করে দিব

14:19কিন্তু এটা করতে আমার অনেক সময় লাগবে। আর

14:21এখন আমরা বর্তমানের সিন দেখি। এখানে গেল

14:23লনকে জানায় যে যে রিংটা আমি তোমাকে দিতে

14:26যাচ্ছি সেই রিং এর সাহায্যে তুমি তোমার

14:28ফ্লেম কন্ট্রোল করতে পারবে। মানে এই

14:30রিংটার সাহায্যে তুমি তোমার আগুন কন্ট্রোল

14:31করতে পারবে। কিন্তু একটা প্রবলেম হচ্ছে যে

14:33এই রিং এর কাজ এখনো সম্পূর্ণ শেষ হয়নি।

14:35এটার কিছু কাজ এখনো বাকি আছে। তাই আমি চাই

14:38তোমরা দুইজন এখানে কিছুক্ষণ ওয়েট করো। আমি

14:40আমার কাজটা শেষ করে তোমাদের দুইজনকে ওই

14:42রিংটা দিয়ে দিব। তারপরে এখানে গেল তার

14:44সার্ভেন্টের সাথে চলে যায় রিং এর উপরে

14:46কাজ করার জন্য। এখন এখানে গেল যখন কাজ

14:48করছিল তখন তার সার্ভেন্ট অর্থাৎ মার্শালো

14:51এটা ভাবছিল যে আমি এই রিংটা অন্য কাউকে

14:53নিতে দিব না। কারণ এই রিংটার উপরে আমি

14:56বছরের পর বছর কাজ করছি। মানে মার্সেশেলো

14:58চাইছিল এই রিংটাকে নিজের কাছে রেখে দিতে।

15:00মার্সেশেলোর যেহেতু এই রিং এর উপরে অনেক

15:02বেশি লোভ হয়েছিল তাই সে এখন গেলের উপরেই

15:04এটাক করে। আর এই রিংটা চুরি করে এখান থেকে

15:06পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সে যখন পালা

15:08ছিল তখনই পথে তার এমার সাথে দেখা হয়। এখন

15:11মার্শালো এমাকে জিজ্ঞাসা করে তুমি এখানে

15:13কি করছো? কিন্তু এটার আনসারে এমা তাকে

15:15কোশ্চেন করতে থাকে যে তুমি এখানে কি করছো?

15:17আর এমা যখনই এখানে সুযোগ পায় সে তখনই

15:19মার্শালোকে বন্দি করে ফেলে। আর সেই রিংটা

15:22নিয়ে এখান থেকে পালিয়ে যায়। সে সেখান

15:24থেকে পালিয়ে যাওয়ার পরেই সেখানে অনেক

15:25বড় একটা ব্লাস্ট হয়। যখন লুইস আর লন

15:27সেখানে পৌঁছায়। মার্শালো তখন তাদের

15:29দুজনকে একটা ফেক স্টোরি বলে। সে ওদের

15:31দুজনকেই জানায় যে এমা তার উপরে অটাক

15:33করেছে। আর এমা ওই রিংটা নিয়ে সেখান থেকে

15:36পালিয়ে গেছে। এটা শোনার পর লন তখন সাথে

15:38সাথে চলে যায় এমার পিছু করার জন্য। আর

15:40পথে তার সাথে এমার দেখাও হয়ে যায়। দুজন

15:42তখন নিজেদের মধ্যে ফাইট করতে থাকে। লন তখন

15:44বলে যে আমাকে রিংটা ফিরিয়ে দাও। কিন্তু

15:46এমা তখন জানায় যে এই রিংটা তো আমার কাছে

15:49নেই। আর তাছাড়া ওই ব্লাস্টটা এই কারণেই

15:51হয়েছিল কারণ মার্শালও একটা ডিমনে কনভার্ট

15:53হয়েছিল। ভিডিওর এই মুহূর্তে ছোট্ট একটা

15:55কমার্শিয়াল ব্রেক রয়েছে। কাইন্ডলি

15:57ভিডিওটা একটু টেনে মূল ভিডিওতে চলে যাও।

16:00হ্যালো ফ্রেন্ডস একটা অসাধারণ

16:02প্ল্যাটফর্মের ব্যাপারে বলতে যাচ্ছি যেটা

16:04পিএইস স্পন্সর করে সামনে ফিফা ওয়ার্ল্ড

16:07কাপ শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল লাভারদের জন্য

16:10অনেক অনেক বড় অপরচুনিটি 11 জন ফুটবল

16:13ওয়ার্ল্ড কাপ শুরু হবে তুমি তোমার

16:15ফেভারিট টিমকে সাপোর্ট করতে পারো লাইভ

16:18ম্যাচ দেখতে পারবে দুনিয়ার যেকোনো

16:20প্রান্ত থেকে ম্যাচের ইনসাইট এবং অনুমান

16:22করতে পারো স্কোর আর সাথে উইনও হতে পারো

16:25এছাড়াও এখানে আরো অনেক খেলা রয়েছে যেমন

16:28ক্রাশ চিকেন রোড এখানে তুমি অনেক উপহারও

16:31জিততে পারো। যেমন BMW, আইফোন, ল্যাপটপ এবং

16:34আরো অনেক কিছু। আর স্ক্রিনে দেওয়া প্রোমো

16:37কোড রেজিস্ট্রেশনে ইউজ করলে প্রথম

16:39ডিপোজিটে পাবা 500 রুপি। আর ফ্রি স্পিন তো

16:42থাকছেই। এখানে উইনিং মানি খুব সহজেই উঠানো

16:45যায়। যেমন আইপে, সাম্পাদ, বিসুয়া, ক্যাশ

16:49এবং অন্যান্য উপায়ে। এন্টারটেইনের জন্য

16:51এটা ইউজ করতে পারো। যেমন অনেকেই করে। তো

16:53কমেন্ট চেক করো, রেজিস্ট্রেশন করো আর

16:55রিওয়র্ড যেত। তো এবার চলো আমরা মূল

16:58ভিডিওতে যাই। এদিকে লুইস মার্শালোকে নিয়ে

17:00গেলের কাছে আসে। আর গেলের বডি দেখার পর

17:02লুইস বলে যে তার উপরে যে এটাক করেছে সে

17:04সোর্ড বা তলোয়ার ইউজ করেছে তার জীবনটা

17:06নিয়ে নেওয়ার জন্য। আর যতটুকু আমি জানি

17:08এমা সরড ইউজ করে না। এটা শোনার পরেই

17:10মার্শালও বোঝা যায় যে তার সত্যিটা ফাস

17:12হয়ে গেছে। তাই সে সাথে সাথে তার পাওয়ার

17:14ইউজ করে লুইসের উপরে অটাক করে। কিন্তু

17:16লুইস তখন ঠিক সময়ে এই গুহা থেকে বাইরে

17:19বেরিয়ে আসে। আর এখানে আসার পর সে দেখে

17:21লনো এখানে চলে এসেছে। এখন আমরা দেখি

17:23মার্সেলোকে। সে তাদের দুজনের সামনে আসে।

17:25আর ওই রিংটা পড়ে নেয়। আর সে তখন বলে এই

17:27রিং এর সম্পূর্ণ পাওয়ার এখন আমার। কিন্তু

17:29রিং পড়ার পরেও মার্শাল ভেতরে কোন

17:31পরিবর্তন আসে না। তখন লুইস তাকে জানায় যে

17:33দেখো ওই রিংটা পড়ার পরেও তুমি কোন

17:35পাওয়ার পাবে না। কারণ ওই রিংটা তখনই

17:37ওয়ার্ক করবে যখন কোন নাইট সেটাকে পড়বে।

17:39কিন্তু এটা শোনার পর মার্শালও অনেক বেশি

17:41রেগে যায়। সে তখন তার ডেমোনিক ফর্মে চলে

17:43আসে। এখন লনও তার আর্মর পড়ে নেয়। আর

17:45মার্শালের সাথে ফাইট করতে থাকে। তাদের

17:47দুজনের মধ্যে এখানে অনেক ভালো একটা ফাইট

17:49হয়। কিন্তু লাস্টে আমরা দেখতে পাই যে লন

17:51এই ফাইটটা জিতে যায়। আর সে রিংটাও হাতে

17:53পড়ে নেয়। কিন্তু সে যখনই ওই রিংটা তার

17:56হাতে পড়ে সে তখনই আলাদা একটা দুনিয়াতে

17:58চলে যায়। আর এখানে জেরুবা রিং লনের সাথে

18:00কথা বলতে শুরু করে। সে লনকে জানায় দেখো

18:02আমাকে পড়ার পর এখন আমাদের দুজনের মধ্যে

18:05একটা কন্টাক্ট হবে। তুমি কি সেই

18:06কন্টাক্টের জন্য রেডি? এখানে লন জানায় যে

18:08হ্যাঁ আমি এই কন্ট্রাক্টের জন্য রেডি।

18:10এইখানে রিং আরেকটা কথা বলে। সে বলে যে

18:12কন্ট্র্যাক্ট হওয়ার পর এই জিনিসটা মনে

18:14রেখো এখন থেকে তোমার লাইফ আমার হয়ে গেছে।

18:16লন তখন বলে হ্যাঁ আমি এটার জন্য রাজি। আর

18:19এতটুকু বলার পর সে আবারো নিজের ওয়ার্ল্ডে

18:21ব্যাক করে। আর এখন এদের দুজনের মধ্যে একটা

18:23কন্ট্র্যাক্ট তৈরি হয়ে গিয়েছিল।

18:25অন্যদিকে আমরা আলফানসোকে দেখি যে নিজের

18:28জীবন বাঁচানোর জন্য এদিক ওদিক দৌড়াচ্ছে।

18:30আর তার পেছনে তিনজন সোলজার আছে। এখানে

18:32আলফানসো লুকানোর তো চেষ্টা করে কিন্তু সে

18:34পারে না। আর ওই তিনজন তাকে ধরে ফেলে।

18:36কিন্তু আলফানসো ফাইটিং এ এতটাই ভালো ছিল

18:39যে সে খুবই সহজে এই তিনজনকে হারিয়ে দেয়।

18:42তবে সে এই কথাটা জানতো না যে এই তিনজন

18:44সোলজার একচুয়ালি ডিমন। আর তারা তিনজন

18:47মিলে লাস্টে আলফানসোকে ক্যাচ করে ফেলে।

18:49মানে ধরে ফেলে। কিন্তু তখনই সেখানে আরেকজন

18:51নাইট চলে আসে। যে ওই তিনজন ডিমনকেই মেরে

18:53ফেলে। আর আলফানসোর লাইফ সেভ করে ফেলে। এখন

18:56এই নাইটটাকে নিজের সামনে দেখে আলফান্সো

18:58বলতে থাকে আপনি কি সেই লেজেন্ডারি হিরো?

19:00যাকে কিং অফ লাইটও বলা হয়। কিন্তু এখানে

19:03নাইট তার আর্মর খুলে ফেলার পর আলফান্সোকে

19:06বলে জাস্ট আমার পেছনে এসো। এবার আমরা এদের

19:08দুজনকে দেখি এরা দুজন একটা জঙ্গলকে ক্রস

19:10করে একটা গ্রামের দিকে যাচ্ছিল। এখানে লন

19:13জিজ্ঞাসা করে যে আমরা ওই গ্রামে কেন

19:15যাচ্ছি। লুইস জানায় যে দেখো আমরা জাস্ট

19:16কাজের জন্য যাচ্ছি। তাই চুপচাপ আমার পেছনে

19:19আসো। গ্রামে আসার পর লন দেখে যে ওই

19:21গ্রামটা খুবই অদ্ভুত। কারণ এখানকার

19:23প্রত্যেকটা মানুষ ওদের দুইজনের দিকেই

19:25তাকিয়ে ছিল। আর গ্রামের বেশিরভাগ বাসা

19:27ভাঙ্গাচোড়া ছিল। কিন্তু তখনই ওদের সামনে

19:29এই গ্রামের চিফ চলে আসে। সে ওদের দুজনকে

19:31জিজ্ঞাসা করে তোমরা এই গ্রামে কি করছো?

19:34এখানে লুইস জানায় যে, আমি এই গ্রামের

19:36ব্যাপারে নিউজ পেয়েছি যে এখানে অনেক

19:38মানুষ মিসিং হয়ে গেছে। আর আমরা সেই

19:40বিষয়ে এখানে এসেছি যেন আমরা ওই মিসিং

19:42হওয়া মানুষদের ইনভেস্টিগেট করতে পারি।

19:44কিন্তু এই গ্রামের চিফ ওদের ইনভেস্টিগেট

19:46করতে মানা করে। আর বলে তোমরা যে নিউজটা

19:48শুনেছো এটা টোটালি ভুল। আর তাছাড়া এখানকার

19:50মানুষ আউটসাইডার বা বাইরের মানুষদেরকে

19:52পছন্দ করে না। তাই আমি চাই যে তোমরা দুজন

19:55এখান থেকে চলে যাও। কিন্তু তারা দুজন এই

19:57গ্রাম ছেড়ে কোথাও যায় না। এখানে লন বলে যে

19:59মনে হয় আমাদের চলে যাওয়াটাই উচিত। কারণ

20:01আমার মনে হচ্ছে না যে এই গ্রামে

20:03উল্টাপাল্টা কিছু একটা আছে। কিন্তু লুইস

20:05বলে যে না আমরা এখানেই থাকবো। আর তখনই

20:07তারা কিছু বাচ্চার দিকে নোটিস করে। কিছু

20:09বাচ্চা একটা বাচ্চাকে বিরক্ত করছিল। আর

20:11যখন তারা ওই দুইজন বাচ্চাদের কাছে পৌঁছায়

20:14বাচ্চারা বলতে থাকে এই বাচ্চাটা থেকে দূরে

20:16থাকো। এই বাচ্চাটা অভিশপ্ত। আর তাছাড়া এই

20:18বাচ্চাটার মা একটা উইচ যে মানুষদেরকে মেরে

20:21ফেলে। এতটুকু বলার পরেই বাকি বাচ্চারা

20:23সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এখন লুইস এই

20:25বাচ্চাটিকে বলে আমাদেরকে তোমার বাসায় নিয়ে

20:27চলো। বাচ্চারা তখন তাদের দুইজনকে নিজের

20:29বাসায় নিয়ে আসে। আর তার মাকে বলে রাস্তায়

20:31এদের সাথে আমার দেখা হয়েছিল। আর এরা দুইজন

20:34বাকি বাচ্চাদের কাছ থেকেও আমাকে

20:35বাঁচিয়েছে। এতটুকু বলার পর ওই ছেলেটা তার

20:38ঘরে চলে যায়। এখন এখানে তার মা এদের

20:40দুজনের সাথে কথা বলতে বলতে জানায় যে

20:42প্লিজ আপনাদের যদি মনে হয়ে থাকে আমার

20:44ছেলে পাগল হয়ে গেছে বা পাগলের মত কোন

20:46আচরণ করছে তাহলে প্লিজ তাকে মাফ করে দিবেন

20:48কারণ আমার হাজবেন্ড বা আমার স্বামী মারা

20:50যাওয়ার পর থেকেই আমার ছেলে এমন ব্যবহার

20:52করে আর যেহেতু আমার ছেলে অনবরত একটা

20:55পুতুলের সাথে খেলে তাই অনেকেই তাকে নিয়ে

20:57মজা করে আর মনে করে আমার ছেলের মধ্যে

20:59হয়তো কোন অভিশাপ আছে। এখন এখানে আমরা

21:02লুইসকে দেখি যার হাতে একটা ছোট বেল বা

21:04ঘন্টা ছিল। সে এখানে ওই মহিলাটার সামনে এই

21:06ঘন্টাটা বাজায়। লুইস এখানে জেনে শুনেই

21:09এমনটা করে। কারণ সে চেক করতে চেয়েছিল যে

21:11এই মহিলাটা কোন ডেমন নাকি মানুষ। কিন্তু

21:13এখানে কিছুই হয় না। এই মহিলাটা তখন বলে

21:15দেখুন আপনারা প্লিজ আমাকে সন্দেহ করবেন

21:17না। আমি জানি যে এই গ্রামের বেশিরভাগ

21:19মানুষই আমাকে উইচ মনে করে। কিন্তু এমনটা

21:21কিছুই না। আমি জাস্ট সাধারণ একটা মানুষ।

21:23আর আপনারা দুইজন এখানে নিরাপদ আছেন।

21:25আপনারা চাইলে আজকের রাতটা এখানে থাকতে

21:27পারেন। তারপরে লুইস জিজ্ঞাসা করে যে আপনার

21:29হাজবেন্ডের কি হয়েছিল? তখন সে বলতে থাকে

21:31যে আমার হাজবেন্ডের উপরে কিছু চোর অ্যাটাক

21:34করেছিল। আর চুরি করতে গিয়েই তারা আমার

21:36হাজবেন্ডকে মেরে ফেলেছিল। এখানে আমরা লনকে

21:38দেখি যার মনে একটা সন্দেহ তৈরি হয় যে এই

21:40গ্রামের চিফ তাদেরকে মিথ্যা কথা বলেছে। আর

21:43এখানে লুইসও বলে যে আমাদের সন্দেহ হচ্ছে

21:45যে এই গ্রামের চিফ আমাদের কাছ থেকে কিছু

21:47একটা লুকাচ্ছে বা মিথ্যা কিছু একটা বলছে।

21:49এখানে অনেক মানুষ মারা গেছে। আর আমি জানতে

21:51চাই যে এটার সত্যটা কতটুকু। এই গ্রামে কি

21:53আসলেই অনেক মানুষ মারা গেছে? এখানে এসে

21:55কিছু বলার আগেই আমরা দেখি যে ঘরের দরজা

21:58ভেঙে গ্রামের কিছু মানুষ ভেতরে ঢুকে

22:00এসেছে। এখানে এই গ্রামের চিফ বলে যে আমি

22:02নিজে দেখেছি তোমার ছেলে বাকি বাচ্চাদেরকে

22:04নিয়ে জঙ্গলের দিকে যাচ্ছিল। তাই হতেই

22:06পারে যে সে ওখানে গিয়ে তাদেরকে মার্ডার

22:08করে দিয়েছে। তখনই ওই মহিলাটা তার ছেলেকে

22:10তার কাছে ডাকে আর সবাইকে বলে এমনটা হতেই

22:12পারে না। কারণ সন্ধ্যা থেকেই আমার ছেলে

22:14বাসার বাইরে যায়নি। আর সে প্রথম থেকেই

22:16আমাদের সাথেই ছিল। এখানে লুইয়েসও বলে যে

22:18হ্যাঁ এটাই সত্যি। বাচ্চাটা সন্ধ্যার পর

22:20বাইরে যায়নি। কিন্তু কেউই এদের কথা

22:22বিশ্বাস করে না। তারা সবাই বলে এই দুজনকেও

22:24অ্যারেস্ট করে নেওয়া হোক। তারপর তারা এই

22:26মহিলাটা মানে এলুয়াকে অ্যারেস্ট করে

22:28নেয়। তার ছেলে তখন এই বাসাটা থেকে

22:30পালিয়ে যায়। এরপরে লন বলে যে আমি ওই

22:32ছেলেটার পেছনে যাচ্ছি। এখন এদিকে আমরা

22:34দেখতে পাই যে এলুয়াকে একটা জায়গায়

22:36বেঁধে রাখা হয়েছে। এই গ্রামের চিফ তার

22:38সামনে এসে একটা ছুরি বের করে। আর এটা

22:40দিয়ে সে এলুয়ার গলা কাটতে যাচ্ছিল।

22:42কিন্তু তখনই খবর আসে যে গ্রামের চিফের

22:44বাসায় আগুন লেগে গেছে। তখন সবাই আগুন

22:47নেভানোর জন্য সেদিকে যেতে থাকে। আর এই

22:49চান্সে লুইস সেখানে আসে। সে এলুয়াকে

22:51বাঁচিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে নিয়ে

22:52যাচ্ছিল। কিন্তু তখনই গ্রামের চিফ বাকি

22:55গ্রামবাসীদেরকে নিয়ে সেখানে চলে আসে। তবে

22:57এখন এই গ্রামের চিফ বলে যে আপনারা ওকে

22:59নিয়ে যেতে পারেন। কারণ আমার সন্দেহ ছিল

23:01যে এই মহিলাটা একটা ডেমন। কিন্তু আমার

23:03সন্দেহ দূর হয়ে গেছে। এদিকে লন ওই

23:05ছেলেটার পিছু করতে করতে একটা বাসায় চলে

23:07আসে। যেটা গ্রাম থেকে অনেক দূরে ছিল। এই

23:09বাসায় ঢোকার পর সে দেখতে পায় এই বাসায়

23:11অনেকগুলো মূর্তি আছে। কিন্তু তখনই হঠাৎ

23:13করে সে ওই ছেলেটাকে পেয়ে যায়। সে ওই

23:15ছেলেটাকে বলে দেখো তোমার মায়ের কিছুই হবে

23:17না। কিন্তু তোমাকে আমাদের সাথে আসতে হবে।

23:19এরপর তারা দুইজন মিলে সেখান থেকে চলে আসে।

23:21আসার পর লুইস লনকে জানায় আমি এই গ্রামের

23:23প্রত্যেকটা মানুষের সামনে এই বেলটা

23:25বাজিয়ে চেক করেছি। কিন্তু তাদের মধ্যে

23:27কেউই ডেমন ছিল না। এখন আমি চাই এই বেলটা

23:30এই বাচ্চাটার সামনে বাজাতে। আমি এটা চেক

23:32করতে চাই এই বাচ্চাটা আসলে মানুষ নাকি এই

23:34বাচ্চাটাও ডেমন। তবে লন এটা করতে মানা করে

23:36দেয়। কিন্তু লুইস বলে যে দেখো আমাদের

23:38কাছে আর কোন অপশন নেই। তারপরে বাচ্চার

23:41সামনে বেলটা বাজানো হয়। কিন্তু সেও ডেমন

23:43ছিল না। সেও ছিল একটা সাধারণ মানুষ। তখন

23:45লন এলুয়াকে জিজ্ঞাসা করে যে এই গ্রামের

23:48শেষের দিকে আমি কয়েকটা বাড়ি দেখেছি। ওই

23:50বাড়িগুলো কার? তখন এলুয়া বলতে থাকে যে

23:52ওই বাসাটা একটা উট কাটারের ছিল মানে একজন

23:54কাঠুরের ছিল। কিন্তু এই গ্রামের মানুষদের

23:56মনে হতো সে একটা ডেমন্ন। তাই গ্রামবাসীরা

23:58মিলে তাকে মেরে ফেলেছিল। এইটা শোনার পর লন

24:01বুঝে যায় যে বাচ্চাটার কাছে যে পুতুলটা

24:03আছে সেই পুতুলের মধ্যেই আসলে ডেমনটা

24:06লুকিয়ে আছে। কারণ সে দেখেছিল উড কাটারের

24:08হাউজের মধ্যে অনেকগুলো পুতুল আছে। তাই সে

24:11তখন সাথে সাথেই ওই বাচ্চাটাকে সার্চ করতে

24:13শুরু করে। কিন্তু বাচ্চাটা তার আগেই ওই

24:15বাসা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। তাই লন বলে

24:17যে আমি ওর পেছনে যাচ্ছি। আমরা দেখতে পাই

24:19এলুয়াও তাদের পেছনে যেতে চাইছিল। কিন্তু

24:21তখনই এলুয়ার উপরে অ্যাটাক হয়। তবে এই

24:23অ্যাটাক থেকে লুইস তাকে বাঁচিয়ে নেয়। আর

24:25এই অ্যাটাকটা করেছিল গ্রামবাসীরা। কারণ

24:27তারা সবাই মিলে এলুয়াকে মেরে ফেলতে

24:29চাইছিল। যাই হোক এদিকে আমরা দেখতে পাই লন

24:31ওই ছেলেটাকে পেয়ে গেছে। লন তাকে বলে যে

24:33তোমার কাছে যে পুতুলটা আছে ওই পুতুলটা

24:35আমার কাছে দাও। কারণ ওইটার ভেতরে ডেমন

24:37আসে। কিন্তু ওই ছেলেটা এটা শোনে না। সে

24:39বলে আমি এমনটা করবো না। আর কিছুক্ষণ পরেই

24:42আমরা দেখতে পাই ওই পুতুলের মধ্যে থেকে ওই

24:44ডেমনটা ফ্রি হয়ে যায়। এখন লন ডেমুনের

24:46সাথে ফাইট করার জন্য তার আর্মার পড়ে

24:48নেয়। লন আর ডেমুনের মধ্যে বেশ ভালো রকমের

24:50ফাইট হয়। তবে লন ফাইনালি জিতে যাচ্ছিল।

24:52লন যখন ডেমনটাকে মেরে ফেলতে যাচ্ছিল তখনই

24:54ওই ছেলেটা মাঝখানে চলে আসে। সে তখন লনকে

24:57আসল সত্যিটা বলে দেয়। সে বলে যে আমার

24:59বাবাকে চোররা মারেনি। সব গ্রামবাসীরা মিলে

25:02আমার বাবাকে মেরে ফেলেছিল। কারণ এই

25:04গ্রামের চিফ আমার বাবার উপরে ব্লেম

25:05দিয়েছিল যে সে ভুল কাজ করছে। তাই আমি সব

25:08ভিলেজারদের উপরে রিভাইস নিতে চাই। তাই আমি

25:10চাই না যে তুমি এই ডিমনটাকে কিল করো। মানে

25:12তোমরা বুঝতেই পারতেছো এই গ্রামের চিফ

25:14হচ্ছে এই ছেলেটার বাবাকে মিথ্যা বলে মেরে

25:16ফেলেছে। তাই এই ছেলেটা প্রতিশোধ নিতে

25:18চায়। তারা দুজন যখন কথা বলছিল সেই সময়

25:20ওই ডেমনটা এখান থেকে পালিয়ে যায়। আর

25:22এলুয়ার বাসার উপরে গিয়ে অ্যাটাক করে।

25:24তবে লুইস তখন তাকে সেভ করে নেয়। তারপরে

25:26ওই ডেমনটা চলে যায় এই গ্রামের চিফের

25:28পেছনে। সে যখন চিফকে মেরেই ফেলতে যাচ্ছিল

25:30ঠিক তখনই লন সামনে চলে আসে। আর তার

25:32পাওয়ার ব্যবহার করে এই ডেমনটাকে

25:34কমপ্লিটলি ফিনিশ করে দেয় বা মেরে ফেলে।

25:36কিন্তু এই জিনিসটা দেখে এই ছেলেটা অনেক

25:38বেশি কষ্ট পায়। সে বলে তোমার কারণে এখন

25:41আমি আর আমার বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে

25:43পারবো না। তুমি এখন যেটা করলে এটা একদম

25:45ভুল ছিল। পরের দিন গ্রামের চিফকে

25:46অ্যারেস্ট করে নেওয়া হয়। আমরা জানতে

25:48পারি যে গ্রামের চিফ এক ধরনের ব্ল্যাক

25:50ম্যাজিক করতো। আর এটারই রিজন ছিল যে সে

25:52সাধারণ মানুষদের উপর ব্লেম দিয়ে তাদেরকে

25:54মেরে ফেলতো। যাতে সে তাদের বডি নিয়ে

25:56নিজের ব্ল্যাক ম্যাজিককে ইউজ করতে পারতো।

25:58এরপরে লুইস আরলন এই গ্রাম থেকে বাইরে

26:00বেরিয়ে আসে। এখানে আমরা ওই রাতেরই আরেকটা

26:02সিন দেখতে পাই। এখানে আলফান্সো নিজেকে

26:04বাঁচানোর জন্য দৌড়াচ্ছিল। আর যে লোকটা

26:06তাকে হেল্প করছিল তার নাম ছিল রাফায়েল।

26:08এখানে আলফানসো জিজ্ঞাসা করে এগুলো কেমন

26:11ক্রিয়েচার যারা আমার উপরে অ্যাটাক করছে।

26:13তখন রাফায়েল জানায় যে যারা তোমার উপরে

26:14অ্যাটাক করছে এদেরকে বলা হয় ডেমন। এরা

26:17হিউম্যানদের মতোই দেখতে হয়। আর এরা

26:18হিউম্যানদের ছায়ায় থাকতে পারে। আর যখন

26:20এদের ক্ষুধা লাগে তখন মানুষদেরই মেরে তারা

26:23খেয়ে ফেলে। আর আমার মনে হচ্ছে এই ডেমনদের

26:25মেনোজা কন্ট্রোল করছে। যাতে সে নিজের একটা

26:27আর্মি তৈরি করতে পারে। আর সে পুরো

26:29পৃথিবীতে রাজ করতে পারে। তখন আলফান্সো বলে

26:31তাহলে তো আমারও তোমার মত কোন একটা স্পেশাল

26:34পাওয়ারের দরকার যেন আমিও এই ডেমনদেরকে

26:36ফিনিশ করতে পারি বা মেরে ফেলতে পারি।

26:37কিন্তু রাফায়েল জানায় যে আমার মত

26:39পাওয়ার পেতে হলে তোমাকে জানতে হবে যে

26:41তুমি আসলে কে? যেমন আমি আসলে জানি যে আমি

26:43কে। আর তাছাড়াও আগের যে গোল্ডেন নাইট ছিল

26:46আমি তার ফ্রেন্ড ছিলাম। এদিকে আমরা লুইস

26:47আর লনকে এখন একটা হোটেলে দেখতে পাই। এখানে

26:50লন বলে যে আমি বাইরে যাচ্ছি। কিন্তু সে

26:52যখনই বাইরে যেতে নিচ্ছিল তখনই হঠাৎ করে

26:54জরুবা যেটা মূলত তার রিং সেটা লনকে জানায়

26:57যে আজকে ফুল মুন। মানে আজকে হচ্ছে

26:59পূর্ণিমা। এর মানে হচ্ছে কন্ট্রাক্ট

27:00অনুযায়ী আমি তোমার জীবন আজকে নিয়ে নিব।

27:03এটা বলার সাথে সাথেই দেখা যায় লঞ্চ

27:04সেখানে অজ্ঞান হয়ে গেছে। এখন এদিকে আমরা

27:06রাফায়েলকে দেখি। সে আলফানসোকে একটা

27:08ধ্বংসস্তূপে নিয়ে আসে। এখানে রাফায়েল

27:10তাকে জানায় যে আগের যুগের মানুষরা জানতো

27:13ডিমন্সরা আসলে কারা। আর তাছাড়া তারা এটাও

27:15জানতো ডিমন্সরা হিউম্যানদেরকে মেরে ফেলে

27:17তাদের রূপ নিয়ে তাদের মধ্যেই বসবাস করে।

27:19কিন্তু বর্তমান সময়ের মানুষরা এটা জানেই

27:21না। আর তাছাড়া আমি এটাও দেখেছি যে মানুষ

27:23উইশদেরকে মেরে ফেলছে। যেখানে উইশদের আসল

27:26কাজই হলো ডেমনদের কাছ থেকে মানুষদেরকে

27:28রক্ষা করা। উইচরা কিন্তু এটাও প্রমিস

27:30করেছিল যে তারা কখনোই মানুষদের উপরে অটাক

27:32করবে না। কিন্তু মানুষরাই এখন উইচদেরকে

27:34মেরে ফেলছে। আর এই কারণে উইচরা চাইলেও এই

27:37ডেমনদের কাছ থেকে মানুষদেরকে বাঁচাতে

27:38পারছে না। তবে এখানে উল্লেখযোগ্য একটা

27:40ব্যাপার হচ্ছে যে পরিমাণ উইশদেরকে মেরে

27:42ফেলা হয়েছে এই কারণে ডেমনদেরকে হারানোর

27:44মতো বা ডেমনদেরকে এখন থামানোর মত উইশদের

27:47পরিমাণ অনেক বেশি কমে গেছে। যাই হোক তখন

27:49আলফানসো আসক করে যে গোল্ডেন নাইটও কি

27:51এভাবেই মারা গিয়েছিল? অর্থাৎ মানুষরাই কি

27:53তাকে মেরে ফেলেছিল? তখন রাফায়েল জানায়

27:55যে দেখো গোল্ডেন নাইটের আসল নাম ছিল গারো।

27:58সে কিভাবে মারা গেছে সেটা আমি জানিনা তবে

28:00তার ব্লাড তোমার মধ্যেই আছে মানে তোমার

28:02শরীরে তার রক্তই বইছে এইটা শুনে আলফানসো

28:05শক্কড হয়ে যায় তখন রাফায়েল তাকে পুরা

28:07স্টোরিটা খুলে বলে সে বলতে থাকে যে গারোর

28:09দুইজন মেয়ে ছিল বড় মেয়েটা পরবর্তীতে

28:12আলকেমিস্ট হয় কিন্তু মানুষ তার উপরে উইচ

28:14ব্লেম দেয় আর তাকে আগুনে পুড়িয়ে মেরে

28:16ফেলে কিন্তু মারা যাওয়ার আগে সে তার

28:18বেবিকে জন্ম দিয়ে ফেলেছিল আর তখন থেকেই

28:20একটা নাইট ওই বাচ্চাটাকে সেভ করে আসছে তো

28:22মানুষ এই শক্তিটা জানে না যে গারোর যে ছোট

28:25মেয়ে ছিল তাকে ছোটবেলায় এডাপ্ট করা

28:27হয়েছিল আর যেহেতু তাকে একটা রিচ ফ্যামিলি

28:29এডাপ্ট করেছিল তাই পরবর্তীতে কিং বা রাজার

28:32সাথে তার বিয়ে হয়। আর সেটা আর কেউ না

28:34সেটা ছিল তোমার মা। মানে তোমার মাই হচ্ছে

28:36গারোর একটা মেয়ে। তখন আলফাসনও জিজ্ঞাসা

28:39করে যে তাহলে আমার মায়ের কাছে কি ওই

28:41নেকলেসটা ছোটবেলা থেকেই ছিল? কারণ যখন

28:43থেকে আমার মা আমাকে এই নেকলেসটা দিয়েছে

28:45তখন থেকেই এই সমস্ত ঘটনা ঘটছে। এখন এই

28:48নেকলেসটা দেখার পর রাফায়েল জানায় যে

28:50নিশ্চয়ই মেন্ডেজা এই নেকলেসটা দেখে

28:52নিয়েছে। আর সে বুঝে গেছে যে তোমার মায়ের

28:54মধ্যে একটা নাইটের ব্লাড আছে। আর এই

28:56কারণেই সে তোমাদের দুজনকে মেরে ফেলতে

28:58চায়। এইটুকু বলার পরেই হঠাৎ করে রাফায়েল

29:00আলফান্সনোর উপরে অটাক করে বসে। আলফান্সো

29:03তার সাথে ফাইট তো করছিল কিন্তু ফাইট করতে

29:05করতে সে নিচে পড়ে যায়। তখন রাফায়েল

29:06জানায় যে দেখো একজন মানুষের সাথে ফাইট

29:08করার জন্য তুমি অনেক বেশি স্ট্রং। আর তুমি

29:10তাকে হারিয়েও দিবে। কিন্তু একটা ডিমের

29:12সাথে ফাইট করার জন্য তুমি এখনো রেডি না।

29:14এতটুকু বলার পরেই রাফায়েল তাকে সাথে

29:16নিয়ে অন্য কোন একটা জায়গায় চলে যায়।

29:18এখন যে ভিলেজের মধ্যে আলফান্সনো আসে

29:20সেখানে এসে দেখতে পায় মানুষদের কন্ডিশন

29:22বা অবস্থা খুবই খারাপ। কিন্তু এখানকার

29:24মানুষ আলফানসোকে দেখার পর ভয় পেয়ে সেখান

29:26থেকে পালাতে শুরু করে। তারপরে আমরা দেখি

29:28যে ওই দুইজন গ্রামের চিফের বাসার সামনে

29:31এসে দাঁড়ায়। তারা যখনই ওই বাসাটার ভেতরে

29:33যায় হঠাৎ করেই একটা লোক তাদের উপরে

29:35অ্যাটাক করে ফেলে। তখন রাফায়েল

29:36আলফান্সনোকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিল। আর

29:38সেই সময় সে একটা বেল বাজায়। এটা দেখার

29:40জন্য যে তার সামনে থাকা লোকটা ডেমন নাকি

29:42কোন মানুষ। কিন্তু সে দেখতে পায় যে ওই

29:44লোকটার চোখ জলজল করছে। সে বুঝে যায় যে এই

29:47লোকটা আসলে একটা ডেমন। লোকটা এখন তার

29:49ডেমোনিক ফর্মে চলে আসে। আর তাদের মধ্যে

29:51এখন ফাইট শুরু হয়ে যায়। তারা এখন ফাইট

29:53করছিল। তখন আমরা দেখি যে হঠাৎ করেই

29:55আলফান্সনো একটা ধাক্কা খায়। আর সে অন্য

29:57একটা রুমে চলে আসে। এখানে এসে সে দেখতে

29:59পায় একটা ডিমন একটা মা আর তার বাচ্চাকে

30:01খেয়ে ফেলতে নিচ্ছে। তাই আলফান্সনো চলে

30:04যায় ডিমের সাথে ফাইট করতে। কিন্তু তার

30:05অটাকে এই ডেমনটার কিছুই হয় না। তখন

30:08আলফানসো এইটুকু টাইম পেয়ে যায় যে সে এই

30:10মা আর তার বাচ্চাকে বাঁচাতে পারবে। সে

30:13তাদেরকে নিরাপদ একটা জায়গায় রেখে আসে।

30:15কিন্তু পরে সে আবার ডেমোনের সাথে ফাইট

30:17করতে চলে যায়। তবে সে এতটা পাওয়ারফুল

30:19ছিল না যে সে ওই ডেমনটাকে মেরে ফেলবে। তখন

30:21রাফায়েল সেখানে চলে আসে। সে সাথে সাথে

30:23তার আর্মার পড়ে নেয়। আর এই ডেমনটাকে

30:25মেরে ফেলে। পরের দিন সকালে আলফাস্নো

30:27রাফায়েলের কাছে যায় আর বলে, আমিও তোমার

30:29মত মানুষদেরকে প্রটেক্ট করতে চাই। আর আমি

30:31চাই তুমি আমাকে ট্রেনিং দাও। রাফায়েলও তখন

30:33এটার জন্য রাজি হয়ে যায়। এরপরে আমরা

30:35আবারো লনকে দেখি। সে খুবই স্ট্রেঞ্জ বা

30:38অদ্ভুত একটা জায়গায় ছিল। এখানে লন নিজের

30:40আর্মরের সাথে কথা বলছিল। আর তার আর্মর

30:42তাকে জানায় যে তোমাকে তোমার ফ্লেম বা

30:44আগুন কন্ট্রোল করতে হবে। আর এছাড়াও

30:46তোমাকে একটা কঠিন ডিসিশন নিতে হবে যে তুমি

30:48আসলে কাকে বাঁচাতে চাও। তখনই লনের চোখ

30:51খুলে যায়। আর সে তার সামনে লুইসকে দেখতে

30:53পায়। এছাড়াও একটা ঘোড়ার গাড়ির ভেতরে

30:55আরো অনেকেই ছিল। তখন লন জানতে পারে যে

30:57লুইস তাকে ওই শহরে নিয়ে এসেছে যেখানে তার

30:59মাকে মেরে ফেলা হয়েছিল। এখানে আসার পর লন

31:02বলে যে চলো আমাদেরকে প্যালেসের ভেতরে যেতে

31:04হবে। কিন্তু লুইস বলে যে একটু ধৈর্য রাখো।

31:06আপাতত আমাদেরকে কিছু ইনফরমেশন কালেক্ট

31:09করতে হবে। তাই তুমিও এমন কোন কাজ করো না

31:11যাতে আমরা ফেসে যাই। আর এদিকে এখন আমরা

31:13আরেকটা লোককে দেখতে পাই। সে একটা দোকানের

31:15মালিক ছিল। বেসিক্যালি সে তার শপে তলোয়ার

31:18বিক্রি করত। তার কাছে একটা স্পেশাল

31:19তলোয়ার ছিল। যেটা সে তার নিজের রুমে

31:21রাখতো। দোকানের মালিক যখন ওই তলোয়ারটা

31:23দেখেছিল তখন সে শুনেছিল এই তলোয়ারের

31:26মধ্যে থেকে তার বাচ্চার শব্দ আসছে। এখানে

31:28ছেলে তার কাছে হেল্প চাইছিল। এখানে ওনার

31:30সরডের আরো কাছে চলে আসে। আর এমনটা হওয়ার

31:32পর একটা ডিমন তার উপরে অ্যাটাক করে দেয়।

31:35এদিকে লুইস চলে আসে ওই সব ওনারের সাথে মিট

31:37করার জন্য। কিন্তু সে এখানে এসে দেখতে

31:39পায় এই দোকানের বাইরে একটা ছেলে আসছে। সে

31:41তখন এই ছেলেটার সাথে কথা বলতে চেয়েছিল।

31:43কিন্তু এই ছেলেটা জানায় আমরা এই

31:45দোকানটাকে এখন বন্ধ করে দিয়েছি। আপনারা

31:46পরে আসবেন। তখন লুইস জানায় যে আমি এই

31:49দোকান থেকে কিছু কিনতে আসিনি। আমি

31:50প্যালেসের ব্যাপারে তোমাদের কাছে কিছু আসক

31:53করতে চাই। কিন্তু তখনই এই শপের ওনার

31:55সেখানে চলে আসে। আর সেই ছেলেটাকে বলে তুমি

31:57তোমার কাজ করো। এই দোকানের মালিক তখন

31:59লুইসকে নিজের সাথে নিয়ে যায়। এদিকে লনের

32:01অবস্থা কিন্তু অনেক বেশি খারাপ হয়ে গেছে।

32:03কারণ একটা মেয়ে তার সাথে অনেক জোর

32:04জবরদস্তি করে লেপটে ছিল। লন কিছুই বুঝতে

32:07পারছিল না। আর তখনই সেখানে এমা চলে আসে।

32:09সে লনকে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসে।

32:11এদিকে ওনার লুইসকে বলতে থাকে দেখো

32:13প্যালেসের ব্যাপারে আমি তো বেশি কিছু জানি

32:15না। তবে আমি এইটুকু জানি যে সোলজারদের

32:17ফার্স্ট কমান্ডার মারা গেছে। আর তার

32:19জায়গায় এখন নতুন একজন কমান্ডার এসেছে।

32:21সে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত কালো একটা জামা

32:24পড়ে। আর এটাই একটা রিজন যে কারণে আমরা

32:26তাকে ব্ল্যাক নাইট বলে ডাকি। সব ওনার এই

32:28সব কথা এই জন্যই জানতো কারণ তার নিজের

32:30ছেলেও একজন সোলজার ছিল। তাই সব ওনার যখন

32:33লুইসের সাথে এই কথা বলা শেষ করে সে বাইরে

32:35আসে আর বাকি সোলজারদেরকে তার ছেলের

32:37ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করে। কিন্তু তারা বলে

32:39আমরা জানি না যে আপনার ছেলের সাথে কি

32:41হয়েছে। এইটা শোনার পরেই এইসব ওনার অনেক

32:43বেশি পরিমাণে রেগে যায়। সে তখন তার ডেমন

32:45ফর্মে চলে আসে। আর ওই দুজনকে মেরে ফেলে।

32:48পরের দিন আমরা দেখি যে একটা ছোট্ট বাচ্চা

32:50মার খাচ্ছিল। কারণ সে দোকান থেকে কিছু

32:52একটা চুরি করেছিল। আর ওই দোকানের মালিক

32:54তাকে মারছিল। তখন সেখানে জুলিও চলে আসে।

32:56আর সে বলে এই বাচ্চাটাকে ছেড়ে দিন।

32:58কিন্তু এই দোকানের মালিক তার কথা শোনে না।

33:00তখন লন সেখানে আসে আর সব ওনারে সব টাকা

33:02দিয়ে দিয়ে বলে তুমি এই বাচ্চাটাকে এখন

33:04যেতে দাও। তখন জুলিও লনকে জানায় যে একটা

33:06টাইম ছিল যখন আমিও এই বাচ্চাটার মতো চুরি

33:09করতাম। কিন্তু একদিন আমার মাস্টার অর্থাৎ

33:11আমার এই দোকানের মালিক আমাকে চুরি করতে

33:13ধরে ফেলে। আর আমাকে বলেন আমি তোমাকে একটা

33:15কাজ দিবো। আর তারপর থেকেই আমি উনার সাথেই

33:18উনার দোকানে কাজ করছি। যাই হোক রাত হয়ে

33:20যাওয়ার পর আমরা দেখি যে চারজন বসে খাবার

33:22খাচ্ছিল কিন্তু এখানে লন আর লুইস কোন একটা

33:24ইস্যুতে ঝগড়া করতে শুরু করে ওদের দুজনকে

33:26ঝগড়া করতে দেখে এই দোকানের মালিক অনেক

33:28বেশি রেগে যায় আর তাদের উপরে চিৎকার করতে

33:31শুরু করে তবে এটার পরেই সে তাদের কাছে মাফ

33:33চেয়ে সেখান থেকে চলে যায় এরা দুইজনও তখন

33:35বাইরে চলে আসে তখন জুলিও তাদের সামনে আসে

33:37আর বলে আমার মালিককে মাফ করে দিবেন কারণ

33:39আমার মালিকের একটা ছেলে ছিল যে একটা

33:41সোলজার ছিল কিন্তু একটা যুদ্ধের পর তার

33:43ছেলে আর ফিরে আসেনি তার ছেলের জাস্ট একটা

33:46সর্ট বা তলোয়ার ফিরে এসেছিল আমার মালিক

33:48এখনো মনে করে যে তার ছেলে হয়তোবা ওই

33:50তলোয়ারের মধ্যেই বেঁচে আছে। কিন্তু

33:52রিয়েলিটি হচ্ছে তার ছেলে মারা গেছে। আর

33:54তখন থেকেই সে খুবই অদ্ভুত ব্যবহার করে।

33:56এদিকে আমরা দেখি যে সব ওনার তখন ডেমন

33:59ফর্মে চলে আসে। সে তখন এখানে থাকা

34:01প্রত্যেকটা সোলজারকে মেরে ফেলছিল। আর সে

34:03তার ছেলেকে খুঁজছিল। এখন জুলিও জানতে পারে

34:05যে শহরে একটা ডেমন অ্যাটাক করেছে। সে তখন

34:07সাথে সাথে ওইদিকে যায়। তাকে দেখেই সে

34:09বুঝে যায় যে এটা হচ্ছে তার মাস্টার। মানে

34:11ওই শপের ওনার। সে সাথে সাথে তার মাস্টারকে

34:13বলে প্লিজ আপনি এসব স্টপ করুন। কিন্তু ওই

34:15শপের ওনার তার উপরেই তখন এটাক করে দেয়।

34:17তখন আমরা দেখি যে লঞ্চ সেখানে চলে আসে

34:20জুলিওর জীবন বাঁচানোর জন্য। আর অন্যদিকে

34:22লুইস তার আর্মর পড়ে চলে আসে। সে আর্মরের

34:24হেল্পে খুবই সহজে এই ডেমনটাকে শেষ করে

34:27দেয়। এটা দেখার পর জুলিও এখানে অনেক বেশি

34:29কান্নাকাটি করা শুরু করে। কারণ তার

34:30মাস্টার মারা গেছে। আর এদিকে আমরা দেখি যে

34:33যত নতুন সোলজার রিক্রুট বা ভর্তি হচ্ছে

34:35তাদের সবার ভেতরে মেন্ডোজার মাধ্যমে

34:37ডেমনকে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে

34:39মেন্ডোজা তখন নিউজ পায় যে একটা ডেমনকে

34:41মেরে ফেলা হয়েছে। তাই মেন্ডোজা তার

34:43লোকদেরকে বলে এই ব্যাপারে খোঁজ নাও। আর

34:45যেই ওই ডেমনটাকে মেরে ফেলেছে তাকেও তোমরা

34:47মেরে ফেলো। এখন এদিকে আমরা দেখি যে লনের

34:49পেছনে সব সোলজাররা এখন পড়ে আছে। তারা যখন

34:52লনের পিছু করছিল তখনই লনের সামনে ডিন চলে

34:54আসে। লনকে ফাইট করতে দেখে ডিন বুঝে যায়

34:57যে লন একজন নাই। শুধু তাই না সে এটাও বুঝে

35:00যায় যে লন নিশ্চয়ই লুইয়েসের সাথেই কাজ

35:02করছে। তাই ডিয়ন হঠাৎ করেই লনের উপরে এটাক

35:04করে দেয়। আর তার আর্মর পড়ে নেয়। লনও

35:06তখন তার আর্মর পড়ে ফেলে। দুজনের মধ্যে

35:09এখন অনেক ভারী একটা ফাইট হয়। কিন্তু

35:10ডিয়নের পাওয়ার এতটাই বেশি ছিল যে লন

35:13ডিওনের কাছে হেরে যায়। লন যখন প্রায়

35:14মারা যেতে বসেছিল তখন এমা এসে তাকে

35:16বাঁচিয়ে নেয়। এমা লনকে বাঁচিয়ে তাকে

35:18পেছনের দিকে ছুড়ে মারে। যার ফলে লন

35:20অজ্ঞান হয়ে যায়। লনের যখন চোখ খোলে তখন

35:23সে নিজেকে নতুন একটা জায়গায় দেখতে পায়।

35:25আর তার আগের কোন স্মৃতি মনে ছিল না। তখন

35:27সে দেখে যে তার সামনে একটা মেয়ে আসে যাকে

35:29সে পেপে বলে ডাকে। আর সে বলে তুমি আমার

35:32বড় ভাই। তখন সব বাচ্চারা মিলে চার্জে

35:34যাচ্ছিল। মেয়েটিও তাকে সাথে যেতে বলে। লন

35:36তখন তার সাথে চলে যায়। চার্জে সামনে আসার

35:38পর একটা লোক বাইরে বেরিয়ে আসে। যে কিছু

35:40বাচ্চাকে সিলেক্ট করে আর ভেতরে নিয়ে

35:42যায়। তখন একজন নান মেয়েটিকে আসক করে

35:45তোমার সাথে এই লোকটা কে? মেয়েটি তখন

35:47জানায় যে এটা আমার বড় ভাই পেপে। সে ফিরে

35:49এসেছে। এটা শোনার পর নান অনেক বেশি শকড

35:51হয়ে যায়। সন্ধ্যাবেলায় নান যখন কোন

35:53একটা জায়গায় যাচ্ছিল লন তার সামনে আসে

35:55আর আস্ক করে যে আমি কি সত্যিই পেপে? নান

35:58তখন বুঝে যায় যে তার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে

36:00গেছে। সে বলে আমি একবার তোমার জীবন সেভ

36:02করেছিলাম। তুমি এই গ্রাম থেকে চলে যেতে

36:04চেয়েছিলে। আমি তখন তোমাকে হেল্প

36:06করেছিলাম। কিন্তু এর বেশি আমি তোমাকে আর

36:08কিছুই বলতে পারবো না। যাই হোক রাত হয়ে

36:10যাওয়ার পর মেয়েটি যখন কাজ করছিল তখন

36:12একটা লোক সেখানে আসে আর তার মাস্ক খোলে।

36:14লোকটিকে দেখে মেয়েটি তাকে পেপে বলে ডাকে

36:16আর তার সাথে চলে যায়। এদিকে লন ঘরে ফিরে

36:19আসে আর তার সরটাকে টাচ করে। সাথে সাথে তার

36:21মেমোরি ব্যাক করে। তখন ঘরে থাকা বয়স্ক

36:24লোকটাকে লন চাপ দিতে থাকে সত্যিটা বলার

36:26জন্য। ওই বয়স্ক লোকটা জানায় যে ওই

36:28মেয়েটির কথায় আমি তোমাকে একটা মেডিসিন

36:30খাইয়েছিলাম। যার ফলে কিছু সময়ের জন্য

36:32তুমি তোমার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলে।

36:34আসলে এই মাস্ক পরা লোকটি ছিল আসল পেপে। যে

36:37তার বোনকে নিয়ে চার্জের ভেতরে চলে আসে।

36:39তাকে দেখে নান অনেক বেশি অবাক হয়ে যায়।

36:41পেপে তার বোনকে নানের কাছে রেখে চলে যায়।

36:43এরপরে ওই বয়স্ক লোকটার পুরা সত্যিটা

36:46রিভিল করে। সে বলে যে আমার একটা ফ্রেন্ডের

36:48একটা মেয়ে ছিল আর তার একটা হাজব্যান্ড

36:50ছিল। কিন্তু তার হাজবেন্ড মারা যাওয়ার পর

36:52সে দ্বিতীয় একটা বিয়ে করে। যাকে সে

36:54বিয়ে করে তারও একটা ছেলে ছিল। আর পেপে আর

36:57এই মেয়েটা আসলে সৎ ভাইবোন। কিন্তু

36:59পরবর্তীতে গ্রামবাসীরা ব্লেম দেয় যে

37:01পেপের আসল বাবা আসলে একজন ওয়ারুফ। মানে

37:03নেকরে মানব আর কি। এরপরে গ্রামবাসীরা

37:05তাদের দুজনকেই মেরে ফেলে। পেপের ভয় ছিল

37:07যে গ্রামবাসীরা হয়তো তার বোনকেও মেরে

37:09ফেলে দিবে। তাই সে তার বোনকে লুকিয়ে রাখে

37:11আর নতুন একটা জায়গা খুঁজতে চলে যায়।

37:13কিন্তু তারপর থেকে তার আর কোন খোঁজ পাওয়া

37:15যায়নি। সবাই ভেবেছিল পেপেও হয়তোবা মারা

37:18গেছে। এরপরে লন চার্জে পৌঁছায় ওই

37:19মেয়েটিকে খোঁজার জন্য। সেখানে নানের থেকে

37:22সে জানতে পারে যে আসলে এরা বাচ্চা পাচার

37:24করে। আর পেপে নিজেও এখন একজন ডিমন হয়ে

37:26গেছে। এদিকে পেপে যখন কিছু বাচ্চাকে

37:28বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল একটা

37:30বাচ্চা সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে।

37:32কিন্তু পেপে তখন তার ডেমোনিক ফর্মে চলে

37:34আসে আর তাকে আটকে দেয়। ঠিক তখনই সেখানে

37:36নান চলে আসে। আর তার আর্মর পরে ডিমের সাথে

37:39ফাইট করে। আর এই ডিমনটাকে মেরে ফেলে দেয়।

37:41এই মেয়েটি চোখের সামনে তার ভাইকে মরতে

37:43দেখেও কিছুই করতে পারে না। লন তখন সব

37:45বাচ্চাদেরকে ঘরে ফিরে যেতে বলে। পরের দিন

37:47লুইসের সাথে লনের মিট হলে লুইস বলে এ মা

37:50আমাকে তোমার ব্যাপারে সবকিছুই বলে

37:52দিয়েছে। যেহেতু তুমি ডিয়নের কাছে হেরেছো

37:54তাই এখন কিছু সময়ের জন্য তোমাকে একা

37:56থাকতে হবে। আর নিজের হেল্প তোমাকে নিজেই

37:58করতে হবে। লন এই কথাই রাজি হয়ে যায়। তবে

38:01যাওয়ার আগে লুইস তার কাছ থেকে কিছু টাকা

38:03চায়। লন বুঝে যায় যে লুইস নিশ্চয়ই কোন

38:05মেয়ের চক্করে পড়েছে। তাই সে লুইসের

38:07মুখের উপরে টাকা ছুড়ে মেরে দিয়ে সেখান

38:09থেকে চলে যায়। মানে বুঝতেই পারতেছো মেয়ে

38:10নিয়ে ফুর্তি করবে আর কি। লুইস যখন ঘুরে

38:12বেড়াচ্ছিল সে দেখে একটা মেয়ে বিপদের

38:14মধ্যে আছে। আর তিনটা লোক তার পিছু করছে।

38:17লুইস মেয়েটিকে কোলে তুলে একটা নির্জন

38:19জায়গায় নিয়ে আসে। মেয়েটি বলে যে ভালোই

38:21হলো। তুমি আমাকে এখানে নিয়ে এসেছো। পাশেই

38:23আমার বাসা। হেল্প করার জন্য সে লুইসকে

38:25একটা কিস করে। আর এই এক কিসেই লুইসের

38:27অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। লুইসের চেতনাদন্ড

38:30দাঁড়িয়ে যায়। সে তখন তার জামাকাপড়

38:31খুলে ফেলে। কিন্তু তখনই ওই তিনজন লোক

38:33সেখানে চলে আসে। আর মেয়েটি লুইসের কাছে

38:35থাকা সব টাকা নিয়ে ওই তিনজনের কাছে চলে

38:38যায়। লুইস বুঝতে পারে যে তার সাথে

38:39স্ক্যাম হয়েছে। মানে এই মেয়েটি আসলে

38:41লুইসকে ধোঁকা দিছে। তারা তখন লুইসের উপরে

38:43অটাক করে। আর লুইস কিন্তু এখানে পুরা

38:46ন্যাংটা ছিল। আর এই ন্যাংটা অবস্থায় সে

38:48তখন সেখান থেকে দৌড়াতে শুরু করে। লুইসকে

38:50এভাবে দৌড়াতে দেখে সোলজাররা তাকে আটকানোর

38:52চেষ্টা করে। কিন্তু তখনই এমা এসে তাকে

38:54বাঁচিয়ে নেয়। আর সোলজারদেরকে হারিয়ে

38:56লুইসকে অন্য একটা জায়গায় নিয়ে যায়।

38:57এমা তখন লুইসকে জিজ্ঞাসা করে যে ডিওনের

39:00ব্যাপারে সে কি ভাবছে? তখন আমাদের একটা

39:02ফ্ল্যাশব্যাক দেখানো হয় যেখানে আমরা

39:04ডিয়ন, লুইস আর লনের মাদার এনাকে একসাথে

39:06দেখতে পাই। তারা খুবই ক্লোজ ফ্রেন্ড ছিল।

39:08কিন্তু একদিন সব উইশদের মেরে ফেলা হচ্ছিল।

39:10এনার লাইফ তখন ডেঞ্জারে পড়ে যায়। লুইস

39:13তাকে সেভ করার চেষ্টা করে আর জানতে পারে

39:15যে এনা আসলে প্রেগনেন্ট। তখন ডিওনো

39:17তাদেরকে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে বলে। আর

39:19সোলজারদের সাথে ফাইট করে। বর্তমানে লুইস

39:21আবারও ওই বাসায় ফিরে আসে যেখানে সে ড্রেস

39:23খুলেছিল। সে আবারও ওই মেয়েটিকে এখানে

39:25দেখতে পায়। মেয়েটি এবার তার কাছে হেল্প

39:27চায় আর বলে আমার একটা বন্ধু ডেমন হয়ে

39:30গেছে। আর তখনই তার ফ্রেন্ড ডেমন ফর্মে এসে

39:32তার উপরে অ্যাটাক করে। কিন্তু লুইস খুবই

39:34সহজে এই ডেমনটাকে মেরে ফেলে। পরের দিন

39:36সকালে আমরা আলফান্সোকে দেখতে পাই। যার এখন

39:39ট্রেনিং চলছিল। সে আগের চেয়ে অনেক বেশি

39:41শক্তিশালী হয়ে গেছে। কিন্তু সে এখনো অতটা

39:43বেশি শক্তিশালী হয়নি যে সে রাফায়েলকে

39:45হারিয়ে দিবে। তাই রাফেয়েল তাকে কোন

39:46রিয়াল ডিমের সাথে ফাইট করার সিদ্ধান্ত

39:48নেয়। সে ওয়াসডগে গিয়ে একটা পাওয়ারফুল

39:50ডিমের কথা জানতে চায়। সেখানকার মেয়েটি

39:52জানায় যে অল লিভ নামের একটা ভিলেজে খুবই

39:55স্ট্রং একটা ডিমন আছে। যে ডিমনটাকে মেরে

39:57ফেলার চেষ্টা করতে গিয়ে অনেকেই মারা

39:59গেছে। রাফায়েল চলে যাওয়ার পর সেখানে লন

40:01আসে। আর সেও ট্রেনিং এর জন্য একটা

40:03শক্তিশালী ডিমের খোঁজ চায়। মেয়েটি লনকেও

40:05ওই একই গ্রামের কথা বলে। এদিকে রাফায়েল

40:07আলফাংসনোকে বলে তোমার ট্রেনিং প্রায় শেষ

40:10হয়ে গেছে। শেষ কয়েকদিন তুমি একা একা

40:12প্র্যাকটিস করবে। তুমি ওই গ্রামে গিয়ে ওই

40:14ডেমনটাকে মেরে ফেলবে। পরের দিন দুজনেই ওই

40:16একই গ্রামে গিয়ে পৌঁছায়। সেখানে

40:18আলফানসোর ধাক্কা লাগায়। একটা লোকের মাটির

40:20পাত্র ভেঙে যায়। আর ওই লোকটা তখন

40:22আলফান্সনোর কাছ থেকে টাকা চায়। লন এসে

40:24তখন ওই লোকটাকে টাকা দিয়ে দেয়। এরপরে লন

40:26আর আলফান্সনো একসাথে বসে খাবার খায়। আর এ

40:29সময় তাদের পরিচয় হয়ে যায়। রাত হয়ে

40:31যাওয়ার পর লন যখন ডিমনটাকে মেরে ফেলতে

40:33যাচ্ছিল সে তখন দেখতে পায় যে আলফান্সনো

40:35সেদিকেই যাচ্ছে। লন তখন তার পিছু নেয়।

40:37কিন্তু আলফানসো হঠাৎ করেই তার উপরে অটাক

40:39করে। তারা তখন বুঝতে পারে যে তাদের

40:41দুইজনের মিশন আসলে একই। এ কারণে তারা এখন

40:43একসাথে এগুতে থাকে। সামনে তারা একটা বিশাল

40:46বড় গেট দেখতে পায়। যেটা নিজে থেকেই

40:48নড়াচড়া করছিল। তারা বুঝে যায় যে ডেমন

40:50এইটার ভেতরেই আছে। তারা কাছে যেতেই একটা

40:52স্কেলেটন বা কঙ্কাল তাদের উপরে অ্যাটাক

40:54করে। লন তখন নিচে পড়ে যায়। আর আলফান

40:57স্নো অ্যাটাক ডজ করে গেটের উপরে উঠে যায়।

40:59লন তাকে সাবধানে থাকতে বলে। আর নিজে ওই

41:01স্কেলেটন বা কঙ্কালের সাথে ফাইট করে তার

41:03মাথাটা কেটে ফেলে। আলফান স্নো যখন গেটে

41:06অ্যাটাক করতে যাচ্ছিল, গেটের ডিফেন্স

41:08শিল্ডের কারণে তার উপরেই উল্টো অ্যাটাক

41:10হয়ে যায়। তখনই ওই গেটটা খুলে যায়। আর

41:12ভেতর থেকে ডেমোনের মুখ থেকে একটা হিউজ

41:14এনার্জি ব্লাস্ট হয়। যার ফলে সামনের পুরো

41:16এরিয়াই ধ্বংস হয়ে যায়। লন বুঝতে পারে

41:18যে আর্মর ছাড়া সে এই ফাইট করতে পারবে না।

41:21তাই সে তখন তার আর্মর পড়ে নেয়। এই

41:22আর্মরটা দেখে আলফানসনো বুঝে যায় যে লনই

41:25হচ্ছে তার ভাই। লন ডিমের উপরে অটাক করতে

41:28গেলে ডিমনটা তখন তাকে ধরে ফেলে। তাকে সেভ

41:30করার জন্য আলফানসনো উপর থেকে তার উপরে

41:32অটাক করে। কিন্তু ডিমের কাউন্টার অটাকে

41:34আলফানো সিরিয়াসলি ইনজড হয়ে যায়। তাই

41:37যখন তারা হেরেই যাচ্ছিল তখন রাফায়েল

41:39সেখানে চলে আসে। সে জানত যে আলফানসনো একা

41:41একা পারবে না। রাফায়েল তার আর্মার পরে

41:43ডিমের উপরে অটাক করে আর লনকে ফ্রি করে

41:46দেয়। কিন্তু ডেমনটা এতটাই পাওয়ারফুল ছিল

41:48যে রাফায়েলও তার সামনে টিকতে পারে না।

41:49ডেমনটা তখন অনেকগুলো টেন্টিক্যাল একসাথে

41:52রাফায়েলের বডির ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। মারা

41:54যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে রাফায়েল আলফান

41:56স্নোকে বলে এই নাও আমার সর্ট। এটাকে হোল্ড

41:58করো আর তাড়াতাড়ি আমার আর্মরকে নিজের

42:00বানিয়ে নাও। আমি একবার মারা গেলে আমার এই

42:03আর্মর আর কোন কাজেই আসবে না। যাই হোক

42:05এরপরে আমরা দেখতে পাই ওই ডেমনটা

42:06রাফায়েলকে গিলে ফেলে। কিন্তু ঠিক তখনই

42:08আলফান্সো রাফায়েলের সরটা ধরে নেয়। সাথে

42:11সাথে সেই গোল্ডেন আর্মর আলফান্সোর হয়ে

42:13যায়। তার পাওয়ার এতটাই বেড়ে যায় যে সে

42:16জাস্ট একটা সিঙ্গেল এটাকেই এই ডেমনটাকে

42:18পুরোপুরি মেরে ফেলে। ডেমনটা মারা যাওয়ার

42:20পর আলফানসো কান্নাকাটি করতে থাকে। কারণ

42:22তার মাস্টার অর্থাৎ রাফায়েল এখন আর বেঁচে

42:24নেই। তবে সে প্রমিস করে সে বাকি সব

42:26ডেমনদেরকে মেরে ফেলবে। এরপরে সে লনকে আসক

42:29করে তুমি কি গোল্ডেন নাইট গারোর ব্যাপারে

42:31কিছু জানো? লন জানায় যে না। সে তার

42:33ব্যাপারে কিছুই জানে না। আর সে কারো

42:34ব্যাপারে জানতেও চায় না। কারণ তার

42:36একমাত্র টার্গেট হলো যেকোনো মূল্যে বাকি

42:38সব ডেমনদেরকে হারিয়ে দেওয়া আর

42:40মেন্ডোজাকে মেরে ফেলা। আলফান্সনো বলে তার

42:42গোলও ঠিক একদম একই রকম। মানে তাদের দুজনের

42:45গোলই সেম। তাই দুইজন ডিসাইড করে যে তারা

42:47একসাথে কাজ করবে যেন তারা দুজনেই নিজেদের

42:49টার্গেট অর্জন করতে পারে। পরের দিন তারা

42:52আবারও শহরে ব্যাক করে। কিন্তু সেখানে

42:53তাদের লুকিয়ে থাকতে হচ্ছিল। কারণ

42:55সোলজাররা চারিদিকে পাহারা দিচ্ছিল।

42:57আলফানসো কিছুটা এগিয়ে গেলে লন পেছনে পড়ে

42:59যায়। আর একটা সোলজার তাকে ধরে ফেলে।

43:01কিন্তু তখনই এমা এসে লনের জীবন বাঁচিয়ে

43:03নেয়। সে জিজ্ঞাসা করে তুমি আবারো এই

43:05সিটিতে কেন ব্যাক করলে? কিন্তু লন কোন

43:07আনসার না দিয়ে কিছুটা খাবার নিয়ে

43:09আলফান্সোর কাছে গিয়ে পৌঁছায়। আলফান্সো

43:11লনকে তার বাবার ব্যাপারে কিছু বলতে বলে।

43:13কিন্তু লন বলে যে ওই লোকটা বাবা ডাক শোনার

43:16যোগ্যই না। তখনই সেখানে ইমা চলে আসে। আর

43:18আলফানসোকে নিজের ইন্ট্রোডাকশন দেয়। ঠিক

43:21সেই টাইমে লুইসও পুরা ন্যাংটা অবস্থায়

43:23দৌড়াতে দৌড়াতে সেখানে চলে আসে। আলফান্সো

43:25লুইসকে জানায় যে আমার ভেতরেও গাড়োর

43:27ব্লাড আছে। কিন্তু এটা শোনার পর লুইসের

43:29এনার উপরে কিছুটা সন্দেহ হতে শুরু করে।

43:31কারণ লুইসের মনে হচ্ছিল এনার তো জাস্ট

43:33একটাই ছেলে ছিল। তাহলে এই দ্বিতীয় ছেলেটা

43:36কই থেকে এলো? এদিকে মেন্ডোজা আর ডিওন

43:38জানতে পারে যে আলফান্স স্নো এখন একটা নাইট

43:40হয়ে গেছে। তবে মেন্ডোজা এইটা ভেবে খুশি

43:42ছিল যে রাফায়েল মারা গেছে। এরপরে

43:44মেন্ডোজার একটা ফ্ল্যাশব্যাক দেখানো হয়।

43:46জানা যায় যে মেন্ডোজা আগে একটা সাধারণ

43:48আলকেমিস্ট ছিল। মানে রসায়নবিদ ছিল আর কি।

43:51সে এমন একটা রিং বানিয়েছিল যার সাহায্যে

43:53ডেমনদেরকে কন্ট্রোলে আনা যেত এবং মৃত

43:55মানুষদেরকেও জীবিত করা যেত। কিন্তু এই রিং

43:57এর পাওয়ার চলতো বা এই রিং এর এনার্জি

43:59সোর্স ছিল মানুষদের রক্ত। যে কারণে

44:02মেন্ডোজা অনেক মানুষদের জীবন নিয়ে নেয়।

44:04তখন মাকাই প্রিস্ট আর মাকাই নাইটরা মিলে

44:06মেন্ডোজাকে ধরে ফেলে। তারা বুঝতে পারে যে

44:08মেন্ডোজার পাওয়ারের জন্য যেকোনো মানুষের

44:10জীবন নিয়ে নিতে পারে। এরপরে মেন্ডোজাকে

44:12একটা অভিশাপ দেওয়া হয়। তার বডিতে

44:14অনেকগুলো স্কার বা দাগ তৈরি হবে। আর শুধু

44:16সেইটাই না তার যতজন বাচ্চা হবে তাদের

44:19বডিতেও এই একই চিহ্ন থাকবে। আর এতটুকু

44:21বলেই তাকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেওয়া

44:23হয়। কিন্তু মেন্ডুজা হার মানেনি। সে অন্য

44:25একটা কিংডমে গিয়ে প্রিস্টের কাজ শুরু

44:27করে। আর নিজের চালাকি দিয়ে খুবই দ্রুত টপ

44:29পজিশনে চলে যায়। এরপরে সে রাজার একটা

44:31সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করে। কিন্তু

44:33পরবর্তীতে যখন তার ছেলে হয় তখন দেখা যায়

44:35তার ছেলের শরীরেও ওই সেম মার্কটাই আছে। সে

44:38বুঝতে পারে ওই কার্ডস এখনো ভেঙে যায়নি।

44:40এতে সে প্রচুর পরিমাণে রেগে যায়। আর সে

44:42তখনই নিজের ছেলে আর নিজের ওয়াইফকে মেরে

44:44ফেলে সেখান থেকে চলে যায়। মেন্ডোজার মনে

44:46হতে থাকে যে তার সাথে অনেক অন্যায় করা

44:48হয়েছে। আর তার চোখে সে যেটা করছিল সেটাই

44:50ঠিক ছিল। তাই সে ডিসাইড করে যে সে সব

44:52মাকাই পিস্ট আর মাকাই নাইটদেরকে মেরে

44:54ফেলবে। যাই হোক এখন আমরা বর্তমানের সিন

44:56দেখতে পাই। বর্তমানে মেনোজার ডিওনকে

44:58অর্ডার দেয় যাও। আর আলফান্সোকে মেরে

45:01ফেলো। আর আলফানসোকে ছাড়া তোমরা যদি

45:03সেখানে অন্য কোন নাইটকে দেখতে পাও তবে

45:05তাদেরকেও মেরে ফেলবে। লিওন চলে যাওয়ার পর

45:07মেনরোজা বলে যে এবার প্রিপারেশন নেওয়ার

45:09সময় চলে এসেছে। তারপরে আমাদের দেখানো হয়

45:11যে কিছু মানুষকে কফিনের ভেতরে আটকে রাখা

45:14হয়েছে। আর তাদের বডি থেকে অনবরত রক্ত বের

45:16হচ্ছে। এদিকে লুইস একটা পাহাড়ের খাদে বসে

45:18ভাবছিল যে ইনা তার সাথে চিট করেছে। কারণ

45:21তার অন্য একটা চাইল্ড ছিল। কিন্তু সে তাকে

45:23জানায়নি। মানে ইনার দ্বিতীয় সন্তান

45:25সম্পর্কে সে কিছু জানতো না। এইজন্য আর কি।

45:27তখনই পেছন থেকে লন তাকে কিক মারে আর বলে

45:29চলো আমাদেরকে প্যালেসে যেতে হবে। আলফান্স

45:32স্নো একটা গোপন রাস্তা জানে। লুইস বলে যে

45:34ঠিক আছে। কিন্তু আলফান্সনো আমি তোমাকে

45:36বলতে চাই যে কেনা আমাকে চিট করলেও আর তুমি

45:39তার ছেলে হলেও আমি প্রমিস করছি আমি তোমার

45:41বাবার মতোই তোমাকে ভালোবাসবো। আর তোমার

45:43বাবা কোথায় আমি জানি না। তবে তুমি আমাকে

45:45নিজের বাবা হিসেবে মেনে নিতে পারো। লন তখন

45:48ক্লিয়ার করে বলে যে তুমি যেটা ভাবছো সেটা

45:50না। আলফানসোর মা আসলে আমার মায়ের ছোট বোন

45:53ছিল। তখনই লুইসের মনে পড়ে যে আরে হ্যাঁ

45:55এনার তো একটা ছোট বোন ছিল। লুইস অনেক খুশি

45:57হয়ে যায় যে এনা আসলে তার সাথে চিট

45:59করেনি। সে আলফানসোকে বলে তাহলে তো আমি এখন

46:02থেকে তোমার আঙ্কেল। লুইস আবারও ইমোশনাল

46:04হতে শুরু করে। লন তখন রেগে গিয়ে তাকে

46:06লাথি মেরে নিচে ফেলে দেয়। এরপরে তারা

46:08প্যালেসে পৌঁছানোর জন্য আন্ডারগ্রাউন্ড

46:10সিক্রেট ওয়ে ইউজ করে। প্যালেসের কাছে

46:12পৌঁছালে এমা তাদেরকে দড়ি দিয়ে দেয়। আর

46:14এটা বেয়ে তারা উপরের দিকে উঠে আসতে থাকে।

46:16লুইস উপরে যাওয়ার আগে এমা তাকে জিজ্ঞাসা

46:18করে যে তুমি কি জানো যে লনের বডিতে ওই

46:21মার্কসগুলো কিভাবে এসেছে? লুইস জানায় যে

46:23হ্যাঁ লনের মাাই তাকে এই মার্কসগুলো

46:25দিয়েছে। এমা বলে যে ওই মার্কসগুলো অনেক

46:27বেশি পাওয়ারফুল। যেই আগুন দিয়ে তাকে

46:29প্রটেক্ট করার কথা সেই আগুনই তাকে পুড়িয়ে

46:32ফেলতে পারে। কারণ এমা দেখেছে যে লন যখনই

46:34নিজের কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলে। আর তার মায়ের

46:36মৃত্যুর মুহূর্তগুলো তার মনে পড়ে সে অনেক

46:38বেশি ব্যাকুল হয়ে যায়। আর সে তখন তার

46:40আশেপাশের সবাইকে শেষ করে দিতে চায়। তাই সে

46:43লুইসকে বলে যেন সে লনের খেয়াল রাখে। তবে

46:45এমা নিজে তাদের সাথে উপরে যায় না। উপরে

46:48আসার পর লন আলফান্সোকে জিজ্ঞাসা করে তোমার

46:50আগে তোমার মাকে বাঁচানো উচিত। কিন্তু

46:52আলফান্সনো জানায় যে আমার মা অপোজিট

46:55সাইডের জেলখানার মধ্যে বন্দি আছে। আর

46:57সেখানে যাওয়ার যে ব্রিজ সেখানে অনেক

46:59সোলজাররা পাহারা দিচ্ছে। আর আমি এখানে

47:01আমার মাকে বাঁচাতে আসেনি। আমি এখানে এসেছি

47:03এই রাজ্যটাকে বাঁচাতে। আমার জায়গায় যদি

47:05আমার মা থাকতো তাহলে উনিও এই একই কাজটা

47:08করতো। এদিকে আলফান্সনোর মা তার মায়ের

47:10জন্য অনেক প্রার্থনা করছিল। তখনই তারা

47:12সেখানে দুইজন সোলজারের কথপকথন শুনতে পায়।

47:15তারা বলছিল যে আলফান স্নোকে শহরে দেখা

47:17গেছে। তাই মেনোজা অর্ডার দিয়েছে তার

47:19মায়ের উপরে অনেক বেশি করা নজর রাখতে।

47:21যাতে সময়মতো তাকে অন্য কোন একটা জায়গায়

47:23শিফট করা যায় অথবা আলফান স্নোকে

47:25স্যারেন্ডার করানোর জন্য তাকে সামনে আনা

47:27যায়। লুইস আর লন আলফান স্নোর সাথে

47:29প্যালেসের একদম আন্ডারগ্রাউন্ড লেভেলে

47:31যেখানে পুরো প্যালেসের পিলারস দাঁড়িয়ে

47:33আছে ওই জায়গাটায় যায়। লুইস পিলারস

47:35গুলোকে দেখে অনেক বেশি অবাক হয়ে যায়।

47:37কিন্তু আলফাউন্সো এগুলোর ব্যাপারে কিছুই

47:39জানতো না। একটু সামনে এগতেই তারা পিলারের

47:41উপরে হাজার হাজার মানুষের গুলি দেখতে

47:43পায়। আর সেখানে ব্লাড ড্রপ হওয়া ওই

47:45কফিনগুলোকেও তারা দেখতে পায়। লন বলে যে

47:47এখানে তো মানুষের মাংস পোড়ানোর গন্ধ

47:50আসছে। তখনই উপর থেকে একটা ডেমন নিচে পড়ে।

47:52আর হঠাৎ করেই তাদের উপরে অ্যাটাক করে

47:54দেয়। উপরে তাকাতেই তারা দেখে সেখানে

47:56হাজার হাজার ডেমন আছে। তারা বুঝতে পারে যে

47:59এখানেই মূলত ডেমনদেরকে জন্ম দেওয়া হচ্ছে।

48:01লুইস একটা ডেমনের সাথে ফাইট করতে শুরু

48:03করে। আর লন আর আলফান্সনো উপরে যাওয়ার

48:05একটা গেট পেয়ে যায়। তারা লুইসকে আসতে

48:07বলে। লুইসও তখন উপরে চলে আসে। কিন্তু উপরে

48:10আসতেই হঠাৎ করেই তাদের সামনে ডিওন চলে

48:12আসে। লুইস বুঝতে পারে যে ডিয়ন তার জন্য

48:14এখানে এসেছে। তাই সে লন আর আলফান্সনোকে

48:17বলে তোমরা দুজন এগিয়ে যাও। এর সাথে আমি

48:19ফাইট করবো। লন যেতে না চাইলেও লুইস তাকে

48:21ক্লিয়ারলি বলে দেয় যে তোমাকে এগোতেই

48:23হবে। আলফান্সনো লনকে বোঝায় যে নিজের

48:26বাবার উপরে বিশ্বাস রাখো। তোমার বাবা তাকে

48:28হারিয়ে দিবে। এরপরে লন আর আলফানসো সেখান

48:31থেকে এগিয়ে যায়। লুইস আর ডিওনের মধ্যে

48:33এখানে ভয়ানক একটা ফাইট শুরু হয়। কিন্তু

48:35ডিউন বলছিল তারা যেন সিরিয়াস হয়ে ফাইট

48:37করে। আর আসলে লুইস এই ফাইটটাকে খুবই

48:39হালকাভাবে নিচ্ছিল। লুইস একটা কিক মারলে

48:41ডিওন পেছনে সরে যায়। আর সে কিছুটা হাসে।

48:43আর এরপর সে তার আর্মর পড়ে নেয়। তবে লুইস

48:46এখানে তার আর্মর পড়ে না। আর ততক্ষণ আমি

48:48আমার আর্মর পড়বো না যতক্ষণ না তুমি আমাকে

48:50সত্যিটা বলছো যে তুমি কেন মেন্ডোদের সাথে

48:52হাত মিলিয়েছো। এতটুকু বলেই লুইস সেখানে

48:54বসে পড়ে। ডিয়ন এখানে একটানা তার উপরে

48:57অটাক করছিল। কিন্তু লুইস এখানে একটুও নড়ে

48:59না। সে চুপচাপ ওভাবেই বসে থাকে। তখন ডিয়ন

49:02পুরা সত্যিটা রিভিল করে দেয়। সেদিন লুইস

49:04যখন এনাকে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল ডিয়ন

49:06একা পড়ে যায় আর সোলজারদের সাথে ফাইট

49:09করতে থাকে কিন্তু সে একটা নাইট হওয়ায়

49:10হিউম্যানদেরকে মেরে ফেলতে পারছিল না সে

49:12অনবরত ওগুলোকে ডজ করছিল কিন্তু সোলজাররা

49:15অ্যারো দিয়ে তাকে অনেক সিরিয়াসলি ইনজুরড

49:18করে ফেলেছিল আর তাকে ঘিরে ফেলে তাকে মেরে

49:20ফেলতে চাচ্ছিল ডিয়ন তখন তার পাওয়ার ইউজ

49:22করে সবাইকে আহত করে ফেলে আর সে একটা

49:24সোলজারকে মেরেই ফেলতে যাচ্ছিল কিন্তু তখনই

49:26তার মনে পড়ে যে এনা একবার তাকে বলেছিল

49:29মানুষ খুবই দ্রুত করাপ্টেড হয়ে যায়

49:31কিন্তু আমরা নাইটরা জানি যে কোনটা ঠিক আর

49:33কোনটা ভুল। তাই মানুষ আমাদেরকে হেট করলেও

49:35বা মানুষ আমাদেরকে অ্যারোগেন্ট মনে করলেও

49:37আমরা কখনোই মানুষের উপরে অটাক করবো না।

49:40মানে এটা হচ্ছে তাদের নীতিমালা আর কি। তাই

49:42ডিওন ওই সোলজারটাকে তখন ছেড়ে দিয়েছিল।

49:44কিন্তু ওই সোলজারটা নিচে নেমে আসার পর

49:46পেছন থেকে ডিওনের উপরে অটাক করে। আর

49:48ডিয়নকে অনেক বাজেভাবে ইনজরড করে দেয়।

49:50এতে ডিয়ন প্রচুর পরিমাণে রেগে যায়। আর

49:52সে ডিসাইড করে যে সে আর কখনোই মানুষদেরকে

49:55প্রটেক্ট করবে না। সে তখন সেখানে থাকা সব

49:57সোলজারদেরকে মেরে ফেলে। কিছুক্ষণ পর

49:59সেখানে মেন্ডোজা আসে। সে তার পাওয়ার

50:01দিয়ে ডিয়ওনের বডিটাকে পুড়িয়ে দেয়।

50:03কিন্তু পরে তাকে একটা নতুন লাইফ দেয়। সে

50:05ডিওনকে তখন বলে আজকে থেকে তুমি আর মাকাই

50:08নাইট না। বরং আমরা দুজনে মিলে পুরা

50:10দুনিয়ার উপরে রুল করব। আর আমাদের

50:12রাস্তায় আসা সমস্ত প্রিট আর নাইটদেরকে

50:14মেরে ফেলবো। ডিয়ন তার এই কথাটায় রাজি

50:16হয়ে যায়। কিন্তু এই রিয়েলিটিটা শোনার

50:18পর লুইস বলে তোমার কথা আমার বিশ্বাস হচ্ছে

50:21না। জাস্ট কয়েকটা লোক অ্যাটাক করায় তুমি

50:23ধরে নিলে যে প্রত্যেকটা মানুষই খারাপ।

50:24তুমি শুরু থেকেই একটা বিশ্বাসঘাতক ছিলে।

50:27এরপরে লুইস তার আর্মর পড়ে নেয়। আর

50:29দুজনের মধ্যে এখানে প্রচন্ড পরিমাণে ফাইট

50:31হয়। অন্যদিকে লন আর আলফান্সনো উপরের একটা

50:34রুমে পৌঁছায়। সেখানে আলফান্সনো দেখে একটা

50:36মেয়ে কান্না করছে। আলফান্সনো তার কাছে

50:38গিয়ে বলে তোমার কান্না করার দরকার নেই।

50:40আমরা তোমাকে হেল্প করতে এসেছি। কিন্তু ঠিক

50:42তখনই মেয়েটা একটা মনস্টারে কনভার্ট হয়।

50:44আর হঠাৎ করেই আলফান্সনোর উপরে অটাক করে

50:47বসে। কিন্তু লন তখনই সেখানে চলে এসে ওই

50:49ডেমনটাকে মধ্যে থেকে দুই ভাগে কেড়ে ফেলে।

50:52ডেমনটার বাকি হাফ বডি তখন মেন্ডোজার দিকে

50:54পালাচ্ছিল। কিন্তু লন ওইটাকে স্পট করে আর

50:57অলমোস্ট তাকে মেরে ফেলে দেয়। এরপরে লন

50:59আলফান্স স্নোকে একটা রিয়েলিটি চেক দেয়।

51:01নেক্সট টাইম যদি কোন হিউম্যান দেখো তাহলে

51:03ধরে নিবে ওইটাই আসলে ডেমোন। লন তখন আরো

51:06নোটিশ করে যে ডেমনটা মেনোজার নাম নিয়ে

51:08একটা ওয়ালের দিকে যাচ্ছিল। মানে ড্যাম

51:10শিওর ওই ওয়ালের পেছনেই একটা সিক্রেট

51:12স্পেস আছে। দুজনে মিলে ওই ওয়ালটা মুভ

51:14করতেই তারা সেই সিক্রেট চেম্বারটা খুঁজে

51:16পায়। এদিকে লুইস আর ডিউন এর মধ্যে নেক্সট

51:19লেভেলের একটা ইনটেন্স ফাইট চলছিল। এত হাই

51:21লেভেলের ক্ল্যাশ চলছিল যে পুরা

51:23রাজপ্রাসাদের স্ট্রাকচারটাই ড্যামেজ হতে

51:25শুরু করে। কিন্তু কন্টিনিউয়াস ফাইটের পর

51:27দুজনেই একদম ড্রেইনড আর অনেক বেশি

51:29এক্সস্টেড হয়ে পড়ে। মানে দুজনেই প্রচুর

51:31পরিমাণে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা তাদের

51:33ফুল পাওয়ার দিয়ে লাস্ট অ্যাটাকটা করে।

51:35কিন্তু শকিংলি কারোরই কিছুই হয় না।

51:37দুজনেরই এখানে আর্মর গায়েব হয়ে গিয়েছিল।

51:39মানে দুজনেই এখানে ফেইল করে। কেউই কাউকে

51:42মারতে পারে না। লুইস যখন বলে যে ফাইনালি

51:44খেলা শেষ। ডিউন তখন রিফিউজ করে দেয়। সে

51:46বলে এত সহজে না। সে লুইসকে শেষ করতে এগলে

51:49লুইস তার দিকে একটা তলোয়ার ছুড়ে মারে।

51:51ডিয়ন ওটাকে ডচ করে আর ক্লোজ রেঞ্জে এসে

51:54লুইসের সাথে ক্ল্যাশ করে। মানে লুইসের

51:56সাথে ফাইট করে। লুইস তখন তার মেইন সোরটা

51:58দিয়ে এটাকে ব্লক করে তার হাতটা কেটে ফেলে

52:00দেয়। কিন্তু সে আসলে জানতো না যে ডিওনের

52:02সেকেন্ড হাতটা আসলে একটা সাইবরড মানে নকল

52:05হাত আর কি। এই নকল হাতের মধ্যে একটা

52:07ওয়েপন ছিল। আর এই ওয়েপনটা বা অস্ত্রটা

52:09দিয়ে সে লুইসকে মারাত্মকভাবে আহত করে

52:11ফেলে। এরপর সে লুইসকে বলে খেলা এখন শেষ

52:14হয়ে গেছে। লুইস নিজেও তখন কামব্যাক করে

52:16ফেলে। তখনই দেখা যায় লুইস যে তলোয়ারটাকে

52:18দূরে ছুড়ে মেরেছিল সেটা তখন বুমেরাঙের মত

52:20ব্যাক করে সোজা ডিয়ওনের শরীরের ভিতরে

52:22ঢুকে যায়। আর ডিয়ন এখানে সাথে সাথেই

52:24মারা যায়। একদম লাস্ট মোমেন্টে ডিওন আসলে

52:26রিয়ালাইজ করতে পারে যে সে আসলে কে ছিল।

52:28মারা যাওয়ার আগে সে অনেক বেশি ইমোশনাল

52:30হয়ে যায়। আর লুইসকে জিজ্ঞাসা করে এনা

52:33নিরাপদে আছে। তো লুইস তখন সত্যিটা লুকাতে

52:35মিথ্যা বলে। সে বলে হ্যাঁ এনা একদম

52:37নিরাপদে আছে। আর আমি ওকে প্রটেক্ট করব।

52:40ডিয়নের শেষ ইচ্ছা ছিল আমার আর্মোর সোটটা

52:42যেন কোন ডিজার্ভিং প্লেয়ারকে দেওয়া হয়।

52:44মানে উল্টাপাল্টা কেউ যেন তার আর্মর না

52:46পায়। লুইসও তখন প্রমিস করে আর ডিয়ওন

52:49মারা যায়। নিজের এত ভালো একটা বন্ধুকে

52:51হারিয়ে লুইস একদম ভেঙে পড়ে। এখন লন আর

52:53আলফান্সনো নিচে নামলে মেন্ডোজা তখন

52:55তাদেরকে ফেক কেয়ার করে। মানে তাদেরকে

52:57দেখানোর জন্য বলে যে আমি অনেক বেশি শান্তি

52:59পাচ্ছি। কারণ তোমরা বেঁচে আছো। তোমাদের

53:01জন্য আমার অনেক বেশি চিন্তা হচ্ছিল।

53:02আলফান্সনো তখন বুঝতে পারে যে মেন্ডোজা

53:05নাটক করছে। সে তখন এখানে রিএক্ট করে। লঞ্চ

53:07সহ্য করতে না পেরে ডিরেক্ট মেন্ডেজার উপরে

53:09চার্জ করে। তবে মেন্ডোজার চারপাশে একটা

53:11শক্তিশালী ব্যারিয়ার ছিল। এই কারণে

53:13মেন্ডোজার কিছুই হয় না। মেন্ডোজা একটা

53:15সিক্রেট ডার্ক পোর্টাল ওপেন করে। আর একটা

53:17বিশাল বড় সাইজের ডেমনকে রিলিজ করে দেয়। আর

53:20এইটা পুরো শহরকেই ধ্বংস করতে পারতো।

53:22আলফান্সনো আর লন দুজনেই আর্মর অন করে নেয়।

53:25আলফান্সনো লনকে মেন্ডোজাকে ইগনোর করতে বলে

53:28আর বলে ওই জায়েন্ট মনস্টারটাকে মেরে ফেলো।

53:30কিন্তু লন তখন ফুল রিভেঞ্জ মোডে ছিল।

53:32মেন্ডজা তখন বুঝতে পারে যে 17 বছর আগে যে

53:35বাচ্চাটা বেঁচে গিয়েছিল লনই হচ্ছে সেই

53:37বাচ্চাটা। মেন্ডোজা লনের ব্রেন সাইকোলজি

53:39হ্যাক করতে শুরু করে। সে তখন লনের মাথার

53:41ভেতরে তার মায়ের মৃত্যুর দৃশ্যটাকে

53:43বারবার মনে করাতে থাকে। মেন্ডোজা এখানে

53:45লনকে এমনভাবে ব্রেন ওয়াশ করছিল যে লন

53:47একটা সময় এসে তার কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলে।

53:49তার রাগ এখন এক্সট্রিম লেভেলে চলে যায়।

53:51আর তার আর্মর তার কন্ট্রোলের বাইরে চলে

53:53যায়। তার ডেঞ্জারাস আগুন এখন পুরো সিটিতে

53:55মানে পুরো শহরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তার

53:58রাগের কারণে মোটামুটি অর্ধেক শহর সাথে

53:59সাথেই সেখানে শেষ হয়ে যায়। আলফান্সনো

54:02তখন তাকে আটকানোর চেষ্টা করে কিন্তু সে

54:04তাকে আটকাতে পারে না। আলফান্সনো তখন

54:05প্রচুর পরিমাণে রেগে যায় আর লনকে

54:07রিয়েলিটি বুঝিয়ে দেয়। সে লনকে বলে তুমি

54:10আর যাই হও না কেন তুমি গারো বা গোল্ডেন

54:12নাইট হওয়ার যোগ্য না। তুমি রিভেঞ্জের

54:13চক্করে তুমি তোমার আসল ডিউটিটাই ভুলে

54:15গেছো। তুমি নিজেই দেখো তুমি আশেপাশের কত

54:17মানুষকে মেরে ফেলেছো। আলফানসনো যখন লনকে

54:20নিউট্রালাইজ করার ট্রাই করছিল লুইস তখন

54:22তাকে একটা সিক্রেট বলে দেয়। সে বলে তার

54:24ওয়েস্টের নিচে একটা সিক্রেট চিহ্ন আছে।

54:26আর ওইখানে হিট করলেই তার আর্মোর একদম শেষ

54:28হয়ে যাবে। লন এখানে তার চারপাশে আগুনের

54:31একটা ফায়ারওয়াল বানিয়ে রেখেছিল।

54:32আলফান্স স্নো তার আর্মর নিয়ে

54:34ফায়ারওয়ালের ভেতরে ঢোকে। ঠিক তখনই এমা

54:36ফ্রিজিং ম্যাজিক ব্যবহার করে লনকে

54:38পুরোপুরি ফ্রিজ করে দেয়। আলফান্স স্নো

54:40পারফেক্ট সুযোগ পেয়ে লনের ওই সিম্বলে হিট

54:42করে। আর লনের ওই আর্মরটা ব্রেক হয়ে যায়।

54:45লন তখন অজ্ঞান হয়ে গেলে লুইস তাকে ক্যাচ

54:47করে ফেলে। আলফান্সনো ঘোষণা দেয় যে আজ

54:49থেকে গাড়োর নতুন ওনার হচ্ছে আমি। সে লনের

54:52সর তুলে নিয়ে রিয়েল গোল্ডেন নাইট হয়ে

54:54যায়। এদিকে তখন আমরা দেখতে পাই যখন ওই

54:56বিশাল সাইজের ডেমনটা আলফাস্নোকে গিলে

54:58ফেলতে নিচ্ছিল। আলফান্স স্নো তখন তার নতুন

55:00পাওয়ার ব্যবহার করে। আর ওই ডেমনটাকে ভেতর

55:03থেকে কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলে। এরপরে

55:05মেন্ডোজার নিজেই অ্যাটাক করতে এলে

55:07আলফাস্নো স্লাইড করে সেখান থেকে সরে যায়।

55:09কারণ সে জানতো মনস্টারটার অর্ধেক বডি এখনো

55:12বেঁচে আছে। সেই হাফ ডেড মনস্টারটা

55:14মেন্ডোজাকে ব্যাকসাইড থেকে মানে পেছন থেকে

55:16গিলে ফেলে। আলফাস্নো তখন তার ফাইনাল

55:18অ্যাটাক করে এই জায়েন্ট ডিমন আর মেনোজা

55:21দুইজনকেই একসাথে মেরে ফেলে। ফাইট শেষে লন

55:24আলফান্সনোর কাছে এসে তার আর্মর ব্যাক চায়।

55:26কিন্তু লুইস লনকে সোজা বলে দেয় এই আর্মর

55:29আর তোমার নেই। আলফান্সনোই এখন এই আর্মরটার

55:31নতুন মাস্টার। লন তখন ইমোশনাল হয়ে তার

55:34আর্মরটা ফেরত চাইতে থাকে। আলফান্সো তখন

55:36ফুল ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে তাকে বলে তোমার

55:38চারপাশে তাকাও। পুরো সিটি যে জ্বলছে এটা

55:40কোন ডেমোনের কাজ না। এটা হচ্ছে তোমার

55:42আনকন্ট্রোল্ড রাগের কারণ। তুমি প্রতিশোধের

55:44চক্করে এই পুরো চারপাশটাই পুড়িয়ে ফেলেছো।

55:47তাই তুমি আর নাইট হতে পারবে না। তোমার মত

55:49একজন সাইকো রিভেঞ্জ সিকার কখনোই মাকাই

55:52নাইট হতে পারে না। লন তখন কান্নাকাটি করে

55:54বলে বাবা প্লিজ আমার আর্মরটা আমাকে দিয়ে

55:56দাও। ওইটাই আমার মায়ের সেই স্মৃতি। লুইস

55:58লনকে অনেক জোরে একটা পাঞ্চ মেরে তাকে

56:00ক্লিয়ারলি বলে দেয় যে তোমার মাথায়

56:02ভালোভাবে এটা ঢুকিয়ে নাও। তুমি আর নাইট

56:04না। লুইস তখন লনের হাত থেকে ওই পাওয়ার

56:07রিংটাও নিয়ে নেয়। আর তারপর বলে তুমি এখন

56:09ভেবে দেখো তুমি তোমার জীবনে আসলে কি করতে

56:11চাও? আলফাসনো তখন ওপেন চ্যালেঞ্জ দেয়।

56:13আরমর চাইলে তোমাকে আমার সাথে ফাইট করতে

56:15হবে। আমার সাথে ফাইট করে জিতে তোমার আর্মর

56:17তুমি নিয়ে নাও। কিন্তু লন আর ফাইট করতে

56:20চাইছিল না। সে তখন চুপচাপ সেখান থেকে চলে

56:22যেতে থাকে। যাই হোক এরপরে আমরা দেখতে পাই

56:24প্যালেসে আলফান্স স্নো ব্যাক করতেই সবাই

56:26তাকে নতুন রাজা হিসেবে একসেপ্ট করে নেয়।

56:29কিন্তু সে সোজাসুজি তার মায়ের কাছে যায়।

56:31সেখানে গিয়ে সে জানতে পারে তার মা

56:32ম্যান্ডোজার ট্র্যাপ থেকে বা ম্যান্ডোজার

56:34ফাদ থেকে বাঁচতে আগেই সুইসাইড করে

56:36ফেলেছিল। আলফাসনো তখন সেখানে কান্না করতে

56:39থাকে আর বলতে থাকে মা তোমার একটু ওয়েট

56:41করা উচিত ছিল। আমি তোমাকে বাঁচাতেই

56:42এসেছিলাম। অন্যদিকে আমরা দেখতে পাই লন একা

56:45একা ট্রাভেল করছিল আর ভাবছিল মেন্ডোজা তো

56:47মারাই গেছে আর আমার আর ফাইট করার কোন

56:49দরকার নেই লন তার জীবন থেকে সব আশা

56:51হারিয়ে ফেলেছিল ওইদিকে লুইসের বডি থেকে

56:54অনেক বেশি পরিমাণে রক্ত বের হয়ে গিয়েছিল

56:56এই কারণে সে রাস্তাতেই অজ্ঞান হয়ে যায়

56:58এদিকে আলফান্স স্নো তার মায়ের মেমোরিতে

57:00অনেক বেশি ইমোশনাল হয়ে যায় আর সে বুঝতে

57:02পারে যে লন আসলে কি পরিমাণ কষ্টের মধ্যে

57:05আছে সে ভাবতে থাকে আজকে আমি যদি লনের

57:07জায়গায় থাকতাম তাহলে আমিও হয়তোবা এই

57:09পরিমাণই রেগে যেতাম আর রাগের বসে আমিও

57:12হয়তোবা লনের মতই ভুল করতাম। সবশেষে আমরা

57:14লনকে একটা পাহাড়ের চুড়ায় দাঁড়িয়ে

57:16থাকতে দেখতে পাই। সে আকাশের দিকে তাকিয়ে

57:18তার মাকে বলে, মা তোমাকে অনেক বেশি

57:20ধন্যবাদ আমার জন্য এত বেশি কেয়ার করার

57:22জন্য। আর এরপরেই আমরা দেখতে পাই সে এই

57:25পাহাড়ের চুড়া থেকে নিচে লাফ দেয়। আর

57:27এখানেই এই এ্যানিমে সিরিজটা শেষ হয়ে

57:29যায়। তো তোমাদের কাছে এই অ্যানিমেটা মানে

57:31গারোদা দা এ্যানিমেশন সিরিজটা কেমন লাগছে

57:33সেটা অবশ্যই কমেন্টে জানিয়ে দিও। আজকের

57:35মত আমি এখানেই বিদায় নিচ্ছি। ভালো থাকো,

57:37সুস্থ থাকো। আল্লাহ হাফেজ

Recently added transcripts

Browse the whole transcript library

This transcript was generated from the captions YouTube publishes for this video. Get the transcript of any YouTube video atfreeyoutubetranscribe.com, free, unlimited, no sign-up.