Full transcript
0:00আপনি যদি মনে করেন যে এআই ইউজ করলে শুধু
0:02স্টুডেন্টসরাই অলস হয়ে যায় তাহলে
0:04ব্যাপারটা পুরোপুরি ঠিক না ভাই আসল
0:06প্রবলেমটা হচ্ছে এআই না প্রবলেমটা হচ্ছে
0:09আপনি এআই কিভাবে ইউজ করছেন আমাদের দেশে
0:12বেশিরভাগ স্টুডেন্ট এআই দিয়ে সরাসরি
0:14অ্যাসাইনমেন্ট লিখে নেয় [মিউজিক]
0:15অ্যানসার কপি করে তারপর ভাবে যে স্টাডি
0:17শেষ আমার কিন্তু যারা টপার লেভেলের মানে
0:20খুব ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট তারা এআইকে
0:22শর্টকাট হিসেবে না বরং একজন পার্সোনাল
0:24টিউটর হিসেবে ইউজ করে আর আজকে আমি দেখাবো
0:27কিভাবে এআই বিশেষ করে নোটবুক এলএম ব্যবহার
0:30করে আপনি পুরো স্টাডি প্রসেসটাই অনেক
0:32স্মার্ট করতে পারবেন। লেকচারের আগের
0:33প্র্যাকটিস থেকে স্টার্ট করে একদম
0:36এক্সামের আগের রিভিশন পর্যন্ত সবকিছু
0:38দেখাবো। ধরুন আগামীকাল আপনার একটা ক্লাস
0:41আছে। বেশিরভাগ মানুষ কি করে জানেন? ক্লাসে
0:43যায় স্যার যা পড়ায় সেটা প্রথমবারের মতো
0:46শোনে। তারপর সেটা নোট করে তারপর অর্ধেকেই
0:48মাথার উপর দিয়ে চলে যায় আর কি। কিন্তু
0:50যদি আপনি ক্লাসে যাওয়ার আগে সেই বিষয়টা
0:52সম্পর্কে পাঁচ মিনিটের একটা ওভারভিউ নিয়ে
0:54ফেলেন তখন কিন্তু পুরো ব্যাপারটাই কিন্তু
0:56চেঞ্জ হয়ে যাবে। যেমন ধরেন হিস্ট্রি
0:58পড়ছেন আপনি। পুরো চ্যাপ্টার মুখস্ত করার
1:00আগে নোটবুক এলেম দিয়ে একটা ছোট্ট অডিও
1:03ওভারভিউ বানিয়ে আপনি শুনে নিতে পারেন।
1:05এতে অন্তত বুঝে যাবেন যে পুরো স্টোরিটা
1:07আসলে কি নিয়ে কোন ঘটনা আগে ঘটেছে
1:09ইখতিয়ার উদ্দিন বিন বখতিয়ার খিলজি কবে
1:12এসেছিলেন বাবরের ছেলে হুমায়ুন শাহজাহান
1:14যেভাবে তাজমহল বানিয়েছিলেন সবকিছুর একটা
1:16ক্লিয়ার ইমেজ মাথায় আপনার তৈরি হয়ে
1:18যাবে তখন। আবার যদি আপনি শুধু ম্যাথ পড়েন
1:20তাহলে শুধু ফর্মুলা দেখলেই তো ভয় লাগে।
1:23সবারই ভয় লাগে। কিন্তু যদি এ আই আগে
1:26আপনাকে সেটা বুঝিয়ে দেয় যে এই ফর্মুলা
1:28আসলে কেন এসেছে বাস্তবে কোথায় ব্যবহার
1:30করা হয় তখন বিষয়টা কিন্তু আপনার কাছে
1:32আরো ইজি লাগবে আগে কনসেপ্ট দেন ফর্মুলা এই
1:35অর্ডারটি কিন্তু সব থেকে বেশি কার্যকরী
1:37ফিজিক্সের ক্ষেত্রেও সেম ব্যাপার অনেক
1:39সময় বই পড়ে কিছুই বোঝা যায় না কিন্তু
1:41একটা ছোট্ট এক্সপ্লেনার ভিডিও বা ভিজুয়াল
1:44ওভারভিউ দেখলে সেটা মুহূর্তের মধ্যে
1:46আমাদের মাথায় মানে সেটা ক্যাপচার করে
1:48ফেলে। কারণ ফিজিক্স শুধু ইকুয়েশন না এটা
1:51চারপাশে পৃথিবীকে বোঝার একটা
1:53ল্যাঙ্গুয়েজ। আর বায়োলজির কথা বললে তো
1:55এখানে আরো বেশি পরিমাণের ভিজুয়াল এডিশন
1:57দরকার। শুধু বইয়ের পিকচার দেখে সেল
1:59ডিভিশন বা ডিএনএর এপ্লিকেশন বোঝা অনেক
2:02টাফ। হুম, আগে আমরা কত পড়ছি, মুখস্ত
2:04করছি। কিন্তু এআই যদি এনিমেশন বা ভিজুয়াল
2:08এক্সপ্লেনেশন দিয়ে দেখায় কিভাবে পুরো
2:10প্রসেসটা হচ্ছে তখন সেটা আর মুখস্ত করতে
2:12হবে না। নিজে থেকে সেটা মনে থাকবে। মাথার
2:14মধ্যে সেটা সেট হয়ে যাবে। আমি মানে কি
2:16নিয়ে কি জিনিসটা দেখেছি [মিউজিক] আর কি।
2:18তো এখন একটা কোশ্চেন আসে। শুধু ভিডিও
2:21দেখলাম, অডিও শুনলাম। এগুলো কি এনাফ?
2:24একদমই না। কারণ প্যাসিভ লার্নিং খুব বেশি
2:27সময় কাজ করে না। আপনি ভিডিও চালিয়ে রেখে
2:29মোবাইল স্ক্রল করলেও ভিডিও চলবে। কিন্তু
2:31মাথায় কিছু ঢুকবে না আপনার। তাই আমি একটা
2:34কাজ অলওয়েজ করি। যেটা বুঝতে পারছি না
2:36সেটা সঙ্গে সঙ্গে নোট করে রাখি। প্রশ্নটা
2:38যতই ছোট হোক, যতই ইউজলেস হোক সেটা আমি নোট
2:41করে রাখি অথবা লিখে রাখি। যেমন এই ফর্মুলা
2:43কেন প্রয়োজন অথবা এই ঘটনাটা আগে নাকি পরে
2:46ঘটেছে কিংবা এই প্রসেসটা এমন হলো কেন? এই
2:50প্রশ্নগুলো কিন্তু আপনার ব্রেনকে একটিভ
2:52করে দেয়। কারণ তখন আপনি শুধু ইনফরমেশন
2:54কনজুম করছেন না বরং আপনি এনসার করছেন। আর
2:56মানুষ যখন এন্সার খুঁজতে স্টার্ট করে তখনই
2:59আসল লার্নিংটা স্টার্ট হয়ে যায়। এরপর
3:01যখন ক্লাসে যাবেন একটা জিনিস সবসময়
3:04করবেন। সেটা হচ্ছে সবকিছু লিখে নেওয়ার
3:06চেষ্টা আপনি কখনোই করবেন না। অনেকে কিন্তু
3:08ক্লাসে বসে স্যারের প্রত্যেকটা ওয়ার্ড
3:10লিখতে মানে অনেক বিজি হয়ে যায়। ফলে কোনো
3:13কিছু সময় সময় পায় না। বরং যে জিনিসটা
3:15আসলেই ইম্পর্টেন্ট সে জিনিসটা আপনি নিজের
3:17ভাষায় লিখে রাখবেন। তাহলে জিনিসটা আপনি
3:19সহজেই ক্যাচ করতে পারবেন। এই ফিল্টারিং
3:22প্রসেসটাই আপনার ব্রেইনকে কাজ করায়। তবে
3:24আমার একটা প্রবলেম আছে এখানে। অনেকে ভাবে
3:27যে যদি ইম্পর্টেন্ট কিছু মিস করে ফেলি
3:30তাহলে কি হবে? এই সমস্যারও সুন্দর একটা
3:32সলুশন আমার কাছে আছে। এখন অনেক নোটকিং
3:34অ্যাপ পুরো লেকচার রেকর্ড করে। অডিও
3:37ট্রান্সক্রিপ্ট বানিয়ে দেয়। এমনকি কোন
3:39সময় আপনি কোন নোট লিখেছেন সেটাও
3:42টাইমস্ট্যাপ সহ সেভ করে রাখে। মানে আপনি
3:45নিশ্চিন্তে কনসেপ্ট বোঝার দিকে ফোকাস করতে
3:47পারবেন একচুয়ালি। কারণ যদি কিছু মিসও
3:50হয়ে যায় পরে পুরো ট্রান্সক্রিপ্টটা দেখে
3:52আবার রিভিউ করতে পারবেন আপনি। এতে একদিকে
3:54আপনার এটেনশন নষ্ট হবে না। আবার অন্যদিকে
3:57ইনফরমেশনটাও হারিয়ে যাচ্ছে না। এখন
3:59পর্যন্ত আপনি টপিক সম্পর্কে মোটামুটি একটা
4:02ধারণা পেয়ে গেছেন। এবার আসল কাজ স্টার্ট।
4:04এন্ড এখান থেকে স্টার্ট হয়ে যাচ্ছে একটা
4:06জিনিস মুখস্ত করে পড়া আরেকটা হচ্ছে যে
4:09সত্যি সত্যি বুঝে পড়ার মধ্যে যে
4:10ডিফারেন্সটা সেটা একটা চ্যাপ্টার যদি শত
4:13শত ইনফরমেশন দিয়ে মানে ভরে থাকে তাহলে
4:15সেগুলোকে আপনি মাথায় এলোমেলো ভাবে রাখলে
4:17কোন আসলে লাভই হবে না আপনাকে কিন্তু ওই
4:19জিনিসগুলোর সাথে কানেক্ট হতে হবে একটা
4:21ইনফরমেশনের সাথে আরেকটা রিলেশনশিপটা
4:23কিন্তু আপনার বুঝতে হবে তখন পুরো টপিকটা
4:26স্টোরির মতো আপনার মনে থাকবে যেমন
4:28হিস্ট্রি [মিউজিক] পড়ছেন নোটবুক এলেনকে
4:30আপনি বলেন যে পুরো চ্যাপ্টারের একটা
4:32টাইমলাইন টেবিল বানিয়ে দিতে তখন তখন আপনি
4:35এক নজরেই দেখতে পারবেন যে কোন ঘটনা আগে
4:37ঘটেছে, কোনটা পরে হয়েছে, কোনটার কারণে
4:40পরের ঘটনাটা ঘটছে। মুখস্ত করার বদলে পুরো
4:43ফ্লোটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে তখন আপনার
4:45কাছে। আবার বায়োলজি হলে একটা ইনফোগ্রাফিক
4:48জেনারেট করতে পারেন। ফরসে হিউম্যান
4:50ডাইজেস্টিভ সিস্টেম বা সেল সাইকেল পুরো
4:53প্রসেসটা ভিজুয়াল আকারের সামনে চলে এলো।
4:56তখন বইয়ের 10টা পৃষ্ঠা পড়ার বদলে একটা
4:59জাস্ট ডায়াগ্রাম দেখে আপনি অনেক কিছু
5:01বুঝে ফেলতে পারবেন। আবার এদিকে ফিজিক্সের
5:03ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা কিন্তু সেম। বিভিন্ন
5:05ফর্মুলা আর কনসেপ্ট এর মধ্যে কি কানেকশন
5:08আছে সেটা ভিজুয়াল ফরমেটে দেখলে আপনার
5:10মাথায় অনেক ইজিলি ঢুকে যায়। আর যেকোনো
5:12সাবজেক্টের জন্য আমি অলওয়েজ একটা জিনিস
5:14রেকমেন্ড করি। আর সেটা হচ্ছে মাইন্ড
5:16ম্যাপ। নোটবুক এলেন কিন্তু কয়েক
5:18সেকেন্ডেই একটা মাইন্ড ম্যাপ বানিয়ে দিতে
5:20পারে। এটা পুরো চ্যাপ্টারের একটা
5:22হাইরার্কি দেখায়। কোনটা মেইন টপিক, কোনটা
5:24সাব-টপিক, কোনটা আবার তার নিচের কনসেপ্ট।
5:27তবে একটা কথা বলি। এআই দিয়ে মাইন্ড ম্যাপ
5:30বানানো ভালো। কিন্তু নিজের হাতে মাইন্ড
5:32ম্যাপটা বানালে কিন্তু সেটা আরো বেস্ট হয়।
5:34কারণ যখন আপনি নিজে একটা কনসেপ্টের সঙ্গে
5:36আরেকটা কনসেপ্ট কানেক্ট করবেন তখন আপনার
5:39ব্রেইন আসলে নতুন নিউরাল কানেকশন ক্রিয়েট
5:42করবে। আর এই কানেকশনই পরে এক্সামের সময়
5:44এন্সার রিকল করতে আপনাকে হেল্প করবে। ধরুন
5:47হিস্ট্রিতে একটা ঘটনার কজ থেকে ইফেক্ট
5:50কানেক্ট করলেন। বায়োলজিতে একটা অর্গানের
5:52সঙ্গে আরেকটা অর্গানের রিলেশনশিপ দেখালেন।
5:54ম্যাথে একই ধরনের প্রবলেম এক গ্রুপে
5:57রাখলেন। ফিজিক্সে একই প্রিন্সিপাল দিয়ে
5:59সলভ হওয়ার প্রবলেমগুলো একসাথে [মিউজিক]
6:01রাখলেন। এই ছোট্ট ছোট্ট কাজগুলোই আসলে ডিপ
6:04আন্ডারস্ট্যান্ডিং ক্রিয়েট করে। তো এরপর
6:05আসে সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট স্টেপ। নিজের উইক
6:08স্পট খুঁজে বের করা। অনেকে ভাবে আমি তো
6:10পড়েই ফেলছি। কিন্তু সত্যি কথা হচ্ছে যে
6:13আপনি কোথায় ভুল করছেন সেটা না জানলে
6:16ইমপ্রুভমেন্টও কিন্তু হবে না। এখানেই
6:18নোটবুক এলেমের একটা দারুন ফিচার আছে। ডিপ
6:21ড্রাইভ অডিও। এখানে আপনি এআই এর সাথে একদম
6:23মানুষের মত কনভার্সেশন করতে পারবেন। ধরুন
6:25এআই বলল যে ফুড সারপ্লাস থেকে সোশিয়াল
6:28হায়রার্কি তৈরি হয়েছে। আপনি সঙ্গে সঙ্গে
6:30আস করলেন। কিন্তু কেন? এআই আবার আপনাকে
6:32এক্সপ্লেন করলো। তারপর আপনি আবার কোশ্চেন
6:34করলেন। তার আগে তো সবাই সমান ছিল। তাহলে
6:37কিছু মানুষ ধনী হলো কি হবে? আবার নতুন
6:39এক্সপ্লেনেশন মানে যতক্ষণ না আপনার পুরো
6:42বিষয়টা ক্লিয়ার হচ্ছে ততক্ষণ হোয়াই
6:45কোশ্চেন করতে পারবেন আপনি। আর আরেকটা মজার
6:47ব্যাপার হচ্ছে যে এই হোয়াই কোশ্চেনই
6:50লার্নিং এর সবচেয়ে পাওয়ারফুল টেকনিক।
6:52কারণ মুখস্ত করা ব্রেন খুব ফাস্ট ভুলে
6:55যায়। কিন্তু যেটার কারণ বোঝে সেটা
6:57অনেকদিন মনে রাখে। ধরুন আপনি বায়োলজি
7:00পড়ছেন। আপনি আস করলেন সুগারের মধ্যে
7:02কার্বন থাকে কেন? এআই শুধু এনসারই দেবে
7:04না। স্টেপ বাই স্টেপ এক্সপ্লেইন করবে যে
7:06ফটোসিন্থেসিস থেকে স্টার্ট করে পুরো
7:08কেমিক্যাল প্রসেসটা আর কি। আবার আপনি
7:10ফিজিক্স পড়ছেন ধরুন আপনার মাথায় প্রশ্ন
7:12আসলো যদি আমার একটা টুইন থাকে আর সে 10
7:15বছর ধরে অনেক স্পিডে গাড়ি চালায় তাহলে সে
7:17কি কম বয়সী থাকবে? এই প্রশ্ন থেকে এ
7:19আপনাকে নিয়ে যাবে আইনস্টাইনের থিওরি অফ
7:21ক্রিয়েটিভিটি পর্যন্ত। মানে একটা সিম্পল
7:23কিউরিসিটি থেকে আপনি অনেক বড় একটা কনসেপ্ট
7:25শিখে ফেলতে পারেন এখানে। [মিউজিক] এটাই
7:27আসলে এর সবচেয়ে বড় পাওয়ার। সে শুধু এনসার
7:30দেয় না। সে আপনার কিউরিসিটিকে বাঁচিয়ে
7:32রাখে। আর একজন ভালো স্টুডেন্টের সবচেয়ে
7:34বড় কোয়ালিটি হচ্ছে কিউরিসিটি। এখন
7:36পর্যন্ত আপনি বিষয়টা আশা করি বুঝেছেন।
7:38এবার দেখার পালা। সত্যি সত্যি বুঝেছেন
7:41নাকি শুধু মনে হচ্ছে আপনি বুঝেছেন। আর এটা
7:43চেক করার সবথেকে ভালো ওয়ে হচ্ছে আপনি
7:45নিজেই নিজেকে পরীক্ষা করেন। নোটবুক এলএম
7:47দিয়ে একটা কুইজ জেনারেট করতে পারেন।
7:49স্লাইড বানাতে পারেন। অথবা সবচেয়ে ভালো
7:52ওয়ে হলো কাউকে পড়ানোর চেষ্টা করা। কাউকে
7:54না পেলে নিজে নিজের সামনে এক্সপ্লেইন
7:56করুন। আর আপনি যদি কাউকে নাই পান তাহলে
7:58আপনি নিজেই নিজের সামনে এক্সপ্লেইন করুন।
8:00যেখানে আটকে যাবেন সেখানে বুঝবেন আপনার
8:02নলেজ গ্যাপ আছে। তবে একটা ভুল অনেকেই করে
8:04সেটা হচ্ছে মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেনের ঠিক
8:07ন্সার পেলেই ভাবে যে সব শিখে ফেলেছে। আসলে
8:09সেটা রিকগনিশন লার্নিং না। চেষ্টা করুন
8:12এন্সার দেখার আগে নিজের ভাষায় জিনিসটাকে
8:14এক্সপ্লেন করতে। কেন এই ন্সারটা ঠিক সেটা
8:17আগে বলুন। এতে ব্রেন কিন্তু অনেক বেশি
8:19একক্টিভ থাকে। তো এরপর আসে ফ্লাশ কার্ড।
8:22নোটবুক এলেম ফ্লাশ কার্ড বানিয়ে দিতে
8:24পারে। কিন্তু শুধু ফ্লাশ কার্ড বানালেই তো
8:26হবে না। নিয়মিত রিভিউ করাটাই আসল বিষয়।
8:28কারণ আমাদের ব্রেইন ধীরে ধীরে সব ভুলে
8:30যায়। কিন্তু ঠিক সময় যদি সেগুলো আবার
8:33রিকল করেন তাহলে সেই ইনফরমেশন অনেকদিন মনে
8:36থাকে। আর এটাকেই বলে স্পেস রেপিটিশন। আর
8:39এই কারণে অনেক স্টুডেন্ট কম পড়েও বেশি
8:41মনে রাখতে পারে। এন্ড সর্বশেষ একটা কথাই
8:43বলবো সেটা হচ্ছে এআই কখনোই আপনার ব্রেইনের
8:46বিকল্প হতে পারবে না। এআই হলো এমন একটা
8:48টুল যেটা আপনাকে আরো ফাস্ট লার্নিং এ
8:51হেল্প করবে। যদি শুধু কপি পেস্ট করার জন্য
8:53এআই ব্যবহার করেন তাহলে লাভের চেয়ে ক্ষতি
8:56বেশি হবে। কিন্তু যদি একে নিজের পার্সোনাল
8:58টিউটর হিসেবে ব্যবহার করেন, কোশ্চেন করেন,
9:00কনসেপ্ট বোঝেন, প্র্যাকটিস করেন আর
9:02রেগুলার রিভিশন করেন তাহলে একই সময়ে আগের
9:04চেয়ে অনেক বেশি এফিশিয়েন্ট ভাবে আপনি
9:06স্টাডি করতে পারবেন। তাহলে বলুন তো আপনি
9:09এআই দিয়ে কি শুধু এসাইনমেন্ট করেন নাকি
9:12সত্যি সত্যি শেখার জন্য ব্যবহার করেন?
9:13সেটা অবশ্যই আপনি কমেন্টে জানিয়ে দিবেন।
9:15তো আশা করি আজকের টপিকটা আপনাদের কাছে খুব
9:17ইন্টারেস্টিং লেগেছে। এরকম আরো
9:19ইন্টারেস্টিং টপিক সম্পর্কে জানতে আমাদের
9:21চ্যানেলটি অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করবেন। এন্ড
9:23এই ভিডিওটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে
9:25অবশ্যই ভিডিওটি লাইক এন্ড শেয়ার করবেন।
9:27সো দেখা হবে পরের কোন ভিডিওতে। নতুন কোন
9:29ইন্টারেস্টিং টপিক নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই
9:30ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।