Full transcript
0:00গল্পের শুরুতে একটা পাহাড়ের চূড়া দেখানো
0:02হয়। সেখানে একটা ছোট্ট শিয়াল আর একটা
0:04ব্যাঙ মনের আনন্দে খেলা করছে। খেলতে খেলতে
0:07শিয়ালটা একটা বিশাল খাদের [মিউজিক]
0:08কিনারায় চলে যায়। ঠিক তখনই সে নিজে পড়ে
0:11যেতে লাগে। কিন্তু তখনই একটা ছোট্ট ছেলে
0:13এসে শিয়ালটাকে বাঁচিয়ে নেয়। [মিউজিক]
0:15ছেলেটা শিয়ালটাকে তো উপরে তুলে দেয়।
0:17কিন্তু নিজে টাল সামলাতে না পেরে খাদের
0:19দিকে ঝুলে পড়ে। শিয়ালটা বুঝতে পারে না
0:21কিভাবে ছেলেটাকে বাঁচাবে। সে তার থাবা
0:23দিয়ে ছেলেটার হাত ধরতে যায়। কিন্তু
0:25ভুলবসত শিয়ালের নোখের আঁচড় ছেলেটার হাতে
0:28লেগে যায়। শেষে টাল সামলাতে না পেরে
0:30ছেলেটা সেই বিশাল খাদ থেকে নিচে পড়ে মারা
0:33যায়। এরপর শিয়ালটা খাদ দিয়ে নিচে নেমে
0:35আসে। শিয়ালটা মনে মনে ভাবে যে ছেলেটা
0:37আমাকে বাঁচালো আমি তাকে বাঁচাতে পারলাম
0:39না। এই ভেবে শিয়ালটা খুব কাঁদতে শুরু
0:41[মিউজিক] করে। তার চোখের জল ছেলেটার হাতের
0:44ঠিক ওই আঁচড়ের উপর পড়ে। ঠিক এর পরেই সিন
0:47কাট হয়। আকাশ থেকে অনেক শিয়াল পৃথিবীতে
0:49লাফিয়ে পড়ে। মাটিতে পা রাখতেই তারা সবাই
0:52মানুষ হয়ে যায়। তারা সবাই একটা গুহার
0:54দিকে এগোতে থাকে। ওই দলের মধ্যেই আমাদের
0:56হিরোও ছিল। গুহায় ঢোকার আগে সবাইকে একটা
0:59বিশেষ হাতের মুদ্রা দেখাতে হচ্ছিল। আমাদের
1:01হিরো একটু ঘাবড়ে যায়। সে চুপি চুপি
1:04ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। কিন্তু পাহারাদার
1:06তাকে আটকে দেয়। পাহারাদার কড়া গলায়
1:08বলে, তোমার মুদ্রা দেখাও। হিরো তখন একটা
1:10ভাঙ্গা পাথর দেখায়। এটা দেখে পাহারাদার
1:13রেগে গিয়ে বলে, তুমি আমাকে বোকা বানাচ্ছ।
1:15এক্ষুনি এখান থেকে চলে যাও। হিরো হাসতে
1:17হাসতে বলে, আরে ঠিক আছে। আমি ঠিক ভেতরে
1:20যাওয়ার রাস্তা পেয়ে যাব। এই বলে হিরো
1:22সেখান থেকে চলে যায়। এরপর গুহার ভেতরে
1:24নটা লেজওয়ালা একটা শিয়াল মানুষের রূপ
1:26নেয়। ইনি হলেন এই শিয়ালদের গুরু বা
1:29নেতা। গুরু কথা বলতে শুরু করেন। ঠিক তখনই
1:31দেখা যায় হীর গুহার এক কোনায় লুকিয়ে
1:33লুকিয়ে সব দেখছে। [মিউজিক] গুরু এখন
1:35সবাইকে একটা বড় নিয়ম বোঝান। নিয়মটা হলো
1:38এখানে থাকা সব শিয়ালকে একটা করে মুক্ত
1:40খুঁজে আনতে হবে। সেই মুক্ত পেলেই তারা
1:43অমরত্ব লাভ করবে। এই মুক্তগুলো সাধারণ
1:45মানুষের শরীরের ভেতরে থাকে। শিয়ালদের কাজ
1:48হলো মানুষদের বোকা বানিয়ে তাদের কাছ থেকে
1:51ওই মুক্ত নেওয়া। কিন্তু এখানে একটা করা
1:53নিয়ম আছে। মানুষের অনুমতি ছাড়া জোর করে
1:55মুক্ত নেওয়া যাবে না। সেখানে থাকা কিছু
1:58ছাত্র ইতোমধ্যে মুক্ত নিয়ে এসেছে। গুরু
2:00একজন ছাত্রীকে জিজ্ঞেস করেন তুমি এই মুক্ত
2:02কিভাবে পেলে? মেয়েটা বলে আমি ওই লোকটার
2:05স্ত্রীর রূপ ধরেছিলাম। তারপর আমি মৃত্যুর
2:07ভান করি। লোকটা আমাকে ভালোবেসে নিজেই তার
2:10মুক্ত আমাকে দিয়ে যায়। এই মেয়েটি আসলে
2:12একটা কালো মুক্ত পেয়েছে। মুক্তটা শরীরে
2:14ঢোকা মাত্রই মেয়েটার পাঁচটা লেজ গজিয়ে
2:16যায়। তার শক্তিও অনেক বেড়ে যায়। গুরুর
2:19কথা থেকে জানা যায় এই মুক্তগুলোর মধ্যে
2:21একটা সাদা মুক্ত আছে। সেটা পাওয়া সবচেয়ে
2:24কঠিন। হাজার বছরে মাত্র একবার কোন মানুষের
2:27শরীরে এই সাদা মুক্ত তৈরি হয়। গুরু
2:29সবাইকে বলেন তোমাদের ওই সাদা মুক্ত খুঁজে
2:32বের করতে হবে। ওটা পেলেই তোমাদের নটা লেজ
2:34গজাবে আর তোমরা অমর হয়ে যাবে। ঠিক তখনই
2:37সেখানে একটা ম্যাজিক ক্রিস্টাল পাথর ভেসে
2:39ওঠে। ছাত্ররা পাথরটায় হাত রাখতেই সেটা
2:41জলজল করতে শুরু করে। কিন্তু আলোটা
2:43সম্পূর্ণ হয় না। এটা দেখে গুরু বলেন,
2:46এখনো কে বাকি আছো? জলদি এসো। তখন হিরো উপর
2:49থেকে লাফিয়ে নিচে পড়ে। সে বলে গুরুদেব
2:51আমি এসে গেছি। লাফ দিতে গিয়ে সে মাটিতে
2:54বেশ জোরে আছড় খায়। সবাই তাকে দেখে হাসতে
2:56থাকে। একজন ছাত্র [মিউজিক] বলে তুমি
2:58জীবনেও ওই সাদা মুক্ত পাবে না। তুমি এখান
3:00থেকে যাও। হিরো তখন বলে, আরে গুরু তো
3:02বললেন, কেউ একজন বাকি আছে। আমি একবার
3:04চেষ্টা করে দেখি। গুরু রাজি হয়ে যান।
3:06হিরো এই ক্রিস্টালে হাত রাখে। সাথে সাথে
3:09ক্রিস্টালটা সম্পূর্ণ আলো দিয়ে জ্বলে
3:10ওঠে। এরপর সব ছাত্রদের হাতে একটা করে
3:13চিহ্ন ফুটে ওঠে। এই চিহ্নটা বলে দেবে
3:15তাদের মুখ তো কার শরীরের ভেতরে আছে,
3:18কিন্তু হিরোর হাতে কোন চিহ্ন আসে না। হিরো
3:20মনে মনে ভাবে আমার চিহ্ন কোথায়? ঠিক তখনই
3:23ক্রিস্টালটা হিরোর হাতটাকে টেনে নেয়।
3:25তারপর হিরোর হাতেও একটা চিহ্ন ফুটে ওঠে।
3:27চিহ্নটা দেখে হিরো ভীষণ খুশি হয়ে যায়।
3:29সে সবাইকে দেখিয়ে বলতে থাকে আমার হাতেও
3:32চিহ্ন এসে গেছে। তখন একজন বলে, তোমার
3:34চিহ্ন তো পুরো আসেনি। হিরো তখন নিজের হাত
3:37ভালো করে দেখে। সত্যি তো চিহ্নটা
3:39অসম্পূর্ণ। শুধু একটা কানের ছবি উঠেছে।
3:41এরপর গুরু হিরোকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে
3:44যান। গুরু বলেন, তোমার চিহ্ন অসম্পূর্ণ।
3:46তাই তোমার জীবনে বড় বিপদ আসতে পারে।
3:48[মিউজিক] খুব সাবধানে থাকবে। গুরু আরো
3:50বলেন, তুমি আমাদের লাল শিয়াল বংশের মধ্যে
3:52একমাত্র আলাদা। [মিউজিক] কারণ তুমি 500
3:55বছর ধরে অমরত্বের অধিকারী। তুমি একটা
3:57অদ্ভুত জন্ম। হিরো মনে মনে এসব ভেবে খুব
3:59খুশি হয়। কিন্তু গুরু হঠাৎ বলেন, আরে এমন
4:02কিছুই না। তোমাকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে
4:04এনেছিলাম। এ কথায় হিরোর মুখটা চুপসে
4:06যায়। গুরু বলেন, এই মুক্ত খুঁজতে গিয়ে
4:08তোমার অনেক বিপদ হতে পারে। তাই এই ছুরিটা
4:11নিজের কাছে রাখো। এই বলে গুরু তাকে একটা
4:13ছুরি দেন। হিরো ছুরিটা হাতে নিয়ে বলে,
4:15এবার কোন রাক্ষস সামনে এলে তাকে কুচিয়ে
4:17ফেলবো। [মিউজিক] এই বলে সে ছুরিটা এমন
4:19ভাবে ঘোরায় যে গুরুর গায়েই লেগে
4:21যাচ্ছিল। গুরু বেশ ভয় পেয়ে যান। তখন
4:23হিরো হঠাৎ গুরুকে জড়িয়ে ধরে। এত
4:25ভালোবাসার কারণ কি? কারণ হিরো গুরুর পকেট
4:28থেকে একটা জাদুকরী কম্পাস যন্ত্র চুরি
4:30করছিল। ওই যন্ত্রটা বিপদের সংকেত দেয় আর
4:33রাস্তা দেখায়। হিরো যন্ত্রটা নিয়ে সেখান
4:35থেকে বেরিয়ে পড়ে। অন্যদিকে গুরুর একজন
4:37অ্যাসিস্টেন্ট ছিল তার নাম লি। আগে যারা
4:40মুক্ত খুঁজতে গিয়ে মারা গেছে তাদের লেজ
4:42গুলো ঝোলানো আছে। গুরু লিকে বলেন আমার মনে
4:45হচ্ছে ওই সাদা [মিউজিক] মুক্তটা এই ছেলেই
4:47পাবে। তাই ওর পথে অনেক বিপদ আসবে। তুমি ওর
4:50পেছন পেছন যাও আর ওকে রক্ষা করো। গুরুর
4:53কথা মেনে লি হিরোর খোঁজে বেরিয়ে পড়ে।
4:55অন্যদিকে আমাদের হিরো একটা বাজারের মধ্যে
4:57হাজির হয়। সে মনের আনন্দে মুরগির লেগ
4:59পপিস চিবিয়ে খাচ্ছে। সেই বাজারেই
5:01[মিউজিক] একটা লোক তার গাঁধা নিয়ে ঘুরে
5:03বেড়াচ্ছে। লোকটার নাম ওয়াং। ওয়াং হাতে
5:05একটা ছবি নিয়ে সবাইকে দেখাচ্ছে। সে তার
5:08হারিয়ে যাওয়া দাদাকে খুঁজছে। খুঁজতে
5:10খুঁজতে ওয়াং হিরোর কাছেও যায়। হিরো তখন
5:12মাংস খাচ্ছিল। হিরো তার ভয়ঙ্কর মুখ নিয়ে
5:14পেছনে ঘুরে। ওয়াং [মিউজিক] ঘাবড়ে গিয়ে
5:16বলে তুমি তোমার খাবার খাও আমি আসছি। এই
5:19বলেই সে ওখান থেকে চলে যায়। হিরোর চুরি
5:21করা যন্ত্রটা এবার কথা বলে ওঠে। যন্ত্রটা
5:24বলে, তুমি যে মুক্তটা খুঁজোছো সেটা এই
5:26বাজারেই আছে। যন্ত্রটা হিরোকে হাতের
5:28অসম্পূর্ণ চিহ্নের কথা মনে করিয়ে দেয়।
5:31যন্ত্রটা বলে, কারোর সাথে এই চিহ্ন মেলে
5:33কিনা সেটা মিলিয়ে দেখো। হিরো তখন একজন
5:35মহিলার দিকে তাকায়। [মিউজিক] মহিলার
5:37মাথার খোপাটা ঠিক ওই কানের চিহ্নের মতো
5:39দেখতে ছিল। হিরো ওই মহিলার পিছু নেয়।
5:41কিন্তু একটু পরেই সে দেখে বাজারের
5:43বেশিরভাগ মানুষেরই একই রকম খোপা করা। হিরো
5:46তখন একদম কনফিউজড হয়ে যায়। সে বুঝতে
5:48পারে না মুক্তটা কার কাছে আছে। হিরো তখন
5:51একটা গাধার কাছে যায়। হিরো গাধাটাকে
5:53জিজ্ঞেস করে, তোমার কাছে কি মুক্ত আছে?
5:55ঠিক তখনই গাধার মালিক ওয়াং সেখানে আসে।
5:57ওয়াং বলে, তুমি কি গাঁধাটাকে ভাড়ায়
6:00নেবে? [মিউজিক] হিরো রেগে গিয়ে বলে, আমার
6:01গাধা লাগবে না। এরপর হিরো তার যন্ত্রটাকে
6:04বকা দেয়। যন্ত্রটা বলে আমি শুধু লোকেশন
6:06বলতে পারি। সঠিক মানুষটাকে তোমাকেই খুঁজে
6:08বের করতে হবে। হিরো এরপর বাজারের একটা
6:10ভিড়ের দিকে এগিয়ে যায়। সেখানে এক
6:12জাদুকর ডাক্তার মানুষের রোগ সারাচ্ছিলেন।
6:15ডাক্তারের আঁকা ছবিগুলো সত্যি সত্যি
6:17জ্যান্ত হয়ে উঠছিল। [মিউজিক] সেখানে একটা
6:19ছোট্ট মেয়ে ভীষণ অসুস্থ ছিল। ডাক্তার
6:21একটা মেয়ের ছবি আঁকেন। তারপর ছবির
6:23মেয়েটার পা কেটে দেন। ছবি থেকে সত্যি
6:25সত্যি রক্ত বের হতে থাকে। ডাক্তার সেই
6:28রক্ত ছোট্ট মেয়েটাকে খাইয়ে দেন। সাথে
6:30সাথে [মিউজিক] ছোট্ট মেয়েটা একদম সুস্থ
6:32হয়ে যায়। ডাক্তার তখন ছবিটা মেয়েটির
6:34বাবার হাতে দেন। ডাক্তার বলেন, এই ছবি
6:36থেকে রক্ত নিয়ে মেয়েটিকে খাওয়াবে।
6:38তাহলে মেয়েটি পুরো ঠিক হয়ে যাবে।
6:39মেয়েটির বাবা খুব খুশি হয়ে সেখান থেকে
6:41চলে যান। হিরো জাদুকরকে দেখে ভয় পেয়ে
6:44যায়। হিরো মনে মনে ভাবে এই লোকটা আমাকেও
6:46সুপ বানিয়ে খেয়ে নেবে। হিরো চুপি চুপি
6:48ভিড় থেকে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সে
6:50ধাক্কা খেয়ে সোজা ওয়াং এর গায়ে পড়ে।
6:52এরপর একে একে ধাক্কা লেগে হিরো সোজা সেই
6:54গাঁধাটার কাছে গিয়ে পড়ে। হিরোর যন্ত্রটা
6:56সংকেত দিয়ে ওঠে। যন্ত্রটা বলে মুখ তো
6:59এখানেই আছে। হঠাৎ যন্ত্রের জোরালো আলো
7:01গাধাটা চোখে পড়ে। গাধাটা বিরক্ত হয়ে
7:03হিরোর মুখে একলাতি মারে। বাজারের বাকি
7:06গাধাগুলো রেগে যায়। তারা হিরোকে মারার
7:08জন্য তেড়ে আসে। হিরো কোনমতে সেখান থেকে
7:10পালায়। গাধাগুলো পুরো বাজার তচনচ করে
7:12দেয়। হিরো দৌড়াতে দৌড়াতে একটা তাবু
7:14ভেঙে ফেলে। ওয়াং এসে হিরোকে জিজ্ঞেস করে,
7:16তুমি কি ঠিক আছো? হিরো গাধাটাকে দেখে আবার
7:19ভয় পায়। সে গাঁধাটাকে [মিউজিক] এক মার
7:21মারে। গাধাটা ভয় পেয়ে সেখান থেকে দৌড়ে
7:23পালায়। ওয়াং চিৎকার করে ওঠে। ওয়াং গাধার
7:25পেছনে দৌড়াতে শুরু করে। পুরো বাজারে তখন
7:27চরম বিশৃঙ্খলা চলছে। পালানো গাধাটা হঠাৎ
7:30ঘুরে ফিরে আসে। গাধাটা এসে সজোরে হিরোর
7:32গোপন অঙ্গে ধাক্কা মারে। গাধাটা হিরোকে
7:35ঘাড়ের উপর তুলেই দৌড়াতে শুরু করে। পেছন
7:37থেকে ওয়াং চিৎকার করতে থাকে। [মিউজিক]
7:39ঠিক তখনই বাজারের ওই জাদুকর ডাক্তার ওয়াং
7:42এর পিঠে একটা জাদুর মন্ত্র ছুড়ে মারে।
7:44ডাক্তার কেন এমন করলো সেটা আমরা পরে জানতে
7:46পারবো। গাধাটা হিরোকে নিয়ে জঙ্গলের ভেতর
7:48চলে যায়। সেখানে হিরোকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে
7:51গাধাটা পালিয়ে [মিউজিক] যায়। একটু পরে
7:52হাঁপিয়ে হাপিয়ে ওয়াং সেখানে পৌঁছায়।
7:54ওয়াং হিরোকে ধরে ফেলে। ওয়াং বলে আমার
7:57গাধা [মিউজিক] কোথায়? হিরো বলে, তোমার
7:58গাধা পালিয়ে গেছে। এর জন্য আমি দায়ী নই।
8:01আমি চললাম। ওয়াং তাকে ছাড়তে রাজি হয়
8:03না। হিরো তখন চালাকি করে। হিরো [মিউজিক]
8:05বলে, আরে দেখো সাদা ইগল পাখি। ওয়াং
8:08অন্যদিকে তাকাতেই হিরো দৌড় লাগায়। ওয়াং
8:10ও হিরোর পেছনে দৌড়াতে শুরু করে। দৌড়াতে
8:12দৌড়াতে দুজনে হাঁপিয়ে মাটিতে শুয়ে
8:14পড়ে। হিরো বিরক্ত হয়ে বলে, "তুমি আমার
8:16পেছনে কেন পড়ে আছো? তুমি [মিউজিক] কি
8:18চাও? ওয়াং বলে, তুমি আমার গাধা খুঁজে
8:20দাও। তাহলে আমি তোমাকে ছেড়ে দেব। হিরো
8:22বলে আমি তোমাকে অন্য একটা গাধা এনে দেবো।
8:24ওয়াং বলে না আমার ওই গাধাটাই চাই। ওটা
8:27আমার দাদার স্মৃতি। হিরো তখন বাধ্য হয়ে
8:29বলে ঠিক আছে [মিউজিক] আমি কাল সকালে তোমার
8:31গাধা খুঁজে দেবো। এখন আমাকে একটু বিশ্রাম
8:33নিতে দাও। আসলে হিরো রাস্তা ভুলে
8:35গিয়েছিল। সে চুপি চুপি যন্ত্রের কাছে
8:37রাস্তা জানতে চায়। যন্ত্রটা তখন বলে, আরে
8:39বোকা, তুমি যে মুক্তটা খুঁজো, সেটাই ওয়াং
8:42এর শরীরেই আছে। তুমি যেকোনো উপায়ে ওর
8:44সাথে বন্ধুত্ব করো। এটা শুনে হিরো ভীষণ
8:46খুশি হয়ে যায়। সে ওয়াং এর সাথে খুব
8:48মিষ্টি করে কথা বলতে শুরু করে। হিরো বলে,
8:50তুমি কি সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে
8:52যাচ্ছো? ওয়াং [মিউজিক] বলে, হ্যাঁ। হিরো
8:54তখন বলে আমি তোমাকে সাহায্য করব। ওয়াং
8:57হিরোর এমন ব্যবহার দেখে বেশ অবাক [মিউজিক]
8:59হয়ে যায়। একটু পর ওয়াং খাবার খাচ্ছিল।
9:01হিরো এক দৃষ্টে ওয়াং এর দিকে তাকিয়ে
9:03থাকে। ওয়াং তখন তার খাবার থেকে একটু
9:05হিরোকে দেয়। হিরো খাবারটা মুখে দিয়েই
9:08থুতু করে ফেলে দেয়। ওয়াং তখন নিজের
9:10দুঃখের কথা বলে। ওয়াং বলে, আমার দাদা
9:12হারিয়ে যাওয়ার পর থেকে আমার ঠাকুরমা
9:14ঠিকমতো খায় না। সে সারাক্ষণ দাদার কথাই
9:17ভাবে। রাত নেমে আসে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে
9:20হিরোকে সাবধান করে দেয়। ওয়াং বলে তুমি
9:22আমার থেকে দূরে ঘুমাও তোমাকে আমার বিশ্বাস
9:25নেই। তুমি হয়তো ঘুমের ঘোরে আমার কিডনি
9:27চুরি করে নেবে। একটু পর ওয়াং গভীর ঘুমে
9:29তলিয়ে যায়। [মিউজিক] কিন্তু হিরোর চোখে
9:31ঘুম নেই। হঠাৎ কেউ একজন সেখানে আসে। হিরো
9:34সাথে সাথে নিজের ছুরি বের করে। কিন্তু
9:36লোকটা আর কেউ নয়। সে হলো গুরুর
9:38অ্যাসিস্টেন্ট লি। লি বলে তুমি সঠিক
9:41লোকটাকে খুঁজে পেয়েছো। এবার ওর বিশ্বাস
9:43অর্জন করতে হবে। তুমি ওকে বড় কোন বিপদে
9:46ফেলবে। আর তারপর তুমি ওকে বাঁচাবে। তাহলেই
9:48ও তোমাকে বিশ্বাস করবে। হঠাৎ ওয়াং ঘুমের
9:51ঘোরে উঠে বসে বিড়বিড় করতে থাকে। লি ভয়
9:53পেয়ে লাফিয়ে দূরে সরে যায়। পরে বোঝা
9:55যায় ওয়াং ঘুমের ঘোরে হাঁটছিল। এটা দেখে
9:58লি বেশ লজ্জা পেয়ে যায়। হিরো তখন লিকে
10:01একটা সাহায্য করতে বলে। লি তখন নিজের রূপ
10:03বদলে সেই হারিয়ে যাওয়া গাধা হয়ে যায়।
10:06সকালে ঘুম থেকে উঠে গাধাটাকে দেখে ওয়াং
10:08ভীষণ খুশি হয়। এরপর তারা আবার যাত্রা
10:11শুরু করে। তারা দুজনে [মিউজিক] নিজেদের
10:13নাম বলে পরিচিত হয়। ওয়াং গাধাটাকে নিজের
10:16দাদার মতই ভালোবাসতে শুরু করে। অনেকক্ষণ
10:18হাঁটার পর তারা একটা গ্রামে এসে পৌঁছায়।
10:20[মিউজিক] ততক্ষণে অন্ধকার হয়ে গেছে। তারা
10:22ঠিক করে আজ রাতেই এই গ্রামেই থাকবে। ওয়াং
10:25গ্রামের এক ছেলেকে একটা হোটেলের কথা
10:27জিজ্ঞেস করে। ছেলেটা কোন কথা না বলে শুধু
10:29আঙ্গুল মুখে দিয়ে চুপ থাকতে বলে। তারপর
10:32একটা দিকে ইশারা করে। তারা ওই ইশারা করা
10:35দিকে যায়। সেখানে একটা একাডেমীর বোর্ড
10:37লাগানো ছিল। [মিউজিক] হঠাৎ তাদের পেছনে
10:39একজন শিক্ষক এসে দাঁড়ান। শিক্ষক ওয়াংকে
10:41বলেন, তোমাকে দেখে খুব মেধাবী মনে হচ্ছে।
10:43তুমি কি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছ? ওয়াং
10:46বলে হ্যাঁ। শিক্ষক তখন বলেন তুমি আমাকে
10:48টাকা দাও আমি তোমাকে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে
10:50দেব। ওয়াং রেগে গিয়ে বলে পড়াশোনা কোন
10:53ব্যবসার জিনিস নয়। আমি এভাবে পাশ করতে
10:55চাই না। ওয়াং শুধু এক রাতের জন্য একটা ঘর
10:58চায়। শিক্ষক রাজি হয়ে যান। রাতের বেলা
11:00হিরো একটা প্রদীপ নিয়ে বাইরে বের হয়।
11:02হঠাৎ তার পায়ের কাছে একটা ব্যাঙ এসে বসে।
11:05হিরো অবাক হয়ে দেখে ব্যাঙটা লাফাতে
11:07লাফাতে সোনার টুকরো পায়খানা করছে। হিরো
11:10আনন্দে সেই সোনার টুকরো গুলো কুড়োতে
11:12থাকে। সে সোনা কুড়াতে কুড়াতে ওয়াং এর ঘরের
11:14সামনে দিয়ে চলে যায়। ওয়াং এর হঠাৎ ঘুম
11:16ভেঙে যায়। সে হিরোকে বাইরে যেতে দেখে পিছু
11:19নেয়। হঠাৎ [মিউজিক] হিরোর একটা চিৎকার
11:20শোনা যায়। ওয়াং ভাবে হিরো হয়তো বিপদে
11:23পড়েছে। সে হিরোকে খুঁজতে বাইরে আসে।
11:25একাডেমী চত্তরে এসে ওয়াং দেখে পড়াশোনা করা
11:28সব ছাত্ররা উধাও হয়ে গেছে। শুধু সেই
11:31শিক্ষক সেখানে বসে আছেন। ওয়াং জিজ্ঞেস করে
11:33সবাই কোথায় গেল? [মিউজিক] শিক্ষক জলের
11:35দিকে ইশারা করেন। ওয়াং জলের দিকে ঝুঁকে
11:38দেখতে যায়। ঠিক তখনই জলের ভেতর থেকে একটা
11:40বিশাল ব্যাঙের জিপ বেরিয়ে আসে। জিপটা
11:43ওয়াংকে টেনে জলের ভেতরে নিয়ে যেতে লাগে।
11:46কোনমতে জলের বাইরে এসে ওয়াং একটা ভয়ঙ্কর
11:48দৃশ্য দেখে। [মিউজিক] সে দেখে একাডেমির সব
11:51ছাত্ররা মাকর্ষার জালে আটকা পড়ার মত
11:53দেওয়ালে আটকে আছে। এই সবই ওই ব্যাঙের
11:56কাজ। ওয়াং ভয়ে পালাতে যায়। কিন্তু সে
11:58দেখে একটা বিশাল আকারের ব্যাঙ রাস্তা আটকে
12:01দাঁড়িয়ে আছে। ব্যাঙটা হা করে ওয়াংকে
12:03গিলে খেতে যায়। ঠিক তখনই হিরো লাফিয়ে
12:05ব্যাঙটার পিঠে চড়ে বসে। ব্যাঙটা ছিটকে
12:08হিরোকে ফেলে দেয়। তারপর ব্যাঙটা তার
12:10লম্বা জীব দিয়ে [মিউজিক] ওয়াং আর হিরোকে
12:12ধরতে চেষ্টা করে। তারা দুজনে কোনোমতে জীব
12:14থেকে বাঁচতে এদিক ওদিক লাফাতে থাকে। হিরো
12:17তখন একটা বুদ্ধি খাটায়। সে চালাকি করে
12:19ব্যাঙটার জীব একটা খুঁটির সাথে পেছিয়ে
12:21বেঁধে দেয়। কিন্তু ব্যাঙটা অনেক
12:23শক্তিশালী ছিল। সে এক ঝটকায় খুঁটি ভেঙে
12:26ফেলে। হিরো আর ওয়াং দৌড়াতে শুরু করে।
12:28ব্যাঙটা তখন জোরালো শ্বাস টেনে হাওয়া
12:30নিজের দিকে টানতে শুরু করে। ধুলবালি সব
12:32ব্যাঙের মুখের দিকে উড়ে যেতে থাকে। তারপর
12:35ব্যাঙটা সেই হাওয়া সজোরে বাইরে ছাড়ে।
12:37হিরো আর ওয়াং দেওয়ালে আছড়ে পড়ে
12:39টিকটিকির মত আটকে যায়। তারা দুজনে
12:41পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তারা দেখে
12:43একাডেমীর সেই আটকে থাকা ছাত্ররা এখন ভূত
12:46হয়ে গেছে। ভূতগুলো তাদের ঘিরে ধরে। তারা
12:49ভয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। তখন ব্যাঙটা
12:51তার জিব দিয়ে ওয়াংকে ধরতে আসে। ওয়াং
12:53ভয়ে জোরে চিৎকার করে ওঠে। হিরো একটা ঘরে
12:56ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। হিরো [মিউজিক]
12:58বলে, চুপ করো। ওরা আমাদের আওয়াজ শুনে
13:00ফেলবে। কিন্তু ততক্ষণে ভূতগুলো তাদের ঘিরে
13:02ফেলে। হিরো আর ওয়াং যেদিকেই যায় ভূত গুলো
13:05রাস্তা আটকে [মিউজিক] দেয়। একসময় হিরো
13:07ভুল করে একটা ভূতের হাত ধরে ছুটতে থাকে।
13:09সে ভেবেছিল ওটা ওয়াং। পরে বুঝতে পেরে সে
13:12ভূতটাকে এক লাথি মারে। তারপর হিরোকে
13:14খুঁজতে গিয়ে ওয়াং একটা দরজা খোলে। ঠিক
13:16তখনই দরজাটা সজোরে হিরোর কপালে লাগে।
13:19ওয়াং হিরোকে বলে, দুঃখিত ভাই বুঝতে
13:21পারিনি। [মিউজিক] চলো এখান থেকে পাড়াই।
13:23তারা একটা পুকুরে ঝাপ দিয়ে পালানোর কথা
13:25ভাবে। কিন্তু পুকুরের জল বরফের মত হয়ে
13:28গেছে। তারা জলের ভেতর ঢুকতেই পারে না।
13:30ব্যাঙটা তখন ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে কথা বলে
13:32ওঠে। ব্যাঙটা বলে তুমি ওই ছেলেটাকে রেখে
13:35চলে যাও। আমি শুধু ওকে খাবো। তোমাকে কিছু
13:38করবো না। হিরো তখন বলে আমি ওকে ছেড়ে যাবো
13:40না। দরকার হলে আমি ওর সাথেই থাকবো।
13:43ব্যাঙটা তখন রেগে গিয়ে হিরোকে গিলে ফেলে।
13:45এটা দেখে [মিউজিক] ওয়াং আরো ভয় পেয়ে
13:47যায়। সে চিৎকার করতে করতে একটা গাছের
13:50আড়ালে লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু দেখা
13:51[মিউজিক] যায় হিরো খুব সহজেই ব্যাঙের মুখ
13:54থেকে বেরিয়ে আসে। আসলে এই পুরো বিষয়টা
13:56ছিল হিরোর সাজানো নাটক। গুরুর কথা
13:59অনুযায়ী ওয়াং এর বিশ্বাস অর্জন করার
14:01জন্যই হিরো এই পরিকল্পনা করেছিল। ব্যাঙটাও
14:03ছিল হিরোর বন্ধু লি। এদিকে ওয়াং একটা বড়
14:07মশাল নিয়ে হিরোকে বাঁচাতে ছুটে আসে।
14:09ওয়াং চিৎকার করে বলে, আমার বন্ধুকে ছেড়ে
14:12দে। এটা দেখে লি আবার ব্যাঙের রূপ ধরে
14:14অভিনয় শুরু করে। হিরো আবার ব্যাঙের মুখে
14:16ঢুকে যায়। ওয়াং ব্যাঙটার কাছে এসে বলে,
14:19ওকে ছেড়ে দে, নইলে আমি তোকে পোড়াবো।
14:21ব্যাঙটা তখন ব্যথায় ছটফট করতে থাকে। হিরো
14:24ভেতর থেকে বলে, আরে ওকে কিছু একটা করো
14:26আটকাও নইলে ও তোমাকেই মেরে ফেলবে। ব্যাঙটা
14:29তখন আবার হাওয়া টানতে শুরু করে। ওয়াং এর
14:31হাতে থাকা অনেকগুলো জিনিস ব্যাঙের মুখের
14:33ভেতর ঢুকে যায়। হিরো দেখে জিনিসগুলো আসলে
14:36অনেকগুলো বোমা। হিরো ভাবে আজ তার শেষ দিন।
14:39ব্যাঙটা হা করতেই হিরোর রকেটের মত ছিটকে
14:42বাইরে বেরিয়ে আসে। হিরো দেওয়ালে ধাক্কা
14:44খেয়ে মাটিতে পড়ে যায়। ওয়াং দৌড়ে
14:46হিরোর কাছে আসে। ওয়াং ভাবে সে হিরোকে
14:49বাঁচিয়েছে। কিন্তু সে [মিউজিক] দেখে হিরো
14:51অর্ধেক শিয়াল হয়ে গেছে। হিরোর লেজ
14:53বেরিয়ে এসেছে। অন্যদিকে লি ব্যাঙটা
14:55অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে আছে। ততক্ষণে আসল
14:58লি তার স্বাভাবিক রূপে ফিরে আসে এবং
15:00সবাইকে অজ্ঞান করে দেয়। এরপর আমরা সবাইকে
15:03একটা নৌকায় দেখি। লি ব্যাঙের দিকে
15:05তাকিয়ে বলে তুমি আমাকে এই পরিকল্পনার কথা
15:07আগে কেন বলোনি? লি আরো বলে যদি ওর কাছে
15:10সাদা মুক্ত না থাকে তাহলে আমি জানি কি
15:12করতে হবে। [মিউজিক] ঠিক তখনই ওয়ামের
15:14আওয়াজ শোনা যায়। লি তখন ভয় পেয়ে
15:16ধাক্কা মেরে জলে ফেলে দেয়। তারপর লি
15:18নিজেও জলে ঝাঁপ [মিউজিক] দেয়। ওয়াং
15:20পর্দা সরিয়ে বাইরে উঁকি মারে। সে দেখে
15:22হিরো লেজ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ওয়াং চমকে
15:25গিয়ে ভেতরে লুকিয়ে পড়ে। হিরো তখন
15:27ওয়াংকে বলে ভয় পেয়ো না আমি আবার
15:29মানুষের রূপ নিচ্ছি। হিরো তার স্বাভাবিক
15:31রূপে ফেরে। হিরো ওয়াংকে বলে, 500 বছর আগে
15:34আমি পাহাড় থেকে পড়ে যাচ্ছিলাম। তুমি
15:36আমাকে বাঁচিয়েছিলে। কিন্তু তুমি নিজে
15:38খাদে পড়ে মারা যাও। তাই এবার আমি তোমাকে
15:40সাহায্য করতে এসেছি। ওয়াং এসব কথা
15:43বিশ্বাস করতে পারে না। ওয়াং বলে আমি অনেক
15:45বেড়াল কুকুর বাঁচিয়েছি কিন্তু কোন
15:47শিয়াল বাঁচাইনি। হিরো তখন বোঝায় যে এটা
15:49অনেক জন্ম আগের কথা। হিরো বেশ আহত
15:52হয়েছিল। ওয়াং একটা জাদুকরী ওষুধ হিরোর
15:54কপালে লাগিয়ে দেয়। হঠাৎ ওয়াং এর তার
15:56গাধাটার কথা মনে পড়ে। ওয়াং জিজ্ঞেস করে,
15:59আমার গাঁধা কোথায়? জলে পড়ে গাধারূপী
16:01লিয়র রূপ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাই লি
16:04গাধা থেকে আবার মানুষ হয়ে গেছে। ওয়াং
16:06তখন হিরোকে তার জাদুকরী শক্তি দেখাতে বলে।
16:08হিরো একটা পাথর নিয়ে শুধু একটা আঙ্গুল
16:10দিয়ে চমৎকার একটা মূর্তি খোদাই করে
16:12দেখায়। রাত গড়িয়ে যায়। তারা দুজনে
16:15একটা নৌকা করে যাত্রা শুরু করে। নৌকাটা
16:17নিজে থেকেই এগিয়ে যাচ্ছিল। আসলে লি আর
16:20ছোট ব্যাঙ গুলো মিলে জলের তলা থেকে নৌকাটা
16:22ঠেলছিল। কিন্তু হিরো ওয়াংকে বলে আমার
16:25জাদুর শক্তির জন্যই এই নৌকা নিজে নিজে
16:27চলছে। ওয়াং তো অবাক। নৌকায় যেতে যেতে
16:29হিরো ওয়াংকে বলে আমি তোর কাছে ঋণ। আমি
16:32তোর তিনটে ইচ্ছে পূরণ করব। বল তোর প্রথম
16:35ইচ্ছে কি? ওয়াং বলে আমি আমার দাদাকে
16:37খুঁজে পেতে চাই। দাদা আমাকে ছোটবেলা থেকে
16:39খুব ভালোবাসতো। তাই ওকে খোঁজাটাই আমার
16:41জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। এরপর সিন কাট হয়।
16:44হিরো আর ওয়াং জিয়াং ক্যাং নামের একটা
16:46শহরে এসে পৌঁছায়। লি এই শহরের কথাই
16:48বলেছিল। শহরটা দেখতে ভীষণ সুন্দর ছিল।
16:51তারা দুজনে হা করে শহরের সৌন্দর্য দেখতে
16:54থাকে। এই শহরেই ওয়াং এর সেই পরীক্ষা
16:56হওয়ার কথা ছিল। হাঁটতে হাঁটতে তারা একটা
16:58পতিতাপল্লী পার হয়। হিরো সেখানকার
17:00মেয়েদের দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। হঠাৎ একটা
17:02ছোট ছেলে এসে ওয়াংকে বলে একজন তোমার জন্য
17:05অপেক্ষা করছেন। ওয়াং ভাবে তার দাদা হয়তো
17:07এসেছে। সে ছেলেটার সাথে একটা বাড়ির ভেতর
17:10ঢুকে পড়ে। কিন্তু এটা আসলে ছিল হিরোর আরো
17:12একটা সাজানো নাটক। এখানে লি মেয়ে সেজে
17:15বসেছিল। এই বাড়িতে ওয়াংকে নিয়ে আসার
17:17আসল কারণ ছিল তার শরীরের মুক্তটা সাদা
17:20নাকি কালো সেটা পরীক্ষা করা। ওয়াং এখন
17:22একটা আলাদা ঘরে একা বসেছিল। হঠাৎ একটা
17:24মেয়ে উড়ে এসে তার সামনে দাঁড়ায়। এই
17:26মেয়েটাই আসলে একটা ভূত। [মিউজিক] সেই
17:28পরীক্ষা করে দেখবে ওয়াং এর মুক্তটা সাদা
17:31নাকি কালো। ওয়াং এই মেয়েটার রূপ দেখে
17:33মুগ্ধ হয়ে যায়। ওয়াং তখন মেয়েটাকে চুমু
17:35খেতে যায়। কিন্তু তখনই তার মনে পড়ে যে এমন
17:38কাজ করা ঠিক নয়। সে নিজেকে নিজেই চড় মারে।
17:40চড় মারতে গিয়ে তার ঠোঁট থেকে একটু রক্ত
17:43বের হয়ে আসে। রক্তের গন্ধ পেয়ে মেয়েটা
17:45ক্ষেপে যায়। ওয়াং ভয় পেয়ে বলে, আমাকে মাফ
17:47করবেন। আমি আমার দাদাকে খুঁজতে এসেছিলাম।
17:50আমি এখন আসছি। এই বলে ওয়াং দরজার দিকে
17:52এগোয়। [মিউজিক] কিন্তু মেয়েটা তাকে আটকাতে
17:54যায়। তখন ওয়াং একটা ফুলদানের নিচে ফেলে
17:56দেয়। সেটা তুলতে গিয়ে তার হাতে কাঁচ ফুটে
17:59রক্ত বের হয়। এই রক্ত দেখে মেয়েটা আর
18:01নিজেকে সামলাতে পারে না। সে ওয়াং এর রক্ত
18:03খেতে এগিয়ে যায়। ঠিক তখনই মেয়েটা ছিটকে
18:06দূরে গিয়ে [মিউজিক] পড়ে। মেয়েটা বুঝতে
18:07পারে না কি হলো। সে কোনমতে নিজেকে সামলে
18:10নেয়। আসলে বাজারে ওই জাদুকর ডাক্তার
18:13ওয়াং এর পিঠে যে জাদুর মন্ত্র লিখে
18:15দিয়েছিল সেটাই এখন ওয়াংকে বাঁচাচ্ছে।
18:17[মিউজিক] ওয়াং পেছন ফিরতেই মেয়েটা আবার
18:19ছিটকে গিয়ে ধাক্কা খায়। ওয়াং ভয় পেয়ে
18:21জিজ্ঞেস করে, ম্যাডাম আপনার কি হলো?
18:24মেয়েটা তখন রেগে গিয়ে বলে তুমি যা খুশি
18:26করো কিন্তু তোমার পিঠ আমাকে দেখিও না
18:28ওয়াং বলে ঠিক আছে ম্যাডাম কিন্তু একটু
18:30পরেই মেয়েটার জামা সরে যায় আর ওয়াং
18:33পিছনে ফিরতেই মেয়েটা আবারো ছিটকে গিয়ে
18:35সজোরে দেওয়ালে ধাক্কা খায় ওয়াং তখন
18:38মেয়েটাকে খুঁজতে থাকে সে দেখে মেয়েটার
18:40ফিতে মাটিতে পড়ে আছে সেটা তুলতে গিয়ে
18:42ওয়াং এর পিঠ [মিউজিক] আবার মেয়েটার দিকে
18:44ঘোরে এবার মেয়েটা ছিটকে গিয়ে ছাদ ভেঙে
18:47সোজা আকাশে উড়ে যায় বাইরে হিরো তখন
18:49গ্যাজেটার সাথে কথা বলছিল সে খেয়ালই করে
18:52না যে মেয়েটা উড়ে যাচ্ছে মেয়েটা আবার
18:54নিচে নেমে এসে কাঁদতে থাকে। ওয়াং ভয় পেয়ে
18:57বলে, ম্যাডাম আমাকে ক্ষমা করুন। প্লিজ
18:59কাঁদবেন না। মেয়েটা তখন ওয়াং এর রক্ত চুষে
19:01খেতে শুরু করে। ওয়াং তখন ঘোরের মধ্যে বলে
19:04ওঠে আমি যদি বিয়ে করি তবে আপনাকেই করব।
19:07কথাটা শুনে মেয়েটা থমকে যায়। মেয়েটা তখন
19:09ওয়াংকে চোখ বন্ধ করে হাত তুলতে বলে। ওয়াং
19:12ভাবে হয়তো মেয়েটা তাকে চুমু খাবে। কিন্তু
19:14মেয়েটা আসলে ওয়াং এর শরীরে মুক্ত খুঁজছিল।
19:17অনেক খোঁজার পরেও মেয়েটা মুক্তটা খুঁজে
19:19পায় না। ওয়াং তখন চোখ খুলে বলে, আমি কি
19:21আপনাকে বই পড়ে শোনাবো?" ওয়াং বই পড়তে শুরু
19:24করে। মেয়েটা তখন একটা সুন্দর মিউজিক
19:26বাজায়। মেয়েটা সত্যি সত্যিই ওয়াং এর
19:28প্রেমে পড়ে যায়। সে মুগ্ধ হয়ে ওয়াং এর
19:30দিকে তাকিয়ে থাকে। এরপর ওয়াং ঘুমিয়ে পড়লে
19:33মেয়েটা বাইরে আসে। হিরো তাকে জিজ্ঞেস করে,
19:35কি পেলে? মেয়েটা বলে, আমি তন্ন তন্ন করে
19:38খুঁজেছি। কিন্তু ওর শরীরে কোন মুক্ত নেই।
19:40হিরো তখন মেয়েটাকে বিদায় করে দেয়। পরের
19:43দিন সকালে নৌকায় ওয়াং শুধু ওই মেয়েটার
19:45কথাই ভাবতে থাকে। সে বিড়বিড় করে বলতে
19:47থাকে, আমি তোমাকেই বিয়ে করব। হিরো এসব
19:50শুনে অবাক হয়ে যায়। অন্যদিকে লি ওই জিয়াং
19:53মেয়েটাকে আটকে রেখে প্রচন্ড অত্যাচার
19:55করছিল। মেয়েটার প্রাণ একটা পদ্মফুলের
19:57মধ্যে লুকানো ছিল। লি ওই পদ্মফুলটা চেপে
20:00ধরেছিল। মেয়েটা ব্যথায় ছটফট করছিল। লি
20:02রেগে গিয়ে বলে আমি তোমাকে শুধু একটা কাজ
20:05দিয়েছিলাম। ওর শরীরের মুক্তটা খুঁজতে
20:07বলেছিলাম। তুমি সেটুকুও পারোনি। লি কেন
20:09এমন করছিল সেটা এখনো পরিষ্কার নয়। পরের
20:12দিন হিরো আর ওয়াং পরীক্ষার জায়গায় পৌঁছায়।
20:14সেখানে অনেক মানুষ পরীক্ষা দিতে এসেছিল।
20:16হঠাৎ একটা বয়স্ক লোক আনন্দে চিৎকার করে
20:18ওঠে আমি পাস করেছি। আমি পাস করেছি। লোকটার
20:21আনন্দ দেখে ওয়াং একটু নার্ভাস হয়ে যায়।
20:24সে একা একটা ফাঁকা জায়গায় গিয়ে বলে
20:26আমিও এই পরীক্ষায় পাশ করব। হঠাৎ আকাশ
20:28থেকে একটা বিশাল বাজ পড়ে। ওয়াং খুশি
20:31হয়ে হিরোকে বলে দেখলেই ভগবান আমার কথা
20:33শুনেছেন। ওই বাজটা ভগবানই ফেলেছেন। হিরো
20:36তখন চেঁচিয়ে বলে আমিও সবচেয়ে সেরা
20:38শিয়াল হব। তারা দুজনে মিলে এত জোরে
20:40চিৎকার করছিল যে ভগবান হয়তো রেগেই
20:43গিয়েছিলেন তাই আকাশ থেকে আরো একটা বাজ
20:45সোজা লিয়ের মাথার উপর গিয়ে পড়ে। লি এর
20:48পুরো শরীর পুড়ে কালো হয়ে যায়। এরপর
20:50ওয়াং এর পরীক্ষা শুরু হয়। ওয়াং মনোযোগ
20:52দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। আর হিরো পাশে বসে
20:54একটা আস্ত মুরগি নিয়ে মনের আনন্দে
20:56চিবিয়ে খাচ্ছে। খেতে খেতে সে অন্যদের
20:58পরীক্ষা দেওয়া দেখে। পরীক্ষা চলতে চলতে
21:01রাত হয়ে যায়। হঠাৎ বাইরে সেই বয়স্ক
21:03লোকটা চিৎকার করতে শুরু করে। ভূত ভূত
21:06পাহারাদাররা তাকে ধরাধরি করে বাইরে বের
21:08করে দেয়। হঠাৎ হিরোর শরীরের ভেতর একটা
21:10অদ্ভুত অনুভূতি হয়। সে বুঝতে পারে ওই
21:12জিয়াং মেয়েটার আত্মা তার শরীরের ভেতর
21:15ঢুকে পড়েছে। হিরো রেগে গিয়ে বলে তুমি
21:17আমার শরীরের ভেতর কি করছো? এক্ষুনি বের
21:19হও। মেয়েটা তখন বলে
21:21>> [মিউজিক]
21:21>> দাঁড়াও আমি একটা দরকারি কথা বলতে এসেছি।
21:23এই পরীক্ষা কেন্দ্রে যারা আছে তারা সবাই
21:26আসলে ভূত। এরা এখানে আসা ছাত্রদের
21:28[মিউজিক] আত্মা চুষে খাওয়ার জন্য এই
21:30পরীক্ষার আয়োজন করেছে। মেয়েটা আরো বলে
21:32একটু পরেই ওয়াং এর আত্মাও ওর শরীর থেকে
21:34বেরিয়ে আসবে। তখন ওর শরীরের মুক্তর কোন
21:37পরিবর্তন হবে না। তুমি খুব সহজেই ওর সাদা
21:39মুক্তটা নিয়ে নিতে পারবে। তুমি তো 500
21:42বছর ধরে এরই অপেক্ষা করছিলে। সুযোগটা
21:44হাতছাড়া করো না। এই বলে মেয়েটার আত্মা
21:46হিরোর শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। যাবার আজে
21:48সে বলে মুক্তটা পাওয়ার পর আমাকে সাহায্য
21:51করতে ভুলো না। হিরো যদি চায় তবে এই
21:53মুহূর্তেই ওয়াং এর শরীর থেকে মুক্তটা বের
21:55করে নিতে পারে। কিন্তু সে দ্বিধায় পড়ে
21:57যায়। সেভাবে মুক্তটা নেবে কিনা। অন্যদিকে
22:00ওয়াং হঠাৎ চোখ মেলে তাকায়। সে দেখে
22:02মানুষজন তার শরীরের ভেতর দিয়ে হেঁটে চলে
22:04যাচ্ছে। ওয়াং বুঝতে পারে না কি হচ্ছে। সে
22:07আসলে তখন আত্মার রূপ নিয়েছে। হঠাৎ ভিড়ের
22:09মধ্যে ওয়াং একটা পরিচিত মুখ দেখতে পায়।
22:11[মিউজিক] দাড়িওয়ালা একটা লোক বসে আছে।
22:13ওটাই ওয়াং এর দাদা। অনেক বছর পর দাদাকে
22:16দেখে ওয়াং আনন্দে কেঁদে ফেলে। সে দৌড়ে
22:18গিয়ে দাদাকে বলে, দাদা আমার দিকে তাকাও।
22:20আমার সাথে কথা বলো। কিন্তু তার দাদার
22:22শরীরের ভেতর একটা ভয়ানক ভূত ছিল। ভূতরা
22:25তার আসল রূপ দেখিয়ে ওয়াংকে আক্রমণ করতে
22:27যায়। ঠিক তখনই হিরো এসে ওয়াংকে বাঁচায়।
22:30ওয়াং রেগে গিয়ে হিরোকে বলে, তুই কি
22:32করছিস? ওটা আমার দাদা। আমাকে ওর সাথে কথা
22:35বলতে দে। হিরো তখন বলে তোমার দাদা অনেক
22:37আগেই মারা গেছে। ওটা তোমার [মিউজিক] দাদা
22:39নয়। ওটা একটা ভয়ানক ভূত। চলো এখান থেকে
22:42পালাই। ওয়াং তখন বুঝতে পারে যে ওটা
22:44সত্যিই তার দাদা [মিউজিক] নয়। ওটা একটা
22:45রাক্ষস। হিরো আর ওয়াং পালানোর চেষ্টা
22:48করে। কিন্তু ভূতরা তাদের পিছু ছাড়ে না।
22:50ভূতরা জাদুর মন্ত্র ব্যবহার করে তাদের
22:52আক্রমণ করতে থাকে। হিরো সেই জাদুর
22:54মন্ত্রগুলো কোনমতে আটকে দেয়। একসময়
22:57ভূতরা ওয়াং [মিউজিক] এর আত্মাকে একটা
22:58অন্ধকার গর্তের দিকে টেনে নিতে শুরু করে।
23:00হিরোর গ্যাজেটটা তাকে সতর্ক করে বলে,
23:02খবরদার [মিউজিক] ওই গর্তে ঢুকো না। কিন্তু
23:05হিরো সে কথা না শুনে ওয়াংকে বাঁচাতে সোজা
23:07সেই মরণ গর্তে ঝাঁপ দেয়। গর্তের ভেতর
23:09পড়ে গিয়ে ওয়াং দেখে। সেখানে অনেক ভূত
23:12বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। [মিউজিক] আর হিরো উপর
23:14থেকে উড়ে আসছে। সেই ভয়ানক ভূতরা জাদুর
23:17মন্ত্র দিয়ে হিরোকে পিছিয়ে মেরে ফেলার
23:19চেষ্টা করে। নিচে ওয়াং এর দাদা তার নিজের
23:21নাতিকেই চিনতে পারছে না। সে ওয়াং
23:23[মিউজিক] এর আত্মা চুষে নেওয়ার চেষ্টা
23:25করছে। তখন হিরো তার গ্যাজেটটা বের করে।
23:27গ্যাজেটটা বলে আমি এই লোকটার পুরনো স্মৃতি
23:30ফিরিয়ে আনতে পারি। গ্যাজেটটা থেকে একটা
23:32উজ্জ্বল আলো বের হয়ে দাদার চোখে পড়ে।
23:34আলোটা লাগতেই দাদার সব স্মৃতি ফিরে আসে।
23:37সে তার নিজের ভাইকে চিনতে পারে। আসলে
23:39ওয়াং এর দাদা ভূত ছিল না। সেও এই
23:41একাডেমিতে পরীক্ষা দিতে এসেছিল। সে খুব
23:43ভালো ছাত্র ছিল। কিন্তু বারবার পরীক্ষায়
23:46ফেইল করে সে ভেঙে পড়ে। শেষমেষ হতাশা থেকে
23:48সে আত্মহত্যা করেছিল। এরপর তার আত্মাকে ওই
23:51ভূত গুলো নিজেদের দলে টেনে নেয়। স্মৃতি
23:53ফিরে পাওয়ার পর দাদা ওয়াংকে বলে আমি
23:55[মিউজিক] প্রতিদিন তোর কথা ভেবেছি তুই তো
23:57আমার প্রাণ কিন্তু আমাদের ভাগ্য আমাদের
24:00আলাদা করে দিল দাদা হিরোর দিকে তাকিয়ে
24:02বলে তোর শরীরের ভেতর যে সাদা মুক্ত আছে এই
24:05শিয়ালটা সেটার জন্যই তোর সাথে ঘুরে
24:07বেড়াচ্ছে ওর থেকে সাবধানে থাকিস হিরোর
24:09হাতের গ্যাজেটটা তখন তাদের বাঁচাতে নিজের
24:11শেষ শক্তিটুকু ব্যবহার করে গ্যাজেটটা একটা
24:14বিশাল আলোর বিস্ফোরণ ঘটায় সেই আলোতে
24:16সেখানে থাকা সব আত্মা মুক্তি পেয়ে যায়
24:19ওয়াং এর দাদাও শান্তিতে মুক্তি পায় সবাই
24:21আবার বাস্তবে ফিরে আসে সে হিরোকে তার জীবন
24:24বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ জানায়। হিরো তখন
24:26ভেঙে যাওয়া গ্যাজেটটা দেখিয়ে বলে, আমি
24:28তোকে বাঁচাইনি। এই গ্যাজেটটা বাঁচিয়েছে।
24:30ওয়াং এর তখন তার দাদার কথা মনে পড়ে। সে
24:33হিরোকে জিজ্ঞেস করে, তোর কি আমার শরীরের
24:35মুক্তটা চাই? তুই চাইলে আমি নিজেই তোকে
24:37মুক্তটা দিয়ে দেব। হিরো কোন কথা বলতে
24:39পারে না। সে চুপ করে বসে থাকে। ওয়াং তখন
24:42বলে, তুই কি আমার দ্বিতীয় ইচ্ছেটা পূরণ
24:44করবি? হিরো জিজ্ঞেস করে, কি ইচ্ছে? ওয়াং
24:47বলে, ওই জিয়াং মেয়েটার আত্মাকে তোকে
24:49বাঁচাতে হবে। ওকে জোর করে এই খারাপ কাজ
24:52করানো হয়েছিল। ও কষ্টে আত্মহত্যা করেছিল।
24:54[মিউজিক] ওর আত্মা এতই শক্তিশালী ছিল যে ও
24:57একটা পদ্মফুলের ভেতর লুকিয়ে ছিল। কিন্তু
24:59এখন ও একটা ভূত হয়ে গেছে। ওকে বাঁচাতে
25:02গেলে শুধু একটা উপায় আছে। যদি কোন মানুষ
25:04ওকে সত্যি ভালোবাসে আর বিয়ে করে [মিউজিক]
25:06তবেই ও মুক্তি পাবে। ও আবার সাধারণ মানুষ
25:09হয়ে যাবে। আমি ওকে সত্যি ভালোবাসি। আমি
25:11ওকে বিয়ে করতে চাই। তুই কি আমাকে সাহায্য
25:14করবি? এরপর সিন [মিউজিক] কাট হয়। ওয়াং
25:16সোজা জিয়াং এর কাছে চলে যায়। সে
25:18জিয়াংকে গিয়ে বলে আমি তোমাকে ভালোবাসি।
25:20তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? জিয়াং তো আকাশ
25:23থেকে পড়ে। সে বলে [মিউজিক] তুমি আমাকে না
25:25জেনেই এমন কথা বলছো? ওয়াং বলে আমি তোমার
25:28সব কথা জানি। আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই।
25:30জিয়াং রেগে গিয়ে বলে তুমি কি পাগল?
25:32[মিউজিক] আমাকে বিয়ে করলে তুমি কিছুদিনের
25:34মধ্যেই মরে যাবে। ওয়াং বলে তাতে আমার কোন
25:37আক্ষেপ নেই। জিয়াং অবাক হয়ে বলে তুমি
25:40আমার জন্য এত কিছু কেন করছো? ওয়াং বলে
25:42[মিউজিক] আমার একটা খুব ভালো বন্ধু আছে। ও
25:45আমার প্রাণের চেয়েও দামি। আর তোমাকেও আমি
25:47প্রথম দেখাতেই ভালোবেসে ফেলেছি। তুমি এই
25:49নরকে থাকো সেটা আমি চাই না। আমি তোমাকে
25:52বাঁচাতে চাই। তুমি আমার স্ত্রী। এই কথা
25:54শুনে জিয়াং এর চোখে জল চলে আসে। [মিউজিক]
25:56সে ওয়াংকে বিশ্বাস করে। জিয়াং ওয়াং এর হাত
25:59ধরে বলে, চলো এখান থেকে পালাই। তারা দুজনে
26:01মিলে পালাতে শুরু করে। কিন্তু লি তাদের
26:03আটকানোর চেষ্টা করে। হিরো তখন লিকে আটকে
26:06দেয়। এদিকে হিরো জিয়াং এর পথ আটকে দাঁড়ায়।
26:09জিয়াং ওয়াংকে বলে, ওকে বিশ্বাস করো না। ও
26:11তোমার শরীরের মুক্তর জন্য তোমার সাথে আছে।
26:14চলো আমরা পালাই। কিন্তু হিরো তাদের যেতে
26:16দেয় না। হিরো আর জিয়াং এর মধ্যে লড়াই
26:18শুরু হয়ে যায়। ওয়াং মাঝখানে এসে বলে
26:21প্লিজ ওকে মেরো না। ওকে ছেড়ে দাও। জিয়াং
26:24বলে তুমি পাগল হয়েছো? ও তোমার মুক্তর
26:26জন্য তোমার সাথে আছে। ওয়াং তখন বলে ও
26:29চাইলে আমার মুক্ত নিতে পারে। জিয়াং বলে,
26:32মুক্ত নিলে তুমি মারা যাবে। তাতেও তোমার
26:34আপত্তি নেই। [মিউজিক] লড়াইয়ের এক
26:36পর্যায়ে জিয়াং হিরোকে মেরে ফেলার চেষ্টা
26:38করে। ওয়াং তখন কাঁদতে থাকে। সে বলে,
26:41প্লিজ ওকে মেরো না। তুমি যা চাইবে আমি তাই
26:43দেব। ঠিক তখনই হিরোকে বাঁচানোর জন্য লি
26:46পেছন থেকে জিয়াংকে ছুরি দিয়ে গেঁথে
26:48দেয়। ওয়াং এর মন ভেঙে যায়। সে চিৎকার
26:50করে ওঠে। জিয়াং মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার
26:53আগে ওয়াংকে বলে, আমার [মিউজিক] রূপ দেখে
26:55অনেকেই মুগ্ধ হয়েছে। কিন্তু তুমিই প্রথম
26:57যে আমার মনটাকে দেখেছো। তোমার ভালোবাসায়
27:00আমি ধন্য। [মিউজিক] এই বলে জিয়াং এর
27:02আত্মা চিরকালের জন্য মিলিয়ে যায়। ওয়াং
27:04এই শোখ সহ্য করতে পারে না। সে হাউমাউ করে
27:07কাঁদতে থাকে। হিরো তার কাছে আসে। হিরোর
27:10হাতে তখনো একটা ছুরি ছিল। ওয়াং হিরোকে
27:12দেখে রেগে যায়। সে চিৎকার করে বলে, তুই
27:15তো আমার সাদা মুক্তর জন্যই এত কিছু করলি।
27:17নে [মিউজিক] এবার নিয়ে নে তোর মুক্ত।
27:19হিরো বলে, না ভাই আমার কাছে মুক্তর চেয়ে
27:21তুই বেশি দামি। আমি [মিউজিক] চাইলে অনেক
27:23আগেই মুক্তটা নিতে পারতাম। কিন্তু আমি
27:25তোকে বন্ধু ভেবেছি। আমি তোর কোন ক্ষতি করব
27:28না। ওয়াং হিরোকে বিশ্বাস করে না। সে
27:30হিরোকে মারতে শুরু করে। হিরো তখন বলে, তুই
27:33আমাকে বিশ্বাস করছিস না তো? দাঁড়া আমি
27:35নিজের প্রাণ দিয়ে প্রমাণ করছি। এই বলে
27:37হিরো নিজের পেটে ছুরি বসিয়ে দিতে যায়।
27:39ঠিক তখনই সেখানে একটা জাদুর দরজা খুলে
27:42যায়। হিরো সেই দরজার ভেতর দিয়ে গায়েব
27:44হয়ে যায়। ওয়াং অবাক হয়ে সেই দিকে
27:46তাকিয়ে থাকে। হিরো চোখ খুলে দেখে সে
27:48গুরুর গুহায় ফিরে এসেছে। আর সেখানে সেই
27:51জাদুকর ডাক্তারও উপস্থিত আছেন। হিরো কিছুই
27:53বুঝতে পারে না। গুরু তখন বলেন তোমার উপর
27:56নজর রাখার জন্যই আমি ওই ডাক্তারকে
27:58পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলাম। তুমি তো একটা মস্ত
28:00বড় ভুল করতে যাচ্ছিলে। হিরো তখন বলে আমি
28:03ওই সাদা মুক্ত নিয়েইনি। গুরু রেগে গিয়ে
28:06বলেন, আরে বোকা 500 বছর আগে কি হয়েছিল
28:08জানো? তুমি পাহাড় থেকে পড়ে যাচ্ছিলে।
28:11তখন ওই ওয়াং তোমাকে বাঁচিয়েছিল। কিন্তু
28:13তুমি ওকে বাঁচাতে পারোনি। ও নিচে পড়ে
28:15মারা গিয়েছিল। তখন তোমার এক ফোঁটা চোখের
28:18জল ওর গায়ে পড়েছিল। সেই চোখের জলটাই আজ
28:21জন্ম জন্মান্তর পেরিয়ে ওর শরীরে সাদা
28:23মুক্ত হয়ে ফুটে উঠেছে। তাই ওই মুক্তটা
28:25নেওয়া তোমার অধিকার। এটা তোমার 500 বছরের
28:28তপস্যা। বেশি কিছু ভেবো না। [মিউজিক] যাও
28:30গিয়ে ওর শরীর থেকে মুক্তটা নিয়ে এসো।
28:32হিরো তখন জিজ্ঞেস করে, আমি যদি মুক্তটা
28:35নিয়ে নিই, তাহলে ওয়াং এর কি হবে? গুরু
28:37এই কথার কোন পরিষ্কার উত্তর দেন না। হিরো
28:40বেশ বিভ্রান্ত হয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে
28:41পড়ে। অন্যদিকে ওয়াং একটা বাঁশ বাগানের
28:44ভেতর দিয়ে অনুমনে হেঁটে যাচ্ছিল। হঠাৎ
28:46হিরো এসে তার পথ আটকায়। হিরো ওয়াংকে
28:48বলে, আমি তোকে যা বলেছিলাম সব মিথ্যে। তোর
28:51শরীরের সাদা মুক্তটা নেওয়ার জন্যই আমি এত
28:54কিছু করেছি। কিন্তু এখন আমার ওই মুক্তটা
28:56চাই না। আমি শুধু তোর কাছে ক্ষমা চাইতে
28:58এসেছি। আমাকে মাফ করে দিস। এই বলে হিরো
29:01সেখান থেকে চলে যেতে চায়। কিন্তু
29:02[মিউজিক] ওয়াং তাকে আটকে দেয়। ওয়াং বলে
29:05আমি জীবনে সবচেয়ে বেশি ভালোবেসেছিলাম
29:07জিয়াংকে। আর তোর সাথে কাটানো সময়গুলোই
29:10আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় ছিল। এখন
29:12আমার আর কিছু পাওয়ার নেই। তোর তো এই
29:14মুক্তটা চাই? নেয়ে নে। এই বলে ওয়াং তার
29:18ছুরি দিয়ে নিজের পেট কেটে মুক্তটা বের
29:20করতে যায়। কিন্তু অবাক [মিউজিক] কান্ড।
29:22ওয়াং এর পেট থেকে যে মুক্তটা বের হয়
29:24সেটা সাদা নয় কালো। [মিউজিক] আর তার
29:26সামনে দাঁড়িয়ে থাকা হিরো তো আসল হিরো
29:28নয়। আসল হিরো তো তখনো বাঁশবাগানের ভেতর
29:31দিয়ে দৌড়ে আসছিল। তাহলে এই লোকটা কে? এই
29:33লোকটা আর কেউ নয়। সেই শয়তান লি সেই
29:36হিরোর রূপ ধরে এসে ওয়াংকে ধোঁকা দিয়েছে।
29:39লিরও ওই সাদা মুক্তটা দরকার ছিল। তাই সে
29:41ওয়াংকে মেরে মুক্তটা নেওয়ার ফন্দি
29:43করেছিল। [মিউজিক] কিন্তু সে তো কালো মুক্ত
29:45পেয়েছে। লি তখন রাগে গজগজ করতে থাকে। সে
29:48বলে ধুস। এই কালো মুক্ত দিয়ে আমি কি করব?
29:51এত কষ্ট সব চলে গেল। মরার আগে ছেলেটা কত
29:54ইমোশনাল কথাই না বলল। এই বলে লি হেলে তুলে
29:57সেখান থেকে চলে যেতে থাকে। ওয়াংকে মৃত
30:00অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে হিরোর রক্ত উঠে
30:02যায়। সে সোজা লি এর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
30:04দুজনের মধ্যে এক ভরঙ্কর লড়াই শুরু হয়।
30:07প্রথমে হিরো লিকে বেদম প্রহার করে। কিন্তু
30:10কিছুক্ষণ পর লি একটা বিশাল কালো শিয়ালের
30:12রূপ নেয়। কালো শিয়ালের রূপ নেওয়ার পর
30:15লি অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সেই
30:17হিরোকে এমন মারা মারে যে হিরো মাটিতে
30:19লুটিয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে লি হিরোর বুকে
30:22একটা বড় গর্ত করে দেয়। হিরো প্রায় মর মর
30:24অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকে। হিরো ঘাড়
30:27ঘুরিয়ে পাশে পড়ে থাকা ওয়াং এর
30:28মৃতদেহটার দিকে তাকায়। [মিউজিক] ওয়াং এর
30:30পাশে সেই কালো মুক্তটা পড়েছিল। ঠিক তখনই
30:33একটা বড় ম্যাজিক হয়। কালো মুক্তটা ধীরে
30:36ধীরে সাদা হয়ে যায়। আসলে ওয়াং মরার আগে
30:38সম্পূর্ণ মন থেকে চেয়েছিল যে মুক্তটা যেন
30:41হিরোই পায়। তার সেই ইচ্ছার জোরেই কালো
30:44মুক্তটা সাদা হয়ে যায়। মুক্তটা শরীরে
30:46ঢোকার সাথে সাথেই হিরো এক বিশাল লাল
30:48শিয়ালের রূপ নেয়। এরপর শুরু হয় আসল
30:51অ্যাকশন। হিরো লিকে ধরে আছড়ে পিছড়ে এমন
30:54মারামারে যে লিয়ের অবস্থা খারাপ হয়ে
30:56যায়। লড়াইয়ের শেষেই হিরো লিয়ের গলা
30:59চেপে ধরে। সে লিকে মেরেই ফেলত। কিন্তু
31:01হঠাৎ তার ওয়াং এর কথা মনে পড়ে। ওয়াং
31:04তাকে বলেছিল তুই একটা ভালো শিয়াল হবি আর
31:06সবাইকে সাহায্য করবি। এই কথা ভেবেই হিরো
31:09লিকে ছেড়ে দেয়। লি কোনমতে সেখান থেকে
31:11প্রাণ নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর হিরো
31:14শান্ত হয়। তার পেছন থেকে জাদুকরী ন টা
31:17লেজ বেরিয়ে আসে। এরপর সিন কাট হয়। দেখা
31:19যায় মৃত ওয়াং হঠাৎ চোখ মেলে তাকায়। সে
31:22বেঁচে উঠেছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো
31:25তার কিছুই মনে নেই। সে বুঝতে পারে না সে
31:27কিভাবে এই বাঁশ বাগানে এলো। [মিউজিক] আর
31:29তার জামাই এত রক্ত কেন? সবচেয়ে বড় কথা
31:32হলো সে হিরোকে পুরোপুরি ভুলে গেছে। বাড়ি
31:34ফেরার পর ওয়াং তার ঘরে রাখা সেই পাথরের
31:37মূর্তিটা দেখতে পায়। মূর্তিটা হিরোই
31:39বানিয়েছিল। মূর্তিটা দেখে ওয়াং এর মনের
31:41ভেতর একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়। কিন্তু সে
31:43বুঝতে পারেনা অনুভূতিটা কিসের? একদিন ওয়াং
31:46জঙ্গলের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ সে একটা
31:48ছোট্ট শিয়াল দেখতে পায়। এই শিয়ালটা আর
31:51কেউ নয় আমাদের হিরো। হিরো একটা সাধারণ
31:54শিয়ালে পরিণত হয়েছে। শিয়ালটাকে একা
31:56ঘুরতে দেখে ওয়াং তাকে আদর করে নিজের
31:58বাড়িতে নিয়ে আসে। এখানে একটা ছোট্ট
32:00ফ্ল্যাশব্যাকে দেখানো হয় আসল ঘটনাটা কি
32:02ঘটেছিল। ওয়াং মারা যাবার পর হিরো ভগবানের
32:05কাছে একটা চুক্তি করেছিল। হিরো বলেছিল
32:07ভগবান এই সাদা মুক্তটা আমার শরীরে আছে
32:10কিন্তু আমার এই অমরত্ব চাই না আপনি আমাকে
32:12একটা সাধারণ শিয়াল বানিয়ে দিন আর আমার
32:14সমস্ত জাদুকরী শক্তি ওয়াং এর শরীরে দিয়ে
32:17দিন ভগবান তার প্রার্থনা মঞ্জুর করেছিলেন।
32:20ফলে হিরো তার সমস্ত জাদুকরী শক্তি হারিয়ে
32:22একটা সাধারণ শিয়ালে পরিণত হয়। আর ওয়াং
32:25বেঁচে ওঠে। ওয়াং তার বাড়িতে নিয়ে আসা
32:27শিয়ালটার নাম রাখে থার্টিং। এটা আসলেই
32:29হিরোরই ডাক নাম ছিল। [মিউজিক] ওয়াং এর
32:31অবচেতন মনে হয়তো এখনো হিরোর স্মৃতি রয়ে
32:34গেছে। এখন হিরো ওয়াং এর বাড়িতেই একটা
32:36সাধারণ শিয়াল হিসেবে বেঁচে আছে। আর এভাবেই
32:38এই সুন্দর ফ্যান্টাসি মুভিটার গল্প শেষ
32:41হয়। তো দেখা হবে পরের ভিডিওতে। বাই।