Free YouTube Transcribe

Video transcript

বাস্তব জীবনের হিরো 🔥 | BEST MOTIVATIONAL STORY OF BEAR GRYLLS By Nagar Bioscope | Inspirational

Nagar Bioscope · 1,784 words · 9 min read

Want to search this transcript, jump the video from any line, or download it as TXT, SRT, or VTT?

Open in the transcript tool

Full transcript

0:00ম্যান ভার্সেস ওয়ার্ল্ড ডিসকভারির এই

0:02জনপ্রিয় শুটি শুরু হয়েছিল 2006 সালে।

0:05তবে আমাদের ফিরে যেতে হবে 10 বছর আগে।

0:07সালটা তখন 1996। বিয়ারগিলস তার বন্ধুদের

0:10সাথে আফ্রিকায় ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন।

0:12সেখান থেকে তিনি জিম্বাবুয়েতে যান স্কাই

0:15ড্রাইভিং এর জন্য। প্যারাসুটিং এ

0:16বিয়ারগিলসের বেশ ভালোই অভিজ্ঞতা ছিল। এর

0:18আগেও তিনি বেশ কয়েকবার স্কাই ড্রাইভিং

0:20করেছিলেন। সবকিছু প্ল্যান মোতাবেক চলছিল।

0:23ফ্রেন্ড তখন মাটি থেকে প্রায় 16,000 ফিট

0:25উপরে। হঠাৎ গ্রীনলাইট জ্বলে উঠল। আর

0:27বিমানের দরজা খুলে গেল। একজন বলে উঠলেন

0:30যাও যাও যাও সাথে সাথে সবাই বিমান থেকে

0:32লাফাতে শুরু করল বিয়ারগিলসও সবার সাথে

0:34লাফ দিলেন প্রায় 200 কিলোমিটার প্রতি

0:36ঘন্টা স্পিডে তিনি নিচে পড়তে থাকেন মাটি

0:39থেকে উচ্চতা 15000 ft তারপর 10 ft 5000 ft

0:42কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিয়ারগিস মাটি

0:44থেকে 3500 ft উপর এসে পৌঁছায় এবার সময়

0:47এসেছে প্যারাসুট খোলার সাথে সাথেই তিনি

0:50তার প্যারাসুটটি খুলে দিলেন কিন্তু

0:51প্যারাসুট খোলার পরেও কিছুতেই তার নিচে

0:54পড়ার স্পিড কম ছিল না বিয়ারগিস একটু

0:56অবাক হলেন। ভাবলেন প্যারাসুট খোলার পরেও

0:58কিভাবে এত বেশি স্পিড থাকতে পারে তাই তিনি

1:00উপরের দিকে তাকালেন। এরপর যা দেখেন তা

1:03দেখার পর বিয়ার পুরো প্যানিক হয়ে

1:04গিয়েছিলেন। তিনি দেখতে পান তার

1:06প্যারাসুটটি ঠিকমতো খোলা হয়নি।

1:07প্যারাসুটের রশিগুলো একটির সাথে অন্যটি

1:09প্যাচ খেয়ে আছে। তার ফলে প্যারাসুটটি তার

1:11গতি কমাতে পারছে না। এমন সিচুয়েশনে তিনি

1:14প্যারাসুটের রশিগুলো ধরে নাড়াচাড়া করতে

1:16শুরু করেন। বারবার চেষ্টা করতে থাকেন

1:18প্যাচ খেয়ে থাকা রশিগুলোকে স্বাভাবিক

1:20অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু তিনি ব্যর্থ

1:22হন। ফলাফল কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মাটিতে

1:24আছরে পড়েন। এরপর চোখে মুখে অন্ধকার দেখতে

1:27শুরু করেন। মাটিতে পড়ে তিনি ব্যথায়

1:28কাতরাচ্ছেন। ব্যথার তীব্রতা এতটাই বেশি

1:31ছিল যে তার মনে ছিল কেউ তার মেরুদণ্ডের

1:33ভিতরে পাথর ঢুকিয়ে দিয়েছে। বিয়ের

1:35অপেক্ষা করতে থাকেন কখন তার বন্ধুবান্ধব

1:38তাকে এখান থেকে উদ্ধার করবে। এভাবে কেটে

1:40যায় বেশ কয়েক ঘন্টা। প্রায় চার থেকে

1:42সাড়েচার ঘন্টা পর তার বন্ধুরা তাকে খুঁজে

1:44পায়। এরপর একটি গাড়িতে করে পাশের একটি

1:46হাসপাতালে নিয়ে যায়। বিয়ারগিল বলেছিলেন

1:49তখন তার এতটাই ব্যথা অনুভব হচ্ছিল যে তার

1:51মনেতে থাকে এমন ব্যথা সহ্য করার চেয়ে

1:53মৃত্যু ভালো। কিন্তু ওই সিচুয়েশনে তার

1:55মৃত্যু আসছিল না। হসপিটালে নেওয়ার পর

1:58ব্যথার কারণে তিনি বারবার জ্ঞান

2:00হারাচ্ছিলেন। অবশেষে ডাক্তার তাকে ইনজেকশন

2:02দেন। এর ফলে ব্যথা কিছুটা কমতে শুরু করে।

2:04গিয়ার ভাবতে শুরু করলেন হয়তো তিনি ধীরে

2:06ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। পরদিন তিনি

2:08ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করেন, আমি আবার কবে

2:10সুস্থ উঠবো? আমার সুস্থ হতে আর কতদিন সময়

2:13লাগবে? উত্তরে ডাক্তার তাকে একটি এক্স

2:16রিপোর্ট দেখান। রিপোর্টটি সামনে নিয়ে

2:17ডাক্তার দাকে বলেন, তার পিঠের মেরুদণ্ডের

2:19প্রধান তিনটি হার টিট, টিন ও টি 12 ভেঙে

2:22গিয়েছে। মেরুদণ্ডের এই তিনটি হার অনেক

2:25বেশি মজবুত হওয়া সত্ত্বেও বিয়ার গিলসের

2:27এই তিনটি হাড় ভেঙে একদম চূর্ণ-বিচূর্ণ

2:29হয়ে গিয়েছে। ডক্টর আরও বলেন, তুমি আর

2:31কোনদিন হাড়চালো করতে পারবে না। এই কথা

2:33শুনে বিয়ারের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।

2:35কারণ পাহাড়ে চড়া মানুষটি আর কোনদিন

2:37নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে না। এমনকি একা

2:39একা ওয়াশরুম পর্যন্ত যেতে পারবে না।

2:41বিয়ারগিস বলেন, আমার পিঠের হাড়গুলো

2:43ভাঙ্গার সময়ও আমার এতটা কষ্ট হয়নি। যতটা

2:45কষ্ট হয়েছে হসপিটালে থেকে সেই হাড়গুলো

2:48জোড়া লাগাতে গিয়ে। সারাদিন হসপিটালে

2:50শুয়ে শুয়ে তিনি ভাবতেন তার বেঁচে থাকার

2:52উদ্দেশ্যটাই ছিল পৃথিবী ঘুরে বেড়ানো। অথচ

2:54ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। তিনি আর কখনোই

2:57নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন না। এমন জীবন

2:59রেখে আর লাভ কি? মনে মনে নিজেকে নিজেই

3:02দোষারোপ করছিলেন। তিনি নিজেকে বারবার বলতে

3:04থাকেন সেদিন প্যানিক না হয়ে আমি চাইলে

3:06আস্তে ধীরে প্যারাসুটের রশিগুলো ঠিকভাবে

3:08খুলতে পারতাম। কিন্তু আমি কত বড় গাধা যে

3:11সেদিন মাথা ঠান্ডা না রেখে উল্টো প্যানিক

3:13হয়েছি। বারবার তার মাথায় শুধু এই

3:15মোমেন্টগুলোই ঘোরাফেরা করতে থাকে। আর

3:17সেগুলো ভাবতে ভাবতে নিজের উপর প্রচন্ড রাগ

3:19হয় তার। এভাবে প্রায় দুই মাস কেটে গেল।

3:21রিয়াগেস সুস্থ হওয়ার বদলে দিন দিন আরো

3:24অসুস্থ হয়ে পড়ছিল। সময়ের সাথে সাথে তার

3:26অবস্থারও খারাপের দিকে যাচ্ছে। কারণ সে

3:28সময় তার বয়স ছিল মাত্র 21 বছর। ওই বয়সে

3:30যদি কোন যুবক এটা জানতে পারে যে সে কোনদিন

3:33আর নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে না তখন তার

3:35মানসিক শক্তি হারিয়ে ফেলা অস্বাভাবিক

3:37কিছু না। বিয়ারির সাথেও ঠিক এমনটা

3:39হয়েছে। দিন দিদিন হতাশাগ্রস্ত হতে শুরু

3:41করে। ডিপ্রেশন তাকে সবদিক থেকে কাবু করে

3:43ফেলেছিল। রাধে তার ঘুম আসতো না। উল্টো আরো

3:45শ্বাসকষ্ট হতো। তার আশেপাশে থাকা পরিচিত

3:48মানুষ এগুলো দেখে প্রচন্ড অবাক হতো। কারণ

3:50মানসিকভাবে শক্তিশালী একটা ছেলে দিন দিন

3:52হতাশাগ্রস্ত ভীত হয়ে পড়ছে। কিছুদিন পর

3:56হসপিটাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়। বাড়িতে

3:57এসে শুয়ে শুয়ে তিনি ভাবতে থাকেন আমি কি

3:59আবার আর্মিতে জয়েন করতে পারবো? কখনো কি

4:01আবার আগের মত হাঁটতে পারব? হঠাৎ তার চোখ

4:04যায় দেয়ালে থাকা মাউন্ট এভারেস্টের একটা

4:06ছবির উপরে। কিন্তু কেইবা জানতো দেয়ালের

4:08এই ছবিটির কারণেই বিয়ার নতুন এক জীবনের

4:10সন্তান পাবে। ছোটবেলা থেকেই বিয়ারগিলসো

4:13তার বাবার স্বপ্ন ছিল মাউন্ট এভারেস্টে

4:15চড়া। কিন্তু সেই সময়টাতে তিনি তো ঠিকমতো

4:17নিজের পায়ে দাঁড়াতেই পারছিলেন না। তবে

4:19হঠাৎ করেই তিনি এমন কিছু করে বসেন যা তিনি

4:21নিজেও কখনো এক্সপেক্ট করেননি। পিঠে মেটাল

4:24বেস থাকার পরেও তিনি নিজের বিছানা থেকে

4:26উঠে পড়েন। কোনমতেই গড়িয়ে গড়ি সেই

4:28ছবিটা পর্যন্ত পৌঁছায়। দেয়াল থেকে

4:30সেটিকে হাতে নেয়। আর মনে মনে বলেন যাই

4:32হোক না কেন আমি শুধু নিজের পায়ে

4:34দাঁড়াবোই না সাথে মাউন্ট এভারেস্টের

4:36চড়েও দেখাবো। সেই সময় বিয়ারগলি যা

4:38পরিকল্পনা করেছিলেন সাধারণ দৃষ্টিতে তা

4:40ছিল প্রায় একেবারেই অসম্ভব। ব্রিটিশ

4:42আর্মিরা মাউন্ট এভারেস্ট অনেকগুলো মিশন

4:44করেন। তার মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সবগুলোই

4:46ব্যর্থ হয়। এমনকি এত বড় একটা ইনজুরির পর

4:49তাকে বলা হয় তিনি আর কখনো উপর থেকে লাভ

4:51দিতে পারবেন না। আর আর্মি থেকেও তাকে কোন

4:53মিশনে নিতে রাজি হননি। তাই তিনি আর্মি

4:55থেকে রিজাইন নিয়ে নেন। রিজাইন নেওয়ার পর

4:57বিয়ের পরিকল্পনা করেন আর্মির পরিচয় নেয়

4:59বরং নিজের পরিচয় তিনি সেই মিশন কমপ্লিট

5:01করবেন। কিন্তু এত বড় একটা মিশনের জন্য তো

5:04তার অনেকগুলো টাকার প্রয়োজন। অন্যদিকে

5:06তখন তার কাছে এতগুলো টাকা ছিল না। তাই

5:08তিনি বিভিন্ন কোম্পানি ও মানুষের কাছে

5:10স্পন্সরশিপের জন্য আবেদন করতে শুরু করেন।

5:12কিন্তু কেউই তাকে স্পন্সর করতে রাজি হননি।

5:15কিন্তু হঠাৎ একদিন সাইকেল চালাতে চালাতে

5:17তিনি একটি কোম্পানির অফিসের সামনে এসে

5:19পৌঁছান। কোন চিন্তাভাবনা ছাড়াই তিনি

5:21কোম্পানির ভিতরে প্রবেশ করেন। রিসিপশনে

5:23গিয়ে সরাসরি বলেন আমাকে শুধু দু মিনিটের

5:25জন্য আপনাদের সিইও এর সাথে দেখা করতে দিন।

5:28তাকে কোনভাবেই দেখা করতে দেওয়া হচ্ছিল

5:30না। কিন্তু অনেক রিকোয়েস্ট করার পর অনেক

5:32বোঝানোর পর তাকে কোম্পানির সিইওর কাছে

5:34নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুজন ব্যক্তি

5:36খুব মনোযোগ সহকারে তার প্রস্তাবটি শুনে।

5:38অবিশ্বাস্যভাবে তারা বিয়ার গিলসের স্বপ্ন

5:40সাহস আর মনোবল দেখে তাদের স্পন্সরশিপ

5:43রিকোয়েস্টটি একসেপ্ট করে নেয় এবং

5:44বিয়ারের স্বপ্ন পূরণের সঙ্গী হয়। অবশেষে

5:47এসএসএফএ সংস্থার সাহায্যে তিনি নেমে পড়েন

5:49তার স্বপ্ন পূরণের রাস্তায়। এসএস এএফএ

5:52হলো একটি যুক্তরাজ্যের দাতব্য সংস্থা যা

5:54ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ মহিলা

5:57প্রবীণ সৈনিক ও তাদের পরিবারকে সহায়তা

5:59প্রদান করে। প্যারাসুটিং দুর্ঘটনার 18 মাস

6:01পর 1998 সালের 16ই মে তিনি তার শৈশবের

6:04স্বপ্ন পূরণ করার জন্য মাউন্ট এভারেস্টের

6:06চুড়ায় পৌঁছানোর যাত্রা শুরু করেন। যদিও

6:09সেই যাত্রাটি মোটেও সহজ ছিল না। বেশ

6:11কয়েকটি বড় বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে

6:13বহুবার তিনি প্রাণে বেঁচে যান। অবশেষে

6:15মাউন্টেন প্রথম দ্বিতীয় এই দুটি ক্যাম্প

6:17পার করে তিনি পৌঁছান তৃতীয় নম্বর

6:19ক্যাম্পে। শুধু আরেকটি ধাপ তারপর পৌঁছে

6:21যাবেন স্বপ্নের সেই এভারেস্টের চূড়ায়।

6:23কিন্তু ঠিক তখনই আরেকটি বাধা তার সামনে

6:26চলে আসে। হঠাৎ তিনি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে

6:28পড়েন। ডক্টর তাকে কিছুদিন বিশ্রাম নিতে

6:30বলেন। কিন্তু আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানা

6:32যায় মাউন্টেনে খুব বড় ধরনের একটি ঝড়

6:34আসতে চলছে। আর সেই ঝড় হওয়ার পর

6:36মাউন্টেনের চুড়ায় ওঠা কারো পক্ষেই সম্ভব

6:38হবে না। অন্যদিকে বিয়ারের সুস্থ হতে হতে

6:41সেই ঝড় এসে পড়বে। সব আশা হারিয়ে

6:43সৃষ্টিকর্তাকে সেদিন তিনি বলেছিলেন আমাকে

6:45কি আরেকটু সুযোগ দেওয়া যায় না? সেদিন

6:47বিয়ারের কথাগুলো হয়তো সৃষ্টিকর্তা

6:49শুনেছেন। যার মনে এত আত্মবিশ্বাস এত সাহস

6:52তাকে সৃষ্টিকর্তা কিভাবে বারবার খালি হাতে

6:54ফেরায়। তাইতো একদম মাউন্টেনের কাছে সে

6:56ঝড়টি অন্যদিকে মোড় নেয়। ফলে মাউন্টেনের

6:59চোড়ায় ওঠার জন্য তিনি আরো দুদিন সময়

7:01পেয়ে যান। অসুস্থ বিয়ার গিলস পুরো

7:02উদ্যমের সাথে আবার তার যাত্রা শুরু করেন।

7:04তিনি পৌঁছে যান এভারেস্টের 26,000 ফিট

7:06উপরে যাকে এভারেস্টের দেশ জোন বলা হয়।

7:09এখানে অক্সিজেনের পরিমাণ এতটাই কম যে কিছু

7:11সময়ের মধ্যেই মানুষ মারা যায়। যারা যারা

7:13এভারেস্টে চুড়ে উঠতে চেয়েছিলেন তাদের

7:15বেশিরভাগ মানুষের মৃত্যু এখানেই হয়েছে।

7:17আশেপাশে তিনি অনেক মানুষের মৃতদেহ দেখতে

7:19পান যেগুলো হয়তো কয়েক বছর আগের। ভেতর

7:21থেকে তার মনে একটি ভয় কাজ করতে শুরু করে।

7:24কিন্তু তিনি নিজেকে বলেন, দেয়ার ইজ নো

7:26প্ল্যান বি। সকল ভয়ভীতি কাটিয়ে তিনি

7:28আবার উপরে চড়তে শুরু করেন। চড়তে চড়তে

7:30পৌঁছে গেলেন পাহাড়ের চূড়া থেকে মাত্র

7:32400 ফিট দূরে। তার আগে মাত্র 30 জন

7:34ব্রিটিশ নাগরিক এখানে পৌঁছাতে পেরেছিল।

7:36অবশেষে দুর্ঘটনার মাত্র 18 মাস পরেই

7:39বিয়ারগিলস পৌঁছে যান পৃথিবীর সবচেয়ে

7:41উঁচু পাহাড় মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায়।

7:43মাত্র 23 বছর বয়সে এভারেস্টের চুড়ায়

7:45উঠে সবচেয়ে কম বয়সী ব্রিটিশ নাগরিক

7:47ছিলেন তিনি। তিনি দেখিয়ে দেন অসম্ভবকে

7:49কিভাবে সম্ভব করতে হয়? কিভাবে নিজের

7:51স্বপ্ন দিয়ে পূরণ করতে হয়। কিছুদিন আগে

7:54বিয়ারগিলসকে প্রশ্ন করা হয়। 25 বছর আগে

7:56আপনি যে দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন এখন কি সেই

7:58পেন? আপনার শরীরে আছে? বিয়ার গিলস তখন তার

8:00Instagram প্রোফাইলে নিজের পিঠের একটি ছবি

8:03শেয়ার করেন আর বলেন হ্যাঁ এখনো প্রতিনিয়ত

8:05আমাকে এই ব্যথা সহ্য করতে হয়। বিয়ার

8:07গিলসের মনোবল আত্মবিশ্বাস আর দুঃস্বী সব

8:10অভিযান তাকে এক সাধারণ মানুষ থেকে সুপার

8:12হিরো বানিয়ে দিয়েছে। গল্প কিংবা মুভিতে

8:14তুমি হয়তো অনেক সুপার হিরোকেই দেখেছো।

8:16কিন্তু রিয়েল লাইফে বিয়ার গিলস এর মতো

8:18কজনকে দেখেছো। বিয়ার গিলসের জায়গায় যদি

8:20অন্য কেউ থাকতো তাহলে হয়তো বাকিরা জীবন

8:22হলচেয়ারে বসে কাটিয়ে দিত। কিন্তু

8:24বেয়ারগিসের মনোবল হসপিটালের অভিজ্ঞ সব

8:26ডাক্তারদের মেডিকেল রিসার্চকে ভুল প্রমাণ

8:29করেছে। সৃষ্টিকর্তা যেহেতু তাকে একটা

8:31সুযোগ দিয়েছে তখন সেটাকে কাজে লাগিয়ে তিনি

8:33পুরো পৃথিবীর মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

8:35এখন তোমার মনে হতে পারে যে বিয়ারগিলস

8:37ছোটবেলা থেকেই এমন সাহসী ছিলেন। কিন্তু

8:39আমি তোমাকে জানিয়ে রাখি তোমার এই ধারণা

8:41একদম ভুল। কারণ দুঃসাহস সব অভিযান করেই

8:44বিয়ার গিলসের ছিল একটি বিরল রোগ। যে রোগের

8:46কারণে মানুষ উচ্চতাকে ভয় পায়। হ্যাঁ, ঠিকই

8:48শুনেছো। উচ্চতাকে ভয় পাওয়া এক বিরল রোগে

8:51আক্রান্ত ছিলেন তিনি। একবার তাকে প্রশ্ন

8:53করা হয়েছিল বিয়ার তোমার এই সাফল্যের

8:55রহস্য কি? বিয়ার সেদিন উত্তর দিয়েছিল

8:57আমার সাফল্যের রহস্য হলো কিপ গোইং অর্থাৎ

8:59এগিয়ে যাওয়া। আমি নিজের কাছে ওয়াদা

9:01করেছিলাম আমি আমার পুরোটা জীবন সব ধরনের

9:03ভয়ভীতি ছাড়া বেঁচে থাকবো। পৃথিবীতে দুই

9:05ধরনের মানুষ আছে। একদল হলো সাহসী। যাদের

9:08কোন লিমিট নেই কোন সীমাবদ্ধতা নেই। তারা

9:10জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে কঠিন রাস্তাকে

9:12বেঁচে নেয়। তারা সংগ্রামী প্রতিদিন তারা

9:14নিজের সাথে নিজের লড়াই করে নিজের রেকর্ড

9:16নিজেই ভাঙ্গার চেষ্টা করে। আর এই কারণেই

9:18তাদের সামনে যতই বাধা আসুক না কেন তারা

9:20একদিন না একদিন ঠিকই তাদের লক্ষ্যে

9:21পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে আরেকদল মানুষ আছে

9:24যাদের মূল উদ্দেশ্যই শুধু এই পৃথিবীতে

9:25বেঁচে থাকা। কোনমাতে খেয়ে দিয়ে জীবনকে

9:27চালিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাদের একমাত্র

9:29উদ্দেশ্য। আর কোন কারণে যদি তাদের সামনে

9:31কোন বাধা কিংবা চ্যালেঞ্জ চলে আসে তাহলে

9:33তাদের যাত্রা ওখানেই শেষ। তারা জেতার জন্য

9:35বাঁচে না বরং বেঁচে থাকাকেই নিজের সাফল্য

9:38মনে করে। এখন বুঝতে পারলে তো পার্থক্যটা

9:40আসলে কোথায়? বিয়ারগিলস বলেন, সাহসী হওয়ার

9:42মানে এটা না যে তোমার ভেতরে কোন ভয় থাকতে

9:44পারবে না। বরং সাহসিকতার মানে হলো তোমার

9:46ভেতরে থাকা ওই ভয়টাকে কাটিয়ে ওঠা। মনে

9:49রাখবে জীবন একটাই। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা

9:51তোমাকে অনেকগুলো সুযোগ দেয়। তাই নিজেকে

9:53দুর্বল না ভেবে হাত গুটিয়ে বসে না থেকে

9:55সৃষ্টিকর্তা দেওয়ার সুযোগগুলো কাজে লাগাতে

9:58শুরু করো। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি।

10:00ভালো লাগলে ভিডিওতে একটা লাইক করতে পারো।

10:02দেখা হচ্ছে পরবর্তী ভিডিওতে। ততক্ষণ

10:04পর্যন্ত সাবস্ক্রাইব করে নগর বাইস্কোপের

10:06সাথেই থাকো। থ্যাংকস ফর ওয়াচিং।

This transcript was generated from the captions YouTube publishes for this video. Get the transcript of any YouTube video atfreeyoutubetranscribe.com: free, unlimited, no sign-up.